বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সোহরাব রুস্তোম(৮)

"উপন্যাস" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান R.H (dangeor-virus) (০ পয়েন্ট)

X ১১. জাল সিমুর্ঘ এর সাহায্য কামনা করেন রুস্তমের জন্য, যখন তিনি লড়ছিলেন ইসফান্দিয়ার এর বিরুদ্ধে, যা ছিল দুই সমানে-সমানের মধ্যে এক বিখ্যাত লড়াই। মারাত্মকভাবে আহত রোস্তম প্রথমবারের মতো সন্দিহান হয়ে পড়লেন এই ভেবে যে, তিনি ইসফান্দিয়ার এর শক্তি আর সহ্য করতে পারবেন কি না এবং তিনি তার পিতার সাহায্য প্রার্থনা করলেন। রুস্তম এবং রাখস্ উভয়ের বিপদজনক শারীরিক অবস্থায় চিন্তাব্যাকুল জাল, তাকে দেয়া সিমুর্ঘ এর পালকটি জ্বালিয়ে দিলেন। তৎণাৎ অন্ধকার আকাশটি আরো অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে উঠল এবং আবির্ভাব ঘটল সিমুর্ঘপাখির। রুস্তমের শরীর থেকে বের করে আনল সাতটি তীর এবং তগুলোর উপর ঘষে দিল তার পালক। ইসফান্দিয়ার ছিলেন জরথুস্ত্রের পৃষ্ঠপোষক, এবং জরথুস্ত্র তাকে করে তুলেছেন অপরাজিত। তবু সিমুর্ঘ রুস্তমের কাছে প্রকাশ করে ইসফান্দিয়ারকে পরাস্ত করার গোপন কৌশল, যা আরো একবার প্রমাণ করে জাল এবং তার পুত্রের প্রতি তার আনুগত্যকে। পাখিটি রোস্তমকে তিনটি পালক ও দুটি তীরের ফলা সম্পন্ন একটি কাঠামো তৈরি করতে এবং এটিকে ইসফান্দিয়ারের চোখের দিকে তাক করতে বলল। রুস্তম সিমুর্ঘের উপদেশ আনুসরণ করলেন, যদিও তীরটি নিপে করার পূর্বে তিনি ইসফান্দিয়ারকে বললেন যে, তাদের উচিত তাদের মধ্যকার দ্বন্দ্ব মীমাংসা করে ফেলা। তবু ইসফান্দিয়ার তখনো বিশ্বাস করতেন যে, কেউ তার সমক নয়, তাই তিনি এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন এবং শেষ পর্যন্ত রুস্তমের শিকারে পরিণত হলেন। ইসফান্দিয়ার সংক্রান্ত আরেকটি কাহিনিতে একটি দৈত্যাকৃতি পাখির সাথে লড়াই করেন। এই পাখিটির নামও ছিল সিমুর্ঘ, স্পষ্টতই তা ছিল না জাল এর সেই রাকারী পাখি। অতি ধূর্ততার সাথে তিনি পাখিটিকে পরাস্ত করলেন, তার তরবারি দ্বারা একে কেটে টুকরো টুকরো করলেন, অতঃপর এই মর্তলোক পর্বত থেকে পর্বতে ছেয়ে গেল এর পালকসমূহ দ্বারা। ইসফানদিয়ার-এর বিরুদ্ধে রুস্তমের বিজয়ের পর রুস্তম নিজেই খুন হলেন তার সৎ ভাই জাবুলিস্তানের রাজা শাকাদের হাতে, যখন তিনি তার ঘোড়াসহ পড়ে গেলেন এক ভয়ঙ্কর গর্তে যা তারা খনন করেছিল এবং পূর্ণ করে রেখেছিল উলম্ব ছুরি ও তলোয়ার সমূহ দ্বারা। তবে মৃত্যুর পূর্বে রুস্তম নিজে গর্ত থেকে উঠতে সমর্থ হলেন, শাকাদকে বিদ্ধ করলেন একটি তীর দ্বারা, তার মৃতদেহ গেঁথে রাখলেন একটি গাছের ডালের সাথে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ সোহরাব রুস্তোম(৮)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now