বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সত্যিকরের ভালোবাসা

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Bad Boy (০ পয়েন্ট)

X __সিনিয়র গার্লফ্রেন্ড"___ প্রতিদিন একটা মেয়ে জানালার পাশে দাঁড়িয়ে থাকে আর বাসার নিচ দিয়ে রোজ একটা ছেলে মেয়েটার বাসা পাওয়ার আগেই সাইকেল থেকে নেমে ডেব ডেব করে জানালার দিগে তাকিয়ে থাকে...এটা দেখে খুব বিরক্ত লাগে মেয়েটার তাই আজ.... __এই যে এই ছেলে দাড়াও বলছি, __জ্বী আমাকে বলছেন? __তোমাকে নয়তো কাকে, প্রতিদিন এখান দিয়ে এতো সাইকেল নিয়ে ঘুরা ঘুরি কিসের হুম? __জ্বী আজ তো মাত্র একবার আসলাম, __একবার আসলাম মানে আবার আসার চিন্তাভাবনা আছে নাকি? __(...জিব্বায় কামড় দিয়ে...)না না মানে আমি তো এই রাস্তা দিয়ে আমার ফ্রেন্ডের বাসায় যাই। __তো ফ্রেন্ডের বাসায় দিনে কিয়বার যেতে হয়? __এই রে মনে হয় আজ ধরা পড়ে গেছি (বিড়বিড় করে) __কি বলেন বিড়বিড় করে? __না মানে আসলে সামনে পরিক্ষা তো তাই পড়া লেখার ব্যাপারে আলাপ করতে যাই। __কিসে লেখা পড়া করো তুমি, যে প্রতিদিন ফ্রেন্ডের বাসায় সকাল বিকাল যেতে হবে? __জ্বী...রুয়েটে প্রথম বর্ষ, __ও..আর আমি তোমার থেকে একবছর সিনিয়র, আর এর পর থেকে যেন তোমাকে এই রাস্তায় না দেখি, না হলে হাত পা ভেঙে কাদে ঝুলিয়ে দিব। __জ্বী... এটা বলেই সাইকেল নিয়ে সেখান থেকে কেটে পড়ে ছেলেটা আর মেয়েটা রাগে গজ গজ করতে বাসার ভিতরে চলে যায়। ছেলেটা আরিফ আর রাগী মেয়েটা নিপুণ, কোনো এক বসন্তের দিনে বাসন্তী সাজে নিপুণ কে দেখে প্রেমে পড়ে যায় আরিফ। এর পর থেকে নিয়মিত ফলো করা, বাসার সামনে দিয়ে যাওয়া আসা দাঁড়িয়ে থাকা। এটা যেন নিত্য দিনের রুটিন হয়ে গেছে, আর নিপুণ আরিফ কে দেখে চরম বিরক্ত হতো তাই আজ অনেক কথা শুনিয়ে দেয়....পরেরদিন নিপুণ ভার্সিটিতে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বেড় হতেই দেখে! আরিফ দাঁড়িয়ে আছে। __এই যে মিঃ হিরো এই দিগে আসো, __জ্বী...(ভয়ে ভয়ে সামনে এসে) __তোমার তো দেখছি খুব বজ্জাত, কাল এতো অপমান করলাম তার পরো আজ বাসার সামনে দাঁড়িয়ে আছো। __(আরিফ মুচকি মুচকি হাসছে...) __কি ব্যাপার এরকম শয়তানের মতো হাসছো কেনো, আমি কি কতুক বলেছি (angry look) __রাগলে আপনাকে বড্ড বেশী সুন্দর লাগে, ইচ্ছা করে আপনার নাকটা টেনে দেই। __এই বেয়াদব ছেলে বড় দের সাথে কিভাবে কথা বলতে হয় সেটাও জানো না, আর ভুলে যেওনা আমি তোমার সিনিয়র। __এরকম সুন্দর একটা দিনে আপনার সুন্দর হাত দুটা খালি, এই নিন ফুল, ফুল গুলো আপনার হাতের শূন্যতা কিছুটা কাটিয়ে দিবে (গোলাপ ফুল গুলো হাতে গুঁজে দিয়ে) __তোমার ফুল দিয়ে তুমি শাক রান্না করে খাও( মুখের উপড়ে ফুল গুলো ছুড়ে মেরে) . . __এটা বলেই নিপুণ একটা রিকসা ডাক দিয়ে ভার্সিটির দিগে রওয়ানা দেয়, আর আরিফ নিপুণের রিকসার পিছনে পিছনে সাইকেল নিয়ে ছুটতে থাকে, এভাবে কেটে যায় দিন, দিন ফুরিয়ে সাপ্তা, সাপ্তা ফুরিয়ে আজ প্রায় ২মাসের বেশী। এখন আর নিপুণ বকাঝকা করে না তবে, মাঝে মাঝে রাগী লুক দিয়ে শাসন করে। কিছু দিন ধরে আরিফ কে আর নিপুণের বাসার সামনে দেখা যাচ্ছে না, নিপুণ খুব অবাক যে ছেলে রোদ বৃষ্টি মাঝেও বাসার সামনে দাঁড়িয়ে থাকতো ঘন্টার পর ঘন্টা আজ ৫দিন ধরে তার দেখা নেই। বাসার সামনে সাইকেলের বেলের শব্দ পেলেই নিপুণ দৌড় দিয়ে বেলকুনিতে আসে, এই বুঝি দেখবে আরিফ সাইকেল নিয়ে বাসার সামনে হাসি মুখে দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু প্রতেক বার মন খারাপ করে বেলকুনি থেকে ফিরে যায়। নিপুণ খুব ভাল করে বুঝতে পাড়ে সে নিজের অজান্তে আরিফ কে ভালবেসে ফেলেছে, কষ্টের মাঝে কেটে যায় সাতটা দিন। নিপুণের ভার্সিটিতে যাওয়ার জন্য বাসা হতে বেড় হতে দেখে আরিফ দাঁড়িয়ে আছে রাস্তার অপর সাইটে ...মুখে সেই চিরচেনা হাসি! __ কোথায় ছিলে এতো দিন, যানো কতো টা মিস করেছি এই কয়দিন তোমায়(এক নাগারে কথা গুলো বলে ফেলে নিপুণ) __আসলে এই কয়দিন একটু অসুস্থ ছিলাম তাই আসতে পারিনি। __কি হয়েছিল....(কথা শেষ হওয়ার আগে নিপুণ খেয়াল কিরে আরিফ এর কপালে ব্যান্ডিস) __এই ব্যান্ডিস কেনো তোমার কপালে কি হয়েছে?(ভিতু কন্ঠে) __আসলে সেদিন সাইকেল নিয়ে তোমার পিছু পিছু যেয়ে আসার সময় সিএনজির সাথে ধাক্কা লেগে, কপালে চোট পেয়েছিলাম। __নিপুণ আরিফ কে আর শেষ করতে না দিয়েই জড়িয়ে ধরে হু!হু!হু করে কান্না করে শার্ট ভিজিয়ে দেয়। __এই পাগলী কি করছো ছাড়ো তোমার বাসার লোকজন দেখে ফেলবে তো। __দেখলে দেখুক আমি কি ভয় পাই নাকি, তোমার সাইকেল করে পালিয়ে যাবো আমরা। __হা হা হা হা! __হি হি হি হি...তোমার এই বজ্জাত মার্কা হাসি টাই আমাকে প্রেমে ফেলার জন্য যথেষ্ট ছিল। . . বিঃ দ্রঃ আসলে সত্যি কারের ভালবাসার কোনো সংজ্ঞা থাকে না, মুখ দিয়ে ভালবাসি বললেই সেটা ভালবাসা হয় না। যদি ভালবাসা দিয়ে তাকে বুঝানো যায়, যে আমি তাকে কতো টা ভালবাসি। যদি বুঝাতে সক্ষম হয় তাহলে সেটাই সত্যি কারের ভালবাসা। written.. Md Sagor...


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ সত্যিকরের ভালোবাসা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now