বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

পারব না হারাতে তকে

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Merina Afrin Mou (০ পয়েন্ট)

X সকালে ঘুম ভাঙ্গতেই নতুন কিছু উপলব্দি করলাম। জিনিসপত্রের শব্দ শুনলাম নিচে। নিচতলায় নামতেই দেখতে পেলাম নতুন মানুষ। তার মানে নতুন ভাড়াটিয়া। অদ্ভুত ব্যাপার হলো মাত্র দুজন মানুষ দেখতে পেলাম মানেটা হলো শুধু স্বামী স্ত্রী। ভাবতে লাগলাম তাদের কি কোনো সন্তান নেই নাকি। যাক সে কথা। ভদ্র মহিলা আমার দিকে এগিয়ে এসে কি যেন দেখতে লাগলো অবশেষে বলে উঠলো.. --তুমি অভি না --জ্বি। কিন্তু আপনি আমাকে চিনলেন কিভাবে? --তুমি যখন ছোট ছিলে তখন একবার দেখেছিলাম। বড় হয়েছো ঠিক আছে কিন্তু চেহারা আগের মতই --আপনি কি আমার পরিচিত? --অবশ্যই। তোমার বাবা আমাদের খুব নিকটস্থ একজন। আমার স্বামীর প্রিয় বন্ধু। --ওহহ। কিন্তু আমাদের এখানে আজ --তোমার আংকেল ট্রান্সফার হয়ে এ শহরে এসে গেছে। এখানে মনে দীর্ঘ বছর থাকতে হতে পারে। তাই তোমাদের বাসাটাকেই বাসস্থান হিসেবে ঠিক করেছেন। --ওহহ বেশ ভালো। কিন্তু আন্টি বাকীরা কোথায় আপনার সন্তানরা --সন্তান বলতে এক মেয়েই আছে।সে আসবে কিছুদিন পর।এখান তার নানুবাড়িতে আছে। যাক আমার চিন্তার সমাপ্তি ঘটলো পরিপূর্ণ তথ্য পেয়ে গেলাম তারা কে দিনদশেক কেটে গেলো বেশ ভালো। একদিন সন্ধ্যায় আরো একজন অতিথি লক্ষ্য করলাম। বুঝতে বাকী রইলো এ যে সেই মেয়েটি। বাহ! কি সুন্দর। আল্লাহর সৃষ্টির তুলনা নাই। জীবনে অনেক মেয়ে দেখেছি কিন্তু তার মত না। লাভ এট ফাষ্ট সাইট বলে একটা কথা আছে আমার ক্ষেত্রে ও তাই হলো। কিন্তু কিভাবে কাছে যাওয়া যায় এ ভেবে পাচ্ছি না... দিন যেতে লাগলো আরো ভালো লাগতে লাগলো সবদিক দিয়ে পরিপূর্ণ এ যেন সোনায় সোহাগা একদিন সকালে আন্টি কে দেখলাম মায়ের সাথে কি যেন কথা বলছে আমি তাদের কাছে যেতেই মা বলে উঠলো... --অভি আজ তোর নতুন একজন সঙ্গী হয়েছে --বুঝলাম না মা --রাফসা তোর সাথে আজ কলেজে যাবে। তোর কলেজেই ভর্তি হয়েছে বুঝলাম তার নাম রাফসা। আগে কখনও শুনিনি আজ ই শুনলাম প্রথম। --আচ্ছা নিয়ে যাব তাকে খুশিতে হার্টবিট বেড়ে গিয়েছে। কপালের নাম গোপাল আজ গোপাল আমার সহায় হয়েছে বুঝতে বাকী রইলো না। কলেজে যাচ্ছি হেটে হেটে বেশি দূর না কলেজ তাই হেটে যাচ্ছি। সাথে নতুন সঙ্গী কিন্তু দুজন ই চুপচাপ হাটছি। হঠাৎ আমায় সে বলে উঠলো --আমি আপনার স্বাধীনতা নষ্ট করলাম না তো। আপনি তো আজ বন্ধু বান্ধব ছেড়ে আমার সাথে চলছেন --না। আর আসলে আমার বন্ধু বান্ধব নেই কোনো। --ওহহ। আপনি তো একদম আমার মত --হয়তো --আপনি কলেজ গিয়ে কি করবেন আজ? --ক্লাশ করবো আর কিছু না। আপনি? --আমিও আপনার মতই।তবে আমরা কোথাও বসতে পারি যদি চান --অবশ্যই কেন নই --আচ্ছা যেহেতু আমাদের কোনো সঙ্গী নেই আজ থেকে আমরা ই একে অপরের সঙ্গী যাত্রা শুরু হলো নতুনত্বের দিন কাটতে লাগলো পরম সুখে কখনও আড্ডা কখনও ঘোরাফেরা রাতে একসাথে বসে জোৎস্না উপভোগ করা... কখনও ভাবিনি এমন কাওকে পাব আমি এভাবেই দিন কাটতে লাগলো কলেজ পার করলাম ভার্সিটিও একসাথে পার করলাম কিন্তু কখনও মনে হয় নি ওকে ভালোবাসি কথাটা বলার ওর পাশে থেকে সব ভুলে গিয়েছিলাম একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে আন্টিকে লক্ষ্য করলাম কি যেন বলছে মাকে মাকে পরবর্তিতে প্রশ্ন করায় মা বলে উঠলো তারা দেশের বাড়ি চলে যাবে দুদিন পর মাথায় যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়লো কথাটা শুনে তার মানে কি রাফসা কে হারিয়ে ফেলবো নাহ এমনটি হতে দেওয়া যাবে না কিছু একটা করতে হবে নাহ এবার রাফসা কে সব বলবো মনের গোপন কথা সেদিন রাতেই একা পেলাম রাফসা কে অনেক রাতে ছাদে বসা তাও আবার একা পাশে যেতেই ও বললো --কিরে এতরাতে --হুমম রাতে। তুই একা কেন --এমনি খুব খারাপ লাগছে --কেন --তোকে ছেড়ে চলে যাব --থাকতে পারবি একা একা --জানি না কিন্তু কি একটা বন্ধন যেন তোর কাছে বেধে রাখছে --আমি কিছু বলতে চাই তোকে শুনবি --হ্যা বল --আমি তোকে হারাতে চাই না। সারাজীবনের জন্য পাশে চাই --আমিও কিন্তু কিভাবে --আমায় তুই বিয়ে করবি? --কিহহ --প্লিজ আমায় ফিরিয়ে দিস না। আমি পারবা না তোকে হারাতে --ভালোবাসিস আমায়? --অনেক অনেক --তাহলে আমি রাজি কিন্তু কি করবি এখন? --পরিবারকে তোর কথা বলব --রাজি হবে তো? --অবশ্যই হতেই হবে -- দেখ তাহলে। যেভাবেই হোক আমাকে তোর ধরে রাখতে হবে চিন্তা থেকে অনেকটা মুক্তি মিললো রাফসা আমায় ভালোবাসো এটাই যথেষ্ট তাকে পাশে রাখতে মায়ের সাথে কথা বললাম --মা কিছু বলতে চাই --কি বল বুকটা কাঁপছে কিভাবে বলবো তা ভেবে --মা আমি রাফসা কে বিয়ে করতে চাই। আমিও রাজি সেও রাজি --কিহহ! কি বললি তুই --মা সত্যি এটাই --তোদের বিয়ে তো ঠিক করা ই এ মাসের সতেরো তারিখ --মা মজা করিও না --সত্যি বলছি --কিন্তু ওরা নাকি চলে যাবে --হা হা হা। ওরা গ্রামের বাড়ি যাবে। বিয়ে সেখানেই হবে তোকে আমরা এখান থেকে বর সাজিয়ে নিয়ে যাব --সত্যি বলছো --হ্যা বাবা খুশিতে আত্মহারা আমি। এমন হবে তা কখনও ভাবিনি শান্তির নিঃশ্বাস ফেলার সময় আসলো। রাতে দেখা হলো রাফসার সাথে --কিছু কি হলো (রাফসা) --নাহ --তাহলে --তুমি বাড়ি যাও। দেখা হবে খুব শিঘ্রই আজ বাসর রাত --এমন কি করে হলো(রাফসা) --চমক --মানে সব বললাম তাকে --কিন্তু তুমি আমায় কাঁদিয়েছো --কিভাবে কখন --তুমি কিছু বলো নি আমায়য়।আর এর শাস্তি আছে --কিহহ --হ্যা তুমি ফ্লোরে শুভে আর আমি বিছানায় --এমন শাস্তি দিও না জানু --জান পেতেই হবে যে। তবে শাস্তি অস্থায়ী --আচ্ছা --হি হি হি........... এমন ভালোবাসার শেষ যেন না হয় চলতে থাক...


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ পারব না হারাতে তকে

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now