বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সেই মেয়েটি

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Bad Boy (০ পয়েন্ট)

X নীল- খুব শান্ত,ভদ্র । মানে ভালো ছেলে হতে যা যা লাগে সবই বিদ্যমান । . ক্লান্তি -পড়াশুনার ভালো, ব্ল্যাক কালারের মোটা চশমা পড়া। প্রথম দেখাই ক্রাশ খাওয়ার মত চেহারা তার। . পুষ্প- একটু চঞ্চল, পড়াশুনার মোটামুটি। অনেক কিউট দেখতে। . নীল ছাদে দাড়িয়ে আকাশ দেখছে। আকাশটা যে তার খুব প্রিয়। সব আবেগ, মনের কুটিরে জমে থাকা আত্মনাদ সবই প্রকাশ করে তার কাছে। . অনেক আগেই নীল ক্লান্তি ভালোবেসে ফেলেছে। প্রথম যেদিন পাশের বাসার ছোট্ট বেলকনিতে দাড়িয়ে হাত বাড়িয়ে বৃষ্টির পানি ধরছিল। সেই দেখাতেই, নীল তার ছোট্ট জমিনটাতে জায়গা দিয়ে ফেলেছে। . ক্লান্তি প্রথমে প্রেমে বিশ্বাস না করলেও পরে বুঝতে পারে যে, সে প্রথম কোন ছেলের প্রেমে পড়েছে।মনের গহীনে তার প্রতিচ্ছবি গুলোই বসবাস। . পুষ্পের সব পাগলামি গুলো উৎপওি গুলো কারন শুধু একজনই। হাজার বাহানা দিয়ে তার সাথে কথা বলা, দুষ্টামি করা, তাকে হাসানো যেন তার অন্যতম কাজ । . মানুষ যায় সানিধ্যে বেশিক্ষণ থাকে তার মায়ার পড়ে যায়।সবকিছুতেই তার অস্তিত্ব অনুভব করে। . এমনই হয়েছে ক্লান্তি ও পুষ্পের মধ্যে। হ্যাঁ তারা একে অপরকে ভালোবেসে ফেলেছে। . নীল এসব কিছু না জেনেই তার মনের কথা কোমল সুরে বলে দিয়েছিল ক্লান্তিকে। কিন্তু,ক্লান্তি মলিন মুখে তাকিয়ে থেকে অল্প আওয়াজে বলল-আপনাকে আমার অপছন্দ নয়। আগে বললে হয়ত কিছু হলেও হতে পারত। কিন্তু, এখন তা সম্ভব নয়। আমি অন্য একজনকে ভালোবাসি। সরি. ... . নীল চোঁখের জল লুকাতে চেয়েও যখন পারল না। তখন চোঁখ দিয়ে জল বেয়ে নিচে নামতেই, হাতের উলটো পিঠে মুছে, কষ্টগুলো আগুনে আরও তপ্ত করে ।চলে এসেছিল সেখান থেকে এইটু বলে - যাকে তুমি মনের গহীনে আগলে রাখতে চেয়েছ,, সেটা ভালোবাসা! যে তোমাকে সযন্তে লালন করে রাখতে চেয়েছিল। সেটা কি ...? যাকে তুমি চেয়েছো তাকে তুমি পেয়েছো,, কিন্তু, যে তোমাকে চেয়েছে। তার কথা কি একটি বার ভেবেছো ...?? ভেবে দেইখো না একবার ... . ভালোই চলছিল তাদের খুনসুটি ময় ভালোবাসা। কিন্তু ক্লান্তি খুব মনমরা থাকত। কারণ সেই কথাগুলোই প্রতিধ্বনি হত অজস্র বার। . ভালোবাসার তৃতীয় জনের উপস্থিতি প্রথম এবং দ্বিতীয় জনের সুখের পথে বাঁধা হয়ে দাড়ায়। . ঠিক এমনটাই হয়েছিল ক্লান্তি ও পুষ্পের মধ্যে। ক্লান্তির এই পরিবর্তন যেন কিছুতেই মেনে নিতে পারছিলনা পুষ্প। কিন্তু নীল সেই থেকে আর ক্লান্তির সামনে আসেনি তার ভালোবাসার দাবি নিয়ে। . দুজনের মাঝে একটু বেশি যোগাযোগ থাকলে হঠাৎ করে সম্পর্কটা অন্যদিকে মোড় নেয়। . ক্লান্তির সাথে পুষ্পেরর হঠাৎ করেই ব্রেকাপ হয়ে যায়। এমন অবস্থার পরিনত হয় যেন দুজন দুই মেরুর। . ব্রেকাপ হওয়ার কারনটা ছিল -পুষ্প একটা মেয়ের সাথে খুব কাছাকাছি হয়ে বসে কথা বলছিল। ক্লান্তি জানত সেই মেয়েটা পুষ্পকে পছন্দ করে । এই নিয়ে সামান্য ভুল বুঝাবুঝিতে তাদের রিলেশনের ফাটল ধরে । কিন্তু পুষ্প সওি সেদিন কি ঘটে ছিল তা বলতে চেয়েও বলতে পারেনি। . কাছের মানুষের হঠাৎ পরিবর্তন কেউ মেনে নিতে পারে না। কারন মনের অন্তরালে যে তার ছবিটা স্পষ্ট, তার স্থান যে নির্ধারিত। . দুঃখ মানে সেটিই -যা একটি নিদিষ্ট সময়ে মনের সুখের প্রতিচ্ছবি গুলোকে একএিত করে, চোঁখের সামনে স্পট প্রতিবিম্ব ফেলে, সুখের দিন গুলোকে সঞ্চারিত করে তুলে। তার প্রতি প্রবল আর্কষণের সৃষ্টি করে। . হুম। ক্লান্তি ও পুষ্প তাদের সাধারণ জীবন যাপনকে স্তব্ধ করে দেয় ।সেই সুখের স্মৃতি গুলো। তাদের জীবনটা ওলট-পালট হয়ে যায়। . ছেলে মানুষগুলো যানি কেমন! তার কষ্টগুলো অন্যের কাঁধে তুলে দেয়না। কাধঁটা যখন অবশ হয়ে যায়। বইতে না পেরে মাটির সাথে দুমড়ে-মুচড়ে পড়ে। তখনো কেউ সাহায্য করতে এলে, তাকে ফিরিয়ে দিয়ে বন্ধুর পথ ধরে একাই হাটে। . হ্যাঁ , দেওয়ালের ফাটলের মত তাদের মনের ফাটলটা রোধ করতে ক্লান্তি পেয়েছিল পাশে নীল কে। বন্ধু এর মত সাহায্য করত তাকে। কিন্তু পুষ্প। হ্যাঁ উপরের কথাগুলোর মত সে একাই হেঁটেছে বন্ধুর পথে। . ক্লান্তির মনের ফাটলটা অনেকাংশে রোধ হয়েছিল। কিন্তু পুষ্পের রাস্তা অন্য দিকে যেতে লাগে । সে অন্ধকার ঘরে বন্ধি হতে শুরু করে। . মানুষগুলো কেমন যেন। কষ্টগুলো ভুলতে যেয়ে নিজেকে অন্যের মাঝে কল্পনা করে। বলেছিলাম - মানুষ যায় সানিধ্যে বেশিক্ষণ থাকে তার মায়ার পড়ে যায়।সবকিছুতেই তার অস্তিত্ব অনুভব করে। . হ্যাঁ দ্বিতীয় বারের মত ক্লান্তি ভালোবেসে ফেলে নীলকে। . মনে আছে কি সেই মেয়েটার কথা? পুষ্পের সাথে বসে থাকতে দেখে ক্লান্তি ও পুষ্পের রিলেশনের ফাটল ধরেছিল। . মানুষ সবাই স্বাথর্পর। মানুষ অন্যকে ভালোবাসে কারন তার মাঝে সে নিজের সুখের বিষয় বস্তু খুজে পায় বলে। তবুও কিছু মানুষ স্বার্থের বলিদান দিয়ে নিজের কষ্টগুলোর সাথে অস্রহীন যুদ্ধকরে ভালোবাসার মানুষটাকে সুখি দেখতে চায়। . হুম। সেই মেয়েটি দাড়িয়ে আছে আজ ক্লান্তির সামনে। সেইদিনের সওিটা কি ছিল ?বলবে বলে। .


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ সেই মেয়েটি ২
→ সেই মেয়েটি পর্ব ১
→ আমার জীবনের অংশ সেই মেয়েটি
→ সেই মেয়েটি
→ সেই মেয়েটি
→ সেই মেয়েটি
→ ♥পাল্টে দেয়া সেই মেয়েটি♥
→ বাসস্টপের সেই মেয়েটি
→ সেই মেয়েটি
→ সেই মেয়েটি
→ সেই মেয়েটি,,,,,,
→ পরিক্ষা হলের সেই মেয়েটি (সবাই পড়বেন)
→ সেই মেয়েটি
→ সেই মেয়েটি
→ সেই মেয়েটি

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now