বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
কেমন করে যেন মেয়েটার সঙ্গে একটা সখ্য
হয়ে গেল! অথচ ক্লাসের কারও সঙ্গেই সে
তেমন কথা বলে না। প্রথম যেদিন সুদীপ্তা আমার
সঙ্গে যেচে এসে কথা বলল, সেদিন সবার
চোখই ছানাবড়া। ক্লাস সিক্সে সেকশন ছিল দুটি।
‘এ’ ছেলেদের আর ‘বি’ সেকশন মেয়েদের।
সিক্স থেকে সেভেনে ওঠার সময় আমি
হয়েছিলাম প্রথম আর সে দ্বিতীয়। মূলত সেদিনই
সে আমার সঙ্গে পরিচিত হতে এসেছিল।
ক্লাস সেভেনে আর সেকশন ছিল না। তারপর
সে আমার বন্ধু হয়ে ওঠেনি ঠিক, তবে তার
সঙ্গে স্রেফ সহপাঠীর সম্পর্কও ছিল না।
কেমন যেন একটা হালকা লাজুক দূরত্ব ছিল
দুজনের মধ্যে। একদিন সকালবেলায়, ক্লাস শুরুর
আগে দুজনের দেখা হয়ে গিয়েছিল। সেদিন
আর কেউ এত তাড়াতাড়ি স্কুলে আসেনি। আমি
সাইকেলের ক্যারিয়ার থেকে বইখাতা বেঞ্চে
রেখেই বেরিয়ে যাব, এমন সময় পেছন
থেকে ডাক, ‘অ্যাই পরাগ।’ আমি রীতিমতো
ভড়কে গেলাম। এই প্রথম দুজনের একান্তে
কথা। আমার তো গলা দিয়ে শব্দ বেরোচ্ছিল না। যা
প্রশ্ন করার সে-ই করেছিল। আমি কেবল জবাব
দিয়ে গেলাম। কথার একপর্যায়ে সে জানতে
চাইল, আমি কার গান পছন্দ করি। তখন হাবিব ওয়াহিদের
তুমুল জনপ্রিয়তা। আমিও হাবিবের ফ্যান। আমার
উত্তরে সে মুচকি হাসল। জানাল, হাবিবের গান
তখনো তার শোনাই হয়নি। এই একটা প্রশ্নই
সেদিন তাকে আমি করেছিলাম, ‘তুমি কার গান
শোনো?’ তার প্রিয় দলছুট। আমিও এর আগে
দলছুটের গান শুনিনি।
সেদিন থেকেই আমার প্লেলিস্টের বিশাল একটা
জায়গা দখল করে নিল সঞ্জীব চৌধুরী, বাপ্পা
মজুমদার। এখনো কেউ আমার প্রিয় গায়ক বা
ব্যান্ডের নাম জানতে চাইলে আমি দলছুটের কথাই
বলি। এসএসসি পাসের পর আর সুদীপ্তার সঙ্গে
দেখা হয়নি। জানি না, তার প্লেলিস্টে এখন হাবিবের
কোনো গান রয়েছে কি না। বাপ্পা বা সঞ্জীব
চৌধুরী কিন্তু এখনো আমার লিস্টে রয়েই
গেছে!
জমাতুল ইসলাম
গুরুদয়াল সরকারি কলেজ, কিশোরগঞ্জ।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now