বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

পরম পাওয়া -১

"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Sayemus Suhan (০ পয়েন্ট)

X তখনও সূর্য ওঠেনি ইসলামের। তখনও অন্ধকারে তলিয়ে মক্কা, মদীনাসহ গোটা পৃথিবী। কিন্তু এই অন্ধকার আর কতকাল চলবে? এর অবসান হওয়া চাই। আল্লাহ বড়ই মেহেরবান। তিনি মানুষের মুক্তির যুগে যুগে, কালে কালে পাঠান তার এই প্রিয় পৃথিবীতে শান্তির বারতা নিয়ে আলোর মানুষ। হযরত ঈসার (আ) পর তো বহুকাল কেটে গেল। মানুষ তখন ভুলে বসে আছে তার দেখানো পথের কথা। আর জড়িয়ে পড়েছে হাজারো পাপের সাথে। পাপে আর পাপে গোটা পৃথিবী কলুষিত হয়ে উঠেছে। এই পাপ আর অন্ধকার দূর করার জন্যই মহান আল্লাহ পাঠালেন তার প্রিয় নবী মুহাম্মদকে (সা)। মক্কাকর একটি জীর্ণ কুটিরে সহসা বয়ে গেল আলোর বন্যা। শুধুই কি মক্কায়? না। গোটা পৃথিবীতেই পৌছে গেল এই খুশির বারতা। হ্যাঁ। এসেছেন! এসেছেন আলোকের সেনাপতি সুন্দর ভুবনে। এবার তো কেবল আলোর খেলা! জোছনার ঝলকানি! কেন নয়! আল্লাহ পাকই তো প্রিয় রাসুলকে (সা) সেই আলোকজ্জ্বল এক আশ্চর্য প্রদীপ হিসেবে পাঠিয়েছেন। আল্লাহ পাক যে তার বান্দাকে বড় বেশি ভালোবাসেন। তিনিই তো বান্দার অতি আপন। একান্ত কাছের। নবুওয়ত প্রাপ্তির পর রাসূল (সা) ব্যস্ত হয়ে পড়লেন শতগুণে। ঝর্ণধারার মত গড়িয়ে তার তার প্রহরগুলো। আর বাতাসের বেগে ছুটে বেড়ান তিনি এক প্রান্তর থেকে অন্য প্রান্তরে। একটিই উদ্দেশ্য তাঁর।– কিসে হবে মানুষের মুক্তি। কিসে আসবে শান্তি ও শৃঙ্খলা। কিসে বইবে প্রতিটি মানুরে মনে আলোকিত বন্যা। কিসে! সেসব কেবল আল্লাহর দেয়া আল কুরআনেই মৌচাকের মধুর মত জমা হয়ে আছে। আল কুরআন! এই এক আশ্চর্য জাদুর মৌচাক। সেখানে কেবল সমাধানের সুপেয় মধু আর মধু। যা কখনো নিঃশেষ হবার নয়। মক্কায় তখন চলছে কুরআনের চর্চা। সেখানে সর্বত্র চলছে এর প্রচার ও প্রসারের কাজ। ইসলামের একদল জানাজ মুজাহিদ মৌমাছির মত মিশে আছেন রাসূলের (সা) সাথে। যারাই আসেনসেদিকে, তারাই পথ পেয়ে যান। কী সেই আলোকিত ঝলমল পথ! কী সেই সুখ ও শান্তির পথ! দুনিয়ার ধন-দৌলত আর রাজপ্রাসাদ অতি তুচ্ছ সেই সুখের কাছে। সে যে আখিরাতের সওদা। যেখানেকেবলই শান্তি আর শান্তি। যারা সৌভাগ্যবান, তারা সমবেত হয়েছেন রাসূলের (সা) চারপাশে। মক্কায় তখন চলছে আল কুরআনের চাষবাস। জমিনটা খুব উর্বর নয়। তবুও তো চেষ্টার কোনো ত্রুটি নেই রাসূলের (সা)। ক্লান্তি নেই তাঁর পরিশ্রমী মহান সাথীদেরও। মদীনা তখনো অন্ধকারে তলিয়ে আছে। সেখানে তখনো পৌঁছেনি নবীর (সা) কোনো আলোক ধারা। সেখানকার মানুষ আগের মতই রয়ে গেছে তুমুল অন্ধকারে। ব্যক্তিগত-ব্যক্তিতে ঝগড়া-বিবাচ। গোত্রে-গোত্রে কেবল মারামারি আর অশান্তি। সামান্য বিরোধ নিয়েও ঘটে যায় তুমুল কাণ্ড। রক্তারক্তি। মদীনা তখনো অশান্তির সাগরে কেবলি হাবুডুবু খাচ্ছে। তারা সেই দুঃসহ যাতনা থেকে মুক্তি চায়। মুক্তি চায় যাবতীয় অশান্তি আর বিশৃঙ্খলা থেকে। কিন্তু কিভাবে? সেটা তখনো তারা জেনে-বুঝে উঠতে পারেনি। ঠিক এমনি এক সময়।– মদীনার আসয়াদ ইবনে যুরারা এবংজাকওয়ান ইবনে আরবদিল কায়স তাদের একটি ঝগড়া মীমাংসার জন্য এলেন মক্কায়। তাদের বিবাধ মীমাংসা করবেন মক্কার কুরাইশ গোত্রের বিখ্যাত নেতা উতবা ইবন রাবী’য়া।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ এক বিকালের পরম পাওয়া
→ এক বিকালের পরম পাওয়া
→ পরম পাওয়া -২
→ পরম পাওয়া -১

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now