গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !
জিজে রাইটারদের জন্য সুঃখবর ! এবারের বই মেলায় আমরা জিজের গল্পের বই বের করতেছি ! আর সেই বইয়ে থাকবে আপনাদের লেখা দেওয়ার সুযোগ! থাকবে লেখক লিস্টে নামও ! খুব তারাতারি আমাদের লেখা নির্বাচন কার্যক্রম শুরু হবে

গল্পেরঝুড়িতে লেখকদের জন্য ওয়েলকাম !! যারা সত্যকারের লেখক তারা আপনাদের নিজেদের নিজস্ব গল্প সাবমিট করুন... জিজেতে যারা নিজেদের লেখা গল্প সাবমিট করবেন তাদের গল্পেরঝুড়ির রাইটার পদবী দেওয়া হবে... এজন্য সম্পুর্ন নিজের লেখা অন্তত পাচটি গল্প সাবমিট করতে হবে... এবং গল্পে পর্যাপ্ত কন্টেন্ট থাকতে হবে ...

গল্পেরঝুড়িতে লেখকদের জন্য ওয়েলকাম !! যারা সত্যকারের লেখক তারা আপনাদের নিজেদের নিজস্ব গল্প সাবমিট করুন... জিজেতে যারা নিজেদের লেখা গল্প সাবমিট করবেন তাদের গল্পেরঝুড়ির রাইটার পদবী দেওয়া হবে... এজন্য সম্পুর্ন নিজের লেখা অন্তত পাচটি গল্প সাবমিট করতে হবে... এবং গল্পে পর্যাপ্ত কন্টেন্ট থাকতে হবে ...

"ভালোবাসা" ৩ বা শেষ পর্ব

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Mofizul Hossain (৫০ পয়েন্ট)



আসসালামু আলাইকুম ভাই এবং বোনেরা।আপনারা সকলে কেমন আছেন।আপনাদের উৎসাহে আমি পার্ট ৩ লিখছি। গল্পঃ"ভালোবাসা" ৩ বা শেষ পর্ব লেখকঃ মফিজুল উৎসর্গঃ প্রেম পাগল এবং প্রেম কে না বলা পাগল ও শান্ত গল্প এর ঝুড়িয়ানদের। ২য় পর্ব এর পর মাঃ কি তোর তো কখনো মেয়ে বন্ধু ছিল না।।।।। আমিঃ আরে মা তাতে কি হয়েছে আগে ছিল না এখন আছে। মাঃ হুম! বুঝতে পেরেছি আমিঃ কি বুঝেছ। মাঃ তা তোর যেনে কাজ নেই।আমি খাবার দিচ্ছি খেয়ে পড়তে বস। আমিঃ ঠিক আছে মা gj তারপর পড়াশুনা শেষ করে ইকটু টিভি দেখলাম।দেখার পর রাতে ঘুমানোর সময় শুধু পিকনিকের দিনগুলো কে ভাবছি।কি মজাই না ছিল। এভাবে দিন গুলো পার হলো কলেজ ও খুলার সময় হলো। ঠিক ৮ টায় এলামের শব্দে আমার ঘুম ভাঙে।অন্যান্য দিনের মতে খেয়ে দেয়ে কলেজে গেলাম।হাটছি আর ভাবছি রিনার সাথে কি আমার দেখা হবে না হবে না।এরপর কলেজে পৌঁছে গেলাম। আজ ভাগ্য আমার সহায় ছিল ওর সাথে দেখা হয়ে গেল কিন্তু ছুটি র সময়।যাক দেখা তো হয়েছে।আমরা দুজনে অনেক গল্প করলাম।এমনকি ফুসকা,ঝালমুড়িও খেলাম।তরপর নাম্বার আদান-প্রদান করলাম।রাতে শুয়ার সময় ওকে ফোন করতাম।বিকেলে ও করতাম।যখন সময় পেতাম তখনই করতাম। ওর সাথে দেখা হলে কিছু না কিছু নিয়ে ই যেতাম।আমার এই প্রেম এর ঘটনা আমার বন্ধু রা জানত।আর বন্ধু রা জানলে কি হয় সেটা তো সবাই জানেনই। আমাকে চেতাত আর বলত কিরে ভাবির কি খবর।ঝগড়া করিস নি তো আবার। রিনার নাম করে ওরা এটা সেটা নিত।বলত প্রথম বার প্রেম করেছিস ট্রিট দিবিনা।তারপর হোটেলে গিয়ে খাওয়াতে হতো। আবার যে সে হোটেল না একেবারে 5 ★ হোটেল। আমার টাকাগুলি পকেট থেকে এভাবেই যেত।দেখতে দেখতে একবছর পার হলো রিনার প্রতি আমার ভালোবাসা আরও বাড়লো।আজ সকালে আমি প্রতিজ্ঞা করি আজই ওকে আমার ভালোবাসার কথা বলব।তো একটা ❀ ফুলের তোরা নিয়ে কলেজ এ যাই যদিও ওকে দেখতে পাই না তবুও খোজা খুজি করি।অবশেষে ওকে পেয়ে যাই। রিনাঃ কি হলো এভাবে সামনে আসলে কেন?? আমিঃ (ইকটু ভয়ে ভয়ে বলি) ইয়ে মানে তুমাকে একটা কথা বলব। রিনাঃ কি কথা আর তোমার পিছনে ওটা কি আমি সোজা ফুলের তোরা নিয়ে ওর সামনে হাটু কেরে বসে বলি I love you Rina আমি তোমাকে সত্যি ই ভালোবাসি। কিন্তু রিনা কান্না শুরু করে দিল।আর বলল, এই শুক্রবার আমার বিয়ে। তুমাকে বলতে যাব কিন্তু তুমি ই আমাকে আই লাভ ইউ বললে।আমি তোমাকে ভালোবাসি ঠিকই কিন্তু বাবা-মার বিরুদ্ধে আমি যেতে পারবনা।তুমি আমাকে মাফ কর। কথাটা বলেই রিনা চলে গেল। আর আমি এখানে বাকরুদ্ধ ভাবে দাঁড়িয়ে আছি।কিছুই বলতে পারছিনা যাকে এই প্রথম ভালোবাসলামতাকেই হারিয়ে ফেলব। এই সত্য টা আমি মেনে নিতে পারিনা।আমি ওখানেই কান্না করে দেই।তারপর এই কয়দিন আমি একেবারে চুপচাপ হয়ে গেছিলাম।মা খাবার দিলেও ভালো করে খেতে পারতাম না।বন্ধুরা আমাকে হাসানোর চেষ্টা করেছিল কিন্তু আমি হাসিনি।লিমন বলেছিল, ভাই সত্য টা মেনে নে আর ভুলে যা ওকে।কিন্তুু আমি ওকে কিভাবে ভুলব।মনির বলে,তুই শুধু একবার বল রবিন আমরা সবাই মিলে ওকে তুলে আনি।আমি ওদেরকে মানা করলাম আর বললাম,এসব করে কোন লাভ নেই এতে ও শান্তি তে থাকবেনা আর আমিও থাকতে পারব না।দেখতে দেখতে শুক্রবার আসল সেই দিন যেদিন আমার সব সপ্ন আকাশে উড়ে যাবে। আমি পার্ক এ বসে আছি।বারবার সিগারেটের দিকে মন যাচ্ছিল কিন্তু আমার বন্ধু রা খেতে দেয় নি।আজ রাতে দেড়ি করে বাড়ি ফিরি।মা জিজ্ঞেস করেছিল দেড়ি হল কেন কিন্তু আমি কিছু ই বলিনি।শনিবার আসে কিন্তু কলেজ এ যাই নি।ভাল লাগছিলনা তাই। সকাল গড়িয়ে দুপুর হয়।কিন্তু আমার মনের কালো ☁ মেঘ সরেনা। আমি শুধু পারকের বেঞ্চে বসে আছি আর ভাবছি "কি অপরাধ ছিল আমার" আমার জীবন এ কি ভালোবাসা নেই।যাকে আমি প্রথম ভালোবেসেছিলাম সেই চলে গেল আমার জীবন থেকে। নিজের উপর খুব angry রাগ হচ্ছিল। কেন আমি ভালোবাসতে গেলাম।এসব ভাবতে ভাবতে বিকেল হয়।আমি যখনই পার্ক থেকে বেরোতে যাব তখনই রিনা আমার সামনে। আমি অবাক হলাম। কিন্তু ও বউ সেজে ছিল।সাথে আমার বন্ধু রাও ছিল।আমি ভেবেছিলাম ওরাই মনে হয় ওকে তুলে এনেছে।যখনিই আমি ওদের কাছে যাব ঠিক তখনিই রিনা আমার হাত ধরল।আর বলল,ওদের কিছু বলনা আমি সব বলছি।ও বলা শুরু করল," আমার যখন বিয়ে হবার কথা তখন যার সাথে আমার বিয়ে হবে তার সাথে আমি একলা কথা বলেছিলাম আমি তাকে তুমার ব্যপারে জানাই সে বলছিল,রিনা তুমার কোন সমস্যা নেই আমিও এই বিয়ে তে রাজী নই। আমিও একজনকে ভালোবাসি।তারপর আমরা দুজন মিলে আমাদের মা বাবাকে বুঝাই।সে তার মা বাবাকে আর আমি আমার মা বাবাকে।প্রথম এ ওনারা বুঝে নাই। তারপর তুমার মা বাবার কথা বলি।তুমার বাবার সাথে আমার বাবার সেই কলেজ লাইফ থেকে বন্ধুত কিন্তু এতদিন কেউ কারর দেখা হয় নি।তারপর ওনারা রাজী হন।আর আমি তাড়াতাড়ি করে বাড়ি র থেকে বের হই তুমাকে খুজার জন্য। পথে তুমার বন্ধু দের সাথে আমার দেখা হয় আর তারা আমাকে তুমার কাছে নিয়ে আসে।" তারপর আমি এবং রিনা দুজনকে জড়িয়ে ধরি।আমার বন্ধু রা ইকটু কাশি দিয়ে বলল,হইছে এবার চলেন কাজী অফিসে। এরপর আর কি কিছু বলতে হবে আমাদের বিয়ে হয়। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করি আল্লাহ তায়ালা আমাদের সহায় হয়েছেন। সমাপ্ত।। বিদ্রঃ এবার গল্প টা শেষ হলো ভুল হলে আমাকে রাগী ভাবে বলবেন যেন আমি বিষয়টা ভালোভাবে মাথায় রাখতে পারি। খোদা হাফেজ।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৯৯৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অন্তরালে - ৩
→ ♥প্রেম যমুনায়- মাঝি ও আমি♥পর্ব-১২♥
→ বাংলা ভাষার মায়াবী টানে - ১
→ হৃদয়ের দভন (পর্ব ২)
→ হৃদয়ের দভন(পর্ব৩)
→ হৃদয়ের দভন (পর্ব১)
→ গদ্যকার্টুন_১ বাবা রোবট, তোমারে কলাম লিখতে হবে কেন
→ সন্তানকে চরিত্রবান করে গড়ে তোলা বাবার দায়িত্ব
→ নেককার স্ত্রী তার স্বামীর জন্য সবচেয়ে বড় সম্পদ
→ বিবাহের উপকারিতা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...