বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
অনিন্দিতাকে শেষ কথাটি বলেই লাইন কেটে দিল অনুপম। বছর দুয়েক হল তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠেছে। বলা যায় কলেজ জীবনের প্রথম দিক থেকেই তাদের পরিচয় এবং ধীরে ধীরে তা গভীর হয়। গত বছরই অনুপম অনার্স পাশ করেছে। রেজাল্টও বেশ ভাল। তবে নিজের মামা ও খালুর জোর না থাকায় কোথাও তার ভাল চাকরি হচ্ছে না।
আমাদের রাষ্ট্র ব্যবস্থাও যেন কেমন! আয়া-বুয়া থেকে শুরু করে একবারে সচিব পর্যন্ত সবকিছুতেই দলীয়করণ! একেবারে নগ্ন দলীয়করণ! আমাদের রাজনীতিতে প্রাগৈতিহাসিক ডায়াবেটিস, অর্থনীতিতে বিবর্ণ জন্ডিস- কিন্তু ভাবের ঘরে চিরায়ত ভালুক জ্বর! আমাদের রাজনীতিতে সুস্থধারা অব্যাহত থাকলে হয়ত খুব দ্রুতই রাষ্ট্র উন্নত দেশে পরিণত হতে পারত। অসুস্থ থাকার কারণে অনেক সোনার ছেলেমেয়েকেই রাজনীতির কাছে বলি হতে হয়। যেমনটি হচ্ছে অনুপম। কেবল চাকরি হচ্ছে না বলেই সে অনিন্দিতাকে ঘরে তুলতে পারছে না। যতই দিন গড়াচ্ছে ততই যেন তা আরও কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে ওঠছে।
অনুপম দেখতে বেশ সুদর্শন। পেশায় সে শিল্পী না হলেও গলার কণ্ঠস্বরও ভালো। এলাকার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তার বেশ কদর রয়েছে। এমনিতেই সে রাজনীতি করে না; কিন্তু রাজনীতি সচেতন। কাল যে নির্বাচন! আর নির্বাচনে যে কলেজ বন্ধ থাকে এ কি আর আজকালকের অভিভাবকরা বুঝে না! কী করে যে কাল অনিন্দিতা আসবে! অনিন্দিতাকে সে এতটা চাপ না দিলেও পারত-এমনি নানা ভাবনা তার মনের মধ্যে ঢেউ খেলে যাচ্ছে।
এমন সময় তার মামা অরিন্দম রুমে প্রবেশ করে। মধ্যবয়সী কিন্তু বেশ লম্বা চওরা গোছের। এবার তিনি চেয়ারম্যানি নির্বাচনে লড়ছেন। দীর্ঘদিন থেকে মামা অরিন্দমের সাথে তার পারিবারিক দ্বন্দ্ব চলে আসছে। এতদিন নানাভাবে তার মামা তাদের পরিবারকে কোণঠাসা করে রেখেছিল। বিশেষ করে তার মাকে পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে অন্যায়ভাবে বঞ্চিত করেছে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now