বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
মেয়েদের এই একটা গুণ;তাদের সিক্সথ্ সেন্স ভয়াবহ সার্প । অনন্ত চোখ সরিয়ে নেয় ।
ব্যাগ থেকে কবিতার বই বের করছে । এই কবিতার বইটা গত সাত বছর যাবৎ সে তার কাছে রেখেছে । হাত ছাড়া করে না কখনো । অনন্তের বদ্ধমূল ধারণা একটা কবিতা পড়ে জীবন পার করে দেওয়া যায়....
যুথি রাণীকে কবিতাটা শোনাতে ভীষণ ইচ্ছা করছে । কিন্তু এখন তা সম্ভব নয় । কবিতাটি আপন মনে পড়তে থাকে অনন্ত....
*সেই কথা ঠিক সাদা পৃষ্ঠার মত আজও মনে পড়ে,
যেদিন তোমার সাথে প্রথম দেখা হয়...
তোমার চোখে চোখ তুলে তাকাতে
কত যে আলোক বর্ষ পেরিয়েছি আমি
মাঝখানে সতেরশ নদী আর তিন তিনটি মহাসাগর!
তোমাকে প্রথম স্পর্শ করার আগে কত তুষার আর অগ্নিতে জপ করেছি বীজমন্ত্র,নিরবধি
তোমাকে দুচোখে ভরে দেখার আগে কত সবুজ
তৃণভূমির দিকে যে তাকিয়ে থেকেছি আমি
দূর নক্ষত্রপানে তাকিয়ে তাকিয়ে
শুদ্ধ করেছি এ দুচোখ!
তোমাকে চার অক্ষরের একটি বাংলা শব্দ বলব বলে
কত যে গীতি কবিতার লাইন মুখস্ত করেছি আমি
মীরার ভজন আর লালনের গানে ডুবে থেকেছি দিনরাত
সেই কথা যখন ভাবি দুচোখ ভরে জল আসে শীতের পাতা ঝরে....
রূবাইত ফেরদৌস অনন্তের চোখ ছল ছল করে উঠে । ভরা প্লাবন দোলা দেয় কর্ণিয়ায় । অনন্ত এই কবিতাটি কখনোই শেষ করতে পারে না ।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now