বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
নবী জামাতা হজরত আলী রা.। তিনি তখন রাষ্ট্র প্রধান। মুসলিম বিশ্বের অধিপতি। হজরত আলীর একটি লৌহবর্ম হারিয়ে যায়। সেটা পান একজন ইহুদির কাছে। তাও সেই ইহুদি কুফার বাজারে লৌহবর্মটি বিক্রি করছে।
হজরত আলী নিজের লৌহর্বম বিক্রি করতে দেখে ইহুদিকে বলেন, ‘লৌহবর্মটি তো আমার। আমি এটা কারও কাছে বেচিওনি, কাউকে দানও করিনি। এটা আমার উটের পিঠ থেকে অমুক দিন অমুক স্থানে পড়ে গিয়েছিল। সুতরাং লৌহবর্মটি ফিরিয়ে দিন’। ইহুদি বলল, এটা আমার জিনিস, আমার হাতে। হজরত আলী বললেন, লৌহবর্মটি আমাকে ফিরিয়ে দিন! বর্মটি আমারই!
ইহুদির সঙ্গে রাজ্যপ্রধানের তর্কে সমাধান হচ্ছে না। হজরত আলী বললেন, চলো তাহলে বিচারপতির আদালতে! আইনি লড়াইয়ে সমাধান করে আসি। উভয়ে মদিনার বিচারপতি হজরত সুরাইহ রাহ. এর আদালতে হাজির। হজরত আলী রা.কে বিচারপতি জিজ্ঞাসা করলেন, আমিরুল মুমিনিন! আপনার বক্তব্য কী? তিনি বললেন, তার কাছে যে বর্মটি দেখতে পাচ্ছেন, সেটা আমার। এটা আমার উটের পিঠ থেকে অমুক দিন অমুক স্থানে পড়ে গিয়েছিল। বিচারপতি হজরত সুরাইহ রা. ইহুদির কাছে তার বক্তব্য জানতে চান। ইহুদি বলল, দেখুন এটা আমারই। কারণ আমার দখলেই তা রয়েছে। দখল যার সম্পদ তার!
সব শোনার পর বিচারপতি সুরাইহ বললেন, আমিরুল মুমিনিন! সাক্ষি পেশ করুন! হজরত আলী বললেন, আমার ছেলে হাসান এবং আমার আজাদকরা ক্রীতদাস কুনবুর সাক্ষি!
বিচারপতি হজরত সুরাইহ রা. বললেন, আমিরুল মুমিনিন! পিতার পক্ষে পুত্রের সাক্ষ্য এবং মনিবের পক্ষে গোলামের সাক্ষ্য গ্রণযোগ্য নয়। তারপর বিচারপতি হজরত সুরাইহ রা. ইহুদির পক্ষে রায় দেন।
আইনি লড়াইয়ে হেরে গেলেন হজরত আলী রা.! তবে জয় হয়েছে ইসলামের। রায় শুনে সেদিন এই ইহুদি বলেছিল, আমিরুল মুমিনিন আমাকে আদালতে নিয়ে এলেন। আদালত আপনার বিপক্ষে রায় দিল। অথচ আপনি রাষ্ট্র প্রধান। বাইশ লক্ষবর্গ মাইলের মুসলিম বিশ্বের অধিপতি। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নেই এবং হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও রাসুল। এই বলে সে ইসলাম গ্রহণ করল!
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now