বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
joks 31
শিক্ষক : বলতো আম উপরের দিকে না
পরে
নিচের দিকে পরে কেন?
বল্টু : স্যার, উপরে খাওয়ার মানুষ
নেই তাই।
শিক্ষক (একটু রেগে) : এই শিখছিস ?
আচ্ছা
বল, লোহার তৈরি জাহাজ
পানিতে
ভাসে,
কিন্তু লোহার টুকরা পানিতে
ডুবে যায়
কেন?
বল্টু : লোহার তৈরি জাহাজ ভেসে
থাকে
কারন এর চালক আছে, কিন্তু লোহার
টুকরার
চালক নেই তাই এটা ডুবে যায়।
শিক্ষক : তোর মাথায় ডাস্টার
মারব
হারামি।
আচ্ছা এবার বাংলা ২য় পত্র বের
করে
ক্রিকেট রচনাটা লেখ।
সময়:-৩০মিনিট।
কিছক্ষন পর বল্টু খাতা জমা দিল.....
স্যার তো অবাক এত তাড়াতাড়ি
বল্টুর রচনা
লেখা হয়ে গেল।
শিক্ষক কৌতূহল সহকারে পড়ল।
বল্টু লিখেছে......
"খেলা শুরু এবং আকাশে
মেঘলা মেঘলা ভাব।
.
.
.
.
.
.
বৃষ্টির কারনে ম্যাচ পরিত্যক্ত।
শিক্ষক বেহুস
joks 32
●তরুনী টিচার
ক্লাসে খেয়াল
করলেন যে বল্টু ক্লাসে বেশ
অমনোযোগী।
তাকে দাড়
করিয়ে জিজ্ঞেস
করলেন,
ম্যাডাম :“বলো একটি ডালে
তিনটি
পাখি
বসে আছে,
তুমি একটি বন্দুক
দিয়ে একটি পাখিকে গুলি
করলে সেখানে
আর
কয়টি পাখি থাকবে?”
.
বল্টুঃ একটিও না ।
.
ম্যাডামঃ কেন ?
.
বল্টু : ম্যাডাম
আমি যদি বন্দুক
দিয়ে গুলি করি তাহলে গুলির
শব্দে
সবগুলো পাখি উড়ে যাবে।
.
ম্যাডামঃ তুমি যেভাবে
চিন্তা করেছো
তা আমার
পছন্দ হয়েছে।
কিন্তু সঠিক উত্তর
হবে আর
দুইটি
পাখি থাকবে।
.
বল্টুঃ আচ্ছা ম্যাডাম
একটি আইস্ক্রীম
পারলার
থেকে তিনজন
যুবতী হাতে আইস্ক্রীম
নিয়ে বের
হল। তাদের একজন
হাল্কা কামড়
দিয়ে দিয়ে আইস্ক্রীম
খাচ্ছিল,
আর একজন
চেটে চেটে খাচ্ছিল,
আর শেষজন
পুরো আইস্ক্রীম
মুখে পুরে চুষছিলো ।
বলুন দেখি তাদের
মধ্যে কে বিবাহিত?
.
ম্যাডাম: কিঞ্চিত
বিব্রত
হয়ে বললেন.......“যে
পুরো আইস্ক্রীম
মুখে পুরে চুষছিলো সেই
বিবাহিত।”
বল্টুঃ আপনি যেভাবে চিন্তা
করেছেন
তা আমার পছন্দ
হয়েছে।
কিন্তু সঠিক উত্তর
হবে,
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
যার
হাতে ওয়েডিং রিং ছিল
সেই
বিবাহিত.....।।
joks 33
গ্রামের এক লোক
জীবনে কখনও রেলগাড়ী দেখেনি।তাই
রেলগাড়ী দেখার জন্য সে শহরে গেল।শহরে
গিয়ে সে এক লোককে বললো,ভাই আমি কখনও
রেলগাড়ী দেখিনি।আপনি কী রেলগাড়ী
দেখেছেন?দয়া করে বলবেন রেলগাড়ী
কোথায়?লোকটি বুঝতে পারলো যে গ্রাম
থেকে খেতমার্কা এসেছে,তখন সে গ্রামের
লোকটিকে বললো ভাই আপনি এই সোজা পথ
ধরে হাটতে থাকুন। হাটতে হাটতে যেখানে
দেখবেন নিচ দিয়া পানি পড়তাছে ও উপরে দিয়া
ধোঁয়া উঠতাছে সেইডাই রেলগাড়ী। তখন
গ্রামের লোকটি সোজা হাটতে থাকল। হাটতে
হাটতে সে দেখতে পেল এক লোক সিগারেট
হাতে রাস্তায় বসে পস্রাব করতেছে,সে
দেখতে পেল নিচ দিয়ে পানি পড়তেছে ও উপর
দিয়ে ধোঁয়া উড়তেছে।তখন গ্রামের লোকটি
দৌড়ে গিয়ে সেই লোকটার ঘাঁড়ে চেপে বসল ও
চিৎকার করে বলে উঠল পাইছি এবার রেলগাড়ী।
******** হা...হা...হা...।
joks 34
গানের শিক্ষক এসেছে বল্টুরে গান শিখাতে.....
শিক্ষক:বল্টু,তুই কয়টা গান পারস?
বল্টু:৩ টা গান পারি।
.
শিক্ষক:দেখি কি কি গান জানস...গা একটু।
.
বল্টু:১.ইয়া আলী,পকেট খালি,জানু তুই কি ভাবে ছ্যাকা
দিলি.!
.
.
২.ধাক ধাক কার নে লাগা,হালারে ধইরা গালে ২টা থাপ্পর
লাগা!।।
.
.
৩.দিল তুহি হে বাতা
,কেনো তোমার বাথরুমের বদনা
ফাটাঁ!??
.
.
বল্টুর গান শুনে শিক্ষক তো পুরাই বেহুশ...
joks 35
ছোট বেলায়
একদিন বল্টু খুব অসুস্হ হয়েছিল।তাই তার মা তাকে
ঔষধ খাওয়াচ্ছিল।কিন্তু বল্টু কিছুতেই ওষধ খেতে
চাচ্ছিলনা।তাই তার মা বাধ্য হয়ে সিদ্ধ ডিমের ভিতরে
ঔষধ ঢুকিয়ে বল্টুকে খেতে দেয়।কিছু সময়
পর তার মা এসে তাকে বললো...........
..........বল্টুর মাঃবাবু ডিম খেয়েছ?
বল্টুঃহ্যা মা
খেয়েছি তবে ডিমের বিচিটা ফেলে দিয়েছি।
বল্টুর মা বেহুশ****
joks 36
তিন কুকুর মিলে যুক্তি করলো যে তারা
বিয়ে বাড়ি
যাবে এবং কে কি রকম খেতে পারবে তা
সন্ধ্যায়
শেয়ার করবে।তো গেল তারা বিয়ে
বাড়িতে।
একজন বাড়ির গেট দিয়ে ঢোকার সাথে
সাথেই
ছেলেরা পিঠের ওপর দড়াম করে মারলো
এক
লাঠি।আরেক জন গেল যেখানে
রান্নাবান্না হচ্ছে
সেখানে।একজন তাকে মেরে দিল গরম
পানি।
আরেকজন গেল বিয়েবাড়ির উঠানে।
তাকে দুষ্ট
ছেলের দল বেঁধে রাখলো।তারপর
তিনজন
সন্ধ্যায় মিলিত হলো।কে কি রকম খেল
তার
প্রশ্ন ওঠল।
১ম জনঃ আরে আমি তো যেতে না
যেতেই
বসিয়ে দিল।
২য় জনঃ আমি তো যাওয়ার সাথে সাথেই
গরম গরম।
৩য় জনঃ আরে আমাকে তো আসতে ই
দিচ্ছেলোনা।অনেক কষ্টে ছুটে এলাম..
joks 37
একজন ব্যাবসায়ী
কোনো এক
প্রয়োজনে টাঙ্গাইল
আসে,
এখানে এসে রোড
এক্সিডেন্টে লোকটি
মারা যায়
কিছুক্ষন পর পুলিশ
এসে লোকটির পকেট
থেকে কিছু টাকা ও
তার
ঠিকানা পায়, লোকটির
বাড়ি গাজীপুরের
কোনো এক
জায়গায়,
তার বাড়িতে লাশ
পাঠানোর জন্য একটি
ট্রাক
ভাড়া করল পুলিশ।
ট্রাকটিতে ড্রাইভার
আর
হেলপার বসল সামনে
আর
লাশটি চটি (পাতলা
বাঁশের
বেড়া)দিয়ে পেচিয়ে
রাখা হল
পিছনে,
ট্রাক ছাড়ল রাত
১২টায়,
কিছুদূর যাবার পর
একটি দোকানের
সামনে ট্রাকটি
থামিয়ে হেলপারকে
বলল
এক পেকেট সিগারেট
আনার
জন্য,
তখনদোকানদার
হেলপারকে জিগ্গেস
করল
তারা কোথায়
যাবে হেলপার বলল
গাজীপুর,
পাশে আরেকটি ছেলে
বসা ছিল
সেও এদিকেই
আসবে ভাড়া নেই
বলে যেতে পারছেনা,
ছেলেটি কাউকে কিছু
না জানিয়ে ট্রাকের
পিছনে উঠে
পরল,অন্ধকারে উচু
যায়গা পেয়ে গিয়ে বসল
লাশের উপরে,
কিছুক্ষন পর
ছেলেটি একটা
সিগারেট
ধরালো,
ড্রাইভারঃদেখতো
লাশটা ঠিক
আছে নাকি?
অন্ধকারে বিড়ির
আগুনের
উঠানামা দেখে
হেলপারঃওস্তাদ গাড়ী
থামান
লাশে উইট্টা বইয়া
বইয়া বিড়ি টানতাছে,
ড্রাইভারও একি দৃশ্য
দেখলো,
ব্রেকে পা রেখেই লাফ
দিয়ে দুজনেই দৌড়,
ছেলেটা কিছু
বুঝতে না পেরে সেও
তাদের
পিছনে পিছনে দৌড়
ওস্তাদ
লাশে দৌড়ানি দিছে,
শুরু হল জীবন
বাচানোর দৌড়।।
joks 38
বল্টু যে বাড়িতে কাজ করে, ঐ
বাড়ীর
মালিকের
হুইস্কির বোতল থেকে দু -এক পেগ
চুরি করে খায়
আবার সমপরিমাণ পানি মিশিয়ে
রেখে
দেয়।
মালিকের সন্দেহ হত কিন্তু কিছু
বলত না।
কিন্তু যখন এটা রোজ হতে
লাগলো,, তখন
একদিন ড্রইংরুমে বৌয়ের সাথে
বসে
চিৎকার করে বল্টুকে ডাকতে লাগল।
বল্টু তখন রান্না ঘরে রান্না করছিল।
বল্টু জবাব দিন -জি মালিক।
আমার হুইস্কির বোতল থেকে
হুইস্কি খেয়ে পানি মিশিয়ে কে
রাখে?
রান্না ঘর থেকে কোন উত্তর এল না
মালিক
চিৎকার করে একই প্রশ্ন আবার
করলেন
কিন্তু কোন জবাব নেই।
মালিক রেগে রান্না ঘরে গিয়ে
জিঞ্জেস করলেন
এসব কি হচ্ছে, যখন তোর নাম ধরে
ডাকছি উত্তর
দিচ্ছিস আর যখন অন্য কিছু
জিঞ্জেস করছি তো
উত্তর দিচ্ছিস না?
বল্টু: -মালিক রান্না ঘর থেকে শুধু
নাম শোনা যায়
অন্য কিছু শোনা যায় না।
মালিক: চুপ মিথ্যাবাদী এরকম আবার
হয় নাকি?
তুই ড্রইংরুমে যা সেখান থেকে
আমাকে
প্রশ্ন কর আমি উত্তর দিচ্ছি...
বল্টু ড্রইংরুমে গিয়ে মালিকের
বউয়ের পাশে বসে
আওয়াজ দিল ...মালিক
মালিক: হ্যাঁ বল্টু শুনতে পাচ্ছি!
বল্টু :বাড়িতে কাজের মেয়েকে
মোবাইল কে কিনে দিছে?
কোন উত্তর নেই ... আবার প্রশ্ন
করল
কাজের মেয়েকে পার্কে ঘুরাতে
কে
নিয়ে গেছিল
ওপাশ থেকে তখনো কোন উত্তর
নেই।
মালিক বেরিয়ে এসে তুই ঠিক বলছিস
তো বল্টু
রান্না ঘর থেকে শুধু নামটাই শোনা
যায়
আর অন্য কিছু শোনা যায় না।
joks 39
ছেলে তোতলা
হওয়ার কারণে কোন
জায়গায় তার বিয়ে
হয়না...
.
আরেকদিন মেয়ে
দেখতে
যাওয়ার সময়
ছেলেটির
মা বলল,"এবার মেয়ে
দেখতে গেলে তুই কোন
কথা বলবি না।"
.
ছেলেটা বলল,"থিত
আতে
মা!!"
.
মেয়ে দেখতে গেলে
মেয়েটা ছেলেটাকে এক
কাপ চা দিল...
.
চায়ে চুমুক দিতেই
ছেলেটি
বলল,"ওলে বাবা!! গলম
গলম!"
.
.
মেয়েটা হঠাৎ বলে
উঠলো,"আলে ফুত
মালো,
ফুত মালো!!"
.
এবার মনে হয়
ছেলেটার
বিয়ে হবে!!
কি বলেন??
joks 40
দুই বন্ধু প্রথম বিমানে
উঠেছে ।
কিছু সময় পর এক
বন্ধু বাথরুমে গেল ।
সেখানে গিয়ে সে দেখল
৭টা সুইচ........।
১ম. সুইচটা চাপ দেওয়ার পর
তার জামা-কাপড়খুলে
গেল।
২য়.
সুইচটা চাপ দেওয়ার পর
তার গায়ে সাবান
মাখানো হল ।
৩য়. সুইচটা চাপারপর
তারগায়ে পানি ঢালা
হল ।
৪র্থ. সুইচটা চাপার
পরতারগা মুছে দেওয়া
হল ।
৫ম. সুইচটা চাপার
পর তারগায়ে
সেন্ট মারা হল ।
৬ষ্ঠ. সুইচটা চাপার
পরতাকে আবার জামা-
কাপড় পরিয়ে দেওয়া
হল ।
৭ম. সুইচটা চাপার পর
তাকে লাথি মেরে বাথরু
থেকে বেরকরে দিল ।
এবারসে এসে অপর
বন্ধুকে বলল-
দোস্ত,বাথরুমে গিয়ে
খুবমজা পাইলাম।
তুইও যা ।
শুধু ১ আর ৭ সুইচ
টিপবি।
এই শুনে অপর বন্ধু
বাথরুমে গিয়ে
১ম সুইচটা চাপল আর
তার
জামা-কাপড় খুলে গেল ।
এরপর
৭ম সুইচটা চাপল।
সাথে সাথে তাকে লাথি
মেরে বের
করে দিল...!!
অপর বন্ধু ...হা...হা....হা....হা....
joks 41
(বল্টু এখন আমেরিকা)
***মজার জোকস**
)* একদিন বল্টুর বারিতে চোর
ঢুকে সব চুরি করে নিয়ে গেল।তাই সে থানায়
অভিযোগ করার জন্য পুলিশকে ফোন করল।শুনুন
তাহলে বল্টু পুলিশকে কি বললো....
.বল্টুঃ
হ্যালো,এ))টা কি থানা?পুলিশঃহ্যা
।বল্টুঃআমার বারিতে কালকে চুরি হইছে।
পুলিশঃHOW(
কিভাবে)(
বল্টু ভাব দেখিয়ে ইংরেজিতে
বললো)বল্টুঃকাটিং দা বাঁশের বেরা!ঢুকিং দা চোর!লইং দা
জিনিসপত্র!গোয়িং ইন দা ডোর!পুলিশঃwhat is বাশেঁর
বেরা?
বল্টুঃবাশেঁর বেরা ইজ দা খারা খারা!তার মধ্যে
পেরেক মারা
*** FUNNY JOKES *** one day balṭura bāritē
thieves stole it all went away with it. So he
complained to the police station to call the
cops. Then, listen to what the police man said
balṭu balṭuḥ.....
Hello, this is what a thana? Puliśaḥhyā
Tomorrow. Balṭuḥāmāra bāritē ha'ichē stolen.
Puliśaḥhow (how) (Balṭu show, in English):
Balṭuḥkāṭiṁ Da Bamboo Bērā! Ḍhukiṁ da thieves!
La'iṁ da booze! Going in da door! Puliśaḥwhat is
bāśēm̐ra bērā? Balṭuḥbāśēm̐ra Bērā is da khārā
khārā! He died in the pegs
joks 42
l
।
।
রাতের বেলা বল্টু
ঘুমাতে গেলো!!
মশার কামড়েঅতিষ্ঠ
হয়ে সে মশারি টানালো!!
কিন্তু
ভুলক্রমে একখানা জোনাকি পোকা
মশারির
ভিতর ঢুকে পড়ল!!
বাতি নিভানোর
পরে বল্টু যখন
জোনাকিটা দেখিল
তখন
হাহাকার
করে উঠে বললঃ
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
"হায় হায়!!
মশা তো আমারে টর্চলাইট
জ্বালাইয়া খুজতেসে!!
আমি এখন কই যাই....।।
-------------------------
joks 43
এক রোগী ডাক্তারের চেম্বারে হন্তদন্ত
হয়ে ছুটে এলো।
রোগী: আমার কান পুড়ে গেছে। প্লিজ আমার
জন্য কিছু করেন।
ডাক্তার: সে কী, আপনার দেখছি দু’টো কানই
পুড়ে গেছে! কিভাবে হলো এটা?
রোগী: আমি কাপড় ইস্ত্রি করছিলাম, হঠাৎ আমার
ফোন এলো। আমি রিসিভার মনে করে কানে
দিলাম।
ডাক্তার: সেটা তো বুঝলাম, কিন্তু অন্য কানটা?
রোগী: ফোনটা আবারো এসেছিল।
joks 44
মাঝরাতে বল্টুর ফোন এল ডাক্তারের কাছে।
.
ঃঃবল্টু: ডাক্তার সাহেব, আমার স্ত্রীর
অ্যাপেন্ডিক্সে প্রচণ্ড ব্যথা হচ্ছে।
.
ডাক্তার: উফ্, মাঝরাতে উল্টাপাল্টা কথা বলে বিরক্ত
করবেন না, ঘুমান!
.
একটু পর আবার বল্টুর ফোন।
.
বল্টু: ডাক্তার সাহেব, অ্যাপেন্ডিক্সের ব্যথায়
আমার স্ত্রী ঘুমাতে পারছে না!
ডাক্তার: আরে বোকা, গত বছর যখন ব্যথা হলো,
আমি নিজে অপারেশন করে আপনার স্ত্রীর
অ্যাপেন্ডিক্স ফেলে দিয়েছি। একজন মানুষের
দুটো অ্যাপেন্ডিক্স হয়, কখনো শুনিনি।
.
বল্টু: কিন্তু একজন মানুষের দুটো স্ত্রীর কথা
নিশ্চয় শুনেছেন?
joks 45
চকলেটের দোকানে খোকার সঙ্গে দেখা
হলো এক ভদ্রলোকের।
.
ভদ্রলোক: খোকা, এত চকলেট খেয়ো না।
খেলে তোমার দাঁতে পোকা হবে, পেট খারাপ
হবে, অল্প বয়সেই নানা রোগবালাই ধরবে।
.
খোকা: আপনি বুঝি অনেকদিন বাঁচতে চান?
.
ভদ্রলোক: অবশ্যই।
.
খোকা: আমার দাদির বয়স ১০৭ বছর।
.
ভদ্রলোক: তোমার দাদি নিশ্চয়ই ছোটবেলায়
এত বেশি চকলেট খেতেন না।
.
খোকা: সেটা জানি না, তবে দাদি কখনোই
অন্যের ব্যাপারে নাক গলান না!
joks 46
রুমকীর হাতব্যাগটা হারিয়ে গিয়েছিল। ব্যাগটা
পেয়ে ফেরত দিতে এল বল্টু ৷
রুমকী: আশ্চর্য! আমি যখন ব্যাগটা হারিয়েছি, তখন
ভেতরে একটা ৫০০ টাকার নোট ছিল। এখন
ভেতরে ১০টা ৫০ টাকার নোট— এটা কেমন
করে সম্ভব?
বল্টু: সম্ভব। কারণ, এর আগে যখন আমি
একজনের ব্যাগ ফেরত দিতে গিয়েছিলাম, তার
কাছে আমাকে পুরস্কার দেওয়ার মতো ভাংতি টাকা
ছিল না!
joks 47
বাবা: খোকা, তুমি কাকে বেশি ভালোবাসো?
বাবাকে না মাকে?
খোকা: দুজনকেই।
বাবা: উহু, যেকোনো একজনের কথা বলতে
হবে।
খোকা: না, আমি দুজনকেই ভালোবাসি।
বাবা: আচ্ছা ধরো, তোমার মা গেল প্যারিসে, আর
আমি যুক্তরাষ্ট্রে। তুমি কার সঙ্গে যাবে?
খোকা: মায়ের সঙ্গে।
বাবা: তার মানে তুমি মাকে বেশি ভালোবাসো?
খোকা: না, প্যারিস যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বেশি
সুন্দর।
বাবা: ঠিক আছে। ধরো, আমি গেলাম প্যারিসে
আর তোমার মা গেল যুক্তরাষ্ট্রে।
খোকা: তাহলে আমি যুক্তরাষ্ট্রে যাব।
বাবা: এবার প্যারিসে যাবে না কেন?
খোকা: প্যারিস তো একবার মায়ের সঙ্গে
ঘুরলাম, আবার তোমার সঙ্গে যাব কেন!
joks 48
কবার শিক্ষক
বল্টুকে বললো।
.
.
শিক্ষক : -আচ্ছা বল
তো বল্টু
টাইটানিক জাহাজ
কোন
সাগরে ডুবচে?
.
বল্টু :-জানি না স্যার।
.
শিক্ষক :- বল্টু
বলাতো হিটলারকে কে
মাডার
করেছিল?
.
বল্টু :-জানি না স্যার।
.
শিক্ষক :- বল্টু
কখনো বলবা না যে
তুমি কিছু
জানো না।সব সময়
বলবে তুমি সব
জানো।
.
বল্টু বাসায় ফিরে
চাচী কে বলল
বল্টু :- চাচী আমি সব
জানি।
.
চাচী :- দেখ বল্টু এই
সব বলতে নেই।
তোমার মদন চাচা তো
শুধু
চা দিতে রুমে আসে। এই
নাও ৫০০
টাকা কাউকে কিছু
বলো না।
.
বল্টু এবার কাকির
কাছে গিয়া কয়
বল্টু :- কাকি ও কাকি
আমি সব
জানি।
কাকি : আরে বল্টু কি
কস এই সব ।
তোর সাকিল কাকা তো
শুধু রুম
পরিষ্কার করতে ঘরে
আসে। এইনে ৫০০
টাকা কাউরে কিছু
কবি না।
.
বল্টু এবার ভাবির
কাছে গিয়ে বলল
বল্টু :- ভাবি ও ভাবি
আমি সব
জানি।
ভাবি : বল্টুকে এক চর
দিয়ে কইলো
সব
জানিস তো মুখ
খুলস ক্যান। এই নে
৫০০ টাকা।
:
কাউরে কিছু কবি না।
¶
¶
¶
কেউ বল্টুরে কিছু
বলিসনে
বল্টু সব জানে#
joks 49
এক আমেরিকান
আর এক বাঙালীর
মধ্যে কথা হচ্ছে......
আমেরিকানঃ তোমরা কি অদ্ভূত
জাত,
তোমাদের কারোও
রং ফর্সা, কেউ
আবার বাদামী, কারও
আবার
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now