বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
বিলুর গত দুটা রাত নিদ্রাহীন কেটেছে। কিন্তু কোন উপায় খুজে পাচ্ছে না । অথচ আজ চিত্রার বিয়ে। এসব ভাবছে আর রুমের মধ্যে অনবরত পায়চারি করছে।
,,
ড্রয়িংরুমে বসে বিলুর মা বাবা টিভি দেখতেছে। কাজের মেয়েটি চা নিয়ে হাজির। চায়ে চুমুক দিয়ে বিলুর বাবা বলে উঠল কি চায়ে আর একটু চিনি বেশি দাও নি কেন। বিলুর মা কিছুটা রাগ্বত স্বরে তোমার কাপে যে কটা দানা চিনি পরেছে এটাই তোমার সৌভাগ্য।
এমন সময় দরজায় কলিং বেলের শব্দ শুনে বিলুর মা দরজা খুলে।
খুলার সাথে সাথে একটি মেয়ে কাচুমাচু করে করে বলে হাই আন্টি। আমি বিলুর বন্ধু।
তো আমি কি করতে পারি,বিলুর মা।
আপনাকে কিছু করতে হবে না শুধু বলুন বিলুর রুমটা কোন দিকে।
চিত্রা বিলুর মাকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে ভিতরে ঢুকে পরে। আর এদিকে বিলুর মা বলে এই মেয়ে তুমি ভিতরে ঢুকলা কেন??
এসব কথায় চিত্রার থোরাই কেয়ার। হাই আংকেল। বিলু কোন রুমে থাকে।
বিলুর বাবা ইশারায় বুঝিয়ে দিল।
আর কোন কথা না বলে চিত্রা বিলুর রুমে ঢুকে পরল।
ঢুকেই দরজা আটকিয়ে বিলুর দুই গালে ঠাশঠাশ করে ২টা ইয়ে মেরে দিল। আর বলতে লাগল হারামী তুই না বলেছিলি তোর মা খুব ডাইনি। কই আমি তো ভিতরে আসলাম আমার তো কিছুই করতে পারল না।
এদিকে বাহির থেকে চড়ের শব্দ আর ডাইনি কথা শুনে বিলুর বাবা মা স্তম্ভিত হয়ে ঠায় দাড়িয়ে রইল।
,
কিছুক্ষণ পরে বিলুর কলার ধরে টেনে বের করল চিত্রা।আর বিলুর বাবা মা শুধু অবাক হয়ে দেখছে।
ওদের দেখেই বিলুর মা তেলে বেগুনে জ্বলে উঠে বলল কিরে কুত্তা তুই কি বলেছিস এই মেয়েটাকে আমি ডাইনি আমি তোর মা না। বলে পা থেকে চপ্পল খুলতে যাবে এমন সময় চিত্রা বলে আন্টি আপনার না কোমরে ব্যাথা তাই আমি নতুন চপ্পল আনছি আপনার সুবিধার কথা চিন্তা করে। এই বলে চিত্রা এগিয়ে দিল।
এসব কথা শুনে তো বিলুর মা আরও,,,,
পাশ থেকে বিলুর বাবা বলে দেখ বিলুর মা এত সুন্দর চপ্পল দিয়ে মের না। ছিড়ে যেতে পারে। তার চয়ে রেখে দাও তুমি পরিও।
সোজা এক ধমক।
তার পর যাচ্ছেতাই বলে চিত্রাকেও দিল বকে।
,,
চিত্রা বাচ্চা দের মত কান্না শুরু করে দিল। ক্রমেই কান্নার আওয়াজ বাড়তে লাগল।
এবার বিলুর মা ধমক দিয়ে থামতে বলল।
পাশ থেকে বিলু বলল মা কেউ যদি ওর মাথা বুকে টেনে না নেয় তাহলে ওর কান্না থামে না।
আর এদিকে চোখ দিয়ে স্রোত বইতেছে। থামার কোন উপায় নাই।
এদিকে বিলুর মা চিত্রার কান্না দেখে বলে আস মেয়ে আমার বুকে মাথা রাখ তাও যদি তোমার কান্না থামে।
বিলু আবারো পাশ থেকে বলে মা আমি নিলেই হবে তোমার লাগবে না।
এবার সোজা আর একটা চর পরল বিলুর গালে। কোথায় কি বলতে হয় তাও জানো না।
,,
বিলুর বাবা বলে দেখ ও তো ঠিকি বলছে। চল আমরা উপরে যাই। পাশ থেকে কাজের মেয়েটির হাসি দেখে ধমক দিয়ে বলল যা তোর কাজে যা।
বিলুর বাবা বিলুর মাকে নিয়ে উপরে চলে গেল।
,,
চিত্রা এবার বলে কি কেমন দিলাম। এবার জরিয়ে ধর।
দেখ কেউ যদি দেখে।
না ধরলে কিন্তু এখনি কেদে দিব আবার। আর কোন কথা না বলে চিত্রাকে কোলে নিয়ে বিলু রুমে চলে গেল। তারপর কিছু ভারী নিঃশ্বাস আর। আর কি?? কিছু না।
আপনাদের না জানলেও চলবে
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now