বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
রাগীবও প্রশংসা করল। রাগীব সহজে রান্নার প্রশংসা করে না। চায়ের কাপ নিল মোহনা। তারপর জিগ্যেস করল, এই বাড়িতে আপনি একা থাকেন? রউফ মিঞা বলল, হ। কন্ঠস্বর কেমন খসখসে। ভয় করে না? রউফ মিঞা মাথা নাড়ে। হাসে। আপনি বেশ সাহসী। আমি একা থাকতে পারব না। মোহনা বলে। রউফ মিঞা চুপ করে থাকে। এক তলায় বসার ঘরে একটা মেয়ের ছবি দেখলাম। ছবিটা কার জানেন? বলে চায়ে চুমুক দেয় মোহনা।
রউফ মিঞা বলে, হ। ছবিটা হইল আরশাদ চৌধরির মেয়ে নার্গিসের। আরশাদ চৌধরি জালিয়া পালং-এর খানদান বংশের সন্তান। তার বাপ-দাদারা বিস্তর জমিজমার মালিক।একমাত্র মেয়ে নার্গিসের বিয়ার আগে মেয়ের জামাইরে যৌতুক দিব বইলা মেয়ের নামে আরশাদ চৌধরির এই বাড়ি তৈয়ার করেন। এই সব হইল পাকিস্তান আমলের ঘটনা। ওহ্। মোহনার বিকেল আর সন্ধ্যা কাটল রাগীবের সঙ্গে বাড়ির ছাদ আর বাগানে ঘোরাঘুরি করে। রউফ মিঞার কাছ থেকে নীচে গেটের চাবি নিয়ে রাখল রাগীব। রাতে খেয়ে এসে টেরেসে বসল। নভেম্বরের মাঝামাঝি বলেই ফুটফুটে জোছনা ফুটেছে। চারপাশ নির্জন হয়ে আছে। পাশাপাশি বসে অনেকটা সময় কাটে। রাগীব ঘড়ি দেখে। প্রায় সাড়ে এগারোটা বাজে।
বলে, চল, বিচে যাই। চল। বলে মোহনা উড়ে দাঁড়ায়। রউফ মিঞা এসে দাঁড়াল। বলল, স্যার। কিহল? রাগীব বিরক্ত হয়। একবার নীচে আসেন সার। কেন? কি হয়েছে? গেটের বাইরে কার জানি লাশ পইড়া আছে। লাশ! কার! মোহনা আর্তচিৎকার করে ওঠে। চিনি না সার। মহিলা মানুষ সার। আপনে যদি একবার আসতেন। মহিলা শুনে রাগীবের মুখের ভাব কেমন বদলে গেল । ওরা দ্রুত নীচে নেমে এল। নীচের বাগান চাঁদের আলোয় ভেসে যাচ্ছিল। যেন সার্চ লাইট জ্বেলেছে। তবে কুয়াশাও আছে। গেট খোলা। কুয়াশায় সাদা রঙের টয়োটা আভানজা ঠিকই চিনতে পারল রাগীব।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now