বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

পরী

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md mainul islam (sagor) (০ পয়েন্ট)

X ,,তিশা হাতে ডাক্তারের রিপোর্ট নিয়ে বসে আছে।।তার মাথায় একটা জিনিসই ঘুরছে তা হলো ইরেশ কি করবে যখন জানবে তিশা প্রেগন্যান্ট।। ইরেশ বাচ্চা খুব পছন্দ করে।। খুব বলতে মাত্রাতিরিক্ত পছন্দ।। আচ্ছা! সে ইরেশকে কি বলবে? কিভাবে বলবে!? ইরেশতো খুশিতে চিৎকার দিবে।।তিশা হেসে দিলো এই কথাটা ভেবে।। ,,সন্ধ্যায় ইরেশ এলো।। তিশা কিছু বলল না।। রাতের খাবারের পর তিশা সরাসরি ইরেশকে গিয়ে রিপোর্ট হাতে দিলো।।ইরেশ বলল কিসের রিপোর্ট?. তিশা নিচে তাকিয়ে ছিলো। রিপোর্ট পরে ইরেশ সেই জোরে চিৎকার দিয়ে বলল "আমি বাবা হব।সত্যি তিশা"...তিশা ইরেশের মুখ চেপে ধরে বলল "এই আস্তে আস্তে কি করো? " ইরেশ এতোটাই খুশি হয়েছিলো যে, তার চোখে পানি এসে পড়েছিল।। সেই থেকে শুর্য হলো ইরেশের খবরদারি। এই কাজ করবে না, সেই কাজ করবেনা,এখন খাও, ওটা খাও,ঘুমাও ইত্যাদি ইত্যাদি।। তিশা রেগে বলতো তুমি নিজেই তো বাবু। তাহলে বাবা কেমনে হবা/? ইরেশ বলতো "শুনো আমার বাবু আগে।ওকে সুস্থ চাই। তখন আর তোমাকে লাগবেনা।" তিশা তো আরো রেগে যায়।। সে বলে "ঠিকাছে থাকো বাবু নিয়া"..ইরেশ তাকিয়ে দেখে তিশা রেগে লাল টমাটো হয়ে গিয়েছে।।তখন তিশার কপালে একটা চুমু দিয়ে বলে "তুমি জানো আমি বাচ্চা কত পছন্দ করি।।তোমার কাছে এটাই আমার চাওয়া।/" তিশা হেসে দেয়।। তিশা আর ইরেশের বিয়েটা পারিবারিক ছিল কিন্তু খুনসুটি দেখলে মনে হবে এরা প্রেম করে বিয়ে করেছে।। কিন্তু সুখটা বেশিদিন তাদের ছিলো না।। যেদিন ডাক্তার বলল এই বাচ্চাটা তিশার জীবনের জন্য হুমকি সেদিন তিশার কপালে চিন্তার ভাজ পড়েছে। ডাক্তার এটাও বলেছে "যত বেশি মাস যাবে তিশা তত দুর্বল হয়ে যাবে এবং এই প্রেগন্যান্সিটা অনেক কম্পলিকেটেড হবে।আর তিশা যদি এখন এবরশন করে তাহলে আর বেবি নিতে পারবে না।" কথাগুলো তিশা আর ইরেশ শুধু শুনে গিয়েছে কিছু বলেনি। সেদিন রাতে তিশা ইরেশেকে কিছু না বলে রুমে দরজা বন্ধ করে সারারাত ভেবেছে।।পরদিন সকালে ইরেশকে আর ডাক্তারকে সাফ সাফ জানিয়ে দেয় সে এই বাচ্চা এবরশন করবেনা।। ইরেশ তিশার হাতদুটু ধরে বলল "আমি জানি তুমি আমার জন্য বলছো। কিন্তু আমি এতোটাই স্বার্থপর না যে তোমার কথা না ভেবে এটা চাইবো"।। কিন্তু তিশা ঠিকি খেয়াল করেছে ইরেশের চোখে পানি ছিলো।।তাকে কোনোমতেই রাজি করানো গেলো না এবরশনের ব্যাপারে।। ইরেশ দিন দিন আরো কেয়ার করতো।তিশার আবদার সে রোজ রাতে ইরেশের বুকে মাথা রেখে ঘুমাবে।।তিশা জানে সে না থাকলেও তার বাচ্চার কোনো কষ্ট হবেনা। ইরেশ অনেক আদর করবে ")/ ,,,,, ইরেশ প্রচণ্ড অস্থিরতায় থাকতো তিশার আগের রিপোর্ট এ বাচ্চা ভালো কিন্তু তার অবস্থা ভালো না।।সে আসোলে এখন বুঝতে পারছে তিশা তার জন্য কতটুকু প্রয়োজনীয়।। ইরেশ প্রায়ই ঘুম থেকে উঠে দেখত তিশা ঠিকাছে কিনা। ব্যাপারটা তিশাও বুঝতো।।একদিন রাতে তিশা চুপচাপ শুয়ে ছিল। হঠাত সে বলল. তিশা- দেখেছো তুমি বলেছ না তোমার শুধু বাবু লাগবে। তাই আমি চলে যাচ্ছি। ইরেশ শুধু তাকিয়ে ছিল।সে তিশা কাছে গিয়ে হাটু গেরে বসলো,, তিশার কোলে মাথা রেখে কেঁদে দিলো। এরপর ইরেশকে শান্ত করতে যদিওবা তিশার অবস্থা শেষ।। কিন্তু তিশা নিজেও বুঝছিলো। তার শরীর খারাপ থেকে খারাপ হচ্ছে।। , ৮ মাস এর মাঝামাঝি সময়ে তিশার প্রচণ্ড ব্যাথা শুরু হলো।।তিশা দাতে দাত কামড়ে ব্যাথা সহ্য করে হাসপাতাল গেলো।।ইরেশ অস্থির হয়ে গিয়েছিল।।সে ডাক্তারকে অনুরোধ করলো তিশার সাথে থাকার জন্য কিন্তু দিলো না।। প্রায় কয়েকঘন্টা পরে ডাক্তার একটা ছোট সাদা তোয়ালে মোরানো পরীকে নিয়ে আসলো।।ইরেশ হা করে তাকিয়ে আছে পরীটার দিকে।।এটা নাকি তার পরী।।তখন ডাক্তার এসে বলল তিশার অবস্থা অনেক খারাপ সে যদি চায় তাহলে দেখা করে। ইরেশ পাগলের মত ছুটে গেল।গিয়ে দেখে তিশা তাকাতেও পারছেনা।। ইরেশ পরীটাকে তিশার সামনে দিল।।তিশা হাতটাও উঠাতে পারছিলনা এতোটাই কাহিল।।আর নিশ্বাস উঠা নামা করছিল।।ইরেশ বলল "দেখ তিশা আমাদের ইশা। এই পরীটার নাম ইশা। তিশা+ইরেশ নিয়ে ইশা।"।। ,,,ইরেশ তিশার হাত ধরে বলল "তুমি কিন্ত আমাকে আর ইশাকে ছেড়ে যাবেনা " ইরেশ কথা বলতে পারছিলনা কান্নায় তার কথা আটকে যাচ্ছিল।। কিন্তু কিছুক্ষন পর তিশার বড় বড় নিশ্বাস পড়তে থাকলো আর তার কিছু বাদেই তিশা চলে গেলো ইরেশ আর পরীকে রেখে না ফেরার দেশে।। ইরেশ তাকিয়ে রইলো, সেদিন ইরেশ ইশাকে বুকে আঁকড়ে ধরে কাঁদতে লাগলো। তার মনে হল তিশা যে বলেছিল "থাক তুমি আর তোমার বাবু "।। আশ্চর্য ইশাও কাঁদছে।। ইরেশ আরেকটু আঁকড়ে ধরলো ইশাকে।। ইশা ইরেশের সাথে মিশে যেতে চাইছে।।ইরেশ বলল "এইযে এটাই তো আমার তিশা"


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ পরীর রহস্যময় আলো
→ পরীক্ষার ঘরে ন্যায়ের নীরব কান্না
→ বার্ষিক পরীক্ষা
→ “মোল্লা করিমের চরিত্র পরীক্ষা”
→ পরী যখন বউ
→ হৃদয়ের নীলপরী (শেষ পর্ব)
→ হৃদয়ের নীলপরী ১৯
→ হৃদয়ের নীলপরী ১৮
→ হৃদয়ের নীলপরী ১৭
→ হৃদয়ের নীলপরী পর্ব ১৫
→ হৃদয়ের নীলপরী পর্ব ১৬
→ হৃদয়ের নীলপরী পর্ব ১৪
→ হৃদয়ের নীলপরী (পর্ব১৩)
→ হৃদয়ের নীলপরী পর্ব ১৫
→ হৃদয়ের নীলপরী (পর্ব১২)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now

***পরী***

"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md Sumon Al Hasan (০ পয়েন্ট)

X #md sumom al hasan-Writing by Part-2 . কলেজের অনেক মেয়েই ওর জন্য পাগল বাট ও এই সব প্রেম টেম এ বিশ্বাস করে না।তার ও একটা কারন অাছে স্কুল লাইফে নাকি একটা মেয়ের সাথে প্রেম করতো মেয়েটা নাকি অনেক সুন্দরী ছিলো ৪ মাস পর একদিন মেয়েটার সাথে একটা ছেলেকে দেখে ফায়াজ। মেয়েটা ছেলেটার হাত ধরে হাটছিলো। এর পর ফায়াজ ওরে ফোন দেয় জিগ্যেস করে কি করো? মেয়ে নাকি বলেছিলো স্কুলে অাছি। এর পর ফায়াজ ফোনটা রেখে দেয়। ফায়াজ মেয়েটাকে অনেক বিশ্বাস করতে। অনেক কষ্ট পেয়েছিলো তখন ওর এস এস সি পরিক্ষা চলছিলো। ঔ দিন ও অনেক কেঁদেছিল। ফায়াজের আম্মু ওদের সম্পর্কের কথা জানতো। উনিও অনেক কষ্ট পেয়েছিলেন। তখন অান্টি ফায়াজের পাশে ছিলেন। তবে সবচেয়ে বড় চাপ অাসলো ফায়াজের পরীক্ষায়। ডিপ্রেশনের জন্য রেজাল্ট একটু খারাপ হয়েছিলো, এমন অবস্থায় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা খুব কঠিন ওর জায়গায় অামি থাকলে কয়েক সাবজেক্ট এ লাড্ডু মেরে দিতাম। ওর রুম থেকে বের হয়ে কিচেনে গিয়ে খাবার গুলো রেখে অামার রুমে চলে গেলাম, ফ্রেশ হয়ে এশে দেখি ফায়াজ ঘুম থেকে উঠছে। -কিরে কখন অাসলি? =কিছুক্ষণ হলো। -ডাক দিস নি কেনো? =ঘুমাচ্ছিলি তাই। -খাবার অানছিস? =হে কই যাচ্ছিস? -কিচেনে খাবার গুলো গরম করবো। =তোর গরম করা লাগবে না, অামি করবো। দেখি জ্বর কেমন? ওর কপালে হাত দিয়ে দেখলাম একটু কমেছে। যা ফ্রেশ হয়ে ডাইনিং অায় অামি খাবার গুলো গরম করি একসাথে খাবো। =অাচ্ছা। কিচেনে খাবার গরম করছি এমন সময় ফোন দিলো মিম। কল ধরার পর কিছুই বলে না এক মিনিট পর বলে -অামি কাউকে মিস করতেছি না =হুম -অামি কাউকে একটুও ভালোবাসি না =হুম -তুমি এতো সেলফিশ কেনো? একবার ফোন ও দিলা না। =অামার ফোন এ টাকা ছিলো না -এখন কোথায় তুমি? =কিচেনে খাবার গরম করি -বুয়া অাসে নি? =নাহ। -ফায়াজ ভাইয়া কেমন অাছে? =মোটামুটি ভালো জ্বর একটু কমেছে। তুমি লাঞ্চ করছো? -নাহ এখন খাবো। =অাচ্ছা যাও খেয়ে ফোন দিও। -ওকে বাই। খাবার গরম করা শেষ ডাইনিং এ খাবার গুলো নিয়ে গিয়ে দেখি ফায়াজ বসে অাছে। দুজন একসাথে খাবার খেলাম। , দুই দিন পর ফায়াজের জ্বর ভালো হলো। অাজ শুক্রবার দুপুরে জুম্মার নামাজ শেষ করে অামি অার ফায়াজ বাসায় অাসছিলাম এমন সময় আম্মা বাড়ি থেকে ফোন দিছে কল ধরার পর আম্মা বল্লো ছেলে পক্ষ তমা কে দেখে পছন্দ করছে, অাংটি পরিয়ে গেছে অাগামি শুক্রবার তমার বিয়ে তুই ফায়াজ কে নিয়ে দুই-একদিন দিন এর মধ্যে বাড়িতে অায়। =অাচ্ছা ঠিক অাছে। আম্মা ফোন রেখে দিলো। বাসায় ঢুকতে ঢুকতে ফায়াজকে বল্লাম অামার কাজিন তমার বিয়ে অাগামি সপ্তাহে আম্মা তোরে নিয়ে যাইতে বলছে - অাচ্ছা যাবো, এই সুযোগে তোর গ্রামের বাড়িটা ও দেখা হবে। অামি তো ভাবছিলাম তুই রাজি হবি না থেংকস্ বন্ধু খুশিতে জড়িয়ে ধরলাম ফায়াজকে। তিন দিন পর অামি অার ফায়াজ একসাথে বাড়িতে অাসলাম প্রায় চার মাস পর। বাস থেকে নেমে একটা রিক্সা নিয়ে বাসার দিকে যেতে থাকলাম।বর্ষার শেষ, চারপাশে ধান খেত ফায়াজ কেমেরা দিয়ে গ্রামের ছবি তুলছে। ১৫ মিনিট পর অামরা বাসায় এসে পৌছালাম। অামাদের বাড়িটা অনেক বড়। দুই চাচা অার অামরা এক সাথেই এই বাড়িতে থাকি। বাড়িতে অাজ অনেক মানুষ বিয়ে বাড়ি তো তাই, বড় ভাইয়ার বিয়ের সময় অারো অনেক মানুষ হয়েছিলো। ছোট বোন রিয়া অামাদের বাসায় ঢুকতে দেখে দৌড়ে গিয়ে আম্মাকে ডাকতে গেলো। একটু পর বাসার সবাই এসে অামাদের ঘিড়ে ধরলো। ফায়াজ রিতিমতো অবাক হয়ে গেলো আম্মা এসে ফায়াজকে বল্লো তুমি অাসছে বাবা অামরা অনেক খুশি হয়েছি। অাবির বাসায় সব সময় শুধু তোমার কথায় ই বলে। তোমার শরীরের এখন কি অবস্থা? -জ্বি অান্টি এখন ভালো অাছি। এর পর অান্টি বাসার সবার সাথে অামার পরিচয় করিয়ে দিলেন। অাবির বল্লো অামরা কি এইখানে দাড়াই থাকবো নাকি ভিতরে জাইতে দিবা। তার পর অান্টি অামাদের কে ভিতরে গিয়ে ফ্রেশ হতে বল্লো। অাবির অামাকে ওর রুম এ নিয়ে গেলো। অাবিরদের বাসাটা অনেক সুন্দর অনেক পুরনো দোতালা বাড়ি, অাবিরের ছোট চাচা গ্রামের চেয়ারম্যান, এই গ্রাম এ ওদের ভালো প্রভাব অাছে। অাবির অামাকে একটা তোয়ালে দিয়ে বল্লো যা গোসল করে নে। ব্যাগ থেকে টাউজার অার গেঞ্জি বের করে বাথরুম এ গেলাম। গোসল শেষ করে এসে দেখি অাবির ফোনে কথা বলছে। একটু পর ফোনে রেখে গোসল করার জন্য অাবির বাথরুম এ ঢুকলো। কিছুক্ষণ পর রিয়া রুম এ অাসলো ভাইয়া আব্বু অাপনাকে ডাকছে। -অামাকে? =হে অাপনাকে। অামি বল্লাম অাচ্ছা চলো। অাংকেল এর রুম এ অাসার পর, অাচ্ছালামুঅালাইকুম অাংকেল ভালো অাছেন? -অঅালাইকুম অাচ্ছালাম এইতো বাবা বুড়ো মানুষের অার ভালো থাকা। প্রেসার টা একটু বেড়েছে।তুমি দাড়িয়ে অাছো কেনো বসো। =সমস্যা নেই অাংকেল। -অারে লজ্জা পাবার কিছু নেই তুমি তো অামাদের পরিবারের ই একজন। =জ্বি অাংকেল। -তার পর বলো তোমার শরীরের কি অবস্থা? তেমার অান্টি বলছিলো তোমার নাকি জ্বর ছিলো? =জ্বি অাংকেল, জ্বর ভালো হয়ে গেছে। এখন ভালো অাছি। =শুনে ভালো লাগলো। তোমার অাব্বু-আম্মু ভালো অাছেন? -জ্বি অাংকেল সবাই ভালো অাছেন। এমন সময় অাবির ওর বাবার রুম এ অাসলো। -আম্মা নিচে ডাকতেছে খাবি অায়। বলেই রুম থেকে চলে গেলো। =অাচ্ছা অাংকেল অামি যাই। পরে এসে কথা বলবো। -অাচ্ছা বাবা যাও। . চলবে..........


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৫৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ***পরী***
→ ***পরী***

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন