বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ইঞ্জিনিয়ার নজরুল ইসলাম দেশের একমাত্র ব্যক্তি যিনি কোন নির্বাচিত প্রতিনিধি না হয়েও ১৬শ’ মুক্তিযোদ্ধাকে প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা ও এক লাখ শরর্ণাথীর থাকার জায়গাসহ খাওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন । মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময় বৃহত্তর রংপুরকে নিয়ে ভারতের শীতলকুচিতে অবস্থিত নর্থ জোনের যুব প্রশিক্ষণের প্রধান ছিলেন তিনি।
শুধু তাই নয়, মুক্তিযুদ্ধের সময় লালমনিরহাটের সাথে হাতিবান্ধার রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্নের লক্ষ্যে ভোটমারী ভাকারি ব্রীজ উড়িয়ে দেয়া হয়েছিল তারই নেতৃত্বে। সেই বীরত্ব গাঁথা ব্যক্তিটি আজও উপেক্ষিত স্থানীয় প্রশাসনের কাছে। স্বাধীনতা কিংবা বিজয় দিবসের মতো রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে এখন আর ডাক পড়ে না মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ইঞ্জিনিয়ার নজরুল ইসলামের।
১৯৪৮ সালের ৩ ফেব্র“য়ারি লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা উপজেলার ডাউয়াবাড়ি গ্রামে নানা বাড়িতে জন্মগ্রহন করেন নজরুল ইসলাম। পিতা নুরুল ইসলাম, মা মতিয়ন নেছা।
তার ৭১’র যুদ্ধকালীন ডায়ারী থেকে জানা গেছে, ২৪ মার্চ জাতীয় পরিষদের অধিবেশন আবার পিছেয়ে যায়, ২৫ মার্চ তিনি তার ডায়ারীতে বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসাবে উল্লেখ করে লেখেন, ওহফবঢ়বহফবহপব ফধু ভড়ৎ ইধহমষধফবংয।
তিনি ২৪ মার্চ থেকে তার ডায়ারীতে পাকিস্তানের স্থলে “বাংলা দেশ” লেখা শুরু করেন। আরও জানা যায়, ৩১ মার্চ বিভিন্ন স্থান থেকে রাইফেল, মেশিনগান, ব্রেনগান, ২, ৩ ও ৬ ইঞ্চি মর্টার, অটোমেটিক এম সি, মুক্তিযুদ্ধ প্রচারের জন্য রেডিও ট্রান্সমিটার, হ্যান্ডগ্রেনেড, ও পিস্তল সংগ্রহ করেন।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now