বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
একদিন সকালে উঠে দেখি শ্রাবন্তী নেই। ও হ্যা আপনাদের বলে দেই আমার পরবর্তী টেস্টে রিপর্ট এসেছে আমার পা ভালো হয়ে যাবে। আগের বারের রিপোর্টটা ভুল ছিলো। এখন আমি নিজে নিজেই হাটতে পারি। তাই বিছানা থেকে উঠে নিচে চলে আসলাম এসে দেখি সবাই খাওয়াদাওয়া করতাছে। আমাকে দেখেই আব্বু বলল,,,,,,
আব্বুঃ ওগো শাকিবের মা দেখছো শাকিব নিজেই হেটে চলে এসেছে,,,
আম্মু রান্নাঘর থেকে তাড়াতাড়ি আসল। আর দেখেই কেদে দিলেন। মায়ের মন তো।
আম্মু আমাকে ধরে একটা চেয়ার টেনে বসালো। তারপর বলল।,,
আম্মুঃ যা ফ্রেশ হয়ে আয়। আমি তোকে নিয়ে যাচ্ছি,,,,
আমিঃ আম্মু শ্রাবন্তী,,,খালা,,,, খালু কই?
আম্মুঃ ওরা চলে গেছে।
আমিঃ কী? চলে গেছে? কিন্তু কেন?
আম্মুঃ ও বাবা ওরা কি এখানে সারাজীবন থাকতে এসেছে!!!!। আর তোর একটা মেয়ের সাথে বিয়ে ঠিক করেছি। তাই তোর খালা খালু পরে আসবে।
আমিঃ মানে? মানে কি এসবের,,,,
আব্বুঃ মানে তোর বিয়ে করতে হবে,,,,
আমিঃ কাকে?
আব্বুঃ একটা মেয়েকে
আমিঃ না এই বিয়ে করতে পারবো না
আম্মুঃ কেন?
আমিঃ আমি,,,,,,, আমি শ্রাবন্তীকে ভালোবাসি,,,,
এবার সবাই হেসে উঠল। আমি ঠিক কিছুই বুঝতে পারছি না। এবার আব্বু বলল,,,,
আব্বুঃ আরে শ্রাবন্তীর সাথেই তো তোর বিয়ে,,,আচ্ছা ঠিক আছে তুই যখন এই বিয়ে করতে চাস না করতে হবে না আমরা অন্য মেয়ে দেখি///
আমিঃ কখন বললাম এই বিয়ে করবো না,,তোমরা কিযে বলো না,,,
আমি খুব লজ্জা পাচ্ছি। তাই আমার রুমে চলে আসলাম। আসার সময় শুনতে পারলাম আম্মু আর আব্বুর যুদ্ধ জয়ের হাসি। তারপর জানতে পারলাম সব গল্পের মতোই আমাদের বিয়েটাও ছোট বেলায় ঠিক ছিলো।
আমি শ্রাবন্তীকে ফোন করলাম,,,,,
আমিঃ হ্যালো,
শ্রাবন্তীঃ কিরে হাদারাম,, কি করস
আমিঃ একটা হাইভিড মেয়ে কে বিয়ে করার জন্য প্রস্তুত হচ্ছি।
শ্রাবন্তীঃ কি বললি তোকে আমি বিয়েই করবো না,,
আমিঃ তোকে আমাকেই বিয়ে করতে হবে।
শ্রাবন্তীঃ কেনো রে দুনিয়ায় কি আর ছেলে নেই???
আমিঃ আছে কিন্তু তোকে কেও ভালোবাসে না,,,
শ্রাবন্তীঃ তোকে বিয়ে করতে আমার বয়ে গেছে।
আমিঃ দেখা যাবে,,,, কি করস,,,,
শ্রাবন্তীঃ তোর কথা ভাবি,,,
আমিঃ আমিও, তোকে খুব মিস করতাছি,
শ্রাবন্তীঃ আর মিস করতে হবে না মাত্র দুদিন অপেক্ষা কর। আমি সারাজীবন তোর কাছে চলে আসব।
আমিঃ হুম্ম। আচ্ছা রাখি আম্মু ডাকছে।
শ্রাবন্তীঃ ঠিক আছে।
দুদিন পর। আমার আর শ্রাবন্তীর বিয়েটা হয়ে গেলো। রাত্রে বাসর ঘরের দরজার সামনে দাঁড়াই আছি। ভয় করতাছে। আরিফ আমাকে জোড় করে ঘরে ডুকিয়ে দিলো। ডুকে দেখি একটা মেয়ে বিছানার মাঝখানে বসে আছে। চারদিকে শুধু ফুল আর ফুল। যেন ফুলের বাগানে বসে আছে। আমি দরজা বন্ধ করলাম। তারপর তার কাছে গিয়ে বসি। হাত দিয়ে ঘোমটাটা সরালাম। দেখি আমার প্রিয় মানুষটা। যার জন্য এতদিন অপেক্ষা, সে এখন থেকে আমার জীবন সঙি। সে ঊঠে আমাকে সালাম করে আবার বিছানায় বসল। তারপর আমি তার কপালে আমার ঠুট দিয়ে ভালোবাসার পরশ একে দিলাম।
ছিঃ ছিঃ ছিঃ ছিঃ। আপনারা কি অসভ্য। এভাবে আরেকজনের বাসর দেখছেন,,,, ছি ছি ছি ছি।
আরে ভাই মজা করলাম।
যাই হোক বাসর কাজে মন দিলাম।
সবাইকে ধন্যবাদ পাশে থাকার জন্য। সবাই আমাকে প্রচুর উৎসাহ দিয়েছেন। তারজন্যই আজকে আমি গল্পটা শেষ করতে পারলাম। তাই সবাইকে আবারোও জানাই ধন্যবাদ। আর আপনাদের জন্য এবার নিয়ে আসব "" নীলাকাশ ""। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে। ধন্যবাদ।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now