বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
কিরে আলয় তোকে যে বলছিলাম কথাটা ভেবে
দেখছিলি? ( আমার আম্মু)
কোন কথার কথা বলতেছো আম্মু? ( আমি)
ঐ যে বিয়ের ব্যাপারটা ( আম্মু)
আম্মু তোমাকে কতবার আমি না করবো যে আমি এই
বিয়েটা করতে পারবো না ( আমি) কেন? তুই কি কাউ কে
পছন্দ করিস? ( আম্মু)
পছন্দ করি না কাউ কে তবুও এই বিয়ে করা আমার পক্ষে
সম্ভবনা আর তোমাকে তো এই কথা গুলো আরো আগেও
বলছি তো এখন আবার এই কথা গুলা বলতেছো কেন?
( আমি)
দেখ আলয় তোকে তোকে আমরা ছোটবেলা হতেই
কোন
বিষয়ে পেশারক্রিয়েড করিনি আর তুই ছোটবেলা থেকেই
যা চেয়েছিস তোকে আমরা তাই দিতে চেষ্টা করেছি
আর তুই এখন আমাদের একটা কথা রাখবিনা এই বলেই আম্মু
কেদেঁ দিল তখন আর না করতে পারিনি আমি ।
আসলে আমার কপাল টাই খারাপ আর না হয় বড় ভাইয়ের
বউ কে বিয়ে করতে হয়?!
আমার নাম আলয় সবে মাত্র অনার্স 3য় বর্ষে পড়ছি ।
ছোটবেলা থেকেই কত স্বপ্ন ছিল আমার বউ এই রকম হবে
সেই রকম হবে । বউ নিয়ে ঘুরতে যাব, পার্টিতে যাব আরো
কত কি ?? কিন্তু এখন মনে হচ্ছে সেই স্বপ্ন গুলো স্বপ্নই
থেকে যাবে কোন দিন আর সত্যি হবে না। কারন আমি
যাকে বিয়ে করতে যাচ্ছি উনি ছিলেন আমার বড় ভাই এর
বউ। কিছুদিন হল ভাইয়া সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন।
ভাইয়া মারা যাওয়ার 3 মাস আগে বিয়ে করছিলেন আর
সেই বউ নাকি অনেক গুনে গুনান্তিত্ব বাসার সবার ই
উনাকে খুব পছন্দ বিষেশ করে আম্মু আব্বু তো (মহিলা
বলবো না মেয়ে বলবো বুঝতেছি না যাই হোক আমার
সাথে যেহেতু বিয়েটা হচ্ছে তো মেয়েই বলি) ঐ মেয়ে
বলতে পুরাই অজ্ঞান তাই তো এমন করে আমার সাথে
বিয়েটা দিচ্ছে।
ঐ মেয়ে আমার বড় ভাই এর বউ ছিল কিন্তু আমি কোনদিন
দেখতেও পারিনি ! এমনকি এখনো আমি ঐ মেয়ের নাম ও
জানি না! আর বড় ভাই এর বউ কে নাকি ছোটভাই দেখা
যায় না তাই আর কোনদিন দেখতে পারিনি তবে বোখরা
পরা অবস্থায় একদিন দেখেছিলাম ঐ মেয়েকে! মনে হয়
না যে আমার আম্মুর থেকে বয়সে খুব বেশি একটা ছোট
হবে বলে!!! এ যুগে কত আধুনিক ডিজাইনের বোখরা
পাওয়া যায় । এই বোখরা গুলো কত সুন্দর লাগে অতচ ঐ
মেয়ে এই বোখরা গুলা পড়বে না কারন এই গুলা পড়লে
নাকি পুরোপুরি পর্দা হয় না ।
সবার বিয়েতেই অনুষ্ঠান হয় চায় সেটা বড় বা ছোট হোক ।
কিন্তু আমার বিয়েতে তো কোনটাই হবে না।
অত:পর আজ সন্ধায় আমাদের বিয়ে পড়ানো হবে কোন রকম
আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই। আম্মু - আব্বু কে বলে দিয়েছে
কাজী নিয়ে আসার জন্য ।
খুব চিন্তা হচ্ছে .. আমার বিয়ের ব্যাপারটা আমাদের
পরিবারের লোকেরা ছাড়া আর কেউ ই জানেনা , এমন
কি আমার বন্ধুমহলের কেউই জানেনা ওরা যখন জানতে
পারবে যে আমি বিয়ে করেছি তাও আবার বড় ভাই এর বউ
কে !
তখন যে ওরা আমায় কি করবে ?! ধ্যাত কিছুই ভাবতে
পারছি না। ঐ দিকে কাজীও চলে আসছে বাসায়। অত:পর
বিয়েটা হয়েইগেল ।
বিয়ে পড়ানোর সময় জানতে পারলাম যে মেয়েটার নাম
লাবীবা । বিয়ে পড়ানোর পর বাসা হতে একটু বের হলাম ..
সবার তো চ্যাকা খাওয়ার পর সিগারেট খেতে ইচ্ছে হয়
আর আমার তো বিয়ে করার পর সিগারেট খেতে ইচ্ছে
হচ্ছে । যাইহোক এক প্যাকেট সিগারেট কিনলাম যদিও
বা পুর্বের কোন অভিজ্ঞাতা ছিল না সিগারেট খাওয়ার
উপর । অত:পর সিগারেট ধরিয়ে একটা টান দিলাম .. এখন
তো দেখছি কাশতে কাশতে আমার জীবন শেষ। বুঝিনা
মানুষ সিগারেট খায় কেমনে?? তবে এতটুকু বুঝা হয়েগেছে
যে আমার দ্বারা সিগারেট খাওয়া হবে না।
ইতি মধ্যে বাসা হতে বেশ কয়েকটা ফোন চলে আসছে
কিন্তু আমার বাসায় যাওয়ার কোন ইচ্ছেই নেই তাই ফোন
টা বন্ধ করে পকেটে রেখে দিলাম যাতে কেউ আর
বিরক্ত করতে না পারে আমাকে ।
অবশেষে রাত টা রোহান ভাই এর ম্যাচে কাটালাম ।
রোহান ভাই আমাদের পাশের গলির একটা ম্যাচে থাকে।
রোহান ভাই বয়সে আমার থেকে অনেক সিনিয়র কিন্তু
এমন ভাবে আমার সাথে মিশে যে কেউ দেখলে বুঝতেই
পারবে না যে উনি আমার থেকে সিনিয়র!
যাইহোক সকাল বেলায় বাসায় গেলাম ইতিমধ্যেই ছোট
বেলা হতে নিয়মিত বেজে আসা রেডিও টা আবার ও
বাজতে শুরু করছে ( মানে আম্মুর বকাবকি শুরু হয়েগেছে )
অত:পর আম্মু বলল যা লাবীবা কে সরি বলে আয় গিয়ে
নইলে খুব খারাপি আছে তোর কপালে ( মনে মনে বললাম
যা করছো আমার সাথে এর থেকে খারাপ আর কি হতে
পারে?!) তাও আমাকে বাধ্য হয়েই যেতে হল সরি বলার
জন্য। অত:পর রুমে যেয়ে দেখি একটা মেয়ে নামাজ
পড়তেছে কি ব্যাপার এখন বাজে সকাল 7.30 আর এখন
কিসের নামাজ! আর এই মেয়েই বা কে? আর আমার রুমে
নামাজ পড়বে কেন?!
যাইহোক নিজে তো নামাজ পড়িই না তাইবলে অন্যের
নামাজে ডিস্টার্ব করাটা ঠিক হবে না বরং আমার চলে
যাওয়াটাই বেটার হবে । কিন্তু আমার ইয়ারফোন টা তো
ঐ দিকের ড্রেসইন টেবিলের উপর তাই ড্রেসইন টেবিলের
দিকে ইয়ারফোনটা আনতে গেলাম হঠাৎ ই চোখ পড়ল
নামাজরত ঐ মেয়েটার দিকে আমার বিশ্বাস ই হচ্ছিল না
যে ঐ টা কোন মানুষ! !! এত সুন্দর কোন মেয়ে হতে পারে ?
তা আমার জানা ছিল না
ফ্রেন্ডেরা বলতো দোস্ত এই মেয়ের উপর ক্রাশ খাইছি ঐ
মেয়ের উপর ক্রাশ খাইছি কিন্তু আমি লাইফে কখনো
ক্রাশ খাইনি কিন্তু আজ মনে হয় ক্রাশ খেয়েই ফেলাম ।
ইশ! আম্মু আমার বিয়েটা যদি এই মেয়ের সাথে দিত
তাহলে কতইনা ভাল হত । আর আম্মু কি করলো এমন
অপ্সরীর মত মেয়েটা কে রেখে আমার বিয়ে দিল 30 +
ভাবির সাথে । আসলে আমার কপাল টাই খারাপ না হয়
এমন অপ্সরীর মত মেয়ে কে রেখে বড় ভাইয়ের বউ কে
বিয়ে করতে হয়??!
যাইহোক অন্যের জিনিষের উপর নজর দেওয়ার অভ্যাস
আমার নেই ।
ছোটবেলা হতেই নিজের যা আছে তা নিয়েই সন্তুষ্ট
রয়েছি । আর বিয়ে তো মানুষের একবার ই হয় আর আমার
তা হয়েগেছে এই মেয়েকে দেখে মায়া বাড়িয়ে কোন
লাভ নাই তাই স্বইচ্ছায় ঐ রুম হতে চলে আসলাম । কিন্তু
মেয়েটার চেহারাটা কিছুতেই ভুলতে পারছি না কে এই
মেয়ে??? আগে তো কখনো দেখিনি আমাদের বাসায়! আর
এই মেয়ে তো লাবীবাও হবে না কারন অনেকদিন আগে
লাবীবা কে দেখেছিলাম বোখরা পড়া অবস্থায় তখন তো
মনে হয়েছিল বয়স 30 + হবে কিন্তু এই মেয়ের বয়স তো
বেশি হলে 20 হবে। অত:পর...
কিরে আলয় লাবীবার সাথে দেখা হইছে?(আম্মু)
না আম্মু দেখা হয়নি আর আমার রুমে দেখলাম একটা
মেয়ে নামাজ পড়তেছে মেয়েটা কে আম্মু ? আর এখন
বাজে সকাল 7.35 এখন আবার কোন ওয়াক্তের নামাজ ?
( আমি)
জীবনে তো কোনদিন নামাজ পড়লি না তো জানবি
কেমনে এটা কিসের নামাজ? ?? এটা হল এশরাকের
নামাজ আর তুই যেই মেয়ের কথা বলতেছিস ঐ টাই
লাবীবা ( কি করবো কিছুই বুঝতে পারছি না আনন্দে
লাফাবো ? নাকি চিৎকার দিয়ে ইয়েস বলবো এতটা খুশি
লাগছে যে বলে বুঝাতে পারবো না । কিন্তু এমন একটা
ভাব করলাম যাতে আম্মু কিছুই না বুঝতে পারে ) .. আচ্ছা
লাবীবা হোক বা অন্য কেউ হোক রাতে খাইনি ক্ষুদা
লাগছে কিছু খাওয়ার মত থাকলে দাও? (আমি)
আচ্ছা দিচ্ছি ঘরে পানি নেই তুই একটু কল থেকে পানি
নিয়ে আয়?( আম্মু) অত:পর হালকা একটু নাস্তা করে
ডিরেক্ট একটা দৌড় দিলাম আমার রুমের দিকে রুমে
যেয়ে দেখি লাবীবা মাত্র নামাজ শেষ করছে । আমাকে
দেখেই সালাম দিল আমার কেনো জানি তখন হাসি
পাচ্ছিল কিন্তু হাসলাম না মুখটা গম্ভীর করে সালামের
উত্তর দিলাম।
নীল রঙের একটা শাড়ি পড়ছে লাবীবা খুব সুন্দর লাগছে
লাবীবা কে । নিজেকে খুব লাকি মনে হচ্ছে আজ আর এই
মেয়ের জন্য তো আমি সব করতে পারবো । আর
বন্ধুমহলের
একটু আড্ডু কথা সহ্য করা এই মেয়ের জন্য কোন ব্যাপর ই
না তাই দ্বিধাহীন ভাবেই বন্ধুমহলের আমার বিয়ের খবর
টা ছড়িয়ে দিলাম।
কি দিয়ে লাবীবার সাথে কথা শুরু করবো বুঝতে পারছি
না । বাসার সবাই জানে যে বিয়েতে আমার মত ছিল না
এমনকি লাবীবাও জানেও বিষয়টা আর এখন যদি নিজে
থেকে আগ বাড়িয়ে কথা বলি তো বিষয়টা কেমন দেখা
যায় না? তাই মুখটা গম্ভীর করেই বললাম কাল রাতের
জন্য সরি ......
কিসের জন্য সরি? (লাবীবা)
গতরাতে তো বাসায় আসিনি এই জন্য ( আমি)
ও আচ্ছা তো নামাজ পড়ছিলেন ফজরের?( লাবীবা)
না পড়ি নাই কিন্তু কেনো? ( আমি)
তো আপনি বাহিরে থাকার ই উপযুক্ত ( লাবীবা)
এই আপনি কি বলেন এই গুলা আমি তো কিছুই বুঝতেছিনা
( আমি)
আপনি আমাকে তুমি করে বলবেন আর আজ থেকে যদি 5
ওয়াক্ত নামাজ পড়েন তো তাহলে এই বাসায় থাকতে
পারবেন অন্যতায় এই বাসায় আপনার যায়গা হবে না
( লাবীবা)
এই মেয়ে কি বলে এই গুলা আমার বাসায় নাকি আমার ই
যায়গা হবে না! চেহারাটা দেখে যতটা সহজ সরল হবে
ভাবছিলাম এখন দেখছি ততটাই কঠিন
অত:পর আমি আম্মু কে আস্তে করে ডাকদিলাম ....
আম্মু এই মেয়ে কি বলে এই গুলা আমার বাসায় নাকি
আমার ই যায়গা হবে না ?( আমি)
এই বউমা তুমি ওরে কি বলছো? ( আম্মু)
মা আমি উনারে বলছি 5 ওয়াক্ত সালাত আদায় করলে এ
বাসায় যায়গা হবে অন্যতায় উনার এ বাসায় যায়গা হবে
না ( লাবীবা)
হুম ঠিকি বলছো নামাজ না পড়লে একদমি বাসায় ডুকতে
দেবেনা আর এখন থেকে সব কিছুতে আমায় ডাকবিনা
লাবীবা আছে যা লাগে ওর কাছেই বলবি
এই কথা গুলো বলেই আম্মু চলে গেল আমাকে কোন কিছু
বলার সুযোগ ই দিলনা ।
অত:পর .....
এই আপনি এখনি ওজু করে আসেন ( লাবীবা)
এখন ওজু দিয়ে কি হবে? ( আমি)
ফজের কাযা নামাজ টা এখন পড়বেন তাই ওজু করতে
বলছি( লাবীবা)
পড়ে পড়বো এখন খুব ক্লান্ত লাগছে এখন একটু ঘুমাবো
( আমি)
না এখনি পড়তে হবে । পড়ে ঘুমাবেন এই বলেই লাবীবা
আমার হাতটা ধরে টানতে টানতে বাথরুমে নিয়ে গেল
ওজু করার জন্য।
আসলে লাবীবা যখন আমার হাতটা ধরলো তখন হাই
ভোল্টেজের একটা শক খেলাম ।
আসলে এর আগে কখনো কোন মেয়ে এ ভাবে হাত
ধরেনি
আমার ... উফ! কি ভালই না লাগছিল ও যখন হাত টা ধরে
রাখছিল অত:পর ওজু করে নামাজ টা পড়ে নিলাম।
নামাজ তো পড়ছি নামে আর মনটা তো ছিল লাবীবার
কাছে ....
আচ্ছা আপনি এতদ্রুত নামাজ পড়েন কেমনে? ( লাবীবা)
এইটা আবার কেমন প্রশ্ন? ! সবাই যে ভাবে পড়ে আমি ও
তো ঐ ভাবেই পড়ি?
আচ্ছা মা বলছিল আপনি নাকি সূরা গুলা ভাল ভাবে
পারেন না? আর পারবেন ই কি ভাবে আগে তো কখনো
নামাজ পড়েনি! তো সূরার তো কোন দরকার ই পড়েনি?
আচ্ছা আপনি একটা সূরা তিলাওয়াত করেন তো?
( লাবীবা)
( বুঝিনা আম্মু যে কেন এমন করে সবার কাছে শুধু
নেগেটিভ সাইট গুলাই বলবে কারো কাছে আর পজিটিভ
কিছু বলতে পারে না?
এই আপনি কি কিছু বলতেছেন?( লাবীবা)
না আমি তো কিছু বলিনি। ( আমি)
তো আপনাকে না বললাম সূরা তিলাওয়াত করতে?
( লাবীবা)
অন্যকোন সময় তিলাওয়াত করবো( আমি)
না এখন করতে বলছি এখনি করবেন ( লাবীবা)
অত:পর ................... আপনার তিলাওয়াতের তো কোন কিছুই
ঠিক নাই। কোরআন শরীফের সূরা গুলা সহী শুদ্ধ ভাবে
তিলাওয়াত করলে যেমন ছওয়াব আছে ঠিক তেমনি ভাবে
অশুদ্ধ ভাবে পড়লে ছওয়াব এর পরিবর্তে গুনাহ ও হবে। আর
প্রতিদিন মাগরিব এর নামাজের পর আপনি বাসায়
থাকবেন। আপনাকে আমি সূরা গুলি সহী শুদ্ধ ভাবে
শিখিয়ে দেব। ( লাবীবা)
আরে এই সময় তো আমি খুব ব্যস্ত থাকি আমি এই সময়
বাসায় আসতে পারবো না ( আমি)
কি করেন আপনি এই সময় ? (লাবীবা)
এই তো বন্ধুদের সাথে আড্ডাবাজি করি ( আমি)
এইটা কোন কাজ না সো আমি যা বলছি সেটাই করতে
হবে ( লাবীবা)
আচ্ছা আসবো । কিন্তু আমার বন্ধুরা সবাই আজ
সন্ধাবেলায় আমাদের বাসায় আসতে চাইছে ( আমি)
আপনার বন্ধুরা আসবে কেনো?( লাবীবা)
আরে ওরা শুনছে যে আমি বিয়ে করছি তাই ওরা দেখতে
আসবে তোমাকে ( আমি)
সরি জনাব আপনি ভাল করেই জানেন যে আমি কারো
সামনে যাইনা আমি বড়জোর উনাদের রান্না করে
খাওয়াতে পারবো এর বেশি কিছুই করতে পারবো না
মাফ করবেন আমাকে ( লাবীবা)
আচ্ছা খাওয়ালেই হবে । অত:পর সন্ধাবেলায় বন্ধুদের
কাছ থেকে অনেক মধুর মধুর বাক্য শুনতে হল আমাকে
কিন্তু কিছুই করার নাই উনি না করে দিয়েছেন কারো
সামনে আসবেন না।
অত:পর বন্ধুদের বিদায় করতে করতে প্রায় রাত 11 টা
বেজেগেছে । অত:পর নিজের রুমের দিকে গেলাম । গিয়ে
দেখি লাবীবা বিছানা ঠিক করতেছে ...
কি আপনার বন্ধুরা সবাই চলেগেছে? ( লাবীবা)
হুম চলেগেছে অত:পর দুজনি চুপ
কি করবো বুঝতেছিলাম না জীবনে প্রথম কোন মেয়ের
সাথে এতটা কাছাকাছি বসে আছি অত:পর লজ্জা ভেঙে
বললাম লাবীবা তোমার হাত টা একটু ধরবো? ( আমি)
হুম ধরতে পারেন তবে আমার কিছু কথা আছে? ( লাবীবা)
হুম বল কি বলবে ( আমি)
আপনাকে ইসলামি বিধি বিধান অনুযায়ী চলতে হবে এবং
5 ওয়াক্ত সালাত কায়েম করতে হবে এবং .............
( লাবীবা)
এবং কি? ( আমি)
আমাকে অনেক অনেক অনেক ভালবাসতে হবে ( লাবীবা)
হুম সব গুলাই পারবো কিন্তু শেষের টা পারবো না মেম
( আমি)
ঐ টা আমি আদায় করে নেব কোন সমস্যা না ( লাবীবা)
তাই? ( আমি)
হুম তাই ( লাবীবা)
আচছা কি ভাবে আদায় করবা হুম? ( আমি)
এই ভাবেই বলেই লাবীবা আমাকে জড়িয়ে ধরলো ।
আমি জানি না লাবীবার কথা গুলো রাখতে পারবো কি
না ? তবে আমার পক্ষে থেকে যতটুকু সম্ভব আমি রাখতে
চেষ্টা করবো .......... অসমাপ্ত
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now