বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

love story

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Bad Boy (০ পয়েন্ট)

X রিফাত ফোনের কাছে এসে দেখলো ইরার অনেকগুলো ফোন। কিন্তু বুঝতে না পারায় ধরতে পারে নি। ফোনে সমস্যা হওয়ার কারনে ফোন আসলেও বোঝা যায় না। এটা অনেকদিন ধরে হয়েছে। . রিফাত ফোন হাতে নিয়ে ইরাকে ফোন করার আগে ফোনের ব্যালেন্স দেখে নিল। পঞ্চাশ পয়সা ব্যালেন্স আছে। এতেই কথা বলা যাবে। ফোন কেটে গেলে যাবে। তবুও রিফাত ফোন হাতে নিয়ে ইরার নাম্বারে কল দিল। . ইরার নাম্বারে ফোন দিতেই রিফাতের ফোন বন্ধ হয়ে গেল। ফোনে চার্জ থাকে না। তাই চার্জে লাগিয়ে কথা বলতে হয়। কিন্তু এখন চার্জে লাগানোর কথা মনে ছিল না। তাই বন্ধ হয়ে গেছে। . রিফাত ফোন চার্জে লাগিয়ে আবারও ইরার নাম্বারে কল দিল। সাথে সাথেই ইরা ধরে বলল -হ্যা। বলো। -তুমি কি তখন ফোন দিয়েছিলে। বুঝতে পারি বলে ধরতে পারি নি। -কেন? ব্যাস্ত ছিলে? -আসলে ফোনে সমস্যার কারনে ফোন ধরতে পারি নি। -আচ্ছা ঠিক আছে।....... . ওপাশ থেকে কিছু বলতে চাচ্ছিল। কিন্তু তার আগেই ফোন কেটে গেল। মনেহয় টাকা শেষ। তাই রিফাত ফোনটা চার্জে লাগিয়ে হাত থেকে রেখে দিল। . ফোন রেখে চলে যাচ্ছিল এমন সময় বুঝতে পারলো ইরার কল। ফোন রিসিভ করে বলল -হ্যা বলো। -ফোন কেটে দিলে কেন? -কেটে দেই নি। টাকা ফুরিয়ে কেটে গিয়েছিল। -আমাকে বললেই তো রিচার্জ করে দিতাম। -তুমি আর কত রিচার্জ করবে? আর এমনিতেই তো অনেক করেছ আমার জন্য। -বাদ দাও এসব। কালকে কি তুমি ফ্রি আছো? -হ্যা। ফ্রিই। সকালে দুইটা টিউশানি আছে। তারপরে বারোটার পরে ফ্রি। -আমার সাথে দেখা করতে পারবে? -কেন? -তোমার বারোটা বাজাব। হি হি হি। -তা বাজাতেই পারো। -কালকে তাহলে দেখা করবে। মনে থাকে যেন? -আচ্ছা। . রিফাত ফোন কেটে দিয়ে ইরার কথাগুলো ভাবছে। ইরার সাথে রিফাতের প্রেম হঠাৎ করেই। কিভাবে কি হয়ে গেল রিফাতের মনে নেই। রিফাতের মত চালচুলোহিন ছেলেকে ইরা ভালবেসেছে। . প্রেমের ক্ষেত্রে প্রেমিকরাই প্রেমের খরচ করে। কিন্তু রিফাতের জন্য তা বিপরিত। ইরাই রিফাতের কাছে ফোন করে কথা বলে। রিফাতের ফোনটাও ইরাই কিনে দিয়েছে। কিন্তু সেটা নষ্ট। . মোবাইল ঠিক করতে যে টাকা লাগবে সেই টাকা হলে রিফাতের দুইদিনের খাবার টাকা হবে। তাই রিফাত এসব নিয়ে ভাবে না। . কালকে ইরার সাথে দেখা করতে হবে এ নিয়ে তার মনে তেমন উত্তেজনা নেই। মনে চিন্তা থাকলে উত্তেজনা আসতে পারে না। তাই সব স্বাভাবিক। . ২ . রিফাত টিউশানি করিয়ে মেসে আসলো। মেসে এসে তেমন স্টাইল করলো না। কারন স্টাইল করতে যে টাকা লাগে সেটা রিফাতের মত বেকার ছেলের নেই। তাই স্টাইল তার মানায় না। . পকেটে মোবাইল নিয়ে রাস্তা দিয়ে হেটে হেটে পার্কের দিকে যাচ্ছে। পকেটে টাকা না থাকায় এটাই সবচেয়ে ভাল বুদ্ধি। রিফাত জানে ইরাই আগে গিয়ে অপেক্ষা করবে। . হাটতে হাটতে রিফাতের মনেহল তার ফোনে ফোন এসেছে। এখন ইরার ফোন ছাড়া কারোর ফোন আসার কথা না। ফোন ধরে বলল -হ্যা বলো। -কোথায় তুমি? -এইতো আসছি। পথে আছি। -তুমি হেটে আসছো? -না মানে হ্যা। -তুমি এখনই একটা রিক্সা নিয়ে আসবে। -হেটেই আসবো। দ্রুত গতিতে আসলে তারাতারি পৌঁছে যাব। -তোমাকে রিক্সায় আসতে বলেছি। তাই করো। -আচ্ছা। -হ্যা। তারাতারি আসো। . ইরার ফোন কেটে দিয়ে রিফাত একটা রিক্সা ডেকে রিক্সায় উঠলো। আর মনে মনে ভাবতে থাকলো। রিক্সাওয়ালার ভাড়া দেবে কিভাবে? . পকেটে যে টাকা আছে কোনরকমে দুপুরের খাবার হবে। যাক আজকে নাহয় দুপুরে না খেয়েই থাকবে। এটা কোন ব্যাপার না। . রিক্সায় যেতে যেতে পার্কের গেটের সামনে যেতেই আবারও ইরার ফোন। রিফাত ফোন ধরে বলল -আমি তো চলে এসেছি। -কোথায় তুমি? -আমি পার্কের গেটের সামনে। -তুমি ওখানেই দাড়াও। আমি আসছি। আর রিক্সাওলাকে যেতে দিও না। -আচ্ছা। . রিফাত দাঁড়িয়ে থাকার পরে ইরা এল। ইরা এসে বলল -রিক্সায় ওঠো। -কেন? পার্কের ভেতরে যাবে না? -নাহ। আজকে আমরা রিক্সায় প্রেম করবো। -আচ্ছা। চলো। . রিফাত বসে আছে আর তার পাশে ইরা বসে আছে। ইরা বলল -আচ্ছা আমরা বিয়ে করছি কবে? -জানি না। -তাহলে আমরা এভাবেই প্রেম করবো? -তা করবো কেন? বিয়েও করবো। -তাহলে আমাকে বিয়ে করছো না কেন? -আমি তোমাকে এখন বিয়ে করতে পারবো না। কারন আমি এখনও বেকার। বিয়ে করে তোমাকে খাওয়াবো কি? -তাহলে আমি তোমাকে বিয়ে করি? -মানে? -মানে কিছু না। তুমি যদি চাকরি পাও তাহলে আমাকে বিয়ে করবে? -হ্যা। অবশ্যই। -এই নাও তোমার জয়েনিং লেটার। কালকেই তুমি চাকরিতে জয়েন করবে। -মানে কি? কোন ইন্টার্ভিউ ছাড়াই চাকরি হয়ে গেল? -তোমার রেজাল্ট যথেষ্ট ভাল। আর আমি আমার বাবাকে বলে চাকরির ব্যাবস্থা করেছি। -এত কিছু কেন করলে? -কারন আমি তোমাকে আমার স্বামি হিসেবে সন্মানি হিসেবেই পেতে চাই। আমি চাইলেই তোমাকে বিয়ে করতে পারতাম। কিন্তু আমার স্বামিকে কেউ বেকার বলুক। এটা আমি মানবো না। -খুব ভালবাস আমাকে? -হ্যা। অনেক। -আমার মত ছেলেকে কি দেখে ভালবাসো? -ভালবাসা কিছু দেখে হয় না। দেখে যেটা হয় সেটা ভাললাগা। ভালবাসা মনের ভেতর থেকে এসে যায়। আর সেটাকেই বুঝতে হয়। -বাহ। খুব ভাল জানো তো। -জানবো তো। আর এই ফোনটা নিয়ে যাও। আজকে থেকে এই ফোন দিয়ে আমার সাথে কথা বলবে। -বলতেই হবে? -হ্যা। প্রেম করতে হবে। -কেন করো আমার জন্য এতকিছু? -ভালবাসি বলেই তো এতকিছু করি।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ Sad love story
→ Love story
→ Love Story
→ সাগর মিমির Love story
→ My sweet love story
→ Amar love story
→ "স্মৃতি তুমি বেদনা"- ভালবাসার গল্প- ____*বাই আব্দুল্লাহ আল মামুন____**A SAD LOVE STORY (BANGLA VALOBASAR GOLPO)
→ "নীরব ভালোবাসা" --- বাই আব্দুল্লাহ আল মামুন_____**A SILENT LOVE STORY
→ অপ্রকাশিত ভালোবাসা" ---বাই আব্দুল্লাহ আল মামুন____*** A SAD LOVE STORY
→ " স্টুপিড ও মায়াবতির গল্প" A Romantic Musical Story of Love-(আর এভাবেই রচিত হয়েছে আরো একটি বিরহের প্রেমকাহিনী)
→ একটি ভালবাসা ও প্রতারণার গল্প | Sad Love Story
→ " স্টুপিড ও মায়াবতির গল্প" A Romantic Musical Story of Love-
→ গল্প : #কিউট_Love_Story
→ love story→1
→ love story→2

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now