বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আজ অবনির কলেজে নবিন বরন। অবনি ইন্টার 2nd ইয়ারের ছাএী।অবনির গায়ের রং উজ্জল শ্যামলা।চুল গুলি অনেক বড়।
চেহারা মায়া মায়া,চোখ গুলি টানা টানা।
এক ভাই এক বোন।
অবনি আজ নীল শাড়ি পরেছে,হাতে নীল চুরি।
অবনি কলেজে সব সময় বোরকা পরে যায় কিন্তু আজ কলেজ থেকে বলা হইছে 2nd ইয়ারের মেয়েদের শাড়ি পরতে আর ছেলেদের পাঞ্জাবি।
যেমন বলা তেমন কাজ।
আরিয়ানঃআপু আজ হেটে জেও না তা হলে অনেক মানুস চেয়ে থাকবে।আর সাবধানে যেও।
(এটা অবনির ছোট ভাই এবার ইন্টার 1st ইয়ারে পরে।)
যথা সময়ে কলেজে পৌছে গেলো সবাই।
ও সরি বলে রাখি এটা একটা গ্রামের গল্প।কলেজ টাও গ্রামে।
"অবনি আর ওর বন্ধুরা আড্ডা দিচ্ছে এমন সময় হিসাব বিজ্ঞান স্যার এর গলা।
সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলল।
তোমাদের আজ অনেক সুন্দর লাগছে,মনে হচ্ছে ভুল করে কয়েকটা পরী আজ এই কলেজের মাঠে নেমে এসেছে।
সবাই হেসে দিল এবং স্যারকে ধন্যবাদ দিল।
আগে স্যার এর পরিচয় টা দেই তারপর মুল গল্পে আসি।
স্যার এর নাম নিলয় মাহমুদ।
এখন ও পড়া লেখা শেষ হয় নি,অনেক মেধাবি তাই চাকরি পেয়েছে কারো সাহায্য নিয়ে।
বেশি লম্বা না আবার খাটো ও না।গায়ের রং ফর্সা ঠোট গুলি অনেক গোলাপি।চুল গুলি ইকটু বর মাঝে একটা সিথি পরে থাকে ক্লাসে যখন থাকে সারাখন চুল গুলী উড়তে থাকে।
এক কালারের শার্ট পরে,বাম হাতে কালো ব্যল্ট এর ঘড়ি।
ঠোটের কোনে সব সময় হাসি লেগেই থাকে।তাই স্যারকে সবাই পছন্দ করে।আর কলেজের মেয়েরে প্রথম দেখায় ক্রাস খায়।বুঝতে পারেনা এটা স্যার নাকি ছাএ।
""""""আজ সারাক্ষণ স্যার শধু অবনির দিকে তাকিয়ে থাকলো, তবে এটাই প্রথম না।আজ একটু বেসি।
নবিন বরন শেষে অবনির খুব ক্লান্ত লাগছে তাই ফ্রেশ হয়ে ঘুমিয়ে পরে।
ঘুম ভাংছে মায়ের ডাকে তখন রাত ১০টা।
রাতের খাবার খেয়ে আবার ঘুমিয়ে পরলো।
সকালে যখন ঘুম ভাংলো মাথায় বাশ পরলো।কারন আজ হিসাব বিজ্ঞান পরীক্ষা প্রাইভেট এ।
টেস্ট পরীক্ষা খুব কাছে।
নাস্তা করে বোরকা পরে কলেজে চলে গেলো।
নিত্য দিনের মতই নিলয় স্যার ক্লাসে এসে অবনি কে দার করিয়ে রাখল কারন অবনি ক্লাসে বই নিয়ে আসে না।কি করে আনবে ক্লাসে যত গুলি ছেলে মেয়ে আছে অবনির বাড়ি সবার থেকে দূরে।
অবনি কে প্রতিদিন হেটে আসতে হয়।তাই ২টা বই আর খাতা নিয়ে আসে।আর এই সুজগটাই নিলয় স্যার কাজে লাগায় কয়েক মাস ধরে।
ক্লাস শেষ করে প্রাইভেট শেষ করে বাসায় যায়।
ক্লাস শেষ করে এখন প্রাইভেট এ
নিলয়ঃপরিক্ষার প্রিপারেশন কেমন??
অবনি ঃ স্যার আমি আজ পরীক্ষা দিতে পারবো না,কাল হাতে অনেক ব্যাথা পেয়েছি। (মিথ্যা কথা না বললে অনেক বকা খেতে হবে)
নিলয়ঃ কি বলছ কি ভাবে ব্যাথা পেয়েছ হাত দেখাও। (অবনি র হাত টান দিয়ে কাছে টেনে নিলো।)
অবনি ঃউহ........স্যার ব্যাথা। ( এটাও মিথ্যা... স্যার জানে অবনি মিথ্যে বলছে না কারন অবনি খুব শান্ত একটা মেয়ে গুনে গুনে কথা বলে।এজন্য স্যার ওকে এতো পছন্দ করে।)
নিলয়ঃ কি ভাবে ব্যাথা পাইছো বল্লা না?...........কথা বলছো না কেন?(ধমক দিয়ে।)
অবনিঃদরজার সাথে চাপা খাইছি। (ডাহা মিথ্যা কথা।)
নিলয়ঃদেখে চলতে পারো না।ঔষধ খাইছ?
অবনিঃহুম..........
নিলয়ঃok. চলে যাও বেথা কমলে পরীক্ষা দিও।
অবনিঃঠিক আছে স্যার আসি।(খুসিতে নাচতে ইচ্ছা করছে।)
স্যার অবনির চলে যাওয়া দেখছে আর কি যানি ভেবে সবাই কে ছুটি দিয়ে দিলো।
অবনি রাতে শুয়ে শুয়ে নিজেকে খুব অপরাধী ভাবছে।
কারন অবনি মিথ্যে বলার মত মেয়ে না।
মায়ের ডাকে ভাবনা শেষ হল।
অবনিঃকি হয়েছে মা ডাকছিলা কেন?
(অবনির মা তার ছোট ভাই আরিয়ান এর রুমে।)
মাঃদেখত আরিয়ান কেমন করছে। তোর বাবা কে ফোন দে।
(আরিয়ান এর অনেক জর আসছে)
অবনি আর তার মা মাথায় পানি ডালছে। কিছুসময় পর অর বাবা চলে আসছে।
বাবাঃকি হয়েছে দেখি।অনেক জর এখনি ডাঃ এর কাছে নিতে হবে।
অবনির বাবা আজিজুল চৌধরী সরকারি ব্যাংকের ম্যানেজার। খুব ভালো মানুষ সবাই তাকে সম্মান করে।
মা বাবা আরিয়ান কে নিয়ে ডাঃ এর কাছে চলে গেলো।
বাসায় শুধু অবনি আর কাজের মেয়ে।
অনেক পরে বাবার ফোন।
বাবাঃঅবনি ডাঃ বলছে আরিয়ানকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে।
তোমার মা আমরা কেউ আসতে পারবো না।তোমরা ভয় পেও না।
অবনিঃঠিক আছে বাবা তোমরা আরিয়ানকে শুস্ত কর।
(অবনি কাঁদছে আদরের ছোট ভাই।)
রাতে কাঁদতে কাঁদতে ঘুমিয়ে গেলো। সকালে উঠতে দেরি হয়ে গেছে তাই না খেয়ে কলেজে চলে গেলো।
ক্লাসে মন মরা হয়ে বসে আছে।তখনি কলেজের পিওন এর ডাক।
পিওনঃঅবনি নিলয় স্যার তোমাকে ডাকছে।
অবনিঃআসছি.............(অবনি পিওন এর পিছু পিছু)
পিওনঃ স্যার তোমাকে তার রুমে ডাকছে।
*কলেজের ভবনের পাশে আর একটা ভবন।টিচার রা সব ওখানে থাকে।কারন এটা গ্রাম ভারা থাকার সুজগ নাই।তাই কলেজের পক্ষ থেকে অই ভবনটি টিচার দের জন্য।*
অবনি স্যার এর রুমের সামনে।
পিওন ঃতুমি জাও আমি বাইরে আছি।
অবনিঃস্যার আসব??.......(অবনি স্যার কে দেখে অবাক হল কারন স্যার রান্নাঘর এ রান্না করছে। স্যার কে কখনওই বই আর খাতা ছাড়া দেখে নি।)
নিলয়ঃআরে অবনি আসো আসো,,,,,,,,,,,,,,,,,( চেয়ার আগিয়ে দিলো।)
অবনিঃস্যার আমাকে ডেকেছেন?
নিলয়ঃএই নাও বাবার সাথে কথা বল।,,,,,,,,(স্যারর এর মোবাইল টা এগিয়ে দিল।)
অবনির কথা বলা শেষ এখন মনটা ভালো কারন অবনির ভাই এখন শুস্ত বিকালে বাসায় নিয়া আসবে।
অবনিঃস্যার মোবাইল নেন কথা হয়েছে ভাই ভালো আছে।.......
অবনির মোবাইল ভুলে রেখে আসছিলো তাই স্যার এর মোবাইল এ ফোন দিয়েছে।অবনির বাবা এই কলেজের একজন সভাপতি। তাই অবনির প্রতি সবার সম্মান। আর নিলয় স্যার এর ইক্টু বেসি।
নিলয়ঃআজ নাস্তা করে আসনি কেন।?
অবনিঃ দেরি হয়েগেছিল তাই।
নিলয়ঃতুমি বসে থাকো আমি আসছি................. ( স্যার রান্নাঘর থেকে ২প্লেটে নাস্তা নিয়া আসলো)
অবনি তোমার বাবা বলল তুমি না খেয়ে আসছ তাই আমি তোমার জন্য নিজে হাতে নাস্তা বানিয়েছি খেয়ে বলবা কেমন হইছে।
অবনি অবাক হয়ে গেলো যেই স্যার এর জন্য সবাই পাগল সেই স্যার অর জন্য নাস্তা বানিয়েছে।
অবনিঃস্যার অনেক মজা হইছে আপনি এত মজা করে রান্না করেন জানতাম না...............(নিলয় মুচকি হাসি দিচ্ছে।)
নিলয়ঃতুমি প্রতিদিন আমার হাতে নাস্তা খাবে?তা হলে প্রতিদিন বানাবো।
অবনি নিলয়ের কথা কিছু বুঝতে পারলো না শুধু লজ্জা পেলো।
অবনিঃস্যার আমি আসি.........
২ দিন পর।আজ অবনির মনটা খুব ভালো। ক্লাসে বসে বাইরে তাকিয়ে আছে আর আনমনা হয়ে নিলয় স্যার সেই দিনের কথা গুলি ভাবছে।কখন যে নিলয় স্যার ক্লাসে আসছে সেই দিকে ওর খবর নাই।
এমন সময় অবনি দেখল একটা মেয়ে মাঠে দারিয়ে সেল্ফি তুলছে আর পিছনে একটা গর্ত।গর্তে পানি জমে আছে। মেয়েটি সেলফি তুলতে তুলতে গর্তে পরে গেলো আর অবনি অনেক জোরে হেসে দিলো। নিলয় স্যার
সহ সবাই অবনির দিকে তাকাল।আর নিলয় স্যারতো রেগে আগুন।
নিলয়ঃকি বেপার অবনি মন কোথায় থাকে?
পরীক্ষার সময় গোল আলু আর ক্লাসে আসলে অমনোযী। এখানে কি বেড়াইতে আসছো নাকি পরালেখা করতে?একদিনওতো বই নিয়া আসোনা।পড়ালেখা করলে ভালোভাবে করো তা না হলে বাবাকে বলো পড়া লেখা ভালো লাগেনা।(স্যার অনেক রেগে কথা গুলি বললো আর অবনিতো কেদেঁই যাচ্ছে।)
অনেক সময় পরে
নিলয়ঃঅবনি পড়া বলো।
অবনিঃ পারি না.................( দাড়িয়ে আছে।)
নিলয়ঃসৈকত পরা বলো.........?
সৈকতঃপারি না............
নিলয়ঃচৈতি তুমি বলো........?
চৈতিঃস্যার পারি না..........
এই ভাবে স্যার ৮ জন কে দার করালো। সবার উওর একি।স্যারের আর বুঝতে বাকি রইলো না তার আদরীনি তার সাথে রাগ করেছে সাথে সাথে সবাই।
নিলয় ছার ক্লাস থেকে বের হয়ে গেলো।
এদিকে অবনিও আর একটাও ক্লাস করে নি।রাগ করে বাসায় চলে গেছে।নিলয় সবি দেখলো কিন্তু ডাকার সাহস পায় নাই।নিলয়ের ও মন খারাপ ও চায়নি অবনিকে কস্ট দিতে কি করবে মেজাজ খুব খারাপ ছিল আজ।
আজ ৩ দিন হলো অবনি কলেজে আসছে না প্রাইভেট ও না।
আজ সকালে ৬.টায় পড়ার টেবিলে বসে আছে। অবনি নিলয় ছারের কথা ভাবছে ছার কেনো এমন করলো তার সাথে।
তখনি অবনির মোবাইলে নিলয় ছারের মেসেজ...........!!!!!!!
নিলয়ঃপ্লিজ অবনি এভাবে রাগ করে থেকনা। sorry বললামতো প্লিজ আজ কলেজে আসো। আমার সাথে রাগ করে নিজের এতো বর ক্ষতি করনা।সামনে তোমার পরিক্ষা প্লিজ চলে আসো...........................
অবনি আর রাগ করে থাকতে পারলো না।মেসেজের রিপ্লে দিলো।
অবনিঃok........ আসছি।
নিলয়ঃ৮. টা বাজে চলে আসো তুমি অনেক পিছিয়ে গেছো।তা ছারা তোমার সাথে দরকারি কথা আছে।আমার রুমে আইসো।
অবনিঃআসছি,............. ( মুখে হাসি ফুটেছে।)
ছারের কথা শুনতে অবনির ভালো লাগে।ছার যদি পাশে থাকে তা হলে অবনির আরো ভালো লাগে।তাই আর সহ্য হচ্ছেনা অবনির।৮ টার অনেক আগেই বেরিয়ে গেলো ছারকে ৩ দিন ধরে দেখেনা না ছারের প্রতি ওর কেন এত টান ও নিজেও জানেনা আর জানতেও চায়না।
ঐ দিকে নিলয় অস্থির হয়ে আছে কখন তার আদরিনী তার কাছে আসবে।৩ দিন নয় মনে হচ্ছে ৩ মাস ধরে দেখেনা। তাই নিলয় ছাদে উঠে দারিয়ে আছে।ছাদ থেকে অবনি আসার রাস্তা অনেক দূর পর্যন্ত দেখা যায়।
ঐতো অবনি আসছে, ছার দৌড়ে ছাদ থেকে নেমে রুমে চলে আসলো।
অবনিঃছার আসবো........????
নিলয়ঃনা..... ( অবনি অবাক হল)
নিলয় অবনির কাছে এসে ২ কান ধরে অবনির কানের কাছে মুখ নিয়ে বললো। sorry.........
অবনিঃ(ভয়ে ভয়ে)....... ছার কি করছেন সবাই দেখলে খারাপ ভাববে।
নিলয়ঃ ভাবুক আমার কিছু যায় আসেনা।আগে বল ক্ষমা করছো????
অবনঃহুম.......(মাথা নিচু করে)....... ভিতরে আসবো?????
নিলয়ঃআসো......... অবনি পিয়ারা খাবে????
( নিলয় জানে অবনি পিয়ারা অনেক পছন্দ করে তাই কিনে এনেছে।তবে আরো একটা কারন আছে কারনটা হল ৩ দিন ওর মুখ টা দেখেনি এই অজু হাতে দেখবে।)
নিলয়ঃঅবনি তোমাকে কিছু কথা বলবো তুমি শুনবা???
অবনিঃ(আপনার কথা আমি সারাজীবন শুনতে চাই).......... জি ছার শুনবো বলুন।
নিলয় পিয়ারা কাটছে আর অবনি খাচ্ছে।
অবনিঃছার.........
নিলয়ঃবলো কিছু লাগবে??????
অবনিঃ লবন আর মরিচের গুরা। ( নিলয় রান্নাঘর থেকে নিয়া আসলো।)...........ছার বলুন
নিলয়ঃ সেইদিন আমার মাথা অনেক গরম ছিল কারন 1st ইয়ারের নিলা তার হাত কেটে আমার নাম লিখেছে।
আর বলছে আমাকে ছারা বাচবে না।....( অবনির বুকটা কেপে উঠলো আর পিয়ারা খেতে পারছে না।নিলা ছারকে এত ভালোবাসে তা হলে ছার ও বাসবে )
নিলয় থেমে আছে।তখনি
অবনিঃ ছার তার পর........... ( অনকেটা ধমকের মত নিলয় একটু অবাক হলো।)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now