বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
--এই নীরব কোথায় তুমি?
--এইতো আছি।
--আছ তো বুঝলাম, কিন্তু কোথায় আছ?
--বন্ধু দের সাথে একটু আড্ডা দিচ্ছি।
--আচ্ছা তোমার এই গুরাগুরি ছারা আর কোন কাজ নেই.? বন্ধু দের সাথে কি প্রতিদিন দেখা করতে হয়.?রোজা রেখেছ সারাদিন এখন একটু বাসায় থাকবে তা না। যাও বাসায় যাও(দমকের সুরে কথা গুলো বলল)
--আচ্ছা যাচ্ছি তো এত রাগো কেন.?
--তোমার সাথে কিছু কথা ছিল ভাবছিলাম সেগুলো বলব,, কিন্তু তা না করে দিলে মেজাজ টা গরম করে।
--আচ্ছা ঠান্ডা করে একটু বল তো
--এখন বলতে পারব না। রাতে বলব
--আচ্ছা। তো এখন কি করছ তুমি?
--ইফতার রেডি করছি। এই ইফতারের সময় হয়ে যাচ্ছে তারাতারি বাসায় যাও।
--হুম যাচ্ছি।
--আর শুনো
--হুম বলো
--ইফতার করে, নামাজ পরে তারপর ফোন দিবা হুম
--আচ্ছা
,
বাসার দিকে হাটছি আর ভাবছি কি এমন কথা বলবে.?যাই হোক রাতে ত বলবেই এত চিন্তা করার কি আছে।
ইফতার শেষ করে নামাজ পরে তারপর রিমুকে কল দেওয়ার জন্য ফোনটা হাতে নিলাম।
ও হ্যা পরিচয় দিতে ত ভুলে গেলাম, আমি নীরব। আর যার সাথে কথা বললাম উনি হল আমার ইয়ে। নাম রিমু
,
--কি কর.?
--বসে আছি। তুমি কি কর?
--বসে আছি
--কাল কে আমার সাথে একটু দেখা করতে পারবে?
--কেন গত সপ্তাহে না দেখা করলাম। এখন পারব না
--এই তুমি এমন কেন, দেখা করতে বললে দেখা করতে চাও না। তুমি আমাকে একটুও ভালোবাসো না
--আচ্ছা কাল কে দেখা করব। এবার ত খুশি
--হুম love u
--love u too
--আচ্ছা রাখি আম্মু ডাকছে
--ওকে বাই
,
সকালে ঘুমাচ্ছি এমন সময় ফোন টা চিৎকার দিয়ে বেজে উঠল।ফোনের দিকে না তাকিয়েই রিসিব করলাম, এই সময় রিমু ছারা আর কেউ কল দিবে না
--হ্যালো
--হুম
--কখন উঠবে ঘুম থেকে.?
--এইত এখনি। তুমি কি কর
--রেডি হচ্ছি
--কেন কোথায় যাবে?
--এই নীরব ভুলে গেছ, আজ না আমরা দেখা করব।
--ওহ ভুলেই গেছিলাম
--ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে বাসা থেকে বের হয়ে কল দিবা
--আচ্ছা উঠছি
,
ফ্রেশ হয়ে বাসা বের হয়ে রিমু কে কল দিলাম। ও বলল বাসার সামনেই দারিয়ে থাকতে। আমিও তাই করলাম।একটু পর ও রিক্সা নিয়ে বমার সামনে হাজির
--এই উঠো
--কোথায় যাব আমরা?
--আগে উঠো তারপর দেখি কোথায় যাওয়া যায়
উঠে বসে আবার জানতে চাইলাম
--কোথায় যাবে?
--শপিং করতে
--আমি যাচ্ছি কেন?
--চুপ করে বসে থাক
চলে এলাম শপিংমহলে
--আমি তোমার সাথে হাটতে পারব না
--তাহলে এখানে বসে থাক
ও ভিতরে চলে গেল।একটু পর কয়েক টা শপিং ব্যাগ নিয়ে বেরিয়ে এল।
রিক্সা করে চলে এলাম। ওর বাসার সামনে এসে নামলাম
--এগুলো ধর(ব্যাগ গুলো আমার দিকে এগিয়ে দিয়ে)
--তোমার বাসার সামনে ত চলে এলাম। আর তোমার শপিং দিয়ে আমি কি করব?
--এত বেশি কথা কেন বল। বাসায় গিয়ে দেখবে এতে কি আছে।আর বাসায় গিয়ে ফোন দিও
তারপর আমাকে একটা রিক্সায় উঠিয়ে দিয়ে ও বাসায় চলে গেল
রিক্সায় বসে বসে ভাবছি কি আছে ব্যাগে,ও ত বলছে বাসায় গিয়ে দেখতে
বাসায় এসে রিমুকে কল দিলাম
--ব্যাগ খুলব?
--হুম খুলে দেখ কি কি আছে
--দুটাে পান্জাবি, দুটো শাড়ি, আর র্টি-শার্ট
--সাদা পান্জাবি টা আব্বুর আার হলুদ পান্জাবিটা তোমার।
--বুজলাম কিন্তু শাড়ি দুটো?
--একটা আম্মুর জন্য আর নীল শাড়িটা আমার জন্য।আর টি শার্ট ছোট ভাইয়ার জন্য
--তোমার শাড়ি আমার কাছে কেন দিয়েছ।আর তুমি এত টাকা কোখায় পেলে?
--টাকা ভাইয়ার কাছ থেকে আমার শপিং এর কথা বলে নিয়েছি
--তুমি শপিং করবে না?
--করব ত, তুমি আছ না, তুমি করে দিবা।
--আচ্ছা দিব কিন্তু তোমার শাড়ি আমার কাছে কেন দিয়েছ?
--শাড়িটা তুমি ঈদের আগের রাতে এসে দিয়ে যাবে।
--হুম ওকে
,
আমি অনেক খুশি। ভাবতেই অবাক লাগছে যে মেয়ে নিজে শপিং না করে আমাকে আমার পরিবারের জন্য শপিং করল।এমন ভালোবাসার মানুষ যার আছে সেই পৃথিরীর সব থেকে সুখি মানুষ
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now