বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
গল্পটি ৩ জনের জীবনের গল্প।২টি মেয়ে ও ১টি ছেলে।ছেলেটি নাম জাহেদ সে স্কুলে সবচেয়ে সুন্দর ছেলে।পড়া লেখায় খুব ভালো।মেয়ে ২ টির নাম আইসা ও রাহি। তখন তারা ক্লাস 8 এর ছাত্র ছাত্রী।জাহেদ ক্লাসে বসে আছে তখন তার দেখা হয় রাহির সাথে।রাহি জাহেদের দিকে তাকিয়ে আছে তো আছে।জাহেদ দেখতে পাই রাহি তার দিকে তাকিয়ে আছে।
কিছু খনি পরে টিচার ছলে গেছে।রাহি আর না পারে জিহাদের কাছে গিয়ে দাঁড়াল।জাহেদ তা টের পেল। তখন সে তার সাথে কথা বলে।তখন তারা ভালো বন্ধু হয়ে যায়। পরের দিন সকালে
ওই স্কুলে আসে আইসা। সে দিন জিহাদ আইসার দিকে তাকিয়ে দেখে যে সে কখনো এমন মেয়ে দেখে নিই।সে তাকে তার বান্ধবী বানায়। রাহি কিছু কিছু ক্ষেত্রে খুব খারাপ কাজ করে। কিন্তু সে বুঝতে পারে সে জাহেদকে ভালোবাসা শুরুকরেছে।তার তা বলে দেরি হয়ে যায়।আর তারা ক্লাস 9 এ পড়া শুরু করে।জাহেদ আর আইসা খুব কাছে চলে আসে।এই খবর রাহি জানতে পারে। তখন এক দিন রাহি আইসাকে। খুব খারাপ কথা বলে। এর পর আইসা স্কুলে আসে না। জাহেদ বুঝতে পারে। সে রাহিকে।বলে তুমি আর কোন দিন যদি আইসার সাথে এমন করো তাহলে আমি খুব দুরে চলে যাব।
রাহি আর কিছু না বলে চুপ করে যায়। সে খুব কষ্ট পাই কিন্তু সে ঠিক করে থাকে। রাহি মনে মনে বলে সে আইসা আর জাহেদকে কাছে আনে দিবে। তারা যখন ক্লাস 10 এ পড়ছে তখন জাহেদ আইসাকে বলে আইসা আমি তোমাকে ভালবাসি।
আইসার পাসে টিচার ও রাহি। আইসা দেখে টিচার তাদের দিকে তাকিয়ে আছে আর রাহি কান্না করছে।জাহেদ ও দেখতে পাই রাহি কান্না করছে।সে রাহিকে বলে রাহি তুমি কান্না করছো কেন? রাহি বলে কিছু না তোমাদেরকে দেখে মনের খুশির কান্না এগুলো। আইসা বলে দাও। আইসা আর কি বলবে তা বুঝতে পারে না।কিন্তু বলে দেয় হে।সব কিছু ঠিক ছিল।কিন্তু শেষে জাহেদ মারা গেল। তার পর রাহি বিদেশে ছলে গেল।আর আইসা খুব কষ্ট করে। জাহেদকে ভুলতে পারে না। আর কোন মানুষ রাহি আর আইসার জীবন কেও আসে না।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now