বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

রহস্যময় সেই বাড়িটি-০২

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X ।। ভূতুড়ে গল্প ।। "রহস্যময় সেই বাড়িটি" আবুল ফাতাহ মুন্না -------------------- (পর্ব-২) রহস্যময় বাড়ি আমাদের ছোট্ট শহরটা সম্পর্কে এককথায় বলা যায়,এমন কেউ যদি ঢাকা থেকে আমাদের শহরে এসে পড়ে যে কিনা জীবনে কখনো গ্রাম দেখেনি তাহলে সে ভাববে এটাই বুঝি গ্রাম।আবার আজীবন গ্রামে থাকা কাউকে যদি আমাদের শহরে ছেড়ে দেয়া হয় তাহলে সে ভাববে সে মেগাসিটিতে এসে পড়েছে। দল গঠন করার পর দিন থেকেই আমরা আমাদের ছোট্ট শহরটাতে রহস্যের সন্ধানে হন্যে হয়ে থাকলাম।তবে রহস্য তো আর হাস মুরগী না যে চাইলেই খুঁজে পাওয়া যাবে। আমরা চাইলে অবশ্য ‘খোয়াড় থেকে মুরগী উধাও’ কিংবা ‘পাশের বাড়ির কুকুর ভুলুর অস্বাভাবিক মৃত্যু’র মত রহস্য সমাধানের করার কাজে হাত দিতে পারতাম।তবে আমরা তো আর যেন তেন গোয়েন্দা নই।আমাদের মোকাবেলা হবে ‘টোকাই মিজান’ টাইপের ভয়ঙ্কর অপরাধীদের সাথে।রাতের আঁধারে আমরা পোড়ো বাড়িতে গুপ্তধন খুঁজতে যাব।কোটিপতির কিডন্যাপ হওয়া সন্তানকে উদ্ধার করে আনব,যেমনটা কিনা কিশোর মুসারা করে থাকে।তাহলেই না খাঁটি গোয়েন্দা হতে পারব। আমরা চোখ কান খোলা রাখলাম।রহস্যের দেখা পেলেই ঝাপিয়ে পড়ব। বেশিদিন অপেক্ষা করতে হলনা,একটা রহস্য পেয়ে গেলাম। আমাদের শহরটা ছোট বলেই এখানকার কোনো কথাই চাপা থাকেনা।সবাই সবার কথা জানতে পারে।আমরাও সেই রহস্যময় বাড়িটার কথা জানতাম তবে জানতাম না রহস্যটা ঠিক কোথায়।এরপরও এক অজানা দুর্জ্ঞেয় রহস্য ঘিরে রেখেছিল সেই বাড়িটাকে। আমাদের সবার বাসাই পাশাপাশি।রাতে জোড়ে নাক ডাকার আওয়াজ পেলেও বলে দিতে পারব,ওটা পিকুল প্যাঁকাটির নাকের বাঁশি! আমাদের বাসার পেছনেই একটা জায়গা আছে যেটাকে সবাই ‘বাঁশঝাড়’নামে চেনে।নামে বাঁশঝাড় হলেও সেখানে অনেক ধরনের গাছই আছে।বাঁশ গাছ তো আছেই।অনেকটা জঙ্গলমত জায়গাটা।তবে আমরা দেখে অভ্যস্ত নই বলে আমাদের কাছে জঙ্গল মনে হয় জায়গাটাকে।আসল কথা হচ্ছে,একসময় আমাদের দেশের অধিকাংশ জায়গাই এমন গাছের ছায়ায় ঘেরা ছিল।কী গ্রাম কী শহর,প্রতিটা বাড়িতেই থাকত প্রচুর পরিমাণে গাছপালা।এখন সে সব অতীত।একারণেই বাঁশঝাড় জায়গাটাকে আমাদের কাছে জঙ্গল বলে মনে হয়। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন গাছে হানা দেবার জন্য প্রায়ই আমাদের যাওয়া হত বাঁশঝাড়ে।বেশ কয়েক ঘর মানুষ থাকে জায়গাটাতে।এলাকার মানুষের সাথেও তাদের সবার ভাল সম্পর্কও আছে।তবে মাস কয়েক আগে ওই বাঁশঝাড়ে একটা পরিবার এসে ওঠে।ওঠে বলতে,জায়গা কিনে বাড়ি করে।ওখানে যারা আগে থেকেই থাকে তারা পৈতৃক সুত্রেই আছে।জমি কিনে অমন জায়গায় বাড়ি করার কোনও কারণই নেই,যদিনা... যদিনা তারা কোনো অপরাধের সাথে যুক্ত থাকে! রহস্যময় বাড়িটাতে শুধু মধ্য বয়সী এক লোক আর তার স্ত্রী থাকেন।রহস্যময় বলার কারণ হল,বাড়ি থেকে বের হতে দেখা যায়না তাদের কাউকে।মাঝে মধ্যে ভদ্রলোক বাজার টাজারে বের হলেও এলাকার কারো সাথে কথা বার্তা বলেন না।কেউ যেচে কথা বলতে চাইলে এমন দৃষ্টিতে তার দিকে তাকান যে তার কথা বলার সমস্ত উৎসাহ কর্পূরের মত বেমালুম উবে যায়! পরিবারটার ব্যাপারে অনেক রকম গল্প গাথা প্রচলিত আছে।যেমন কেউ বলে,ওরা আসলে মানুষ না,জীন!মানুষের ছদ্মবেশে আছে।বাজার করার ব্যাপারটাও আসলে লোক দেখানো।রাতেরবেলা তারা দুজন বাড়ি থেকে গোবরের সন্ধানে বের হয়।ওটাই জীনদের খাবার কিনা! কারো কারো ধারনা ওরা আসলে ভংকর অপরাধী।পুলিশের ভয়ে এখানে পালিয়ে আছে,পরিস্থিতি শান্ত হলে আবার অপকর্ম করতে শুরু করবে। কেউ আবার বলে ওরা বিদেশী গুপ্তচর।দেশের অমূল্য তথ্য পাচার করতে এসেছে।যদিও বড় বড় শহর রেখে এই মফস্বল শহরে কী এমন মূল্যবান তথ্যের(?) সন্ধান তারা পেল সেটা অবশ্য কেউ জানেনা। কেউ কেউ তো আবার এককাঠি সরেস।তাদের ধারনা এরা মানুষও না জীন না।এরা হল ছয়শত আলোকবর্ষ দুরের এক ভিনগ্রহের বাসিন্দা।এলিয়েন!বড় ধরনের কোনও অপরাধ করায় তাদের দেশ থেকে বের করে দেয়া হয়েছে।সে কারনেই তার এখন মানুষের রুপ ধরে এই পৃথিবীতে বসবাস করছে। তবে অনেকে অনেক কথা বললেও আজ পর্যন্ত যেহেতু কেউ তাদের উল্টো পায়ের পাতা বিশিষ্ট জীন কিংবা লেজওয়ালা এলিয়েন রুপে অথবা মূল্যবান তথ্য পাচার করতে দেখেনি সেহেতু তাদের বাড়া ভাতে ছাই দেবার মত সাহস নেই কারো। তাছাড়া পকেটের টাকা খরচ করে তারা বাড়ি করেছে।কার সাথে কথা বলল নাকি বললনা,সেটা নিয়ে তো আর হইচই করা যায়না। তবে বাড়িটাকে রাতেরবেলা সবাই এড়িয়ে চলতে চায়।রাতেরবেলা যারাই নাকি ওই বাড়ির কাছাকাছি গিয়েছে তারাই নাকি অদ্ভুত কোন এক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছে।সেই অভিজ্ঞতাটা যে আসলে কী,সে সম্পর্কেও কেউ স্পষ্ট করে কিছু বলতে পারেনা। ওই বাড়ির মালিকের নাম হল,আহসান খান।তার স্ত্রীর নাম জানা যায়নি।আহসান সাহেবের বাড়ির সবচাইতে কাছের বাড়িটা নাজিমুদ্দিন চাচার।উনিও নাকি দু একদিন রাতে ওই বাড়ির চারপাশে একটা ছায়ামূর্তিকে হেঁটে বেড়াতে দেখেছেন।কী ভয়ংকর! মোট কথা,ওই বাড়িটা আমাদের পু্রো এলাকার মধ্যে রহস্য এবং ভয়ের একটা প্রতীক হয়েই ছিল। সেদিন সন্ধ্যায় আমি আর ফরহাদ মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে বের হলাম। ফরহাদ এমনিতে বাঁদরকুল শিরোমনি হলেও পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের বেলায় পাক্কা।ওদের বাড়ির সবাই নামাজ পড়ে।ওদের বংশ নাকি পীর বংশ। ওর এই নামাজ পড়ার গুনের কারণেই ওর দুষ্টুমিগুলো বড়রা অনেক সময় ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখে।ওর সাথে থাকতে থাকতে আমারও নামাজ পড়ার অভ্যেস হয়ে গেছে। মসজিদ থেকে বেড়িয়ে দেখি পিকুল দাঁড়িয়ে আছে।আমরা পিকুলের দিকে এগিয়ে গেলাম।গিয়ে দেখি ওর মুখ নড়ছে,সবসময়ই নড়ে।সারাক্ষণই কিছু না কিছু খেতেই থাকে পিকুল।এরপরও কী এক অজ্ঞাত কারণে পিকুল প্যাঁকাটি-প্যাঁকাটিই রয়ে গেছে। আমি গিয়েই ওর দিকে হাত বাড়িয়ে দিলাম।আমরা জানি,ওর পকেটে খাবারের দু একটা মেনু পাওয়া যাবেই। পিকুল কথা না বলে পকেট থেকে হাত বের করে আমার হাতে একমুঠো বাদাম ধরিয়ে দিল।আমার পর ফরহাদকেও বাদাম বিতরণ করল ও।বাদাম হাতে নিয়ে আমরা বাসার দিকে হাঁটা ধরলাম। তুই কি আমাদের জন্যই অপেক্ষা করছিলি?পিকুলকে বললাম আমি। ‘হুমম,তোদের জন্য জব্বর খবর আছে।’ পিকুলের ‘জব্বর খবর'এ বিশেষ আগ্রহ দেখালাম না আমরা।বেশিরভাগ সময়ই পিকুলের ‘জব্বর খবর’ আসলে বোগাস খবর হয়ে থাকে।যেমন একবার ও এসে বলল,কোথায় যেন এক মহিলার একসাথে সাতটা বাচ্চা হয়েছে,তার মধ্যে একটা বাচ্চা নাকি আবার কথাও বলে! আমরা অনেক কাঠ খড় পুড়িয়ে সেখানে গিয়ে দেখি,কথা বলা বাচ্চা তো দুরের কথা,যে মহিলার কথা পিকুল বলেছে সেই মহিলার কোনও বাচ্চাই হয়নি।আর আপাতত হবার কোনও সম্ভবনাও নেই,কারণ তার তখন পর্যন্ত বিয়েই হয়নি! কোত্থেকে যে এসব ‘জব্বর খবর’ ও জোগার করে আল্লাহ মালুম।সুতরাং ওর কথা শুনেই আনন্দে বগল বাজানোর কিছু নেই।তবে যেহেতু ওর বাদাম খাচ্ছি সেহেতু জিজ্ঞেস না করলে খারাপ দেখায় তাই আগ্রহ না থাকা সত্বেও জিজ্ঞেস করলাম,‘কী জবর খবর?’ ‘রহস্যের সন্ধান পেয়ে গেছি।’ ‘ও আচ্ছা।’নিস্প্রভ গলায় বললাম আমি।‘তা কিভাবে পেলি?’ ‘কাল রাতে বুঝেছিস,আমি বাঁশঝাড়ে গিয়েছিলাম।তখনই... ট্রাফিক পুলিশের মত হাত তুলে পিকুলকে থামিয়ে দিল ফরহাদ।ভ্রু কুঁচকে বলল,‘তুই রাতেরবেলা ওখানে গিয়েছিলি কেন?’ ‘ওই গিয়েছিলাম আরকী,রহস্য খুঁজতে,’আমতা আমতা করে বলল পিকুল।স্পষ্ট বুঝতে পারছি ব্যাটা কিছু একটা লুকোতে চাইছে। ‘তুইও রহস্যের খোঁজে রাতে বাঁশঝাড়ে গেছিস আর আমিও আব্রাহাম লিঙ্কন!সত্যি করে বল কেন গিয়েছিলি?’এবার আমি তাল মেলালাম ফরহাদের সঙ্গে। সম্মিলিত তোপের মুখে আত্মসমর্পণে বাধ্য হল পিকুল।মিনমিন করে বলল,‘ইয়ে...মানে,আসলে হয়েছে কী,মোকাররম চাচার খেজুর গাছে নতুন হাড়ি বসানো হয়েছে।সেটা সাবড়ে দিতেই...’ ‘আমাদের বললি না কেন?’চোখ গরম করে বললাম। ‘এক হাড়ি রস তোরা খাবি কী,আর আমি খাব কী?’ আমি হাসব না কাঁদব বুঝতে পারলাম না।রাক্ষসটা বলে কী! ফরহাদেরও একই অবস্থা।তবে রাগটা সামলে নিয়ে বলল,‘তোর বিচার পরে হবে আগে বল কী রহস্যের সন্ধান পেলি।যদি আলতু ফালতু কিছু বলিস তাহলে জরিমানা স্বরুপ ‘আরো খাব’ হোটেলে আমাদের দুজনকে বিরানী খাওয়াতে হবে।কাচ্চি বিরানী।’ আমাদের দুজনের অগ্নিঝরা দৃষ্টি দেখে কাঁচুমাচু মুখে রাজী হয়ে গেল পিকুল।আমি মোটামুটি নিশ্চিত খুব তাড়াতাড়িই আমরা ‘আবার খাব’তে যাচ্ছি।কারণ,পিকুল যে রহস্যের সন্ধান দেবে সেটা অতি অবশ্যই ‘আলতু ফালতু’ই হবে। পিকুল বলতে লাগল,‘আমি কাল রাতে রস খাবার পর চিন্তা করলাম,একটু আহসান সাহেবের বাড়িটাতে ঢু মেরে যাই।অনেকে নাকি কী কী দেখে রাতেরবেলা।’ ‘তুই একা একা ওখানে গেলি?এত সাহস তোর কবে থেকে হল?’আমি যারপরনাই অবাক হলাম। ‘এখন আমরা গোয়েন্দা না?তাছাড়া আমার নতুন স্পোর্টস কেডস জোড়া পড়ে গিয়েছিলাম।’ ‘রাতেরবেলা আহসান সাহেবের বাড়ি যাবার সাথে কেডসের সম্পর্কটা কোথায়?’ ‘ইয়ে... যদি দৌড় দিতে হয়!’ পিকুলের বলিহারী বুদ্ধি দেখে আমরা আবার বাক্যহারা হয়ে গেলাম। ‘তারপর কী হল শোন।আমি আহসান সাহেবের বাড়ির কাছে গেলাম।জানিসই তো বাড়ির চারপাশে ছয়ফুট উঁচু দেয়াল।আমি দেয়াল বেয়ে উপরে উঠলাম।এরপর বাড়িটার দিকে তাকিয়ে দেখি...’ ‘নিশ্চয়ই দেখেছিস একটা কালো ছায়ামূর্তি বাড়ির চারপাশে হেঁটে বেড়াচ্ছে?’পিকুলের মুখের কথা কেড়ে নিলাম আমি। ‘উঁহু,আমি দেখলাম বারান্দায় জামা কাপড় শুকাতে দেয়া হয়েছে!’ ‘এই তোর রহস্য?’কটমট করে ওর দিকে তাকিয়ে বলল ফরহাদ। ‘হুমম।’ ‘তাহলে তুই টাকা রেডী রাখিস,কাল স্কুল থেকে ফেরার সময় ‘আবার খাবো’তে যাওয়া হবে।’আমি রায় ঘোষনার ভঙ্গিতে বললাম। ‘পুরোটা না শুনেই প্যাক প্যাক করবিনা।আহসান সাহেবের বাড়ির বারান্দায় পনেরো ষোল বছর বয়সী একটা ছেলের কাপড় শুকাতে দেয়া হয়েছে।অথচ সবাই জানে শুধু আহসান সাহেব আর তার স্ত্রী থাকেন ওই বাড়িতে।তাহলে পনেরো ষোল বছর বয়সী ছেলের জামা কাপড় এল কোত্থেকে?তারমানে আরও কেউ একজন থাকে ওই বাড়িতে।’ ‘তো থাকলে সমস্যা কী?’আমি কোনো সমস্যা দেখতে পেলাম না।‘মেহমান টেহমান আসতে পারেনা?’ ‘আজ পর্যন্ত কোনদিন ওই বাড়িতে মেহমান আসতে দেখেছিস?’ ‘এতদিন আসে নাই বলে জীবনে কখনই আসতে পারবেনা সেটা কোথায় লেখা আছে?’ ‘তারা না হয় কারো সাথে মেশেনা,তাই বলে তাদের বাড়িতে যে আসবে সেও কী মিশবেনা?তাছাড়া আমাদের বয়সী কেউ বেড়াতে এসে নিশ্চয়ই বাড়িতে বসে থাকবেনা?’ আমাদের ঝগড়া আরো কিছুক্ষন বোধহয় চলত।ফরহাদ আমাদের থামিয়ে দিয়ে বলল,‘আচ্ছা ধরা গেল কোন মেহমান আহসান সাহেবের বাড়িতে আসেনি সেক্ষেত্রেও রহস্যটা কোথায়?’ পিকুল ওর প্যাঁকাটি মার্কা চেহারায় একটা গাম্ভীর্য এনে বলল,‘রহস্যটা জানতে হলে তোদের একটা ঘটনা শুনতে হবে।চল আমাদের বাসার ছাদে যাই।ওখানে বসে সব বলছি।’ সত্যি সত্যিই কেমন রহস্যের গন্ধ পেলাম।নাকি এটা পিকুলের ‘আবার খাব’তে না যাওয়ার ফন্দি? আমরা কিছুক্ষন পরই হুড়োহুড়ি করে পিকুলদের বাসার ছাদে চলে এলাম।ছাদটা অনেক সুন্দর।খোলামেলা চমৎকার পরিবেশ।বিকেলেবেলা মাঝেমধ্যে আসা হয় এখানে।তখন পরিবেশটা আরো সুন্দর থাকে।এখনো কম সুন্দর না।আমরা তিনজন ছাদের রেলিঙের উপর বসলাম। পিকুল বলতে শুরু করল। (চলবে) ------------------- ।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ রহস্যময় সেই বাড়িটি-০২

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now