বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
বিকেল চারটার দিকে বর পক্ষের লোকেরা এল। সুসজ্জিত বাংলা ঘরে তাদের বসতে দেয়া হল। কনে পক্ষের একজন গিয়ে উঁকি দিয়ে গুণে ফেলল বর
পক্ষের সদস্য সংখ্যা। একশ বিশ জন।
সংখ্যাটি শুনামাত্রই কন্যার বাপ রিয়াজুল সরকারে শরীরে যেন ১০৬ ডিগ্রি জ্বর আসার মত অবস্থা হল! সে আকাশের দিকে তাকায়। সর্বশান্ত হওয়া মানুষের মত দীর্ঘশ্বাস ফেলে। তার দীর্ঘশ্বাসে ভারী হয়ে ওঠে আকাশ।
শরীর নিস্তেজ হয়ে আসে। চোখে কেবলি সে আলো-ছায়া দেখছে। যেখানে আসার কথা ত্রিশজন সেখানে কিনা এসেছে একশ বিশ জন! মানুষের কি আর আক্কাল-পছন্দ থাকতে নেই, বিচার বিবেচনা কি দেশ থেকে ওঠে গেল? নিজের মনে নিজেই প্রলাপ বকতে থাকে সে। আবার এটাও সে জানে যে- খানিতে একটু উনিশ থেকে বিশ হলে বিয়ে ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। বহু কষ্টে এই সমন্ধটি জুটিয়েছে। এমন পাত্র কালে ভদ্রেই মিলে।
সুতরাং কোনভাবেই সমন্ধটি হাতছাড়া করা যাবে না। তাছাড়া গ্রামে কোন কারণে মেয়ের বিয়ে একবার ভেঙ্গে গেলে আর সহজে বিয়ের সমন্ধ আসতে চায় না। এই অপ্রত্যাশিত বিষয়টি এক এক করে সবার কানেই পৌঁছল। কনে পক্ষের লোকেদের মধ্যে যেন চাপা আতঙ্কের সাড়া পড়ে গেল। এখন উপায়?
শিশির ও সফিক ব্যাগভর্তি লেবু নামিয়ে রাখতে রাখতেই শুনলো সব ঘটনা। এতক্ষণে বাহিরে ঝুম বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বৃষ্টিতে ওরা অনেকটাই ভিজে গেছে। ইতোমধ্যে বৃষ্টির মাত্রা যেন আরও ঘন থেকে ঘনতর হতে শুরু করল। আকাশ বিদীর্ণ করে গর্জনও হচ্ছে। মেঘ দেবতা বুঝি আজ খুবই রুষ্ট!
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now