বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

নিরব ভালোবাসা---০৬

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়াদুল ইসলাম রূপচাঁন (০ পয়েন্ট)

X অবনি এবারো smsএর রিপ্লে দিতে পারলো না।বিকালে অবনি নিলয়কে মেছেজ দিল। অবনিঃকেমন আছেন ছার? বাসায় কখন গেছেন? আপনি কি করেন? কোনো উওর আসলো না রাত হয়ে গেলো। অবনির খুব রাগ হচ্ছে ছারের উপর। তাই আর দেরি না করে কল দিলো রিং হচ্ছে কিন্তু ফোন ধরছে না ৩ বারের সময় ফোন ধরে হ্যালো বললো কিন্তু। অবনিঃহ্যালো...........? কে বলছেন????( একটা মেয়ের গলা। নিশুঃহ্যালো...... আমি নিশু কেমন আছো আদরিনী??? অবনিঃহুম। ভালো তুমি কেমন আছো??????( তখনি ফোন কেরে নিলো) নিলয়ঃঅবনি কেমন আছো? আমি ভালো আছি। ডাকা এসে খুব টায়ার্ড হয়ে গেছি তাই ফ্রেস হয়ে ঘুমিয়ে গেছিলাম আর এখন ওয়াশরুমে ছিলাম।কেমন আছো তুমি???( সব একদমে বলে দিলো।) অবনিঃ আমি ভালো আছি! ছার আপনি নিশুর কাছ থেকে ফোন নিলেন কেন???? নিলয়ঃঅনেক ফাজিলতো তাই! নিশু এবার নাইনে পরে।নিলয়ের বাবা মা এক সাথে চাকরি করতো একদিন রোড দুর্গটনায় ২ জনি মারা যায়। তখন নিলয় ইন্টারে পরে আর নিশু অনেক ছোট। চাচা চাচির কোন সন্তান ছিলো না তাই নিশুকে অনেক ভালোবাসা দিয়ে বড় করেছে।এখন চাচার একটা ৩ বছরের ছেলে আছে।নিলয় এখন চাচার বাসায় উঠেছে। অনেক সময় অবনি আর নিলয় কথা বললো। কাল নিলয় এর চাকরি জয়ন। সকাল ৯ টা বাজে নিলয় রেডি হচ্ছে।তখনি অবনির ফোন। নিলয়ঃকেমন আছে আমার পাগলিটা? অবনিঃ ভালো নাই........ নিলয়ঃকেনো কেনো আমার পাগলিটাকি কাউকে খুব মিস করছে.....???( আদূরে গলায়) অবনিঃহুম................ নিলয়ঃসত্যি,,,,,,,,? অবনিঃভার্সিটিতে যাবেন না????? নিলয়ঃ হ্যা রেডি হইতাছি। অবনিঃকি পরছেন?????? নিলয়ঃআমার পেত্নি আমাকে একটা বেগুনি কালার শার্ট দিছে আর ছোট কাগজে লিখে দিছে প্রথম দিন যেন এটা পরে যাই।তাই ভয় পেয়ে এটাই পরেছি না পরলে যদি ঘাড় মটকায় দেয়।..... অবনিঃআমি পেত্নি.............( রাগ করার ওভিনয়) নিলয়ঃহ্যা....... তুমি শুধু আমার পেত্নি। অবনিঃহইছে ...... ভার্সিটিতে কোনো মেয়ের দিকে তাকালে সত্যি সত্যি পেত্নি হয়ে আপনার চোখ তুলে নিবো। নিলয়ঃ আমিতো টিচার না তাকালে পরাবো কি ভাবে।( দুস্টামি করে।) অবনিঃঠিক আছে যা খুশি তাই করেন।। নিলয়ঃওরে আমার পাগলিরে হাজার মেয়ের ভিরেও আমি তোমাকেই খুজে নিবো।তুমি কোনো ভয় পেও না। এভাবেই চলতে থাকে তাদের ভালোবাসা। আর২৫ দিন বাকি রেজাল্ট দেওয়ার।অবনিও অনেক রান্না শিখে গেছে। আজ রান্না করতে গিয়ে অবনি হাত পুরে ফেলেছে।অনেকটা পুরে গেছে আর অনেক কেঁদেছে। নিজের হাতে খেতে পারেনা। এ কথা শুনে নিলয় পাগলের মত হয়ে গেলো। নিলয়ঃআমি এক্ষনি আসছি অবনি তুমি কেঁদনা।তোমাকে আর আমার জন্য রান্না শিখতে হবে না।সব দোষ আমার আমিই তোমাকে রান্না করা শিখতে বলছি। তোমাকে আমার খুব দেখতে ইচ্ছা করছে আমি এক্ষনি আসবো। অবনিঃস্যার আপনি এমন করবেন না আমি এখন ভালো আছি।আপনার এখন আসতে হবে না।আমার রেজাল্ট এর দিনি আসবেন। আর বাবাকে সব বলবেন। নিলয়ঃআমি তোমার কোন কথা শুনতে চাইনা তুমি এখন ঘুমাও। কাল ১০ টা বাজে কলেজে আসবা আমি ১ ঘন্টার জন্য আসবো।আমি আর কিছু শুনতে চাইনা। এই বলে স্যার ফোন কেটে দিলো।এখন রাত ১০ টা বাজে।অবনি ভাবছে কেনো যে স্যারকে বললাম।অবনি সারা রাত ঘুমাতে পারেনি। ঐ দিকে নিলয় ও সারা রাত ঘুমাতে পারেনা কখন সকাল হবে।খুব ভোরে নিলয় চলে গেলো বাসা থেকে। কাউকে কিছু বললো না। ডাকা থেকে অবনির গ্রামে যেতে গাড়িতে ৫ ঘন্টা লাগে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ নিরব ভালোবাসা---০৬

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now