বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অমর প্রেম---০২

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়াদুল ইসলাম রূপচাঁন (০ পয়েন্ট)

X অপরিচিতা একটি ছেলে আর একটি মেয়ে প্রতিদিন বাসস্ট্যান্ডে দাড়িয়ে থাকতো বাসের জন্য, ছেলেটি ছিলো মেডিকেল কলেজের ছাত্র এইজন্য মেয়েটি ছেলেটিকে পছন্দ করতো না,কারন মেয়েটি মেডিকেল কলেজে চান্স পাইনি, এজন্যই মেডিকেল কলেজের ছাত্রদের সহ্য করতে পারতো না। দুইজন একই বাসস্ট্যান্ডে দাড়িয়ে থাকতো আর ভালোনালাগা সত্ত্বেও দুইজন দুইজনকে দেখতো। আর এইভাবে ছেলেটি মেয়েটিকে ভালোবেসে ফেলে কিন্তু কোন দিন বলতে পারিনি। ছেলেটি যদি কোন দিন বাসে মেয়েটিকে দাড়িয়ে থাকতে দেখত তাহলে নিজের ছিটটাকে ছেড়ে দিয়ে দাড়িয়ে থাকতো। এইভাবে কিছুদিন চলার পরে মেয়েটি ছেলেটিকে ভালোবাসতে শুরু করে। একদিন মেয়েটি চিন্তা করলো যে আজ সে ছেলেটিকে বলবে তার ভালোবাসার কথা। কিন্তুু ভাবলো কয়দিন পর ভালোবাসা দিবস আর সেইদিনই কথাটা বলবে। দেখতে দেখতে দিনটি চলে এল। মেয়েটি কোন দিন ফুল কেনেনি। কিন্তু, আজ সে সেজে ফুল হাতে করে সেই বাসস্ট্যান্ডে দাড়িয়ে আছে ছেলেটির জন্য। অনেক সময় অপেক্ষ করার পরেও যখন ছেলেটি আসলোনা তখন মেয়েটি নিজেকে বলতে লাগলো আমি কি বোকা হয়তো ছেলেটির girlfriend আছে আর তাকে নিয়েই সময় কাটাচ্ছে। আর এটাভেবে মেয়েটি ওখান থেকে চলেগেলো। এরপর ঐ বাসস্ট্যান্ডে আর কখনো আসতোনা। আর বাসে যাবার সময় মেয়েটি তাকিয়ে দেখতো ছেলেটি ওখানে আছে কিনা কিন্তু পেতোনা। এর কিছুদিন পর মেয়েটির বিয়ে হয়ে যায় অন্য একটা ছেলের সাথে। বিয়ের অনেক দিন পর মেয়েটি তার স্বামীর আলমারিতে কিছু একটা খুজছিল হঠাৎ একটা ছবি আর একটা চিঠি পেলো। মেয়টি ছবিটা দেখে চমকে গেলো কারণ ছবিটা ছিলো সেই ছেলেটার। এরমধ্যে মেয়েটির স্বামী চলে আসলো মেয়েটি জিগ্গাসা করলো ছবিটির সম্পর্কে। তখন বললো গতো ভালোবাসা দিবসে ছেলেটি কয়টি ফুল আর একটি চিঠি হাতে করে একটা মেয়ের কাছে যাচ্ছিলো। কিন্তএক রোড এক্সিডেন্টে সে মিত্যু বরণ করেন। একথা শুনে মেয়েটি চিঠি হাতে নিয়ে ভিশন কাদঁতে লাগলো এটা দেখে মেয়েটির স্বামী জানতে চাইলো কি হইয়েছে? তখন মেয়টি বললো আমি সেই মেয়ে। এটা শুনে মেয়েটির স্বামী বললো ছেলেটি তোমাকে ভিশন ভালোবাসতো। তখনও মেয়েটি আরো কাঁদতে থাকে,, আসলে অপেক্ষার সময় টা অনেক কঠিন বলব বলব করে এভাবেই না বলা ভালোবাসা এক সময় সবার জীবন থেকে হারিয়ে যাই আর এরিই মাঝে বেঁচে থাকে,,!


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অমর প্রেম---০২

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now