বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
গল্পটি জিম এবং স্টিউ নামের দুজন অসুস্থ ব্যক্তিকে
নিয়ে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ
দুজনকেই একই রুমে এডমিট করে।জীমের
বেডটি ছিল জানালার একেবারে কাছাকাছি আর স্টিউ এর
বেডটি ছিল জীমের ঠিক পেছনে। কেউ
কারো চেনা পরিচিত না হলেও একই রুমে থাকার
সুবাদে দুজনের মধ্যে একটা সময় ভাল সম্পর্ক
গড়ে উঠে। দিনের বেশিরভাগ সময়ই ব্যক্তিগত
জীবনের স্মৃতিগুলো নিয়ে তারা একে অন্যের
সাথে গল্পে মেতে উঠতো।
.
জীম প্রত্যেক বিকেলে বেডে উঠে
বসতো আর জানালার দিকে তাকিয়ে বাহিরের
মনোরম দৃশ্যগুলো দেখে স্টিউ এর কাছে
বর্ননা করতো। যেহেতু স্টিউ জানালার ওপাশের
দৃশ্যগুলো দেখতে পারতো না তাই সে
জীমের বর্ননাগুলো মন দিয়ে শুনতো আর
চোখ বন্ধ করে সেগুলো কল্পনা করতো।
এভাবে করেই সেই হাসপাতালে তাদের দিন, সপ্তাহ
এবং মাস পেরিয়ে গেল।
.
কোন এক সকালে হাসপাতালের নার্স তাদের
দুজনের গোসলের জন্য পানি আনতে গিয়ে
দেখে জীমের নিথর দেহ বেডে পড়ে
আছে। ঘুমন্ত অবস্থায় জীমের মৃত্যু ঘটে। নার্স
সাথে সাথে হাসপাতালের এটেন্ডেন্টকে কল
করে মৃত দেহটা সরিয়ে ফেলতে বলে। জীম
যেহেতু মারা গিয়েছে সেহেতু ঐ বেডটা খালি
পড়ে থাকলো। স্টিউ নার্সকে অনুরোধ করলো
যদি সম্ভব হয় তাকে যেন ঐ বেডে ট্রান্সফার করা
হয়। নার্স খুশি মনে তাকে জীমের বেডটাতে
ট্রান্সফার করে দিল। স্টিউ ওই বেডে যাওয়ার পর
উৎসাহিত হয়ে জানালার ফাক গলে দেখতে চাইলো
জীম তাকে যা যা বর্ননা করেছিল সেগুলো। কিন্তু
হায় একি ওখানে তো একটা সাদা দেয়াল! বাইরের
কোন কিছুই তো দেখা যায় না। স্টিউ নার্সকে
জিজ্ঞেস করলো জানালার ওপাশে যেহেতু একটা
দেয়াল ছাড়া আর কিছুই নেই তবে জীম তাকে
কীভাবে বাইরের মনোরম পরিবেশ নিয়ে
এতো সুন্দর সুন্দর বর্ননা করলো। প্রতিত্তুরে
নার্স স্টিউকে বলল জীম ছিল টোটালি অন্ধ। সুতরাং
জানালার ওপাশে যে কোন দেয়াল আছে সেটাও
সে দেখতে পেতো না। হয়তো জীম
ওভাবে বর্ননা করেছিল এই কারনে যে সে
চেয়েছিল স্টিউ এর মনের ভিতর একটা উদ্দীপনা,
একটা আশার আলো যাতে জেগে উঠে।
.
# মোরালঃ কাউকে সুখী করার মধ্যে অনেক
বেশি সুখ নিহিত রয়েছে এমনকি আপনি যে অবস্থায়
থাকুন না কেন। কারো সাথে দুঃখ ভাগভাগি করলে
হয়তো অর্ধেক দুঃখ প্রশমিত হতে পারে কিন্তু
সুখটাকে যখন শেয়ার করা হয় তখন সেই সুখটা
দ্বিগুণ হয়ে যায়। যদি আপনি নিজেকে ধনী মনে
করতে চান তবে লাইফের এমন বিষয়গুলোকে
কাউন্ট করুন যেগুলোকে টাকা দিয়ে কেনা যায় না।
“মনে রাখবেন আজকের দিনটি আপনার জন্য
স্রষ্টার একটি উপহার যাকে আমরা বর্তমান বলে
ডাকি।“
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now