বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
গলিটা আস্ত আট দিয়ে বাধানো,পায়ে পায়ে ক্ষয় হয়ে গেছে । দুদিকের বাড়ির চাপে অন্ধকার,এখানে ওখানে আবর্জনা জমা করা আর একটা দূষিত চাপা গন্ধ । আমি সঙ্কুচিত হয়ে তার সঙ্গে চলতে লাগলাম । সে বলল,মনে হচ্ছে পাতালে চলেছ,না?
সাতাশ নম্বরের বাড়িটা দোতলা নিশ্চয়,কিন্তু যত ক্ষুদ্র দোতলা হওয়া সম্ভব । সদর দরজার পরেই ছোট একটি উঠান,মাঝামাঝি কাঠের প্রাচীর দিয়ে দুভাগ করা । নিচে ঘরের সংখ্যা বোধহয় চার,কারণ মমতাদি আমায় যেভাবে নিয়ে গেল সেখানে দুখানা ছোট ছোট কুঠরির বেশি কিছু আবিষ্কার করতে পারলাম না । ঘরের সামনে দুহাত চওড়া একটু রোয়াক,একপাশে একশিট করোগেট আয়রনের ছাদ ও চটের বেড়ার অস্থায়ী রান্নাঘর । চটগুলি কয়লার ধোয়ায় কয়লার বর্ণ পেয়েছে । সে আমাকে শোবার ঘরে নিয়ে টুলে বসাল । ঘরে দুটি জানালা আছে এবং সম্ভবত সেই কারণেই শোবার ঘর করে অন্য ঘরখানার চেয়ে বেশি মান দেওয়া হয়েছে । কিন্তু জানালা দুটির এমনি অবস্থান যে আলো যদিও কিছু কিছু আসে,বাতাসের আসা যাওয়া একেবারে অসম্ভব । সুতরাং পক্ষপাতিত্বের যে খুব জোরালো কারণ ছিল তা বলা যায় না । সংসারের সমস্ত জিনিসই প্রায় এঘরে ঠাই পেয়েছে । সব কম দামী শ্রীহীন জিনিস । এই শ্রীহীনতার জন্য সযত্নে গুছিয়ে রাখা সত্ত্বেও মনে হচ্ছে
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now