বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

**মিষ্টিময় প্রেম**

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Merina Afrin Mou (০ পয়েন্ট)

X বেলা ঘুমের মধ্যে একটা দারুন সপ্ন দেখ ছিলাম.... চারদিক ঘেরা সবুজ আর দুর থেকে ভেসে আসছে পাখির শব্দ... হঠাৎ মনে হলো পাখির শব্দটা বিকট আকার ধারন করেছে... তাড়াতাড়ি চোখ খুলে দেখলাম আমার বেগম সাহেবা মানে আমার স্ত্রী আবিদা এর্লাম ঘড়িটা আমার কানের কাছে এনে ধরে আছে... প্রথমে রাগ হলে ও পরের ওর হাসি দেখে সব ভুলে গেলাম.... শুধু ওর দিকে তাকিয়ে বললাম.. ->বাবু আজ না শুক্রু বার.. আরেকটু সময় ঘুমাই না বাবু(নমিয় শুরে আমি) ->শুক্রুবার হইছে তো কি হয়েছে... ঘরে বাজার আনতে যাবে কে শুনি (জিঙ্গাসু দৃষ্টিতে আবিদা) ->বাবু একটু পরে যাই আমার লক্ষি বউ (আহ্লাদে কন্ঠে আমি) ->তুমি যাবে নাকি পানির বালতি নিয়ে আসবো (আবিদা) ->আচ্ছা যাচ্ছি (আমি) মেয়েদের গতি বোঝা বড় দায় যদি সত্যি পানি দিয়ে দেয় আর এই শীতের সকালে ঠান্ডা পানি ওরে বাবা...বেগম সাহেবার কথা শুনে ঘর থেকে বাধ্য হয়ে বের হলাম ঠান্ডার কাপর পড়ে... ওহ যা আমার নামটা বলা হয় নাই আমি মুন্না আহম্মদ... বাজারে যাওয়ার পথে শুনতে ফেলাম ফিছন থেকে কে যেন ডাকছে... ফিরে তাকাতেই দেখি কামরুল আমাকে দেখে একটা হাসি দিল মনে হলো কি জানি একটা হাসির ঘটনা ঘটছে.... আমার কাছে আসতেই বললো.. ->দুস্ত কি অব্যস্তা তোর (হাসতে হাসতে কামরুল) ->আলহামদুনিল্লাহ ভালো...আর তোর কি হইচে রে (আমি) ->না আমার আবার কি হবে... দুস্ত তুই সত্যি ভালো আচ্ছিস (হাসি দিয়ে কামরুল) ->অই শালা আমার লগে ফান করছ... (আমি) ->ছি ছি এইটা কি কইলা তা দুস্ত ব্যায়াম করতে বাইর হয়ছ বুঝি (কামরুল) ->অই কাড়া আজ তর খবর করতাছি (আমি) কামরুল দৌড় দিয়ে পালালো... কামরুল আমার কলেজ ফ্রেন্ড এখন ও বিয়ে করে নাই তাই আমার মজা নিতে আসছে.. .. বাজারে গিয়ে মাথা ব্যাথা শুরু হয়ে গেল জিনিস পত্রের এত দাম হায়রে হায়... বাজার করে বাড়ি ফিরে আসলাম কলিংবেল বাজাতেই গিন্নি দরজা খুলে দিলেন.... বাজার ব্যাগ হাতে দিয়ে বারান্দা এসে বসে পড়লাম শরিলটা এলিয়ে দিতেই ঘুম চলে আসতে চাইলো কিন্তু তা আর হলো না আবিদা চা নিয়ে হাজির.... ওর হাত থেকে চা নিতে গিয়ে ওর চোখের দিকে চোখ যেতেই যেন আমি ওর প্রেমে নতুন করে পড়ে যাই....প্রেমের স্বার্থকতা বিয়ের পড় হয় এটাই যেন নিয়ম এ প্রেমের কোন বাধা থাকে না এই প্রেম দিন দিন আরো গভির হয়....হঠাৎ গরম কিছু অনুভব করলাম হাতের আংগুলে.... আকসিমতা বোঝার আগেই আহহউ বলে হালকা একটা চিৎকার দিলাম... চেয়ে দেখি আবিদা আমার হাতের আংগুলের উপরের অংশের সাথে চায়ের কাপ লাগিয়ে দিয়েছে....আমার অবস্থা দেখে আবিদা হাসছে কিছু সময় পর হাসি থামিয়ে বললো... ->এতক্ষণ দাড়িয়ে আছি (আবিদা) ->তাই বলে এটা করা ঠিক হলো (মুখের মধ্যে আংগুল ডুকিয়ে বললাম আমি) ->খুব বেশি গরম ছিল (অপরাধী শুরে আবিদা) ->থাক আর দরদ দেখাতে হবে না (হঠাৎ করে মেজাজ টা গরম হয়ে গেল) ->বিশ্বাস করো আমি.... (আবিদা বলতে গিয়ে থেমে গেল) আর কিছু বলতে যাবো এর মধ্যে ফোনটা বেজে উঠল চেয়ে দেখলাম কামরুল ফোন দিয়েছে... ফোনটা ধরে ওকে বললাম... ->কি রে সমস্যা কি (আমি) ->দুস্ত তুই কই (কামরুল) ->কেন কি হয়েছে (রাগি কন্ঠে আমি) ->দুস্ত একটু তাড়াতাড়ি হাসপাতালে আয় (কামরুল) ->কি হয়েছে (চিন্তাময় হয়ে আমি) ->আগে আয় তাপর বলছি.... (আর কিছু না বলেই হাসপাতালের ঠিকানা দিয়ে দিল কামরুল) আমি কিছু না বলেই ঘর হতে বেড়িয়ে আসলাম আসার সময় দেখলাম আবিদা ঐ জায়গায় দাড়িয় আছে... অকে আর কিছু বললাম না... হাসপাতালে এসে কামরুলের কাছ থেকে যা শুনলাম তার মর্ম এমন যে সকালে আমার সাথে ফাজলামি করে যাওয়ার পথে দেখলো একটা মেয়ে ১৪ -১৫ বয়স হবে বাসের সাথে ধাকা খেয়ে পড়ে আছে.... এপর কামরুল মেয়েটাকে এখানে নিয়ে আসে... রক্তের প্রয়জন ছিল তাই আমি রক্ত দিলাম কারন আমার রক্তের মিল ছিল.... মে য়ের আইডি কার্ড থেকে নাম্বার নিয়ে আমি ফোন দিলাম... কিছুক্ষণ পর মেয়ের বাড়ির লোকে রা এসে হাজির হলেন এবং আমাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন... এসব দৌড়াদৌড়ি করতে রাত অনেক হয়ে গেল আর এদিকে আমার বাবু মনে হয় মুখ ফুলিয়ে বসে আছে.... বাড়ি পাশে আসতেই ভাবলাম কি আছে কপালে সকালে এমনিতে রাগ দেখিয়েছি এখন আবার রাত ও অনেক হয়েছে আর আবিদা কে কিছু বলা হয়নি.. দরজায় টুকা দিতে আবিদা দরজা খুলে দিল মনে হয় দরজার পাশে বসে ছিল....ওর দিকে থাকাতেই মনটা আতকে উঠল একি ওর চোখ দুটো ফোলে আছে সারাদিন মনে হয় কেদেঁ ছে.. আবিদা আমার বুকে যাপিয়ে পড়লো এবং আমাকে জড়িয়ে কাদতে লাগল... ->কি হয়েছে বাবু (আমি) ->সারাদিন তুমি কোথায় ছিলে আমার উপর রাগ করছ (শিশুসলভ আরচনের মতো আবিদা) ->না বাবু আমি কেন রাগ করবো (আমি) ->দেখি তোমার কোথায় লেগেছে..(আবিদা) আমার হাত দেখতে লাগলো..এই তোমার হাতে কি হয়েছে আমি আবিদা কে জিজ্ঞাস করলাম... আমি যাওয়ার পর ঐ চায়ের কাপে আংগুল ডুকিয়ে দেখতে চেয়ে ছিল চা গরম না ঠান্ডা... আমি জানি এটা সে ইচ্ছে করেই করেছে...যাতে আমার কষ্ট গুলো বোঝার জন্য আমি এটা করে আমাকে কষ্ট কেন দেয় আবার ভাষাহীন হয়ে যাই ওর ভালোবাসার কাছে... এতটা ভালোবাসা আমার কপালে সইবে মাঝে মাঝে চিন্তা করি...সারাদিনের ঘটে যাওয়া সব ওকে বললাম ওকে কিছু বলতে যাবো আমার দুচোখ দিয়ে পানি ঝড়তে লাগলো ... আবিদা আমাকে জড়িয়ে দরে কাদতে কাদতে বললো ->সারাদিন কিছু খাও নি তুমি (আবিদা) ->না মানে তোমাকে ছেড়ে কি খেতে পারি বলো (আমি) ->হইছে...আমি খেতে দিতেছি আসো (আবিদা) ->আগে একটা মুয়য়া দাও (আমি) আর কিছু বলার আগেই যেন মিষ্টি স্বাদ মিলিয়ে দিল আমায়.... রাতের খাবার ওকে মুখে তুলে খাইয়ে দিলাম... এখন দুজনে ছাদে বসে চাঁদ দেখতেছি আবিদা বললো একটা গান শুনাতে আমার লেখা :-> "তুমি এলে জিবনে ভালোবাসা নিয়ে এজন্য আকাশের চাঁদ আমার পাসে থেকো তুমি জীবনভর করো আমায় আদর জড়িয়ে রেখো তুমি আমায় দিয়ে প্রেম চাদর "


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ **মিষ্টিময় প্রেম**

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now