বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

**অভিমানী অধরা **

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Merina Afrin Mou (০ পয়েন্ট)

X --তুমি কি রেগে আছো আমার উপর? . কথাটা বলে অধরার দিকে তাকালাম।অধরা কথাটা শুনা মাত্রই আমার পাশ থেকে অনেকটা রাগীভাব নিয়ে চলে গেল।আমি মনে মনে ভাবতে থাকলাম আমি কি করেছি যে আমার উপর এতো রাগ দেখাচ্ছে অধরা।নাহ! কিছুই তো মনে পড়ছে না।আচ্ছা অধরা কি কিছু চেয়েছে আর আমি দেই নি? নাহ! তাও না। সদ্য কিছু চায়নি যে আমি দেই নি।সুতরাং এইটা বাদ। . অধরার সাথে খারাপ আচরণ! এখানে দুইমিনিট ভাবতে হবে।অতীতে অনেক খারাপ আচরণ করেছি।ইচ্ছে করেই করেই রাগাতাম।অভিমানী মুখটা দেখার জন্য। রাগতো, আবার আপনা আপনি রাগ চলে যেত।আমি সবসময় রাগ ভাঙ্গাবো। এমন ছেলে আমি নই।আমিও উল্টো অভিমানী হয়ে যাই।ফলাফল অধরা নিজের রাগ ভুলে গিয়ে আমার রাগ ভাঙ্গানোয় ব্যস্ত হতো।অবশ্য সর্বদা এমন যে হবে তা নয়।মাঝেমাঝে আমিও রাগ ভাঙ্গাই। আজ কি ভাঙ্গাবো? না আমি উল্টো রাগবো? উল্টো রাগারো একটা মোড থাকা উচিৎ।অধরার মোডটা আমার মোটেও ভালো ঠেকছে না। . . গতকাল রাতে যখন অফিস শেষে বাসায় ফিরি অধরা অনেকক্ষণ পরে দরজা খুলে।খুলতেই পারে। হয়তো কাজে ব্যস্ত ছিল।কিন্তু অধরা আমার দিকে এক দৃষ্টিতে কিছুক্ষণ বড় বড় চোখে তাকিয়ে তারপর বললো... --বেল টা কি দেখার জন্য? দরজা কিলিয়ে কি ভেঙ্গে ফেলবে? আজব তো! আমি প্রায়শই বেল বাজাই না।দরজায় ধাক্কা দেই।অভ্যাস হয়ে গেছে।এমন করে ধাক্কা দেইনি যে দরজা ভেঙ্গেই যাবে! আমি কিছু না বলে অধরাকে সামনে থেকে সরিয়ে ভিতরে চলে আসি।সারাদিন অফিসে একঘেয়েমি কাজ করার পর আর সেই মোড থাকেনা যে কে রাগলো না রাগলো দেখার।কিছুক্ষণ পর অধরা পাশে এসে বসলো। হাতে এক কাপ চা ছিল।প্রতিদিন অফিস শেষে চা না খেলে একঘেয়েমি মোড যায় না।আমি অধরার দিকে একবার আড়চোখে তাকালাম।অধরা আমার দিকে তাকিয়ে আছে।ব্যাপারটা কি? থাক।আমার হাতে টেকাপয়সা তেমন নাই।এসব ভেল্কিতে পাত্তা দেওয়ার সময় অনেক আছে।অধরা উঠে গেল।আমি আড়চোখে তাকালাম। চায়ের কাপটা নিয়েই চলে যাচ্ছে।দিলো না! আজব তো! . "খাবে না? অধরা যাবার পর আমি শুয়ে পড়ছিলাম।তারপর অনেকক্ষণ পর এসে অধরা খেতে যেতে বলছে। . অন্যসময় আমি যদি শুয়ে থাকি অধরা এসে বলবে,,,"এই খাবে চলো।অফিসে কি এমন কাজ করেছো যে ঘুমাতে হবে এসেই।বুঝা যাচ্ছে আর মানুষে কাজ করে না।গরম ভাত ঠান্ডা হয়ে যাবে।উঠো,উঠো।" এই সেই বলে জোরজবরদস্তি করে উঠাবে।তবে আমি সাধারণত অফিস শেষ করে বাসায় এসে টিভি দেখবো নয়তো ছাদে গিয়ে বসে বসে মোবাইলে গান শুনবো।অধরা এভাবে বলছে কেন? আমি কিছু না বলে উঠে খেতে গেলাম।খেতে খেতে আড়চোখে অধরাকে দেখছি।খাচ্ছে না।ভাত নাড়াচাড়া করছে।আমি বললাম... --তোমার সমস্যাটা কী? কখন থেকে দেখছি কিছুতেই মনযোগী নও তুমি। কথাগুলো অনেকটা জোরেই বলে ফেললাম।অধরা আমার দিকে আশ্চর্য চোখে তাকালো।আমি মাথা নিচু করে ফেললাম। তারপর অধরা বললো... --মনযোগী না? তাহলে কোনকাজটা বাকি পড়ে আছে।বলো? বলো বলছি? অধরা অনেকটা চিৎকার করেই বললো। -- তুমি খাচ্ছ না।অন্যমনষ্ক হয়ে আছো।তাই বললাম। . অধরার চোখগুলো যেন কিছুক্ষণ আগে যেমন ছিল তার চেয়েও খারাপ অবস্থা ধারণ করলো।কিছু না বলেই হাত ধুয়ে চলে গেল।আমি অধরার চলে যাওয়া দেখে আবার খাওয়ায় মনযোগ দিলাম। রুমে এসে দেখি অধরা সোফায় শুয়ে আছে।অধরা এবার বেশি বাড়াবাড়ি করে ফেলছে।আমি কি এমন করছি যে আমার সাথে এমন আচরণ করছে! আমি লাইট নিভিয়ে শুয়ে পড়লাম। . . গতকালের আচরণ দেখে আজ জানতে চাইলাম আমার উপরে রেগে আছে কি না।কোনো পাত্তাই দিচ্ছে না। . -- কালো বলে সংসার করা যায় না? অফিসের জন্য প্রস্তুত হচ্ছিলাম।অধরা এসে একথা বললো।আমি অধরার দিকে অনেকটা অবাক চোখে তাকালাম।আমি শুধু জানি অধরা কোনো কারণে কোন বিষয়ে সম্ভবত আমার উপর রেগে আছে।মন খারাপ। কিন্তু এমন করুণ কণ্ঠে আবদার করার কারণ কী? এমন আচরণ কেন করছে অধরা? এসব মনে মনে ভাবতে ভাবতেই অবাক চোখে অধরার দিকে তাকালাম।অধরা আবার বললো.... -- আমি দেখতে পঁচা, মানুষ পঁচা।বিয়ের সময় মনে ছিল না? . আমি অধরার দিকে আশ্চর্য চোখে তাকালাম। এতক্ষণে বুঝলাম অধরা কেন আমার উপরে রেগে আছে , কেন আমার সাথে এমন আচরণ করছে! সেইদিন আমার কথাগুলো শুনে সত্যি সত্যি ভেবে বসেছে পাগলিটা।সেখান থেকে আমার উপর এক আকাশ অভিমান নিয়ে পড়ে আছে! . -- শুনেছি মেয়েরা অবলা গাধী জাতিবিশেষ।তোমাকে না দেখলে বুঝতাম না।আসলেই মানুষ যা বলে মিথ্যা বলেনা। অধরা রান্নাঘর থেকে পেয়াজ কাটতে কাটতে আমার কথা শুনে আমার দিকে আড়চোখে তাকালো।আবার চোখ ফিরিয়ে নিলো।রাগ,অভিমান যে এত দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে এই মেয়েকে বউ হিসেবে না পেলে বুঝতাম না। অফিস থেকে এসে টিভি দেখছি আর অধরার সাথে ভাব জমানোর চেষ্টা করছি।তবে পাত্তা পাচ্ছিনা। -- অফিস ফিরত স্বামীর সেবা করতে হয়।সেটাও ভুলে যাচ্ছ দিন দিন।অন্ততপক্ষে এক কাপ চা দেওয়াই যায়,নাকি? আমি অধরার সাড়া না পেয়ে আবার বললাম।অধরা এখন তাকানোর প্রয়োজনই মনে করলো না,কি সাংঘাতিক! কি দেমাগ! . অবশ্য রেগে থাকার কথাই।আমি মজা করতে করতে কখন যে অধরাকে হার্ট করে ফেলেছি,নিজেই বুঝিনি।গতকাল সকালে বাসায় আমার পুরাতন এক বন্ধু আমার সাথে দেখা করতে এসেছিল। তার বর্তমান অবস্থা, কি করে না করে সব শুনছিলাম।তার বউ সম্পর্কে বলছিল।বেশ সুন্দর, অনেক ভালো,অনেক যত্ন করে থাকে,,কখনো তার উপর রেগে থাকেনা। কথায় কথায় আমিও অধরা সম্পর্কে বলেছিলাম।তবে বানিয়ে বানিয়ে কিছু বলেছিলাম।আমি বলেছিলাম..... -- জানিস নীরব, আমার বউ অনেক কালো, অনেক দেমাগি।আমার সাথে সারাক্ষণ কারণে অকারণে ঝগড়া করে।আমার একটুও যত্ন করেনা।আমাকে ভালোবাসে না।মন পরিষ্কার নয়।কেন যেন এই কালো মেয়েকে বিয়ে করতে গেলাম রে! . এসব বানিয়ে বানিয়ে বলে অধরার দিকে তাকাচ্ছিলাম। অধরা স্বাভাবিকই ছিল।আমার পাশে বসে বসে নীরবের কথা মনযোগ দিয়ে শুনছিল,সেই মনোযোগী ভাবটা রইলো। আমার কথা শুনে সামান্য রিএক্টও করছিলোনা।তাই তখন ভাবছিলাম আমি মজা নিচ্ছি সেটা অধরা বুঝেই নিয়েছে। নীরবকে বিদায় দিয়ে অফিসে চলে আসি।তাই অধরা রিএক্ট করে কিনা দেখার সময় পাইনি।কিন্তু অফিস থেকে ফিরার পর অধরা রাগীভাব দেখিয়েছিল সেটা এখন পর্যন্ত আছে।তখন রাগছিল কেন বুঝতে না পারলেও এখন ভালো করেই মনে পড়ছে এবং বুঝতে পারছি। . -- আমার পাশে শোওয়া যায়না? কথাটা বলে অধরার দিকে আগ্রহ নিয়ে তাকালাম। অধরা কোন পাত্তাই দিচ্ছে না।সোফাতেই বালিশ গুছাচ্ছে।আজও সোফায় ঘুমাবার প্ল্যান করছে।দুইদিনব্যাপী হরতাল দিল,সেটা কতোদিন চলে কে জানে! -- সুন্দর মেয়ের পাশে শোও। কালো মেয়ের পাশে শোওয়া লাগবে না। কিছুক্ষণ পর কথাটা জোরেই বললো।আমি শোয়ে ছিলাম,তাই হয়তো মনে করছে ঘুমিয়ে পড়ছি।আমি সাথে সাথে বললাম... -- কালো মেয়ে বিয়ে করছি।তার সাথেই শোবো। অন্য মেয়ের সাথে শোওয়া অপরাধ তো! -- আবার! আরে আরে! ধ্যাত আবার কালো বলেছি।লাইনে আনার চেষ্টা করছিলাম।বেশ ভালোই হচ্ছিলো।হঠাৎ করেই আবার সব শেষ করে ফেললাম। . অধরা লাইট নিভিয়ে সোফায় শোয়ে পড়লো।আমার ঘুম আসছেই না।কি করে যে এই অভিমানী মেয়ের রাগ ভাঙ্গাই! আমার মনে আছে বাসরঘরে ঢুকে যখন অধরার পাশে বসে অনেকটা মজা করেই বলেছিলাম... -- তুমি তো বিশ্রী! কথাটা বলেই দাঁতে দাঁত চেপে ধরেছিলাম।কি বললাম এই! অধরা ঘুমটাটা সরালো।আমার দিকে একদৃষ্টিতে তাকালো।আমি মাথা নিচু করে ভাবতে লাগলাম, "এই কি বললাম।মেয়েটা রাগী হলে তো এখন আমার একদিন কি মেয়েটির পাঁচ,ছয়,সাতদিন করে ফেলবে।অধরা বললো... -- আয়নায় নিজের চেহারা দেখছিস? আমি বললাম... -- খুব একটা দেখিনা। -- তোর তো নাকটা সজারুর মতো। -- জ্বী। -- জ্বী কি হুম।মানুষের সমালোচনা করার আগে তোর তুই নিজেকে ভাব কতো বিশ্রী। -- মানুষ না তো। বউ তুমি। -- যা শালা।বউ বলবি না।বিশ্রী মেয়েকে বউ বলতে হবেনা তোর। -- আচ্ছা। চলো একসাথে শুয়ে পড়ি। -- খবরদার।তুই বিছানায় ঘুমাবি না।একদম না।বিশ্রী মেয়ের সাথে তোর ঘুমাতে হবেনা। -- কই ঘুমাবো? -- আমি জানি কি!ফ্লোরে শুয়ে পড়।আর আমার সাথে ঘুমাতে হলে আমাকে সুন্দর সুন্দর কথা বলবি।এরকম পঁচা কথা বলবি না। -- এহ শখ কত! কালোকে তো কাল বলবই। --কি বললি?আবার বল! আমি রাগ করেই ফ্লোরে শুয়ে পড়লাম।ভাবতে থাকলাম কেমন মেয়ে কপালে জুটলো।একটুকুও মায়া দয়া নেই! . . পাশে যেন কারো অস্তিত্ব অনুভব করলাম।অধরা আমার পাশে শুয়ে আছে! কখন আসলো!রাতে তো সোফায় শুয়েছিল। সকালের মিষ্টি রোদ যেন অধরার শরীরে পড়ে অধরাকে আরো দীপ্তিময় করে তুলছে।অধরাকে আমি মজা করেই কালো বলি,কিন্তু অধরা কালো নয়।ফর্সা না হলেও উজ্জ্বল শ্যামলা বলা চলে।অধরার চোখদুটি খুব মায়াবী।খুব ইচ্ছে করছে অধরার ঠোঁটে ছুয়ে দিতে।কিন্তু ছোব না।মনে হচ্ছে যেন কি এক নিষ্পাপ দেহ কতো শান্তিতে শুয়ে আছে।এমন নিষ্পাপ দেহকে দূর থেকেই দেখতে বেশি ভালো লাগে। . -- আমি বাবার বাসায় চলে যাব। অফিস যাব না।তাই বসে বসে টিভি দেখছিলাম। অধরা নাস্তা নিয়ে এসে একথা বললো।আমি বললাম... -- কেন? -- বাড়ে, কালো মেয়েকে তোমার পছন্দ হচ্ছে না।সংসার করে কি হবে? -- আমি মজা করে বলছিলাম। অধরা আমার দিকে কেমন যেন অদ্ভুত চোখে তাকালো।তারপর অভিমানী কণ্ঠে বললো... -- মজা মানুষ বার বার করেনা।তুমি সেই বাসর রাতেও বলছিলা।সেই থেকে মাঝেমাঝে বলেই চলছো। কথাটা বলে অধরা মুখ কালো করে সোফায় বসে রইলো। -- আচ্ছা সরি।আর বলবো না।ভুল হয়েছে। -- আমি জানি তুমি আবার বলবে।আচ্ছা শুভ্র সত্যি আমি দেখার অযোগ্য?খুব বিশ্রী? বলো প্লীজ! অধরার কথাটা যেন কেমন লাগলো আমার কাছে।কথাটা শুনে কষ্ট লাগলো।আমি বললাম... -- আমি মজা করে বলি আর তুমি সত্যি ভেবে বসে থাকো।ভালো তো।তা কতোদিনের জন্য আমাকে ছেড়ে যাচ্ছ? -- ওহ।জানিনা।নাও ফিরতে পারি। -- ফিরবেই না? -- নাতো।কেন বিশ্বাস হয়না বুঝি? --না হয়,খুব হয়। -- হুম। --আমি ছাড়া বাবার বাসায় থাকতে পারবে? -- না পারার কিছু নেই। -- এগিয়ে দিতে হবে? -- না।আমিই পারবো। মনটা প্রচণ্ড খারাপ হয়ে গেল।অধরা আমাকে বুঝতেছেই না।বেশি করছে।জানে ভালো করে বিয়ের পর আমি ওকে ছাড়া একদিনও থাকিনি।আর এখন কিনা আর ফিরবে না বলছে! . শুধু শুধু টিভির চ্যানেল চেঞ্জ করছি আর আড়চোখে অধরাকে লক্ষ্য করছি।যাবার কোনো লক্ষণ প্রকাশ পাচ্ছে না।অধরা আসলেই চলে যাবে তো! অধরা পাশে এসে বসলো।আমি মুখ ঘুরিয়ে নিলাম।অধরা বললো.... -- নাস্তা খাবে না? -- না। -- কি করলে খাবে? -- তুমি যদি আমাকে ছেড়ে না যাও। -- আর! -- আমাকে ভুল না বুঝলে। -- আর! -- আমাকে ভালোবাসলে। -- এহ।পারবো না। -- খাব না। অধরা নিজে হাতে নাস্তা নিয়ে আমার মুখের কাছে এনে বললো... -- খাও প্লীজ। আমি মুখে নিলাম।আমি বললাম... -- আর যাবার কথা কখনো বলবে না ঠিক আছে! -- হা হা।আচ্ছা।কিন্তু মাঝে মাঝে তো মা বাবাকে দেখতে যেতে হবে তাইনা। -- আমি সাথে যাব। -- হুম। আমি অধরার হাত ধরে বললাম.. -- টিভি দেখবো।পাশে বসবে। -- আরে রান্না করতে হবে তো।পাগল একটা। -- কালো মেয়ে একটা। আরে!আরে! কি বললাম! মুখ চেপে ধরে মাথা ঝাঁকিয়ে বুঝালাম আমি বলিনি,ভুল হয়েছে।অধরা আমাত হাত থেকে হাত ছাড়িয়ে নিয়ে রান্না ঘরের দিকে যেতে যেতে বললো... -- তোমার সাথে আর কথা নেই।তুমি জীবনেও শুদ্রাবে না। ধ্যাত! কত সুন্দর করে লাইনে এনে ফেলেছিলাম। আবার বোকামি করলাম।নাহ! অধরাকে বুঝাতে হবেই আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি অধরা।কালো বলার মাঝেও ভালোবাসা আছে।রাগ ভাঙ্গাতে হবে আবার।রান্নাঘরে গিয়ে দেখি পারি কিনা!


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১৩২০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ **অভিমানী অধরা **

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now