বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
উত্তরাসুন্ধরা যাবার
পথে একটা রেল
ক্রসিং পড়ে । অনেকেই
গভীর
রাতে সেখানে ৩টামেয়েকে রাস্তা পার
হতে দেখেছে । একজন
নাকি তাদের উপর
দিয়ে গাড়িও
উঠিয়ে দিয়েছিল । কিন্তু
সে যখন গাড়ি থেকে বের
হলো ,
৩টা মেয়ের নাম গন্ধও
ছিল
না সেখানে । এক্সিডেন্ট
তো দূরের
কথা !
এতো গেল উত্তরার বিষয় ।
ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ
যাওয়ার পথেও
নাকি কেউ কেউ রাতের
বেলা একটা মানুষের মত
প্রাণীকে রাস্তা পার
হতে দেখেছে হেডলাইটের
আলোয়।
মানুষের মত প্রাণী বলার
কারণ ,
যে জিনিসটা রাস্তা পার
হয় , তার
শরীর মানুষেরই মত ,
লুঙ্গি আরপাঞ্জাবী পরা ,
কিন্তু
মাথাটা হলো ছাগলের !!
নারায়ণগঞ্জে একটা শ্মশান
ঘাট আছে ।
তার সাথেই একটা মুসলিম
কবরস্থান ।
আজ থেকে ২০-২৫ বছর
আগে যারা এই
এরিয়া দিয়ে রাতের
বেলা গাড়ি নিয়ে যেত ,
তারা অনেকেই
দেখত যে , তাদের গাড়ির
পাশাপাশি ন্যাড়া মাথার
একটা লোক
দৌড়িয়ে সাথে সাথে যাচ্ছে !
গাড়ির
স্পিড যতই বাড়ানো হত
না কেন ,
লোকটার দৌড়ানোর স্পিড
গাড়ির
স্পিডের সমান থাকত !
সবচেয়ে ভয়াবহ
ব্যাপার ছিল ,
লোকটা দৌড়ানোর সময়
গাড়ির ড্রাইভারের
দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকত !!
মিরপুরে মাজারের পাশ
দিয়ে একবার
৬জন
ইয়াং ছেলেমেয়ে ফুলভলিউমে গান
বাজিয়ে হইচই
করতে করতে গাড়ি নিয়ে যাচ্ছিল।
হঠাত্ গাড়িটার
এক্সিডেন্ট হয় ।
ঘটনাস্থলে একজন
মারা যায় ।
অন্যরা গুরুতর আহত হয় ।
পরে তাদেরকে জিজ্ঞেস
করলে জানা যায় যে,
তাদের
গাড়িটা হঠাত্
একটা লোকের
সাথে ধাক্কা খায় ।
লোকটা ছিল
অনেকটা দরবেশের মত ।
লম্বা দাড়ি চুল , মাথায়
পাগড়ি ।
হয়তো মাজারের
সামনে দিয়ে এভাবে গাড়ি নিয়ে যাওয়াটা উনার
পছন্দ হয়নি !!
গজারির বনের পাশ
দিয়ে রাতের
বেলা যাওয়ার সময় বনের
পাশের
রাস্তায়
একটা মেয়ে কে দাড়িয়েথাকতে দেখা যায়
। বিয়ের
শাড়ি পরা থাকে মেয়েটি ।
যারাই
মেয়েটিকে দেখেছে ,
তাদের
গাড়িতেই এসময়ে কোন
না কোন
সমস্যা দেখা দিয়েছে ।
বলা হয়ে থাকে ,
মেয়েটা নাকি বিয়ের
আসর থেকে পালিয়ে তার
প্রেমিকের
জন্য এ
জায়গাতে অপেক্ষা করছিলো ।
মেয়েটার সাথে ছিল
টাকা আর সোনার
অলংকার । তার প্রেমিক
তাকে জবাই
করে গজারির
বনে ফেলে রেখে টাকা আর
গয়না নিয়ে পালিয়ে যায়
। মেয়েটার
ছিন্ন বিচ্ছিন্ন ,
জানোয়ারে খাওয়া লাশ
কিছুদিন পর
বনের ভিতর থেকে উদ্ধার
করা হয় ।
মেয়েটি কি তবে প্রতিশোধ
নিতেই তার
প্রেমিকের জন্য
অপেক্ষা করে রাস্তার
পাশে ?!
উত্তরার কথায়
ফিরে আসি ।
যারা উত্তরা তে বহুদিন
ধরে বাস
করছেন , তারা জানেন
যে উত্তরা ৪০-৫০
বছর আগে পুরোপুরি গ্রাম
ছিল এবং বন
জঙ্গলে ভরা ছিল । তখন
নাকি এসব
জঙ্গলে খারাপ জিনিস
বাস করতো । তখন
যারা স্থানীয়
বাসিন্দা ছিলেন ,
তারা এসব খারাপ
জিনিসের
দ্বারা নানা ভাবে অত্যাচারিত
ও
ক্ষতির সম্মুখীন
হয়েছিলেন । এখনও
উত্তরা ১২ নং সেক্টরের
পরের
সেক্টারগুলোর অনেক
জায়গা বন জঙ্গল
দিয়ে ভরা ।
ধীরে ধীরে সেগুলো সাফ
করে আবাসন প্রকল্প
গড়ে উঠছে ।
আরো জানা যায় ,
উত্তরাতে আগে বহু
পারিবারিক কবরস্থান
ছিল এবং অনেক
কবরস্থান
ভেঙে লাশগুলোকে অন্য
জায়গায় সমাহিত
না করে তার উপরেই
রাস্তা এবং মেইন রোড
তৈরী করা হয়েছে ।
মনে করুন আপনাকে কেউ
জোর করে আপনার
বাড়ি থেকে বের
করে দিলো ।
আপনি তখন
কি করবেন ? হয় জোর
করে বাড়ির দখল
নিতে চেষ্টা করবেন
অথবা ক্ষমতার
জোর না থাকলে প্রতিশোধ
নেয়ার
অপেক্ষায় থাকবেন ,
তাইতো ??
উত্তরা আগে বন
জঙ্গলে ঘেরা ছিল ।
খারাপ অনেক কিছুই বাস
করতো এখানে ।
মানুষ জঙ্গল সাফ
করে এখন
সেখানে দালান কোঠা আর
ইমারত
গড়ে বাস করছে ।
কবরস্থানের জায়গার
উপর নতুন
করে মাটি ফেলে সেখানে ইটের
বিলাসবহুল বাসস্থান
বানানো হয়েছে ।
রাস্তা তৈরী করা হয়েছে ।
আগের
বাসিন্দারা তাদের
আবাসস্থল
হারিয়েছে ।
তারা নিশ্চয় প্রতিশোধ
নিতে চাইবে ??
উত্তরার
রাস্তাগুলোতে উল্টাপাল্টা ঘটনার
ফলে প্রায় প্রতিদিনই
ছোট বড় রোড
এক্সিডেন্ট হয় । এসব
এক্সিডেন্ট
গুলোকে কি আগের
বাসিন্দাদের
প্রতিশোধ
হিসেবে ধরে নেয়া যায়না ??
অদেখা এ ভূবনের কতটুকু
রহস্যই
বা জানি আমরা ??
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now
X
প্রতিশোধ...
হিমেল বিশ্বাস
ভাইভা নিচ্ছি, ফরেনসিক এর। পরীক্ষার্থী ১৬
জন। এক বোর্ডে আমি, সাথে আমার একজন জুনিয়র স্যার। অন্য বোর্ডেও আমার পরিচিতরাই। স্বভাবতই আমি যেটা সিদ্ধান্ত নিবো সেটাই ফুল এন্ড ফাইনাল। কারন এখানে আমিই সবার সিনিয়র। আমি প্রতিবারই এই মেডিকেলে পরীক্ষা নিতে আসি। শুধু আমার প্রিয় মেডিকেল বলে নয়, এর আরো একটা কারন আছে।
-----------
স্যারঃ বলোতো বাবা "রেপ" করার উদ্দেশ্য কি??
আমিঃ (চুপ করে স্যারের দিকে তাকিয়ে আছি, কখনো ইন্টার্নাল স্যারের দিকে তাকাচ্ছি) জানিনা স্যার।
স্যারঃ এইটা না পারলে আর কিভাবে হবে??? আচ্ছা ঠিক আছে। বলোতো "বিয়ে" করার উদ্দেশ্য কি??
আমিঃ রিপ্রোডাকশান স্যার
স্যারঃ তার মানে যাদের রিপ্রোডাকশান হবে না, তাদের বিয়ে করা বৃথা?? কোথায় পড়েছো এসব??
আমিঃ স্যার, বইতে।
স্যারঃ (চিতকার করে) যাও বই নিয়ে আসো।
আমি আস্তে করে উঠে বাইরে থেকে ফরেনসিক বই নিয়ে গিয়ে দেখালাম স্যারকে। স্যার বললেনঃ আচ্ছা ঠিক আছে যাও। আরেক বোর্ড ভালো করে দাও।
আমিঃ (সালাম দিয়ে বেরিয়ে এলাম)
আরেক বোর্ড ভালো দিয়েছিলাম। আমাদের টিউটোরিয়াল স্যার এসে বললেন এই বোর্ডে ৩৫ দিয়েছে। আমি ধাতিনা নাতিনা করতে করতে রুমে চলে এলাম। বিকালে টিউটোরিয়াল স্যারকে আমাকে দেখা করার জন্য ডেকে পাঠালেন।
স্যারঃ তুমি কি কোনো বেয়াদবি করেছো বোর্ডে???
আমিঃ (আকাশ থেকে পড়ে) না তো স্যার।
স্যারঃ তাহলে এই বোর্ডে ৩৫ তো আগের বোর্ডে ৫ পাইছো কেন?? স্যার তো তোমাকে ফেল করিয়ে দিয়ে গেছেন....
অথচ আমি ফরেনসিকের তিন টার্মেই প্লেস করেছিলাম।
আমি কিছুই বললাম না। শুধু অপরাধটা খোজার চেষ্টা করলাম। পারলাম না, কিছুতেই না।
সাপ্লিতে আরেকজন স্যার এলেন, নিজের নাম বলার সাথে সাথে বললেন, তুমিই তাহকে সেই তুহিন। ইন্টার্নাল স্যার জিজ্ঞাসা করলেন "কোন তুহিন স্যার?"
ওই যে আগের পরীক্ষাতে অমুক স্যারের সাথে বেয়াদবি করেছিলো...
বুঝলাম এবারও পাশ হবে না, হলোও না।
রিসাপ্লিতে আবার সেই আগের স্যার এলেন। আমি রুমে ঢোকামাত্রই আমাকে চিনতে পারলেন, এবং পরিচিত সেই হাসি দিলেন"। পরিনতি আবারো ফেল। পাশ করলে আমি ফাইনাল প্রফ দিতে পারতাম। কিন্তু পারলাম না। অথচ পুরো ব্যাচের মধ্যে আমিই সবার আগে ফাইনাল প্রফের ক্লিয়ারেন্স পেয়েছিলাম। রুমে এসে সাউন্ডবক্সে হাই ভলিউমে গান ছেড়ে গলা ছেড়ে কান্নাকাটি করলাম। সুইসাইড করতে চাইলাম। পড়াশোনা ছেড়ে দিতে চাইলাম। কিছুই করতে পারলাম না। আব্বু আম্মু আর ছোট ভাইয়ের মুখটা চোখের সামনে ভেসে থাকে। সুইসাইড করতে দেয় না।
পরের বার পরীক্ষাতে ফরেনসিক পাশ। পরের বার ফাইনাল প্রফেও পাশ করে আমি ডাক্তার হয়ে গেলাম। সেদিন সবার সামনেই চোখ মুছেছিলাম, যেদিন ফাইনাল প্রফের রেজাল্ট দিছিলো। কারন প্রথমবার পরীক্ষা দিয়ে পাশ করলে বাবাকে দেখাতে পারতাম, কিন্তু পারিনি। তার আগেই বাবা পরীক্ষা দিতে পারিনি শুনে চলে গিয়েছিলেন ওপারে....
----------------
1st, 2nd, 3rd, 4th, 5th Student এর ভাইভা হয়ে গেলো। আমি দুই একটা প্রশ্ন করে ছেড়ে দিলাম। এবার 6th Student.
আমিঃ (নাম, বাড়ি কোথায়, বাবার নাম কি এসব জিজ্ঞাসার পর) পড়াশোনা করেছো??
ছাত্রঃ জ্বী স্যার
আমিঃ এবারই কি প্রথমবার পরীক্ষা দিচ্ছো?
ছাত্রঃ (পরীক্ষার সময় তাদের চোখ মুখ এমনিই কালো থাকে, আরো কালো হয়ে গেলো) স্যার ৭ম বার।
আমিঃ তোমার বন্ধুরা তো এমডি, fcps করে ফেললো, তাহলে তোমার এ অবস্থা কেন??? পড়াশোনা করো না (ছাত্রের মুখ আরো কালো হয়ে গেলো।) আচ্ছা বলো, "রেপ" করার উদ্দেশ্য কি??
ছাত্রঃ (আমার দিকে হা করে তাকিয়ে আছে, কখনো ইন্টার্নালের দিকে তাকাচ্ছে)
ফেল করিয়ে দিলাম। পরের বার আবার, পরের বার আবার, পরের বার আবার... পরের বার সে পরীক্ষা দেয়নি। # সুইসাইড করেছিলো। ফেল করিয়েছিলাম কেন জানেন?? তার প্রতি আমার কোনো রাগ ছিলো না।
যে আমাকে বিনা কারনে ফেল করিয়েছিলো তার ছেলে এই ছেলেটা। সেই স্যারটা ২য় বিয়ে করেছিলেন প্রথম বৌ এর বাচ্চা হয়না বলে, আর এই ছেলেটাই সেই স্যারের একমাত্র বংশ প্রদীপ যে কিনা ২য় বিয়েরও ৮ বছর পর পৃথিবীতে এসেছে। বংশ প্রদীপ না থাকলে এতো কোটি কোটি টাকা কে খাবে??? ছেলেটার মৃত্যুতে আমার একবিন্ধু দুঃখ নেই। এক বিন্দুও না। ????
X
প্রথমে একটা মাইক্রোবাস ভাড়া করব। আর ভাড়া করব একটা দক্ষ গুন্ডা। যার মতো দক্ষ আর কেউ নেই। যে কিনা চলন্ত গাড়িতে বসে যে কাউকে অনায়াসে কিডন্যাপ করতে পারবে। তাকে আর গাড়িটা ভাড়া করব একদিন এর জন্য। একটা পিস্তল হলে ভালো হতো। থাক। পরে ভয়ে মরে গেলে সমস্যা হবে। আর কী বাকি? ওহ বাসাটা ঠিক করতে হবে। কোন বাসা নেব? কোনটা? কোনটা? পেয়েছি! ওর বাসাতেই রাখব। তারিখ? মমমম... ৯ তারিখ হলে কেমন হয়। ওকে ঐ দিনই হবে। ওওহ ভুলেই তো গিয়েছিলাম আর লাগবে ক্লোরোফ্লোরো কার্বন। ওইটা মনে হয় কিডনাপার এর কাছেই আছে।
ওকে উপকরণ শেষ। এবার প্লান মোতাবেক কাজ হপ্পে। আজ ঘুমাবো কালকে কাজ শুরু।
রাস্তার মোরে আমি গাড়ি, ড্রাইভার ও কিডনাপারকে নিয়ে ওয়েইট করব। অবশ্য আমিই গাড়ির ড্রাইভার । স্কুল ছুটি হয়েছে ওর। আমি গাড়ি স্পিডে চালাতে থাকলাম। চলন্ত অবস্থাতেই কিডন্যাপিং এর কাজ সফল হলো।
আমি এবং গুন্ডা।
: ওই মিয়া এতো চাও কেন? আমি ৩ এর বেশি পারুম না।
: এইডা কি ২০১১ নাকি? এইডা ২০১৮। ৪ কইসি ৪ই দিতে হইব।
: বেশি চিল্লাইলে মিথ্যা মামলায় ফাসায়া দিমু। (সাথে ছুরি টাও বের করলাম) এই লও ৩ । এইবার ফট তাড়াতাড়ি।
যাক ছুরিতে কাম হইছে, বেটা ফটসে। আমার কাছে ৪ হাজার টাকা চায়। বদমাইস।
আমি আবার গাড়ি চালাতে থাকলাম। ও পিছনের সিটে শুয়ে আছে অজ্ঞান হয়ে। মনে হচ্ছে যেন আয়েশ করে ঘুমুচ্ছে। কী মায়াবী চেহারা! আমার ৩ বছরের অভিজ্ঞতা থেকে আমি বলতে পারি যে, কেউ যখন অজ্ঞান হয়ে ঘুমায় তখন তাকে সবচেয়ে সুন্দর, মায়াবী এবং নিষ্পাপ মনে হয়। অবশ্য এবারের অভিজ্ঞতা টা নতুন। কারন এতোদিন অন্যের অধিনে ছিলাম। আজ নিজেই...
আমি ঢাকা-চিটাগাং হাইওয়েতে আছি। ওর বাসার প্লান টা বাতিল। নতুন প্লান হলো ওকে সেন্টমার্টিন নিয়ে রাখব। ললিপপে(সিগারেট) একটা টান দিলাম। জীবনের প্রথম টান। আহ্!! ললিপপের পিছনের গল্পটা পরে বলব। ও এখনো অজ্ঞান । শুধু পার্থক্য হলো, আগে ও ছিল মুক্ত। আর এখন ওর মুখে কচস্টেপ। হাত পিছন দিকে বাধা। এর বেশি কিছুই না।
আমি হাইওয়ের একপাশে গাড়ি থামিয়ে বিশ্রাম নিচ্ছি। ঠোটে ৩ নং ললিপপ। গাড়ির বাইরে গাড়িতে হেলান দিয়ে দাড়িয়ে ললিপপে টান দিচ্ছি আর ললিপপের ইতিহাস ভাবছি।
১৩ বছর বয়স থেকে আমার ভিতর একটা আগ্রহ কাজ করত যে সিগারেট খেয়ে মজা কি। আমি একদিন ঠিক করি বড় হয়ে জীবনে একটা টান দিবই। ১৪ বছরে আমার বন্ধু রাঈদ এর কাছ থেকে আমি পৈশাচিক মানব উপাধি পেয়ে মাথায় ভুত চাপে যেদিন সত্যই পিশাচের মতো কিছু করব সেদিনই ১ম টান দেব। সেদিন থেকে আমার পকেটে সিগারেট । আহ কি সুখ!
নাহ দেরি হয়ে যাচ্ছে। আমি গাড়ি স্টার্ট দিলাম।
চিটাগাং থেকে কক্সবাজার গিয়ে ওকে আবার ঔষধ দিয়েছি । আরো ১২ ঘণ্টা সময় পেলাম।
ফেরি দিয়ে পার হচ্ছি আর ললিপপে টান দিচ্ছি । অবশেষে সেন্টমার্টিন পৌছালাম।
গাড়ির স্পিড 71কিমি/ঘ. । আশা করি ১০ মিনিটে রিসোর্টে পৌছাবো।
বাহ্ ঝামেলা ছারাই ঢুকতে পেরেছি। রুম গোছানোই আছে।
ওকে চেয়ারে বসালাম। নাইলনের তার দিয়ে বাধলাম। এতো শক্ত যাতে চামড়া কেটে যায়।
লাইট বন্ধ করলাম একদম অন্ধকার । সিনামার রিমান্ডের মতো। কিছু দেখা যাচ্ছে না। ডিম লাইট জ্বালালাম। হালকা হালকা দেখা যাচ্ছে।
ওর ফেবারিট মিউসিক বাজিয়ে ঘুম ভাঙালাম। যেহেতু মুখে চোখে বাধণ নেই তাই সে আমায় দেখছে।
আমি বললাম হেপি বার্থডে। ও বলল কেন তাকে এনেছি। তার চোখে ভয়। আমি পৈশাচিক হাসি দিলাম । সে আরো ভয় পেল। আমি ছুরি বের করলাম । ও ভয়ে কাদছে। বারবার চিৎকার করে জানতে চাচ্ছে কী তার পাপ। আমি বললাম পাপ তো অনেক করেছিস, ধরে নে তার কোনো একটার জন্য।
ও চিৎকার করছে যেন তাকে টাকার বিনিময়ে ছেরে দেই। আরে ভাই সব কি টাকা দিয়ে হয়?
ছুরি দিয়ে পায়ের রশি কেটে দিলাম। এক হাতের রশি খুলার সাথে সাথে আরেক হাতের রশি ছিড়ে আমার উপর ঝাপিয়ে পড়ল। পুরাই কেরাতে স্টাইল। বুঝলাম মেয়ে বলে কেরাতে শিখে রেখেছে যদি বিপদে পড়ে এই ভয়ে। আমার ছুরিটাও ওর হাতে। আমার হাতে কোনো অস্ত্রও নেই। কিন্তু আমার থেকে বাঁচার উপায় নাই। আমি এক সময় কেরাতে প্রশিক্ষক ছিলাম। হা হা হা
তলপেটে কিক, কব্জির উপরে বারি, এবার পেটে ঘুষি। ব্যস ছুরি আমার কাছে। মেয়ে মানুষ, পেটে ঘুষি সহ্য করতে পারে নাই। পড়ে গেছে । আমি সোজা হয়ে দাড়ালাম। শক্তি কমে গেছে। সারাদিন অনেক ধকল গেছে তারপর আবার কেরাতে। মেয়েটা ভালোই কেরাতে পারে। সাহস আছে! মায়াবী ।
কিন্তু আমি কারো মায়ায় পড়ি না। আমি পৈশাচিক মানব । হিমুর পিতার মতো মায়া সম্পের্কে আমি একমত।
আমি ওর পেটে ছুরি ঢুকিয়ে দিলাম। ছুরি টা ঘুরাতে থাকলাম। অবস্থা কেরোসিন। এবার ছুরি বের করছি আর ঢুকাচ্ছি। এবার গলায় ছুরি ঢুকিয়ে দিলাম। ছুরি দিয়ে গাল চিড়ে দিলাম। দেখতে বিভৎস লাগসে। ওর রূপে পাগল গুলাও ওকে দেখলে ভয়ে মরে যাবে। হাহ্ রূপের অহংকার।
ঘরে রক্তের বন্যা বইছে। আমার জামা লাল। হয়ে গেছে। আমার কাছে লাল ভালোবাসা নয় মৃত্যুর প্রতিক।
আমি ঘরের কোনে বসে ললিপপে টান দিচ্ছি। ওর দিকে তাকিয়ে বললাম, "সামিয়া, টাকা দিয়ে কিচ্ছু হয়না। রূপ দিয়েও নয়। তোমার রূপকে আমি ** না।"
আমি ঐ অবস্থায় ঘর থেকে বের হচ্ছি। হঠাৎ পিছনে ফিরে বললাম, "সামিয়া, ওই ছেলেটা আমার বেস্ট ফ্রেন্ড ছিল। তুমি তোমার পাপের উত্তম শাস্তি পেয়েছ।"
গাড়ি চালিয়ে বাসায় ফিরছি।...
Writer: The Great Opodartho
(ইহা সম্পূর্ণ কাল্পনিক । এই ঘটনা প্রবাহ ও চরিত্র এবং আমার সভাব সম্পূর্ণ কাল্পনিক। এর সাথে বাস্তবের মিল নেই। কোনো ক্ষতির জন্য আমি দায়ী নই)