বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

স্মৃতি-০১

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X """স্মৃতি""" • - এই যে তাওহীদ সাহেব একটু সময় হবে! - হুম বলেন - একটা কথা বলতাম কিছু মনে করবেন না তো! - না কিছু মনে করব না, বলেন কি বলতে চান। - আসলে কি আমার না একটা কাজ ছিল যদি করে দিতেন! - এত ভাব ও অভিনয় না নিয়ে কি বলতে চান তা সরাসরি বলে ফেলেন।(রাগে) - মেয়েদের সাথে কিভাবে কথা বলতে হয় জানেন না? - মেয়েরা কি ছেলেদের সাথে ভাব না নিয়ে কথা বলতে পারে না! - কিহ! আমি ভাব নিয়ে কথা বলতেছি? - হুম বলছেন। - আপনি যেটাই মনে করেন।(মুখ ভেংচি দিয়ে) - আমার তো আর খেয়ে দেয়ে কোন কাজ নেই!(মুখ মুচকি দিয়ে) - আপনাকে মনে হয় বিরক্ত করে ফেলেছি। আমি বরং নিজেই কাজটা সেরে ফেলি।(মন খারাপ করে) - এখন চলে গেলে ভাল হবে না, খারাপ হবে! (ভয় দেখিয়ে) - তাই না! কি খারাপ হবে? - যখন হবে তখন বুঝবেন। - তাই? - হুম। এখন কি করতে হবে বলেন? - আমার মোবাইলে না টাকা নেই, বাহিরে যেয়েও রিচার্স করতে পারব না, বাবার নিষেধ।কিন্তু এখন আমার মোবাইলে টাকা লাগে। - ও আচ্ছা(চরম বিরক্তি নিয়ে) মনে মনে বলে, তোমার বাবা বাহিরে টাকা ভর্তে নিষেধ করেছে। আমাকে জ্বালাতেও কি বলেছে? - একটু যেতে পারবেন না!(মনে মনে বলে চান্দু তোমাকে জ্বালালে কেন এত আমার ভাল লাগে) তাওহীদের বিকাশ নাম্বার থেকে টাকা পাঠিয়ে বলে - দেখেন টাকা চলে গেছে।(মনে মনে বলে এই কথাটা বলতে কি এত কাহিনী লাগে) - ধন্যবাদ(মনে মনে বলে জ্বালানোর জন্য দুঃখিত) - স্বাগতম(মনে মনে বলে তোমাকে আর একবার দেখে নেব) • তাওহীদ এই মেয়েটাকে সহ্য করতে পারে না। যতক্ষণ তার কাছে থাকে ততক্ষণ তাকে প্যারা দিয়ে মারে।কিন্তু মেয়েটা যতক্ষণ তার সামনে থাকে ততক্ষণ তার মনে এক অজানা ভাল লাগা কাজ করে।আবার দূরে থাকলেই খারাপ লাগা কাজ করে। তাওহীদ তার রুমে শান্তিতে অফিসের কাজ করছিল।সাথী এসে এভাবে তাকে কথাটা বলে। সে যেদিনেই আসবে সেদিনেই এভাবে একটা না একটা কাজের অযুহাত দেখাবে।তারপর তাকে এভাবে জ্বালাবে।তাওহীদ বোঝেনা তাকে এভাবে জ্বালিয়ে সাথী কি মজা পায় কি শান্তি পায়। . আবার যেদিন থেকে সে অফিসে যাওয়া শুরু করে।সেদিন থেকেই তাকে তাওহীদ সাহেব বলে ডাকা আরম্ব করে।তাকে কেন তাওহীদ সাহেব বলে ডাকতে হবে এই কারণ-টা তাওহীদ খুজে পায় না।আবার সাথী তাকে আরেকটা শর্ত দেয়।সেটা হল- তাদের বিয়ে না হওয়া পর্যন্ত তারা একে অপরকে আপনি করে বলবে।তাওহীদ ও বাধ্য ছেলের মত মেনে নেয়। মোবাইলে টাকা পাওয়ার পরেও সাথী দাঁড়িয়ে থাকে।সে দাঁড়িয়ে থেকে তাওহীদের কাজ করা দেখতে থাকে।তাওহীদ ও চুপচাপ তার কাজ করে যেতে থাকে।তাওহীদের আশে-পাশে থাকলে সাথীর ভাল লাগে, কতটুকু ভাল লাগে সেটা সে বোঝাতে পারবে না।তাই সে তার পাশে দাঁড়িয়ে থেকে চুপচাপ কাজ করা দেখতে থাকে।জানে কথা বললেই তাড়িয়ে দিবে।কিছুক্ষণ পর তাওহীদের বোন ভাবী বলে ডাক দিতেই সাথী চলে যায়।(তাওহীদের বোন সাথীকে ভাবী বলেই ডাকতো) • সাথীর সাথে তাওহীদের বিয়ে ঠিক হয়।আগে থেকেই বিয়ে ঠিক করা ছিল, এখন শুধু তারিখটা ঠিক করে নেওয়া হয়।সাথী হচ্ছে তাওহীদের বাবার বন্ধুর মেয়ে।তারা দুই বন্ধু মিলে সবার মতামত নিয়ে ছোট বেলায় তাদের বিয়ে ঠিক করে রাখে।তারপর তাওহীদ ও সাথী বড় হলে তাদেরকেও জানিয়ে রাখে। ছোট থেকেই সাথী তাওহীদদের বাসায় আসা যাওয়া করতো।তাওহীদের সাথে খেলা করতো দুষ্টামি করতো।আরও কত কিছু তা বলে শেষ করা যাবে না।আবার তাওহীদের বোন মাওয়াকে নিয়েও অনেক সময় জ্বালাতো। কিন্তু যেদিন থেকে সাথীকে বলেছে তাওহীদের সাথে তার বিয়ে হবে।তারপর থেকেই তাওহীদদের বাসায় আসলে তার মনে কিরকম যেন একটা লজ্জাবোধ কাজ করতো। আবার তাওহীদ যখন মাঝে মাঝে সাথীর দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতো তখন ও লজ্জায় তার নাক মুখ লাল হয়ে যেতো। কিন্তু তাওহীদের সাথে তার দুষ্টামিটা কমেনি; বরং দিন দিন আরও বেড়েই চলে।কখনো একা দুষ্টামি করতো আবার কখনো তার বোনকে নিয়ে।এভাবেই এক ঘুরের মাঝে তারা বেড়ে উঠতে থাকে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ স্মৃতি-০১

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now