বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

প্রতিশোধ ০২

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান বাপ্পী (০ পয়েন্ট)

X {৪} লম্বা কাঠের টেবিলের এক প্রানত্দে বসে আছেন মাননীয় ফারুক খাঁন। সম্মেলন কক্ষের সবাই নিরব। কথা সরছে না কারো মুখে। তিনি তাকিয়ে আছেন টেবিলটির দিকে আর ভাবছেন , এই টেবিলটা তৈরি করতে কত ব্যয় হয়েছিল? অনেক, অনেক টাকা, একটা কৃত্রিম বন তৈরী করা যেত। অথচ কত বিলাসিতা করা হয়েছিল, হেলিকপ্টারে করে সেই আমাজান হতে দূর্লভ প্রজাতির এই গাছ সংগ্রহ করা হয়েছিল। নিরবতা ভঙ্গ করল একজন পরিবেশবিদ- স্যার নি:সন্দেহে আমরা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছি। -ডাইনোসর ছিল নিবের্াধ প্রাণী। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে তাই তারা হারিয়ে গেছে। হেরে গেছে। কিন্তু আমরা? আমরা মানুষ, সৃষ্টির সেরা জীব। আমরাও হেরে যাব প্রকৃতির কাছে? মাঠের ঘাস শুকিযে মাটি বের হয়ে এসেছে। শহর ছেড়ে বেরুলেই শুধু ধু-ধু মরুভূমি আর মাঠ। সবুজের চিহ্ন মাত্র নেই। পৃথিবীতে এটা কি হচ্ছে? উপকূলীয় দেশগুলো পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। সমুদ্রের উচ্চতা দিন-দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। মারাত্মক ভাবে গলছে এন্টার্কটিকার বরফ। সবচেয়ে করুন হচ্ছে অনুন্নত আর উন্নয়নশীল দেশগুলো, দুর্ভিক্ষ আর গৃহ যুদ্ধের কবলে পড়ে অসত্দিত্বহীন হয়ে পড়ছে। এখনও যারা টিকে আছে শুধু তাদের মজুদ খাদ্যের জোরেই। কেউ কাউকে সাহায্য করছে না। উপরন্তু এক জাতি তাতারি কিংবা বেদুইনদের মত অন্য জাতির উপর হামলে পড়ছে। সমুদ্রের গর্ভে খাদ্য হিসেবে যা ছিল তাও দিন দিন নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। সমসত্দ উদ্ভিদও মরে গেছে। পৃথিবীর জনসংখ্যা প্রায় শূন্যে নেমে এসেছে। অথচ এখানে উপস্থিত আছেন পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী আর মহাজ্ঞানীরা, যারা বলতে পারেন মহাবিশ্ব কিভাবে সৃষ্টি হয়েছিল, পৃথিবীর বয়স কত, মঙ্গল গ্রহের মাটিতে কি কি উপাদান আছে। কিনত্দ এখন, কি কাজে আসবে তাদের সেই জ্ঞান যদি আমরাই টিকে না থাকি। মহাবিশ্বে পৃথিবীই তো একমাত্র মানুষের বসবাস উপযোগী গ্রহ তাহলে এই পৃথিবী ছেড়ে আমরা যাবো কোথায়, কি খাব, কিভাবে বাচবো? গত সম্মেলনে আপনারা আমাকে আশ্বাস দিয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা অত্যাধিক প্রোটিন সমৃদ্ধ এক প্রকার রাসায়নিক খাদ্য তৈরী করতে সক্ষম হবেন, কিন্তু এখনও তার কোন অগ্রগতি নেই। অথচ প্রতিদিন পথে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে মৃত লাশ। পৃথিবীর আবহাওয়া বিষাক্ত হয়ে উঠছে, কিন্তু আপনারা কিছুই করতে পারছেন না অথচ এক সময় সবাই গর্বভরে পৃথিবী দাপিয়ে বেড়িয়েছেন যেন আপনাদের পদভারেই ধন্য ছিল পৃথিবী। ছিঃ, ছিঃ, ছিঃ। লজ্জা, লজ্জা, এটা মানব জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ লজ্জার বিষয়। ক্ষোভের সহিত মুখ বিকৃত করলেন মহামান্য ফারুক খাঁন। - আজ এখানে সবাই অপরাধী। সবার অবনত মসত্দক। আজ নেই কারো অহংকার কিংবা গর্ব। আজ কেউ কারো নয়।। একদা যে বলত আমিই মঙ্গলে প্রথম পদচারী ব্যক্তি, আমিই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ধনী কিংবা শ্রেষ্ঠ ক্ষমতাধর, আমি কৃত্রিম মানব তৈরীর গুপ্ত রহস্য জেনেছি। আজ কোথায় তারা? আজ কথা সরছে না কারো মুখে। আচ্ছা চিনত্দা করুন আগামীকাল যখন খাদ্য ফুরিয়ে আসবে, কি করবেন? আপনাদের মধ্যে কি এমন একজন মাত্র ব্যক্তি নেই যিনি এর সমাধান দিতে পারবেন। একজন, শুধু একজন। কান্নাজড়িত কন্ঠে থরথর করে কেপে উঠলেন বৃদ্ধ ফারুক খাঁন। আপনাদের অনভূতি কি ভোতা হয়ে গেছে? বুঝতে পারছেন তো পৃথিবী তথা মহাবিশ্ব হতে মানব সভ্যতার বিলুপ্তি ঘটতে যাচ্ছে? কেউ একজন কথা বলুন। আপনাদের আমি পৃথিবীর ঐসব শোষিত নিরক্ত মানুষের কসম দিয়ে বলছি যাদের অর্থে আপনারা উন্নত জাতির মহাজ্ঞানী উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন। কেউ নেই। আজ যারা জীবিত তারাও মৃত। পুরো সম্মেলন কক্ষে থমথমে নিরবতা। -আচ্ছা কেউ যেহেতু পারছেন না তাহলে আমিই একটা সমাধান দিচ্ছি। কাপা কাপা কন্ঠে বলতে লাগলেন মিঃ খাঁন। এই দেশে এখন আমরা যারা টিকে আছি তাদের জন্য প্রায় দশ বছরের খাদ্য মজুদ আছে। সবাই অবাক হল, একে অন্যের মুখের দিকে তাকাল। -অবাক হবেন না। এটা ছিল অতি গোপনীয়, যা শুধু জানতাম আমি আর মুষ্টিমেয় বিশ্বত্ব লোকজন। আরো আছে বেশ কিছু ওষুধ পত্র। কিন্তু পৃথিবীর আবহাওয়া বিষাক্ত হয়ে গেছে। এ আবহাওয়ায় আমরা আরো দুটো বছরও টিকতে পারব না । তার চেয়ে এই ভাল , আমাদের নিকটবর্তী যে দুটো দেশের কিছু মানুষ এখনও টিকে আছে তাদের মাঝে কিছুটা খাদ্য বিলিয়ে দেই যেন তারাও আরো কিছুদিন বেশী বাচতে পারে, নতুবা দু’মাস পরেই ওদের খাদ্যও ফুরিয়ে যাবে। আর্তনাদ করে উঠল সবাই- না মহামান্য খাঁন, না। আমরা অবশ্যই খাদ্য ফুরিয়ে যাওয়া পর্যনত্দ বেচে থাকার চেষ্টা করব। আমরা কিছুতেই সেটা করতে দেব না। প্রতিবাদ করল জর্জ রর্বাটসন। তরুন বিজ্ঞানীর দিকে তাকালেন ফারুক খাঁন – না রর্বাট, আমি কারো পরামর্শ ছাড়া কিছুই করি নি এবং করব না। সবার মত আমিও আশাবাদী। সেদিনের মত আলোচনা শেষ হল কোন প্রকার সমাধান ছাড়াই। ধীর পদক্ষেপে হাটছেন খাঁন। কখনো সমুদ্রের বেলাভূমিতে, কখনো খোলা মাঠে অলস সময় কাটান। বড়-বড় অট্রালিকাগুলোর দিকে তাকিয়ে নিরবে চোখের জল ফেলেন। ওগুলো এখন সব অভিশপ্ত। জেটিতে বাধা বিশালাকার জাহাজগুলো ফাকা পড়ে আছে। এয়ার ক্রাফট কেরিয়ারগুলোর উপর শতশত যুদ্ধ বিমান, সবই এখন নিশ্চল। পৃথিবীতে বিজ্ঞানের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছিল শুধূ মানুষ হত্যা করার জন্য। শতশত বন উজাড় করে তৈরী করা হয়েছিল সামরিক ঘাটি, পারমানবিক স্থাপনা। অধিকাংশ ভূমি কিংবা বনভূমি গুলো দখল করে রাখত সামরিক বাহিনীরা। সরকার সবোচ্র্চ অর্থ ব্যয় করতো যুদ্ধ খাতে। অথচ কেউ ভাবেনি পরিবেশ নিয়ে। পরিবেশ রক্ষায় এগিয়ে আসেনি কেউ। আজ কোথায় তারা যারা মানুষ হত্যা করে তৃপ্তি লাভ করতো, গর্বভরে দাপিয়ে বেড়াত পৃথিবী, যাদের অস্ত্রের মুখে থরথর করে কাপতো পৃথিবী। আজ তারা কেউ নেই, কেউ না, নিঃশেষ হয়ে গেছে তাদের সমসত্দ প্রতাপ, সব জৌলস, সব অহংকার। ধুলায় লুটিয়ে গেছে সব। পৃথিবী এখন মৃত্যুপুরি। যাদের চোখের ইশারায় অস্ত্র হাতে জীবন দিত লাখো সৈনিক, ঐতো কংকাল সেই সব জেনারেল, ভাইস এডমিরাল আর মাশর্ালগনের, যারা কিছুদিন আগেও অহংকারী দৃষ্টি মেলে দিত পৃথিবীজুড়ে, দাপিয়ে বেড়াত আকাশ-বাতাস-সমুদ্র। পৃথিবীর বিষাক্ত আবহাওয়া তাদের কাউকে ক্ষমা করে নি। মৃত্যুর কাছে আজ সবাই তারা পরাজিত। {৫} -মাননীয় পরিষদ। আজ এটাই সম্ভবত শেষ আলোচনা। শব্দগুলো ভেঙ্গে ভেঙ্গে বললেন ফারুক খাঁন পৃথিবীতে আমরা এখন শ’পাচেক লোক জীবিত আছি। আমি যে নির্দেশ দিয়েছিলাম সেই মত কাজ করা হয়েছে। সংরক্ষিত সমসত্দ খাদ্য প্যাকেটজাত করা হয়েছে, যা দ্বারা আপনারা বিশ বছরের অধিক সময় পার করতে পারবেন। বেশ কিছু ওষুধও আছে আমাদের সাথে। শ’পাচেক নারী পুরুষের মধ্যে ডাক্তার, বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, প্রায় সব পেশার লোকই আছে, যারা পৃথিবীর সবের্াচ্চ মেধাবীদের অনর্ত্দভুক্ত। আরো আছে শিশু-কিশোর এমন কি সদ্যজাত শিশুও। পৃথিবীর অত্যাধুনিক মহাকাশযানটি প্রস্তুত করা হয়েছে, যেখানে প্রায় এক হাজার লোকের সংকুলান হবে। আপনারা দেখতে পাচ্ছেন এ অল্প ক’দিনেই পৃথিবীর জনসংখ্যা অর্ধেকে নেমে এসেছে তাই দ্রত কেটে পড়তে হবে। পৃথিবীর আবহাওয়া এখন খুবই বিষাক্ত। - আমরা কোথায় যাব মহামান্য ফারুক খাঁন? বলল এক তরুনী। - আমি জানি না। তবে বিজ্ঞানীরা আমাকে জানিয়েছেন মঙ্গলের কোন এক পৃষ্ঠে নাকি সামান্য কিছু পানি আর অতি অল্প পরিমান অঙ্েিজনের উপসত্দিতি লক্ষ্য করা গেছে। আপনারা সেখানে গিয়ে বেচে থাকার চেষ্টা করে দেখতে পারেন। সেটাও যদি ব্যর্থ হন তবে অজানার পথে মহাশূন্যে ভেসে চলবেন। কিন্তু পৃথিবী হতে পালিয়ে গিয়েই যে সবাই বেচে যাবেন এমন নিশ্চিত বলা যায় না কারণ সবাই দেহে বয়ে নিয়ে যাচ্ছেন বিভিন্ন রোগের জীবানু। আর সাথে নিয়ে যাবেন বিভিন্ন খাদ্য শস্যের বীজ। আপনারা জানেন আজ পৃথিবীতে একটি ঘাসও অবশিষ্ট নেই, শুধু মরুভূমি আর পাথুরে জমি। {৬} নারী পুরুষ সবাই একে একে মহাকাশযানে উঠল। শুধু ফারুক খাঁন আর গুটি কয়েক লোক এখনও বাহিরে ব্যসত্দ-কথায় মগ্ন। - মহামান্য খাঁন আপনী এ-কি বলছেন? আপনার বুদ্ধিতে আমরা নতুন জীবনের আশা খুজে পেয়েছি আর আমরা আপনাকে ফেলে চলে যাবো? - না ডাক্তার। আমি এমনিতেই বৃদ্ধ। আমি পৃথিবী হতে পালিয়ে যেতে চাই না। আমি এখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করব। তোমরা আমাকে অনুরোধ করো না। - তা হয় না মহামান্য খাঁন । আপনার জন্য না হলেও আমাদের জন্য হলেও চলুন। আপনাকে আমাদের খুব দরকার। বলল অন্য এক বৃদ্ধ বিজ্ঞানী। - না বন্ধু। তোমরা জান আমার কথার নড়চড় হয় না, আমি অনেক ভেবে চিনত্দে কথা বলি এবং সিদ্ধানত্দ নিই। বরং তোমরা আমাকে কিছুদিনের খাদ্য, ওষুধ আর একটি অঙ্েিজনের সিলিন্ডার দিয়ে যাও যদি আরো কিছুদিন বেশী বেচে থাকতে পারি এই পৃথিবীর বুকে। অনেক্ষন যাবৎ বাকবিতন্ডা চলল, কিছুতেই বৃদ্ধ মহাকাশযানে চড়তে রাজী হলেন না। - কিন্তু আপনার অবদান এই সভ্যতা আমৃত্যু মনে রাখবে। এই সভ্যতা হবে খাঁন সভ্যতা। কান্নাজড়িত কন্ঠে বলল বিজ্ঞানীরা। ধীর পদক্ষেপে এগিয়ে এল জর্জ রর্বাট -মহামান্য খাঁন, আপনীতো সিদ্ধানত্দ নিয়ে নিয়েছেন। আমি আপনাকে অনুরোধ করব না। আমার স্ত্রী মারিয়া, সে আপনাকে খুবই শ্রদ্ধা করে, খুবই ভালবাসে। মারিয়া আপনার সাথেই পৃথিবীতে মারা যেতে আগ্রহী। - অবাক হলেন বৃদ্ধ। তারপর ক্ষোভে চোখ রক্তবর্ন করে ফেললেন। বরার্ট তুমি ওকে ভালবাস না? কি বাজে বকছো তুমি? - মাফ করবেন স্যার। আমি অবশ্যই তাকে খুব ভালবাসি আর তাই তো ওর ভালবাসার প্রতিদান দিতে চাই। - কি বলছ রবার্ট? তোমার মাথা ঠিক নেই। - স্যার, আমার মারিয়া অসুস্থ। পৃথিবীর বিষাক্ত আবহাওয়া ওর রন্দ্রে রন্দ্রে ঢুকে পড়েছে। দু’চারদিনের মধ্যেই হয়তো সে মারা যাবে। মৃত্যুর কিছু লক্ষনও ফুটে উঠেছে ওর শরীরে। কিন্তু এখনও সে শাররীক ভাবে সক্ষম। স্বাভাবিক হাটাচলা করতে পারে। ক’টা দিনতো আপনাকে সাহায্য করতে পারবে। - না রবার্ট তুমি ওকে নিয়ে যাও। মৃত্যুর সময় তোমার কাছে থাকা খুবই জরুরী। সবাই মহাকাশযানে উঠে পড়ল। মারিয়া কান্না জড়িত কন্ঠে রবার্টকে বিদায় জানাল। ফারুক খাঁন বাবার স্নেহে মারিয়াকে জড়িয়ে রাখলেন। বন্ধ হয়ে গেল মহাকাশযানের সব প্রবেশ পথ। একদল মৃত্যুপথ যাত্রী নতুন জীবনের আশায় মহাকাশে ছুটে চলছে। পৃথিবীর মাটিতে শুধু দাড়িয়ে রইল মারিয়া আর মিঃ খাঁন দু’জন প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে সরে আসল। চলবে-------


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ প্রতিশোধ
→ প্রকৃতির প্রতিশোধ
→ অমায়িক প্রতিশোধ
→ প্রতিশোধ
→ প্রতিশোধ
→ প্রতিশোধ
→ প্রতিশোধ
→ প্রতিশোধ
→ প্রতিশোধ
→ প্রতিশোধ
→ প্রকৃতির প্রতিশোধ
→ প্রতিশোধ -১
→ "প্রতিশোধ"
→ প্রতিশোধ
→ প্রতিশোধ

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now