বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সুখি পরিবার

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Shwon(guest) (০ পয়েন্ট)

X !.! ! ! !!!!!!!!!!!!সুখি পরিবার!!!!!!!!!!! লেখক : মো শয়নুর রাহমান আমি একজন রিকশাচালক। রিকশা চালিয়ে যা পাই তাই দিয়ে পেট চালাই। আমার বিয়ে হয়েছে প্রায় ৯ মাস হলো। আমার স্ত্রী খুব ভাল মহিলা কোনদিন আমার উপর কথা বলে না এবং বেশি কিছু চায় না। রিকশা চালিয়েই আমাদের সংসার ভালই চলে।আজ সকালে সকাল এ যখন রিকশা নিয়ে বের হব তখন আমার স্ত্রী বলল নিজের খেয়াল রাখবেন। আমি বললাম তুমিও ভাল ভাবে থেকো ফিরতে অনেক রাত হবে।রিকশা নিয়ে বের হওয়ার পর এক দম্পতি রিকশায় উঠলেন, তারা তাদের বিবাহ বার্ষিকি নিয়ে কথা বলছিল। কিসব party নিয়ে কথা বলছিল, সেখানে নাকি বড় কেক কাটা হবে এবং অনুষ্ঠান হবে,এসব বলছিল।তারা একটা রেস্তোরায় নামলেন ও আমাকে রিকশা ভারার সাথে ২০ টাকা বকশিশ দিল। আমি আরো কিছু যাত্রি কে তাদের গন্তব্যে পৌছে দিলাম,।অনেক রাতে বাড়িতে ফিরলাম, দেখলাম আমার স্রী আমার জন্য জেগে আছে, আমার জন্য ভাত বেড়ে দিল, আমরা একসাথে খেয়ে শুয়ে পরলাম। আমি শুয়ে শুয়ে চিন্তা করলাম আমাদের বিবাহ বার্ষিকিতে আমার স্ত্রীকে একটা শাড়ি দিব,,তার শাড়ি মাত্র দু খানা।কোনদিন কোন আবদার ও করেনি!!! ! !আজ আমাদের বিবাহ বার্ষিকি।আমি রিকশা নিয়ে বের হলাম,, অনেক টাকা আয় করলাম,,, প্রায় ৪০০। রাতে আমি চলে গেলাম শাড়ি কিনতে,, আমি দোকানদার কে শাড়ি দেখাতে বললাম দোকানদার দেখাল, দাম বলল ১৫০০। আমার কাছে এত টাকা ছিল না তাই দোকান থেকে বেড়িয়ে আসলাম।ফুটপাত এ একটা দোকান দেখে আমি গেলাম। আমি সুন্দর একটা শাড়ি কিনলাম। শাড়ি কিনে আমি চিন্তা করলাম এসব ফুটপাত এর দোকান না থাকলে আমাদের কোন শখ ই পুরন হত না। তারপর বাড়িতে আসলাম। দেখলাম আমার স্ত্রী ঘুমাচ্ছে।আমি ডাক না দিয়ে শুয়ে রইলাম। কিছুক্ষণ পর আমার স্ত্রী উঠে,, বলল ভাত খেলে না?? আমি শাড়ি টা বের করে দিলাম আর বললাম,, এই দিনেই তুমি এই ঘরে বৌ হয়ে এসেছিলে। আমার বৌ খুশি হল এবং হেটে গিয়ে ট্রানক থেকে কিযেনো বের করে আমার দিকে আসতে লাগল।এসে আমাকে একটা লুংগি হাতে দিলেন। আমি বললাম আমি,, তুমি টাকা পেলে কোথায়?? বৌ বলল,,,আমি প্রতিদিন রান্নার চাল থেকে এক মুঠো করে সরিয়ে রাখতাম,, চাল জমানোর পর পাশের বাড়ির ভাবির কাছে বেচে দিছি।তারপর লুংগি কিনছি।বৌ এর কথা শুনে আমিও খুশি হলাম। আমি বললাম,,, বড়লোকেরা নাকি এই দিন কে কেক কাটে আর অনুষ্ঠান করে,, আমাদের ত সেই সামর্থ্য নাই,, তাই তুমি মুড়িই আনো পেয়াজ মরিচ দিয়ে।বৌ বলল তাই আনছি। তার পর ও আসলো,,, আমরা একসাথে বসে চাদের আলোয় মুড়ি দিয়ে আমাদের বিবাহ বার্ষিকি পালন করলাম।এর মাঝেই লুকিয়ে আছে গরিবের প্রকৃত সুখ।! ! " ! গল্পটা কেমন হয়েছে জানাতে ভুলবেন না,, যেহেতু আমরা অনেক কষ্টে লিখি


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ সুখি পরিবার
→ সুখি পরিবার
→ সুখি পরিবার

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now