বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
প্রেমের বিরল দৃষ্টান্ত, কাহিনীটি পড়লে চোখের পানি ধরে রাখতে পারবেন না!
X
প্রেমের বিরল দৃষ্টান্ত, কাহিনীটি পড়লে চোখের পানি ধরে রাখতে পারবেন না!
(১৬) ভালোবাসা মনে হয় এমনই হয়। যুগে যুগে আমরা প্রেমের বিরল কিছু ইতিহাস আমরা কম বেশি সবাই জেনেছি। লাইলি-মজনু কিংবা শিরি-ফরহাদের কথা তো অধিকাংশ মানুষই জানে। কিন্তু এ যুগেও যে প্রেম অমলিন তা আবারও প্রমান করে বিরল এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন লন্ডনের এক জৈনিক দাতা প্রেমিক।
ঘটনাটি তাহলে খুলেই বলি। ৩১ বছরের এমা হপলে। অদ্ভুত এক মরণ রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। এমার পিত্তনালি, দিন দিন ভিতর ও বাইরে থেকে ছোট হয়ে যাচ্ছে। যে কারণে খাবারের ‘ফ্যাট’ তার হজম হচ্ছে না। এদিকে গত মাসের ৩০ তারিখ এমার বিয়ে হওয়ার কথা ছিল তার ভালোবাসার মানুষটির সঙ্গে।
২০১৪-এর ক্রিসমাসের দিন ডেভ অ্যামিসন তাকে ‘প্রপোজ’ করেন। কিন্তু শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখে এমা বিয়ের তারিখ এগিয়ে আনেন। এবং প্রপোজালের ঠিক এক বছর পরে, অর্থাৎ, ২০১৫র ২৫ ডিসেম্বর চার হাত এক হয় এমা-ডেভের।
বার্মিংহ্যামের কুইন এলিজাবেথ হাসপাতালেই সেই শুভ অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। এমা হপলের বাবা ও তাঁর ছোট্ট ছেলে, হুইলচেয়ারে করে তাকে নিয়ে যান পাত্র ডেভের কাছে। এমার বান্ধবী তাঁকে যথাযথ সাজিয়ে তুলেছিল কনের সাজে। এবং বিয়ের কয়েক ঘণ্টা পরেই এমার জীবনে ঘটে গেল তার ‘বহু প্রতীক্ষিত’ ঘটনা।
খবর এল জনৈক ‘দাতা’র। পরিচয় গোপন রেখে সেই দাতা ব্যক্তি তার লিভার দান করেন এমাকে। তার পর দীর্ঘ চোদ্দ ঘণ্টা ধরে লিভার প্রতিস্থাপন হয়। অস্ত্রোপচারের সময়ে কিছু অসুবিধা দেখা গেলেও, এমার অবস্থার উন্নতি হয়েছে ধীরে ধীরে। পরে এমার স্বামী বলেছেন ‘আমাদের বিয়ের সব থেকে দামী ‘গিফট’ দিয়েছেন ওই দাতা।
কিন্তু প্রশ্ন হলো কেই এই দাতা? নিজের পরিচয় গোপন রেখে নিজের লিভার দান করেছেন যিনি, সেই মানুষটি মূলত এমাকে খুব ভালোবাসতো। তবে এমা তাকে কখনোই ভালোবাসেনি। জৈনিক ওই প্রেমিক তার লিভার দান করে আবারও বুঝিয়ে গেলেন ‘পৃথিবীতে ভালোবাসার স্থান’ অনেক উপরে এবং এমা তার ভালোবাসা পাওয়ার যোগ্য না।
টাকার ভালবাসা
(১৭) আমার পরিচিত একজন ভাই আছেন , যিনি তার পুরো বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে একই মেয়েকে মোট সাতান্নটা চিঠি দিয়েছিলেন ;যার একটা জবাবও তিনি পাননি । ক্যাম্পাসে যতবার তার সাথে মেয়েটির দেখা হত ততবার কোন এক জটিল চিন্তা মেয়েটির মাথায় ভর করত আর উদাস মেয়েটি অন্য কোন দিকে তাকিয়ে ভাব দেখিয়ে তার পাশ দিয়ে হেঁটে যেত । পাস করার পর অনেক জায়গায় অনেক চাকরির পরীক্ষা দিতে।দিতে জুতোর আয়ু।খরচ করেছেন , লাভ।হয়নি । পুরো দুনিয়ার কাছে তিনি কিছুই না ।
তারপর ধুপ করে একদদিন তিনি জানতে পারেন তিনি এখন থেকে আর সাধারণ কেউ নন , হয়ে গেলেন অ্যাসিস্টেন্ট কমিশনার অব পিপলস রিপাবলিক অব বাংলাদেশ , সোজা কথায় ম্যাজিস্ট্রেট। ব্যাস , সবকিছু কেমন বদলে গেল । বন্ধুদের আড্ডায় তাকে বন্ধু কম আর স্যার স্যার টাইপ ট্রীট করা বেড়ে গেল । যে মেয়েটা চিঠির জবাব দিতো না সে ও "Congrats vaiya, I am so happy!" লিখে মেসেজ দিতে শুরু করলো । আত্মীয় স্বজনদের বাসায় খালি চা এর বদলে সাত আট পদের খাবার আসতে লাগলো । আরো কত কি..........
দ্রুত ঘোর কেটে ছেলেটা নিজের অতিত লাইফকে একবার রিওয়াইনড করে জুম করে দেখে নিল । সাতান্ন চিঠি যে কাজ পারলো না , একটা পদবী সে কাজটা যে শুধু করে দিল তাই না , বরং বলতে গেলে প্লেটে করে সামনে এনে হাজির করে দিল ।
উপদেশঃ অন্য সব চিন্তা বাদ দিয়ে আগে তুমি তোমার লাইফের ফোকাসটা ঠিক করো , অ্যাডিশনাল কোন ফ্যাক্টর কখনো ফোকাস হতে পারে না । শুধুমাত্র আবেগ দিয়ে একটা জীবন কখনোই সাজানো সম্ভব না । বৃষ্টিতে শখ করে ভেজা আনন্দের হতে পারে তবে বাধ্য হয়ে ছাতার অভাবে ভেজা কষ্টের , ভয়ংকর কষ্টের । তোমার কাছে যখন মধু থাকবে তখন অসংখ্য শুভাকাংখী তোমার খোঁজ খবর নিবে , ভালো মন্দ জানতে চাইবে । এগুলোর অ্যাটিওলজী তুমি না , তোমার কাছে থাকা মধুটা । তাই নিজের কাছে থাকা এই মধুর ডিব্বাটার যত্ন নিও ।.
মনেরেখ , ভোমরার অভাব না থাকতে পারে পৃথিবীতে ,মধূ কিন্তু সবার কাছে থাকে না । কষ্ট করলে ঐ মধু সংগ্রহের জন্য করো , আশে পাশের ভোমরা গুলাকে আটঁকে রাখতে করো না । এয়ারটেলের অ্যাড দেখে বন্ধুত্ব শিখো না, তাহসান এর নাটক দেখে প্রেম শিখো না । এগুলোতে হাজারটা জ্ঞানের কথা থাকতে পারে , তবে সবার অভিভাবক টাকা কিংবা অবস্থানের কথা কখনো লেখা থাকে না ।
প্রথম ভালবাসা
(১৮) আমি সেই সুতো হব যে তোমাই আলোকিত করে নিজেই জ্বলে যাব। তাহসানের এই গানটি ছেলেটি শুনছে। হঠাৎ করে ক্রিংক্রিং শব্দ শুনে ছেলেটি মোবাইলের স্কিন এ তাকিয়ে দেখে একটা Whatsapp A Sms আরছে Hi অপরিচিত Number বলে সে Reple দেয় নি । পরের দিন সেই একই Number থেকে একই Sms HI একটু পরে আবার একটা Sms এইযে কথা বলেন না কেন ? তখন ছেলেটি Answer দেয় কে আপনি ? ওপাশ থেকে Answer অাসে আমি সানজিদা। মেেয়টি ছেলেটিকে Prosno করে আপনি কি Suhel ? ছেলে: জি না। মেয়ে: তাহলে আপনার নাম কি ? ছেলেটি : মামুন।
মামুন: আপনি কি করেন ? সানজিদা : আমি ঘড় সাজাই।
মামুন : মানে ?
সানজিদা : আমি বিবাহিত।
মামুন : ও।
এভাবেই তাদের পরিচয় । নিয়মিত তাদের Whatsapp এ কথা হতে থাকে । একটা সময় ছেলেটি বুঝতে পারে যে মেয়েটির মনে খুব কষ্ট। সে মেয়েটির কাছে সব জানতে চায়। মেয়েটি তার অতীত Somporke সব কিছু খুলে বলে। সব কিছু শুনে ছেলেটি মনে মনে খুব কষ্ট পায়।একদিন মেয়েটি ছেলটির Picture Chai । ছেলেটি তার ছবি দেয়। মেয়েটিও তার ছবি ছেলেটিকে দেয়। মেয়েটিকে প্রথম দেখাতেই ছেলেটির ভাল লেগে যায়। যাকে বলে প্রথম দেখাতেই ভালবাসা। কিন্ত মেয়েটিকে সে ভালবাসার কথা বলতে গিয়েও বলতে পারে না । ছেলেটি ভাবে সে বিবাহিত কেমন করে তাকে ভালবাসার কথা বলি। কিন্তু ভালবাসার কথাতো মনের মাঝে বেধে রাখা যায় না। একটি সময় ছেলেটি তার মনের কথা মেয়েটিকে খুলে বলে। কিন্তু মেয়েটি কিছুতেই তার প্রপ্রোজালে রাজি হয় না। তার ঘর সংসার আসে সে বিবাহিত সে তাকে আবারো মনে করিয়ে দেয়। সে ছেলেটিকে বার বার বলে তার সাথে জীবনতা জড়ালে সে কষ্ট ছাড়া কিছুই পাবে না। কিন্ত ছেলেটি তার ভালবাসার কথা বার বার মেয়েটিকে বলে। একটা সময় মেয়েটি তার প্রতি এত ভালবাসা দেখে মেয়েটি ছেলেটিকে ভালবেসে ফেলে। এভাবেই শুরু হয় তাদের নতুন Realation. সারাদিন অনেক রাত পযন্ত তাদের প্রতিদিন Wahatsapp A কথা হতে থাকে। আর ফোনে তারা ৪_৫ মিনিট কথা বলতো। মাঝে মাঝে তাদের মাঝে রাগ অভিমান ঝগড়া হত। আবার একটু পরে তারা মিল হয়ে যেত। বেশ ভালই চলছিল তাদের রিলেশন। হঠাৎ করে তার অতীতটা তার সামনে এসে যায়। তার Shosur বাড়ীর লোকজন তার অতীত এর কথা জেনে যায় । তাকে সবাই ভুল বোঝে। মেয়েটিকে তার বাবার বাসাই পাঠিয়ে দেয়। এইদিকে মেয়েটি ছেলেটিকে আগের মত সময় দিতে পারে না। ছেলেটির খুব কষ্ট হয় কথা বলতে না পারাই। এক একটা দিন যেন এক একটা বছর মনে হয়। ছেলেটি খুব আনমনা হয়ে থাকে। কিছুই তার লাগে না।ছেলেটি মেয়েটির জন্য নীরনে বসে অনেক কাদে। তা বোঝার ক্ষমতা এই পৃথিবীর কারো নেই। খুব খারাপ সময়ের মধো দুজনেই সময় পার করছে। ছেলেটির সাথে মেয়েটির কয়েকদিন পর পর কথা হত। অনেব দিন যাওয়ার পর মেয়েটাকে তার Shosur বাড়ীর লোকজন তাদের ভুল বুঝতে পেরে তাকে মেনে নেয়ে । মেয়েটি ছেলেটিকে ফোন করে বলে তার Shosur বাড়ীর লোকজন তাকে আবার মেনে নিছে। মেয়েটি ছেলেটিকে ফোন দিতে না বলে। মেয়েটি তাকে ফোন দিবে বলে সে। কিন্ত মেয়েটি ছেলেটি ১৫ দিন হয়ে যায় তাও ফোন দেয় না। ছেলেটির এদিকে আবারো কষ্টে দিন কাটতে লাগে। একদিন ছেলেটি মেয়েটির বোনের সাথে কথা বলে জানতে পারে যে সানজিদা ভাল আসে। ছেলেটি মনে মনে কষ্ট পায় কারন ছেলেটি ভাবে সানজিদা সবার সাথে কথা বলে কিন্ত তাকে একবারো ফোন দেয় নি। পরের দিন মেয়েটিকে Akta Sms দেয়। মেয়েটি Answer দেয় অামি Busy পরে কথা বলবো। পরে মেয়েটি ছেলেটিকে ফোর দেয় না। আবার ৩ দিন পর ছেলেটি মেয়েটিকে ফোন দেয় মেয়েটি ফোন কেটে দেয়। Sms দেয় Reaple নেই । পরে ছেলেটি মনে মনে ভাবে মেয়েটি তার Husbent কে নিয়ে সুখী থাকতে চায় । তাই হয়ত তাকো Avoide করছে । ছেলেটি মনে মনে ভাবে হয়ত আমি সানজিদাকে ভুলে গিয়ে নতুন ভাবে রিলেশন করে তাকে বিয়ে করে ঘড় সংসার করব। কিন্ত পরন্ত বিকেলে চায়ের কাপ হাতে নিয়ে বাসার ছাদে যখন একা বসে আনমনে সানজিদাকে নিয়ে ভাববে তখন সেটা হবে তার বউকে ঠকানো। সে প্রতারক হতে চায় না। তার প্রথম ভালবাসার জন্য সে যুগ যুগ অপেক্ষা করতে পারবে তবুও মনকে বোঝাতে পারবে আমি প্রতারক নয়। I Love You Sanjida.
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now