বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অভিশপ্ত ডায়েরী-০২

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X “অভিশপ্ত ডায়েরী” (পর্ব-২) By : সামিয়া আহমেদ । নিচে কলিংবেল লাগানো, তাই রাতে সুবিধা হবে ভেবে একটা লাইট সবসময় জ্বালানো থাকে। সেই আলো মেইন গেটের সেখান থেকে শুরু হয়ে গেটের সামনের অনেকটুকু রাস্তা পর্যন্ত এসে পৌঁছেছে। সেই আলোয় আমি যা দেখলাম তা জীবনেও ভুলার মত নয়। আমি উঁকি দিয়েই দেখলাম নিচে কে যেনও ঠিক আমার দিকেই তাকিয়ে আছে। যেনও জানত আমি এই মুহূর্তে উঁকি দিবো। ঐ জিনিসটা এমন জায়গায় দাঁড়ানো ছিল যে গেটের আলোটা প্রায় তার মুখের উপর এসে পড়েছে। ওর মুখটা দেখে ভয়ে কেঁপে উঠলাম। ছেলে না মেয়ে তা পরিষ্কার করে বোঝা যাচ্ছিল না। আমার দিকে অপলক দৃষ্টিতে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলো, এরপর আমার দিকে একটা হাত বাড়িয়ে দিল। আমি ভয়ে জ্ঞান হারানোর মত অবস্থা। চিৎকার করতে চাচ্ছি, কিন্তু মুখ দিয়ে কোনও আওয়াজ বের হচ্ছে না। এবার দেখলাম সেই আকৃতিটি আস্তে আস্তে হাওয়ায় ভেসে আমার দিকে আসতে লাগলো। আমি পাগলের মত চেষ্টা করছি চিৎকার দেয়ার জন্য কিন্তু পারছি না। দৌড়ে যে ভেতরে চলে যাবো তারও কোনো উপায় নেই।সেই হাওয়াটি আমার ভিতর মিলিয়ে গেল।সেই শক্তিটি আমাকে নিয়ন্ত্রিত আর চালিত করতে লাগল। সেই শক্তিটি আমাকে বারান্দা থেকে সিড়ি বেয়ে নিচে গেল।সেই শক্তিটি আমাকে সম্মোহিত করে আমাকে যেন নিয়ে যাচ্ছে।আমার ইচ্ছাশক্তি না থাকা সত্ত্বেও শক্তিটি আমাকে আমার বাসা থেকে বের করে আনল। আমি বাসা থেকে বের হয়ে ইডিলিয়া স্ট্রীটে হাটছি।আমি কোথায় যাচ্ছি,কেন যাচ্ছি কোন কিছুই বুঝতে পারলাম না শুধু এইটুকু বুঝলাম আমি পার্কফিল্ড লেকের দিকে যাচ্ছি।এবং সেই শক্তিটির প্রভাব উপেক্ষা করে ফিরে যাওয়া আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না। আমি প্রায় ৩০ মিনিট জঙ্গলে হাটলাম। এতক্ষণ চলার পর অবশেষে আমি লেকের পাশে এসে পৌছালাম।পৌছানোর পর আমি লেকটিকে দেখলাম। রাতের সময়ও লেকটিকে দেখতে অপরুপ লাগছিল।যখন আমি লেকটির সৌন্দর্যে মুগ্ধ হচ্ছিলাম ঠিক তখনই কেউ আমাকে সজোরে ধাক্কা মারল এবং আমি লেকে পরে গেলাম।আমি সাতার কাটতে পারতাম না।তাই খুবই ভয় পেলাম।কিন্তু কিছুক্ষণ পরই আমি টের পানির ভিতর থেকে কেউ যেন আমাকে টেনে সামনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। লেকের ঠিক মাঝামাঝি আসার পর আমি টের পেলাম দড়ির মত কিছু আমার পায়ে পেচিঁয়ে আছে। কিছুক্ষণ পর পানির ভিতর সেই দড়িটি টান দিয়ে আমাকে পানির ভিতর নিয়ে গেল।লেকের খুব গভীরে যাওয়ার পর লেকের তলদেশে আমি একটি কালো রংয়ের ট্রাংক দেখতে পেলাম। তারপর সেই ট্রাংকটিকে আমি লেকের পানি থেকে তুলে তীরে নিয়ে গেলাম।ততক্ষণে আমি খুব ক্লান্ত হয়ে গেছি। আমি অনুভব করলাম আমার অপর এখন আর তার প্রভাব নেই। তাই আমি সেখান থেকে দৌড়ে যেতে লাগলাম। ঠিক তখনি আমি মাটিতে পড়ে গেলাম। যেন কেউ আমাকে পেছন থেকে ধাক্কা দিল।তারপর আমি শুনতে পেলাম “ইমিলিয়া” “ইমিলিয়া” “খুলো”।তখন আমি বুঝতে পারলাম সেই শক্তিটি চাইছে আমি যেন ট্রাংকটি খুলি তাই আমি লেকের তীরে ফিরে গেলাম। আমি ট্রাংকটি খুললাম। খুলার পর আমি ট্রাংকে একটি নীল ডায়েরী দেখতে পেলাম। (চলবে)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অভিশপ্ত ডায়েরী-০২

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now