বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

নিরব ভালোবাসা--০৯

"ফ্যান্টাসি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়াদুল ইসলাম রূপচাঁন (০ পয়েন্ট)

X একটু পরে অবনি কে বাসায় নিয়ে যাওয়া হবে। সব নিয়ম কানুন শেষ করে সবাই মিলে অবনি কে বাসায় নিয়ে গেলো এখনো শরীল অনেক দুর্বল। বাসার সামনে এসে অবনিক নামালো অবনি হেটে যেতে পারছে না তাই দেখে নিলয় অবনিকে কোলে তুলে নিলো।অবনি ভিশন লজ্জা পেলো কারন ওখানে সবাই ছিলো।অবনি ছারের কানে আাস্তে করে বললো। অবনিঃকি হচ্ছে ছার এই সব আপনার কি মাথা খারাপ হয়ে গেছে।সবাই হাসছে। নিলয়ঃআমার কিছু যায় আসে না।আমার অবনির কস্ট হইতাছে আর আমি চেয়ে চেয়ে দেখবো? আর কোন কথা বললো না সোজা অবনির রুমে। অবনির মা অবনিকে ফ্রেস করে খাবার খাওয়ায় শুইয়ে দিলো। অবনি ঘুমায় গেলো। নিলয় ও ফ্রেস হয়ে খাবার খেলো। নিলয় একদম চুপ হয়ে আছে। বাবাঃনিলয় তুমি যাও একটু বিশ্রাম নাও। ( নিলয় আরিয়ানের রুমে চলে গেলো।) নিলয় আর অবনি এখন ঘুম আসছে মনে হয় যেনো কত বছর ঘুমায় না। বিকালে আত্তিয় সজনরা আসলো অবনিকে দেখতে। নিলয়ের চাচা চাচি নিশুও আসলো ডাকা থেকে। সবাই তাদের নিয়ে ব্যাস্ত নিশু অবনির পাশে। নিলয় এখনো রুম থেকে বের হয়নি কেউ ওকে ডাকে নি ঘুম আসছে বলে। এভাবে অনেক সময় চলে গেলো। সব মেহমানও চলে গেলো। নানু আর নিলয়ের চাচা চাচিরা থাকলো। এত সময় হয়ে গেলো নিলয় একবারো অবনিকে দেখতে আসলো না।অবনি তাই নিলয়ের রুমে গেলো গিয়ে দেখে নিলয় কপালে হাত দিয়ে শুয়ে আছে। কাছে গিয়ে অবনি নিলয়ের হাত সরালো। তখনি নিলয়ঃআরে অবনি তুমি উঠে এসেছো কেনো? ( একটু মন খারাপ করে) অবনিঃএত কি ভাবছেন? (নিলয়ের পাশে বসে) নিলয়ঃঅবনি তুমি ভাবছো আজ অনেক কিছু হতে পারতো।তোমার কিছু হলে.............. ( অবনি নিলয়ের মুখ ধরে রাখলো) অবনিঃআমার ভাগ্যে যা লিখছে আল্লাহ তাই হত।এসব ভেবে আর কোন কাজ নেই। উঠেন চাচা চাচি আসছে আর সবার সাথে কথা বলেন। নিলয়ঃঅবনি.................?????.( আদূরে গলায়) অবনিঃ জি বলেন.......... নিলয়ঃনা কিছু না........... চল। সবাই বসে কথা বলছে। নানুঃনিলয় এমন কি হয়েছিলো যে সব এমন উলট পালট হয়ে গেলো। এই কথা শুনে নিশু নিলয়ের পিছনে এসে নিলয়ের গলাটা জরিয়ে ধরলো আর বললো। নিশুঃভাইয়া তারাইতো আমাদের আপন। তুমি সব খুলে বলো। চাচাঃহ্যা নিলয় সব বল। সবাই সোনার জন্য অপেক্ষা করছে। নিলয়ঃআমি ভার্সিটিতে যাওয়ার পর প্রথম প্রথম দিন গুলি খুব ভালোই কাটলো। সবাই জানে আমি বিবাহিত।শুধু প্রিন্সিপাল সার বাদে। কিছুদিন পরেই দিয়া নামের একটা মেয়ে আমাকে বিরক্ত করা শুরু করলো।বড়লোক বাপের বিগরে যাওয়া অসভ্য মেয়ে। প্রতি দিন কোন না কোন নাটক করতো।অনেক বুঝাইছি আমার কোন কথাই সে শুনতে রাজি না তার শুধু একটাই কথা আমি তোমাকে চাই যে কোন কিছুর বিনিময় হলেও আমি তোমাকে চাই। আমিও আমার নিজের সাধ্য মত ওকে বুঝাই যে আমি বিবাহিত আমার বউ আছে।দিয়া আমার বউকে দেখতে চায় তখন আমি বললাম সে গ্রামে থাকে।তাও সে মানছে না।তখন পুরা বেপারটা প্রিন্সিপাল সারকে বললাম সে আমার সব কথা শুনে বললো দেখি কি করা যায়। ভাবলাম এবার একটা সমাধান হবে।কিন্তু হল তার উল্টা।সার আমাকে বলছে, দেখ নিলয় মেয়েটা অনেক পাগল তোমার জন্য তুমি ওর কথা শুনো না হলে ও অনেক অগটন ঘটিয়ে দিতে পারে।আমার মাথায় আকাশ ভেংগে পরলো সার এসব কি বলছে। সার আমাকে বললো দিয়া নাকি মানোষিক রুগি।ওকে এক সপ্তাহ পর এসাইলামে পাঠানো হবে।এই এক সপ্তাহ দিয়াকে সময় দেওয়ার জন্য।সার অনেক অনুরোধ করলেন। তাতেও আমি রাজি হলাম না আর রাগ হয়ে বললাম এক সপ্তাহ না আপনি ওকে এখনি এসাইলামে পাঠানোর ব্যাবস্তা করুন।রাগ হয়ে বাসায় চলে আসলাম। এদিকে দিন শেষ হয়ে গেলো নিশু তখনো বাসায় আসেনি।ওর মোবাইলে ফোন দিলাম মোবাইল সুইচ ওফ।টেনশনে বের হয়ে গেলাম ওর কোচিং স্কুল সব জাগায় খোজলাম কোথাও পেলাম না। হটাৎ অচেনা নাম্বার থেকে ফোন।ফোনটা করলো দিয়া,নিশু দিয়ার কাছে আছে।আমি ভয় পেয়ে গেলাম কারন দিয়া একটা পাগল মেয়ে নিশুকে কি করে কে জানে। দিয়া আমাকে একটা বাসার ঠিকানা দিলো ওখানে যাওয়া জন্য। আমি আর কিছু না ভেবে চলে গেলাম সেখানে। অনেক বড় বারি শুধু একটা দারোয়ানকে দেখলাম।ভিতরে গেলাম গিয়ে দেখি নিশু সোফায় বসা। দিয়া আর আমার মাঝে অনেক কথা হলো ওকে অনেক ভাবে বুঝালাম হাত জোর করে বুঝালাম। না কোন কাজ হলো না। এত সময় কোন লোক ছিলো না বাসায় কিন্তু এখন ২ টা মহিলা এসে নিশুকে আমার সামনে থেকে নিয়ে গেলো।আমি কি করবো কিছুই বুঝার আগে আমার মুখে স্প্রে মারা হলো।নিমিষেই আমিজ্ঞান হারিয়ে ফেললাম। যখন জ্ঞান ফিরলো তখন দেখি আমি একটা রুমে।সাথে আমার মোবাইলটা নেই।দৌড়ে বাইরে আসলাম এসে দেখি নিশু আর দিয়া সোফায় বসে আছে। আমি দিয়াকে মানতে পারছি না।দিয়া বললো আমি সবার সাথে বাজি ধরেছিলাম তোমাকে আমার পিছনে ঘুরাবো, এখন আমি তোমাকে বিয়ে করবো এটা আমার নিজের সাথে বাজি।তুমি যতদিন রাজি না হবে তোমরা এখান থেকে যেতে পারবে না আর কেউ জানতেও পারবে তোমরা কোথায় আছো। দিয়া আমার মোবাইল নিয়া কি করে কিছু জানিনা। আমরা যেখানে আছি সেখানে কোন ঘরি নাই মোবাইল ও নাই।কখন দিন আর কখন রাত সব গুলিয়ে গেছে। এইভাবে কত রাত দিন চলে গেলো জানিনা।আমি নিজেই যেনো শেষ হয়ে যেতে লাগলাম। এদিকে চাচা চাচিও পাগল হতে লাগলো কারন তারাও জানেনা আমরা কোথায়।চাচা অনেকবার ভার্সিটীতে গেছে তাও কোন খবর পায় নি। তারপর একদিন ভাবছি কত বছর হয়ে গেলো কে জানে আমার অবনি কেমন আছে কি করছে। আমি কি করবো? তখন দিয়া আমার মোবাইলটা নিয়ে আমার কাছে আসলো।আর বললো।সার আমাকে মাফ করে দিন আপনাকে অনেক ভালোবেসে ফেলেছি তাই এই পাগলমি গুলি করছি।বুঝতে পারছি আপনার মন আপনার ভালোবাসা আমি কোন দিন পাবো না আর অবনির ভালোবাসার কাছে আমার ভালো বাসা অনেক তুচ্ছ। আপনি যলদি যান আপনার অবনির অনেক বিপদ।আমি মোবাইলে অবনির মেছেজটা পরে যেন পাগল হতে লাগলাম আর দিয়াকে একটা থাপ্পর দিলাম আর বললাম তুমি কতমাস ধরে আমাকে আটকে রাখছো তখন ও বললো আজ ১মাস।আপনি আর দেরি করবেন না তারাতারি জান।ঘড়িতে দেখলাম রাত ৩ টা বাজে নিশু আর আমি বেরিয়ে গেলাম।দিয়া বললো সার আমার গাড়ি আপনাকে নিয়া যাবে অনেক পাপ করেছি একটু উপকার করার সুযোগ দিন।অন্য সময় হলে নিতাম না এত রাতে আমি গাড়ি কোথায় পাবো তাই সেই গাড়িতেই চলে গেলাম বাসায় নিশুকে রেখে আসলাম আর আমি গ্রামে আসতে লাগলাম।তারপর যা হলো সবিতো আপনারা জানেন। তখন অবনির বাবা বললেন। বাবাঃতোমার প্রিন্সিপাল সার আমাকে বলছে তুমি নাকি নতুন বিয়ে করেছো তাই ছুটিতে আছো। নিলয়ঃকারন দিয়া ঐ সারের মেয়ে। তারপর নিশুর মুখে নিলয়ের কস্টের কথাগুলি সবাই শুনছে।আর এদিকে নিলয় তার রুমে চলে গেলো।এটা দেখে অবনিও নিলয়ের পিছনে পিছনে গেলো রুমে। নিলয় বেলকুনিতে দারিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে তখন অবনি গিয়ে নিলয়কে পিছন থেকে জরিয়ে ধরলো। নিলয় অবনিকে আস্তে করে সামনে নিয়ে আসলো আর শক্ত করে ধরে রাখলো ২জনি চুপ কেউ কথা বলছে না শুধু জরিয়ে ধরে আছে।অনেকটা সময় তারা এভাবে কাটালো। নিলয়ঃতোমার রেজাল্ট এর কি খবর? অবনিঃA+........... এদিকে সবাই বসে ওদের বিয়ের দিন ঠিক করলো আর ২ দিন পর অবনির বিয়ে।নিলয় সহ তার চাচা চাচি আজ ডাকা চলে যাবে। একটু পরেই চলে যাবে ওরা নিলয় অবনির কাছে নিলয়ঃআর মাএ ২ দিন তার পর তুমি শুধু আমার। অবনি আর কিছু বললো না নিলয়রা চলে গেলো। সবাই অনেক বিজি হয়ে গেলো।নিলয়রাও বিজি শপিং নিয়ে। সবকিছু খুব ভালোভাবে হয়ে গেলো। অবনি নিলয় এখন গাড়িতে তারা ডাকা চলে যাচ্ছে। অবনি ঘুমিয়ে গেলো নিলয়ের কাধে মাথা দিয়ে। বাসায় আসলো রাত ১ টা বাজে। নিলয়ঃযাও ফ্রেস হয়ে শুয়ে পরো............ তখনি কোথা থেকে নিশু এসে অবনিকে ছো মেরে নিয়ে গেলো।নিলয় ভাবলো হয়তো একটু পরে অবনি রুমে চলে আসবে। না তার কোন খবর নাই নিলয় বসে আছে অবনি কখন তার কাছে আসবে। নিশুঃভাইয়া আজ ভাবি আমার সাথে থাকবে তুমি আর অপেক্ষা করোনা।............( নিলয় কিছু বলার আগেই নিশু দৌড়) নিলয় ভাবছে এট কি হলো। আমি কিভাবে ঘুম আসবো এখন।এ সব ভেবে আর ঘুম আসতে পারলো না। খুব ভোরে উঠে গেলো নিলয়। ভাবলো হয়তো সকালে অবনির চাঁদমুখটা দেখবে। না তাও কপালে হলো না। দেখলো নিশুর দরজায় বর একটা তালা ঝুলছে।নিলয় কিছুই বুঝতে পারলো না। চাচিকে ডাকলো। নিলয়ঃচাচি ও চাচি অবনি কই? চাচিঃআমি কিছু জানি না নিশু আর আরিয়ান ঘরে তালা লাগিয়ে কি কাজে যেনো বাইরে গেছে।চাবি আমাকে দিয়ে যায়নি। কি আর করবে নিলয়। ছোট ভাইকে নিয়ে অনেক সময় খেলা করে ভার্সিটি চলে গেলো। নিলয় চলে যাওয়ার পর চাচি দরজা খুলে দিল।অবনি বাবুটাকে নিয়ে খেলা করছে আর চাচির সাথে গল্প করছে।চাচির সাথে রান্নায় সাহাজ্য করছে। এর মধ্যে আরিয়ান আর নিশু চলে আসলো। ওরা সবাই অনেক মজা করলো। নিশু আর আরিয়ান নিলয়ের রুম সাজাতে ব্যস্ত হয়ে গেলো। বিকালে অবনি ঘুমিয়ে আছে। নিলয় বাসায় আসলো সন্ধায়।এসে দেখে এখোনো তালা।এখন নিলয় তার রুমেও ডুকতে পারছে না।নিশু নিলয়ের দরকারি জিনিশ বাইরে রেখে দিল।নিলয় চাচির কাছে। নিলয়ঃচাচি নিশু কি শাস্তি দিতাছে? চাচিঃআমি কি জানি তারা ২ বেয়াই বিয়ানে কি করে। নিলয় বসে ছোট ভাইকে নিয়ে টিভি দেখছে।অনেক সময় পরে ওরা দুজন বের হলো। একটা পেলেটে খাবার নিয়ে নিশুর রুমে চলে গেলো অবনিকে খাবার খাওয়াতে। সবাই রাতের খাবার খেয়ে নিলো।নিশু অবনিকে নিলয়ের রুমে রেখে আবার দরজা লাগিয়ে দিলো।নিলয়কে রুমে ডুকতে দিল কিন্তু তা আবার অনেক টাকার বিনিময়ে। ঘরটা খুব সুন্দর করে সাজিয়েছে। আজ সেই রাত যেই রাত নিয়ে মানুষের হাজার সপ্ন। অবনি খাটের উপর বসে আছে। নিলয়কে আসতে দেখে নিচে নেমে সালাম করলো।নিলয় বাধা দিলো না। নিলয়ঃদেখি আমার আদূরিনীকে.............. অবনি কে খুব সুন্দর করে সাজিয়ে দিয়েছে নিশু।নিলয় সুধু চেয়ে আছে। অবনিঃ কি দেখছেন অমন করে। নিলয়ঃদেখি তোমার পা দেও ( নিলয় অবনির ২ পায়ে নুপুর পরিয়ে দিল।) আমার টিয়া পাখিটা সারা দিন এইনুপুর পরে হাটবে আর আমি বুঝতে পারবো তুমি আমার কাছেই আছো। অবনিঃসার আমি একটা জিনিস চাইবো........... দিবেন।???? নিলয়ঃতুমি কি আমার জানটা চাইবা???????? অবনিকে কুলে তুলতে তুলতে বললেন।কি চাও বল। অবনিঃআমি আর পড়া লেখা করবো না। নিলয়ঃএট কি বলছো? মানুষ পড়া লেখা করতে চায় আর তুমি চাওনা। অবনিঃআমি সারাদিন আপনার আসার পথ চেয়ে থাকবো যখন আসবেন আমি সব ক্লান্তিমুছে দিবো আমার আচল দিয়ে। আমি কিছু জানি না আমি আর পড়াশুনা করবো না। নিলয়ঃওরে আমার ফাকিবাজ বউ।দিতে পারি এক শর্তে............ অবনিঃআপনার সব শর্তে রাজি। নিলয়ঃতা হলে এখন থেকে আমাকে তুমি আর আপনি করে বলতে পারবে না সার সার ও বলতে পারবা না। যদিও সার কথাটা তোমার মোখে শুনতে ভালো লাগে।মাঝে মাঝে বলবা।রাজি????? অবনিঃহুম রাজি.............( লজ্জা পেয়ে) নিলয়ঃবলো......... ( অবনি বসে আছে আর নিলয় কোলে শুয়ে আছে) অবনিঃকি বলবো?????? নিলয়ঃবলো,......... নিলয় আমি তোমাকে ভালো বাসি। অবনিঃপরে বলবো.............( অনেক লজ্জা পেলো) ছোট ছোট আদর দিয়ে শুরু হলো তাদের নতুন জীবন।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ নিরব ভালোবাসা--০৯

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now