বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অবহেলা

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Lamiya Akther (০ পয়েন্ট)

X কিরে তুই কাজটা করেছিস,,,,,? . :-আসলে আব্বু,,,,,,,,, . :-তুই কোন অজুহাত না দেখিয়ে এটা বল তুই কাজটা করেছিস কিনা,,,,,? (রাজুকে থামিয়ে,তার বাবা হুংকার ছেড়ে বলল) . :-হুমম,,,,, একথা শুনে রাজুর বাবা রুমের দরজা লাগিয়ে দিলো,,,,,,,,, অতঃপর, রাজুর পিঠের উপর দিয়ে বয়ে গেলো বেত দিয়ে মারের ঝড়। মারের চোটে রাজু ফ্লোরের উপর ঢলে পড়ে গেল। এত মার খেয়েও রাজু চিৎকার কাদতে পারছে না। কেন পারছে না,,,,,? কারণ,রাজু যেন চিৎকার করে কাদতে না পারে,সে জন্য তার মুখ ও হাত বেধে মারা হলো। রাজু এখন ফ্লোরের উপর পড়ে থেকে নিরবে চোখের জল ফেলতে লাগল আর গোঙ্গাতে থাকলো। আর তার বাবা,চেয়ার টেনে নিয়ে বসে সিগারেট ধরালো,,,,,,উনার পাশান হৃদয়ে একটুখানি দয়া ও হলো না রাজুর জন্য,,,,, রাজু কখন যে মারের তীব্র যন্ত্রনায় গোঙ্গাতে গোঙ্গাতে অবচেতন হয়ে হুশ হারিয়ে ফেললো,,,সে টেরই পেল না। যখন রাজু চোখ খুললো, তখন সে দেখলো তার বাবা তার সামনে,চেয়ারে বসে সিগারেট টানছে। আর তার হাত আর মুখ বাধন মুক্ত,আর শরীরে তীব্র যন্ত্রনা,,,, রাজুকে চোখ খুলতে দেখে,,,,,,,,, . :-ছিঃ,,,তুই এই কাজটা করতে পারলি,,,,,দূর হয়ে যায় আমার সামনে থেকে,,,,,,(রাজুর বাবা) রাজু কিছু না বলে,ফ্লোর থেকে উঠে দাড়ালো,,,,, . :-কি,,,?কথা কানে যায় নাই,,,,? এই বলে তিনি রাজুকে হাত ধরে টেনে নিয়ে গিয়ে রুম থেকে বাহির করে দিয়ে দরজা লাগিয়ে দিলো। আর রাজুও কিছু না বলে বারান্দায় থাকা টুলটায় গিয়ে বসে বসে চোখের পানি ফেলতে লাগলো। তাকে কেন এত মার খেতে হলো এবং রুম থেকে বাহির করে দিলো,,,,,,? তাহলে শুনুন, আগামী সপ্তাহ থেকে রাজুর জে.এস.সি(জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট)পরিক্ষা। আর আজকে ছিলো,রাজুর স্কুলের বকেয়া টাকা পরিষদের শেষ তারিখ। রাজু আজ কয়েকদিন ধরে তার মাকে,না না সৎ মাকে তার বকেয়া টাকাগুলো পরিষদের কথা বলে আসছে। কিন্তু উনি এতে কোন মাথা দেয় না এবং রাজুকে টাকা দেওয়ার কথা বলে কোন আশা বা সায় ও দেয় নাই। রাজু ভেবেছিলো,তার সৎ মা তার বাবাকে একথা জানিয়েছে এবং রাজু এটা ভেবে তার বাবাকে আর কিছু বললো না,,,, আর রাজু তার বাবার সামনে দাড়িয়ে কখনো কোন কিছু চায় নি এবং বলেনি। কারণ,রাজুর বাবা বদমেজাজি লোক।উনার সামনে কথা বলতে হলে রাজুকে সাবধানে কথা বলতে হয়।আর রাজু উনাকে খুব ভয় পায়। কারণ জানতে চাইলে বলব, তিনি রাজুকে কারনে অকারনে মারধর করে।আর রাজুকে সব কাজে ও কথায় খবরদারী করে দিয়েছে। না না,রাজুর বাবা এমন ছিলো না। উনাকে এমন করা হয়েছে।আর উনাকে এমন করে তুলেছে রাজুর সৎ মা। যখন রাজুর মা জীবিত ছিলো,,,,,,, হুমম,রাজুর মা মারা গেছে,রাজু যখন ক্লাস ফাইভের ছাত্র ছিল।ধরেন আজ চার বছর হলো।আর হ্যা,উনি দূরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হয়ে পরলোক গমন করেন,,,,,,,,,,, রাজুর মা মারা যাওয়ার পর রাজুর বাবা,রাজু এবং সংসার রক্ষার্থে ২য় বিয়ে করে। বিয়ের ১ম দিকে রাজুর সৎ মা তার সাথে ভালোভাবে চললেও পরবর্তীতে বাহির হয় তার সৎ মায়ের আসল রুপ। উনি কারণে-অকারনে রাজুকে মারধর করতেন।আর রাজু যদিও কখনো প্রতিবাদ করতো,তখন তাকে ঐদিন তার বাবার হাতে মার খেতে হতো। কারণ,তার সৎ মা তার নামে তার বাবার কাছে বিভিন্ন দোষ তুলে ধরে,আর মিথ্যা কথা বানিয়ে বানিয়ে বলে রাজুকে মারধর খাইয়ে নিতো। রাজুকে মারধর করে এবং করিয়ে নিয়ে তার সৎ মা যেন শান্তি পায়। যেমন,কিছুক্ষন আগে রাজুকে যে এমনভাবে মারধর করল তার বাবা,তা যেন রাজুর সৎ মায়ের বুকে বিধলো না এবং রাজুর জন্য একটুও মায়া হলো না উনার,,,,, উনিও তো এখন এক সন্তানের মা,,,, হ্যা,রাজুর একটা সৎ ভাই আছে।তার নাম হলো সিয়াম।বয়স আর কতোই বা হবে,ধরেন দুবছর হবে। আচ্ছা,উনার মানে রাজুর সৎ মায়ের কি করে রাজুর জন্য মায়া হবে,,,,উনিই তো রাজুকে এমন পরিস্থিতির জন্য দায়ী। কেন দায়ী,,,,,,? তাহলে শুনুন, আজ সকালে রাজু স্কুলে যাওয়ার জন্য রেডি হয়ে তার সৎ মায়ের কাছে গিয়ে,,,,,, . :-আম্মু,টাকাটা তো আজকে লাগবে,,,,,(রাজু) . :-কিসের টাকা আর কি জন্য,,,,?(সৎ মা) . :-আম্মু,তোমাকে যে বলেছিলাম আমার স্কুলের বকেয়া টাকা দেওয়ার কথা।আজ তা দেওয়ার শেষ তারিখ,,,,,,, . :-ওহ,,,হো,,,,,,কিন্তু আমি টাকা পাবো কোথায়,,,,?তোর আব্বুর কাছ থেকে নিতে পারিস নি,,,,,, . :-কেন তোমাকে যে বলেছিলাম,আব্বুর কাছ থেকে টাকাটা নিয়ে রাখতে,,,,,,, . :-কি করবো বল,,,?আমার কথাটা খেয়ালই ছিলো না।এখন কি করবি বল,,,,তোর আব্বু তো অফিসে চলে গেছে।আজকের মত সেরে আয়,,,,,, . :-কিন্তু আম্মু,আজকেই তো শেষ তারিখ টাকা জমা দেওয়ার,,,, . :-তো আমি কি করবো,,,,?তুই চাইতে পারিস নি তোর বাবার কাছে,,,সব কাজে আম্মু আর আম্মু।তোর মুখে না,আমার আম্মু ডাক শুনতে মন চায় না,,,,দূর হ আমার সামনে থেকে,,,,(ঝাঝি মেরে রাজুকে কথাটা বলল,তার সৎ মা) এ কথা শোনার পর রাজু আর ওখানে দাড়িয়ে না থেকে,তার রুমে এসে দরজা বন্ধ করে ডুকরে ডুকরে কাদতে লাগলো। হঠাৎ,রাজু কান্না থামিয়ে,তার টাকা জমানোর থলিটা নিয়ে এসে খাটের উপর ঝাড়লো,,,,, আজ একবছর ধরে রাজু একটি থলিতে টাকা জমিয়ে আসছে। এই টাকাগুলো যে রাজুর আজকে এমন দিনে লাগবে,সেটা রাজু কখনো ভাবেও নি। তাই রাজু খুশি মনে টাকাগুলো গুছিয়ে নিলো। তারপর টাকাগুলো হিসেব করে তার মুখটা আবার মলিন হয়ে গেলো। কারন,রাজু টাকাগুলো হিসেব করে দেখে,এই টাকা দিয়ে তার বেতনগুলো পরিশোধ হবে না। তার সম্পুর্ন টাকা পরিশোধ করতে হলে,আরও পাঁচশত টাকার প্রয়োজন। তাই আর কিছু না ভেবে রাজু তার সৎ মায়ের কাছে গিয়ে,,, . :-আম্মু,তোমার কাছে পাঁচশত টাকা হবে,,,,,?(রাজু) . :-আমি টাকা কোথায় পাবো,,,?আমি কি টাকা উপার্জন করি নাকি,,,?(চেচিয়ে কথাগুলো বলল,রাজুর সৎ মা) . :-আসলে আম্মু,আমার জমানো টাকাগুলো দিয়ে আমার সম্পুর্ন বেতন পরিশোধ হবে না,,,,তার জন্য আরো পাঁচশত টাকার প্রয়োজন,,,,,যদি,,,, . :-দেখ,আমি তোকে বলে দিয়েছি,আমার কাছে কোন টাকা-পয়সা নাই,,,,(রাজুকে থামিয়ে দিয়ে কথাটা বলল) এ কথা শোনার পর,রাজুর আর কিছুই বলার ছিল না। তাই সে আবারও তার রুমে চলে আসলো,,এবং ভাবতে লাগলো কি করা যায়,,,,,,,, অন্যদিকে স্কুলের সময়ও হয়ে এসেছে,,,,, রাজু আর কিছু না ভেবে,তার আব্বুর রুমে গিয়ে,আলমারিটা খুললো। আর তারর আব্বু যে ড্রয়ারে টাকা রাখে,সেটা খুলে ওখান থেকে পাচশ টাকা নিলো,তার আম্মুর অজান্তে। রাজু টাকা নিয়ে ভাবলো,তার আব্বু আসলে উনাকে ব্যাপারটা খুলে বলবে। অতঃপর রাজু টাকাগুলো মিল করে নিয়ে,স্কুলে গিয়ে বেতন পরিশোধ করলো,,,,,,, অতঃপর রাজু স্কুল থেকে বাসায় আসলে,,,, . :-কিরে,তুই স্কুলে গেছিলি,,,,?(রাজুর সৎ মা) . :-হুমম,,,,(রাজু) . :-তা,,,বেতন দিয়েছিস,,,? . :-হুমম,,,, . :-কি,,,?তুই কোথায় টাকা পাইছিস,,,,?(অবাক) একথার জবাবে রাজু তার সৎ মা কে ঘটনা খুলে বললে,,,,, . :-শেষ পর্যন্ত তুই এই কাজ করলি,,,,,,, এইবলে রাজুকে মারধর শুরু করলো,তার সৎ মা।আর রাজু নিরবে সহ্য করলো। কারণ,রাজু জানে যে,রাজু যদি এখন প্রতিবাদ করে তাহলে তাকে আরো খারাপ কিছু ভোগ করতে হবে,তার সৎ মায়ের কাছ থেকে। তবে রাজু এটা ভেবে,শান্তি পেলো যে,সে পরিক্ষা দিতে পারবে। যাইহোক,রাজুকে তার সৎ মা মারধর করে চলে গেলেন উনার রুমে।সাথে রাজুকে তার বাবার কাছ থেকে আরো মার খাওয়ানোর কথা বলে থ্রেট দিয়ে বলল রাজুর আজকে খাওয়া বন্ধ যতক্ষন পর্যন্ত তার বাবার কাছ থেকে অনুমতি না নিয়ে আসে। অতঃপর রাত প্রায় আটটার দিকে রাজুর বাবা আসলো। উনি আসার পর ফ্রেশ হয়ে আসলে,তার সৎ মা তারি নামে বিভিন্ন কথা ও আজকের টাকা নেওয়ার কথা বলে দেয় তার বাবাকে। অতঃপর আর কি,,,,,? রাজুর বাবা সোজা রাজুর রুমে গিয়ে দেখে রাজু শুয়ে আছে। আর তাই তিনি আরো রেগে রাজুকে ঘুম থেকে টেনে তুলে,রাজুকে কোন কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে,রাজুর এই দশা করে। এখন রাজু টুলটায় বসে বসে,তার মায়ের কথা ভেবে ভেবে চোখের ফেলতে লাগলো।আজ যদি তার মা জীবিত থাকতো,তাহলে হয়তো রাজুকে আজ এমন পরিস্থিতিতে পড়তে হতো না।এসব কথা ভাবছে রাজু।তখনই,,,, . :-এইই,,,সিয়াম খেয়েছে,,,,?(রাজুর বাবা) . :-না,,,ছেলেটা না খেয়ে খালি পেটে ঘুমিয়ে গেলো,,,(সৎ মা) . :-কিইই,,,,?যাও ওকে নিয়ে আসো,,,,(রাজুর বাবা) . :-তুমি খাওতো,,,,,ও উঠলে আমি ওকে খাইয়ে দিবো নে,,,,,(সৎ মা) . :-আরে এটা বলো,তুমি ওকে আনতে পারবে না।থাক,তুমি আনতে হবে না।আমিই যাচ্ছি,,,,,(রাজুর বাবা) . :-আচ্ছা,তুমি বসো।আমিই আনছি,,,,(সৎ মা) রাজুর কানে তার বাবা ও সৎ মায়ের কথাগুলো ভেসে আসলো। অথচ রাজু যে আজকে সারাদিন হতে এখনো পর্যন্ত না খেয়ে আছে,তার কথা কেউ মুখেই আনলো না। সৎ মা নাই আনলো কিন্ত তার বাবা,,,,? উনিতো একটিবারের জন্যও রাজুর কথা জিগ্গেস করলো না। এসকল কথা ভাবতে ভাবতে চোখের জল ফেলতে লাগলো রাজু,,,, সারাদিন হতে এখনো পর্যন্ত কিছু না খাওয়ার রাজুর শরীর কেমন যেন দুর্বল লাগতেছে তার উপর এত মার খেয়েছে রাজু তাই রাজু টুলের উপর শুয়ে পড়লো। পরদিন সকালে রাজুর বাবা অফিসে যাওয়ার উর্দেশ্য বাহির হলে দেখে রাজু বারান্দার ফ্লোরের উপর শুয়ে আছে। তাই তিনি সোজা রাজুর কাছে গিয়ে দিলো,একটা লাথি রাজুকে। কিন্তু তিনি রাজুর কোন সাড়া পেলো না,তাই আবারও লাথি মারলো। না,এবার তিনি রাজুর কোন সাড়া পেলো না। তাই তিনি রাজুর হাত ধরে টানতেই আৎকে উঠলো। কারণ রাজুর হাত জমে গিয়েছে। তাই তিনি রাজু পার্লস চেক করে চিৎকার দিয়ে উঠলেন,,,,, উনার চিৎকার শুনে রাজুর সৎ মা বাহির হয়ে এলো। উনি বাহির হয়ে এসে দেখে রাজুর বাবা রাজুর হাত ধরেই ফ্লোরে বসে রইছে,আর উনার চোখ দিয়ে পানির ধারা বইতে লাগলো। তাই রাজুর সৎ মা রাজুর কাছে গিয়ে,উনিও আৎকে উঠলেন। উনি কেন আৎকে উঠলেন,,,,,? উনি আৎকে উঠলেন এই কারনে, উনি রাজুর সারা শরীরের দিকে তাকিয়ে দেখে,রাজুর সারা শরীরের মধ্যে বেত দিয়ে মারার গা গুলো রক্তে জমাট বেধে রয়েছে,,,,,, . :-কি হয়েছে?এইরকম চিৎকার দিলে কেন,,,,?(কাঁপা কাঁপা কন্ঠে রাজুর বাবার কাছে জানতে চাইলো,তার সৎ মা) . :-রাজু আর আমাদের মাঝে নেই,,,,,(কাদতে কাদতে কথাটা বললো,তার বাবা) . :-ধপাস,,,,,, (এই কথা শুনে রাজুর সৎ মা ও ফ্লোরে বসে পড়লো,এখন উনার চোখ দিয়েও জলের ধারা বইতে থাকলো) হ্যা,রাজু মারা গিয়েছে।কখন মারা গিয়েছে সেটা আমি জানি না। তবে রাজু মারা যাওয়ার আগে "মা" বলে একটা চিৎকার দিয়েছিলো। কেন দিয়েছিলো,,,,,? তাহলে শুনুন,,,,, রাজু টুলের উপর ঘুমিয়েই ছিলো। মাঝরাতের দিকে রাজুর ঘুম ভেংগে যায়,,,,,,, তার পেটে হঠাৎ করে ব্যথা উঠায়। রাজু উঠে বসতেই তার পেটে ব্যথা আরো বেড়ে যায়। তাই রাজু আবার ও টুলের উপর শুয়ে পড়ে।কিন্তু না,,, ব্যথাটা কমার পরিবর্তে আরো তীব্রতর হয়ে উঠছিলো রাজুর। রাজু শরীরের ব্যথা,এখনও পর্যন্ত কিছু পেটে না পড়ায় রাজুর অবস্থা শোছনিয় হয়। হঠাৎই রাজুর পেট ব্যথায় মোছড় দিয়ে উঠলে রাজু "মা" বলে চিৎকার দিয়ে ফ্লোরে পড়ে যায়,,,,,,, কিন্তু রাজুর এই চিৎকারটা পৌছায় নি রাজুর সৎ মা ও তার বাবার কানে।আর পৌছালেও সাড়া দেয়নি। যদি সাড়া দিত,তাহলে রাজুকে হয়তো বা মরতে হতো না,,,,,, এখন রাজুদের বাসায় লোকজনে ভরপুর। সবাই রাজর লাশ দেখতে এসেছে।রাজুর মা-বাবা অপরদিকে চিৎকার করে কাদছে। উনাদের কান্নাটা কি রাজুকে হারানোর কান্না নাকি অভিনয়,,,?সেটা আমি বলতে পারবো না,,,, তবে একটা কথা সত্য,রাজুকে যারাই দেখতে এসেছে।তাদের চোখ এড়ায়নি রাজুর দেহের এই ক্ষত দাগগুলোর,,,,,,,,। ----------- সমাপ্ত


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অবহেলার শহর
→ অবহেলা থেকে ভালোবাসা (পর্ব ০৩) লেখনীতে - #Sazzad_KR
→ অবহেলা থেকে ভালোবাসা (পর্ব ০২) লেখনীতে - #Sazzad_KR
→ অবহেলা থেকে ভালোবাসা (সূচনা পর্ব)
→ অবহেলা
→ _________অবহেলা ১ম পর্ব_______
→ কবিরা গুনাহ পর্ব ৪ (৪নামাজে অবহেলা করা)
→ দূরবলকে অবহেলা করা ঠিক নয়
→ দূর্বলকে অবহেলা করা ঠিক না
→ অবহেলা
→ #অবহেলার পরিনতি পর্ব: ৫
→ অবহেলা
→ # অবহেলার পরিনতি পর্ব: ৪
→ #অবহেলার পরিনতি পর্ব: ৩
→ অবহেলার পরিনতি পর্ব: ২

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now