বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
যুদ্ধ শেষে নর্থ জোনের চেয়ারম্যান মতিউর রহমান স্বাধীন বাংলার মন্ত্রী হওয়ায় তিনি নজরুল ইসলামকে হাতীবান্ধার অবহেলিত জনপথের জন্য ব্যাংক, সাব-রেজিষ্ট্রী অফিস থেকে শুরু করে বিদ্যালয় নির্মাণসহ অনেক উন্নয়ন কর্মকান্ডে সহযোগিতা
করেন। মাঝে মধ্যে নজরুল ইসলামকে বঙ্গবন্ধু সাথে দেখা ও কথা বলারও সুযোগও করে দিয়েছিলেন তিনি। এমন অসংখ্য স্মৃতি আজ মনে পড়ে মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার নজরুল ইসলামের।
সেই সময় পড়াশোনা শেষ করে কিছুদিন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সরকারি চাকুরিও করেন নজরুল ইসলাম। পরে জনগনের চাপে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয়লাভ করেন। বর্তমানে তিনি হাতীবান্ধা শিশু নিকেতনের অধ্যক্ষ।
স্বাধীনতা যুদ্ধের শুরু থেকে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন এবং তিনি হাতীবান্ধা আওয়ামী লীগের প্রথম সাধারণ সম্পাদকের দ্বায়িত্ব নিয়ে তা ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত পালন করেন।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now