বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

রস চুরি

"স্মৃতির পাতা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Merina Afrin Mou (০ পয়েন্ট)

X স্কুল ছুটির পর আমরা বন্ধুরা সবাই মাঠে বসে আছি।আমি,আশিক,নাঈম,মিরন,সিয়াম,মুন্না আরো অনেকে। সবাই মিলে ভাবছি একটা পিকনিক করা যাক।শীতে পিকনিক করার মজাই আলাদা।অনেকে অনেক প্লান করছে। তখন আমি বললাম- _এই তোরা শোন,এখন তো শীতকাল,খেজুর গাছ তো নিশ্চয়ই কাটছে।চল রসের পায়েস খাই।। , আশিকঃহু আইডিয়া খারাপ না,তবে রস টা কিন্তু চুরি করে খাব,নাহলে মজা হবে না। আমিঃহ্লা,পাগলা কুত্তায় কামরাইছে তোরে?এর আগে চুরি করছো কখনো? আশিকঃকি যে বলিস, চুরি করা তো সিম্পল ব্যাপার।গাছে উঠবি,হারিটা নামাবি,কলসিতে ঢালবি,তারপর চলে আসবি, আমিঃসবই যদি আমি করি তাইলে তোরা আছোস কেন? নাঈমঃহ্লারা থাম,আশিক ভালো গাছ বাইতে পারে,ও গাছ থেইক্কা রস নামাইবো,এটাই ফাইনাল, মিরনঃওরে তা রস কোন জায়গা দিয়া আনবি? আশিকঃআরে উত্তর পারার রহিম চাচার গাছ আছে না,ঐখান থেকেই কামডা সারমু। আমিঃদেখ যা করবি সাবধানে,ধরা পরলে কাম শেষ। , সৌরভঃসবই বুঝলাম কিন্তু রস আনতে গেলেও রাত ১২টার সময় যাওয়া লাগবে,নাইলে কিন্তু রস পাইবি নাহ। আমিঃসবাই কি করো বা না করো যানিনা,সবাই রাত ১২ টার সময় মাঠের এইজায়গায় আসবা। আর আশিক তুই কলস নিয়া আসবি।আর সবাই চল একবার গাছগুলা দেইখা আসি। , সন্ধ্যা প্রায় হইছে,তাই সবাই বাড়ি চলে গেলাম, পরদিন ১২ টার সময় সবাই সেই জায়গায় উপস্থিত হইলাম।আমরা প্রায় ১০ জন ছিলাম, আশিকরে গাছে উঠাইয়া দিলাম,আর ও হারি নামাইয়া কলসি ভরতে থাকল, কলসি প্রায় ভর্তি হইয়া আসছে,তাই সবাই চলে আসলাম,রসের কলসটা আমি নিয়া আসলাম, ,তারপর সকালে আবার সবাই একসাথে হইলাম,এখন পায়েস রান্না করব কোথায়,এই নিয়া বাধল এক ঝামেলা,তারপর সবাই মিলে ঠিক করলাম নদীর পারে গিয়া রান্না করব,আমি বাড়ি থেকে রান্না করার জন্য হাড়ি-পাতিল আনলাম। , এদিকে স্কুল আবার খোলা,সবাই বই নিয়া গেছি কিন্তু কেউ ক্লাস করি নি।ক্লাস তো পুরা ফাকা।কিছু মেয়েরা ছিল যারা ক্লাস করছে।আমারা আবার মেয়েদের বললাম,কিরে তোরা খাবি নাকি? -খাব কিন্তু স্কুল থেকে কি স্যার,ম্যাডামরা যেতে দিবে। -আচ্ছা ঠিকাছে রান্না হলে তোদের ডাক দিবো পারলে আসিস। এই বলে আমরা চলে গেলাম।বাজার থেকে চাল কিনে নিলাম। কিছুক্ষণ পর নদীর পারে অবদার কাছে চলে আসলাম।এইবার রান্না করার জন্য চুলা বানালাম।কাঠ জোগার করলাম, -রান্না করার জন্য নাঈম আর আশিককে বললাম।পাগলারা খুব ভালোই রান্না করতে পারে। ,অবশেষে রান্না শেষ হলো।মুন্না আর আশিক ওদের পাঠালাম মেয়েদের ডাকতে।ব্যাপারটা হাস্যকর যে ছেলেরা রান্না করবে আর মেয়েরা খাবে। যাইহোক মু্ন্না আর আশিক স্কুলে গিয়ে দেখো স্যার ক্লাসে।স্যার তো রেগে আগুন কেউ ক্লাসেই নাই,উকি মারার সময় মু্ন্নাকে স্যার দেখে ফেলে। স্যারঃএই মুন্না এইদিকে আয়,কিরে ক্লাস করো নাই কেন?ওরা সব কই, মুন্নাঃস্যার,আমিতো মাত্র এলাম,ওরা কই তা তো জানিনা। স্যারঃদারা ম্যাডামকে বলি,মজা বুঝবি। , ম্যাডামকে আমরা বাঘের চেয়েও ভয় পাই,স্যার ম্যাডামকে বলে দিল,তখন কিছু মেয়েরা ম্যাডামকে বলল,যে আমরা রস দিয়ে পায়েস রান্না করছি,ম্যাডাম কোনো রিএক্ট করে নি দেখে খুব খুশি হলাম,মেয়েরা সবাই বলল যে, ওরাও খেতে যেতে চায়। ম্যাডাম অনুমতি দিয়া দিল। , মজা আর দেখে কে,কিছুক্ষণ পর দেখি সব মেয়েরা আমাদের দিকে আসছে।এখন ক্লাসের সব একসাথে, খাওয়ার জন্য কলাপাতা কাটলাম,আমি আর আশিক খাবার সার্ভ করলাম,আর নাঈম পানি দিচ্ছে,সবার ভাগে অল্প অল্প পরলেও খেতে খুব মজা হয়েছিল। . দিনটায় সবাই অনেক মজা করছিলাম,বলতে গেলে জীবনে স্বরনীয় একটা দিন।রস চুরি করাই ছিল জীবনের প্রথম চুরি,আর ভালো কোনো কাজে চুরি করাকে চুরি বলে না।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ মাটিতে আর আকাশে চুরি
→ লুকোচুরি
→ আপুনির গল্প: রানীর নাম চুরি!
→ ইউসুফ আ. এর উপর চুরির অপবাদ
→ আম চুরি
→ চুরি..
→ জুতা চুরি
→ গণিত স্যারের মেয়ে চুরি
→ ডাব চুরি
→ যে যত উপরে, তাঁর চুরি ততো
→ ডাব চুরির মজার গল্প
→ লাশ চুরির ভয়ানক ঘটনা
→ খিচুরি
→ হাঁসচুরির পর প্রেম
→ লুকোচুরি_শেষ পর্ব

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now