বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সেচ দেও সেচ

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Sayemus Suhan (০ পয়েন্ট)

X সকলকে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ৷ আমি তেমন কোন ভুতের অভিজ্ঞতা র সম্মুখীন হইনি ৷ আমি যে অভিজ্ঞতার কথা বলতেবলত যাচ্ছি সেটা আমার মায়ের কাছ থেকে শুনা ৷ এটা আমার দুঃসম্পর্কের এক মামার সাথে ঘটেছিল ৷আমার সেই মামার বাড়ি হল হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং থানায় ৷ তাদের অনেক জমি আছে ৷সেই জমিতে তারা বোরো মৌসুমে ধান চাষ করেন ৷ সেই জমিগুলোতে সেচ দেওয়ার জন্য তারা কোন (সিলেট অঞ্চলে একরকম কাঠের তৈরি যন্ত্রের সাহায্যে সেচ দেওয়া হয় ৷ এটা দেখতে অনেকটা ছোট নৌকার মত) দিয়ে সেচ দিতেন কোন এক সময় ৷বর্তমানে মেশিনের সাহায্যে সেচ দেন ৷ তো কোন এক বোরো মৌসুমে প্রতিদিন মামারা সারাদিন ক্ষেতে কাজ করে বিকাল বেলার দিকে বাড়িতে ফিরে আসেন ৷ যথারীতি তারা জমিতে সেচ দিতে ভুল করেন নি৷ পড়ের দিন সকালে তারা কাজে করতে ক্ষেতে গিয়ে দেখেন সমস্ত জমি শুকনো এবং ক্ষেতের আলের এক অংশ কাঁটা ৷ তারা সন্দেহ করলেন কেউ শত্রুতাবশতঃ তাদের আল কেটে দিয়েছে ৷কিন্তু এমন করে আরও কয়েকদিন হল ৷ এবার মামাদের মধ্যে যিনি বড় তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন একরাত তিনি ক্ষেতে কাটাবেন ৷সেদিন ছিল পূর্ণিমার রাত ৷কথামত একরাতে তিনি জমির একদিকে মাচা বেঁধে সেখানে পাহারায় বসলেন ৷ অনেক রাত হল কিন্তু তিনি কিছুই লক্ষ্য করলেন না ৷ এভাবে রাত কাটতে লাগল ৷ যখন রাত প্রায় ৪ টা হল হঠাৎ তিনি চাঁদের আলোয দেখলেন কে যেন ওনাদের জমির আল ভাঙ্গছে হাত দিয়ে ৷সেটি দেখতে মানুষের মত ছিল কিন্তু তার মুখ তিনি দেখতে পেলেন না ৷ তিনি সঙ্গে সঙ্গে সেটার নিকটে গেলেন এবং বললেন কেন সে আল ভাঙ্গছে ৷কিন্তু সে কোন জবাব দিল না ৷ এভাবে তিনি অনেক সময় তাকে একই কথা বললেন ৷কিন্তু সে কোন উত্তর দিল না ৷ শেষে মামা রেগে সেটার সাথে হাতাহাতি শুরু করে দিলেন ৷ মামার সাথে সেই টাও ঝগড়া শুরু করে দিল ৷অনেক সময় সময় যাবত মারামারি চলছিল ৷ শেষ যখন সূর্যোদয় এর সময় আসল তখন হঠাৎ সেটা ঝগড়া থামিয়ে মামার সামনে সে তার চেহারা দেখাল ৷মামার ভাষ্যমতে তার চেহারার মধ্যে দুইটি চোখ এবং মুখ ছারা সবটাই কালো অন্ধকার ছিল ৷সে তখন মামাকে বলল আমিই তোর জমির পানি ছেড়ে দিতাম ৷ এখন তুই আমাকে যুদ্ধে হারিয়েছিল তাই তোকে আমি কথা দিচ্ছি যতদিন পর্যন্ত এই জমিতে চাষাবাদ করবি ততদিন পর্যন্ত আমি নিয়ে এই জমিতে সেচ দিযে যাব ৷ এই বলে সেই দেওটি হাওয়া হয়ে গেল ৷ পাঠকগন বিশ্বাস অবিশ্বাস আপনাদের কাছে ৷ তবে আমি বলি আজও মামাদের জমিতে পানি সেচের প্রয়োজন হয় না ৷ তারা যখন কাজে যান তারা দেখতে পান তাদের জমি কেউ আগেই সেচ দিয়ে রেখেছে ৷


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ সেচ দেও সেচ

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now