বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আজ অনিন্দিতা বেশ জমকালো পোশাক পড়েছে। তার দৈহিক গড়নও বেশ নান্দনিক। হেমন্তের মতোই সে উচ্ছল, প্রাণবন্ত। তার ডাগর চোখের চাহনির ভাঁজে খেলা করে অপূর্ব এক সৌন্দর্য। আরক্তিম ঠোঁটের ক্যানভাস জুড়ে লিপলাইনের দারুন কারুকাজ।
গোলাপী চিবুকের নিরক্ষীয় অঞ্চল জুড়ে কী যে এক অপূর্ব সৌন্দর্যের মহিমা যেন জগৎবিখ্যাত পিথাগোরাসের জ্যামেতিক ক্যানভাসের সূক্ষ্ম কারুকাজ!
রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম হওয়ার কারণে ছোটবেলা থেকেই সে একটু খোলামেলা চলাফেরা করত। তার বাবা যেমন এলাকার কাউকে তোয়াক্কা করে কথা বলে না তেমনি সেও কাউকে থোরাই কেয়ার করে। মনের ভেতর অফুরন্ত সুখের পরশা নিয়ে গুনগুন করে গান গাইতে গাইতে চা-বাগানের ভিতর দিয়ে হাঁটছে। বেশ ঘন জঙ্গল।
অদূরেই ৭ নাম্বার ভোট কেন্দ্র। এই ইউনিয়নের সবচেয়ে বড় ভোটকেন্দ্র এটি। বড় বলে ঝুকিপূর্ণও বেশি। এমন কোন নির্বাচন নেই যে, সে নির্বাচনে কোন প্রকার গণ্ডগোল হয় নি। এইকারণে প্রতিবছর এখানে নিরাপত্তাকর্মীও বেশি দেওয়া হয়। নিরাপত্তাকর্মী বেশি দিলেই বা কী! যারা গণ্ডগোল করে তারা তারা কি আর নিরাপত্তাকর্মীদের ভয় পায়!
কেন্দ্রের পিছনে বেশ জটলা। হঠাৎ কে বা কারা চিৎকার করতে লাগলো। কী ঘটেছে ঠিক বুঝা গেল না। আশে-পাশের যারা ছিল তাদের সবাই দৌঁড়ে পালাতে লাগলো। বেশ কিছুক্ষণ পর বুঝা গেল একদলকে অন্যদল ধাওয়া করছে। ধাওয়াকারীদের মধ্যে সবার পিছনে ছিল অনুপম। অনিচ্ছা সত্ত্বেও সে দৌঁড়াচ্ছে। মিনিট পাঁচেক পরে দেখা গেল এর উল্টো চিত্র!
অনপম দৌঁড়ে পালাচ্ছে। হায়রে রাজনীতি! দুর্বলেরা একজোট হলে সবলদেরও পালানোর পথ খুঁজতে হয়! দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে সে বাগানের মধ্যে ঢুকে পড়ল। অত্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে মুহূর্তইে সে গা ঢাকা দেয়।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now