বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
১. মিশন: (বর্তমান)
মধ্য রাত, গভীর ঘুমে অচেতন রাইসা, এ্যালান চোখ খুলে ঘুমন্ত রাইসার মুখের দিকে অপলক চেয়ে থাকে কিছুক্ষণ; জানালা খোলা, চাঁদের আলোয় সারা ঘর ঝলমল করছিলো, সবচেয়ে বেশি ঝলমল করছিলো রাইসার মুখ, যেন জলের বুকে চাঁদের ছায়া, ছুঁয়ে দিলেই ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে যাবে। অপার্থিব এক ভালোবাসায় বুকের ভিতরটা মোচড় দিয়ে উঠে এ্যালানের, আজকের পর কি রাইসা আগের মত ভালোবাসতে পারবে তাকে, সব জেনেও কি তাকে একান্ত আপন করে নিতে পারবে? ক্ষণিকের তরে মানবীয় আবেগ গ্রাস করে এ্যালানকে, মনে মনে ভাবে, থাক না সব কিছু আগের মতই ! কি দরকার শতবছর ধরে চলে আসা এই সিস্টেমের বিরুদ্ধে একা লড়াই করার ! পরমুহূর্তেই মন থেকে সব দুর্বলতা ঝেড়ে ফেলে সে, পা টিপেটিপে বিছানা থেকে নামে এ্যালান। খুব সন্তর্পনে বিড়ালের মত পা ফেলে কোন রকম শব্দ না করে ঘর থেকে বের হয়ে আসে সে। পরবর্তী দশ মিনিটের মধ্যে সম্পূর্ণ প্রস্তুত হয়ে যায়, কালো স্কিন টাইট ট্রাউজার, কালো ফুল হাতা স্কিন টাইট টি-সার্ট, কালো হাত মোজা পড়ে অন্ধকারে ঘর থেকে বের হয়ে আসে এ্যালান। ডান হাতে ধরা বড় একটা ব্রিফকেস, তাই ঐ দিকে একটু ঝুঁকে আছে তার দেহটা, বুঝা যাচ্ছে অনেক ভারী কিছু আছে হাতের ব্রিফকেসটায়। রাস্তায় নেমেই প্রথমে পকেট থেকে বের করে তার ফিউশন ট্রেকিং গোলকটা; এক সেন্টিমিটার ব্যাসের ছোট একটি গোলক, তার মধ্যে থেকে হাজার খানেক চুলের মতন চিকন গোল্ডেন তার বের হয়ে আছে, কিছুক্ষণ মন্ত্রমুগ্ধের মত তাকিয়ে থাকে এ্যালান এই ফিউশন গোলকটির দিকে। কি অপরিসীম ক্ষমতা ছোট এই গোলকটির! আয়তনে মার্বেলের মতন এই গোলকটি পৃথিবীর দুইশত কোটি মানুষকে একটি অদৃশ্য কারাগারে বন্দী করে রেখেছে গত দুইশত বছর ধরে ! সবকিছু ঠিকমত ঘটলে আজই এর অবসান ঘটবে, এ্যালানের উপর নির্ভর করছে বিশ্বের সমগ্র মানুষের স্বাধীনতা, সে না পারলে জীবিত আর কারও পক্ষেই এই যুদ্ধে জয়ী হওয়া সম্ভব না, নাহঃ তাকে কোন ভাবেই বিফল হওয়া চলবে না !
চরম আক্রোশে ফিউশন গোলকটা মাটিতে ছুঁড়ে ফেলে বুট দিয়ে মাড়িয়ে গুঁড়াগুঁড়া করে দেয় এ্যালান, মুহূর্তের মধ্যে পৃথিবীর সমস্ত সিস্টেমের কাছে অদৃশ্য হয়ে যায় সে, পৃথিবীর কোন কম্পিউটার, কোন রোবট, বায়োবট বা কোন স্ক্যানিং সিষ্টেমই আর তাকে চিহ্ণিত করতে পারবে না। চরম তৃপ্তির একটা আবেশ এ্যালানের সমগ্র শরীরে ছড়িয়ে পড়ে, আহঃ ! স্বাধীনতার এত আনন্দ ! একটু আবেগ প্রবন হয়ে উঠে এ্যালান, আকাশের দিকে তাকিয়ে চিৎকার করে উঠতে ইচ্ছা করে তার, মুহূর্তেই নিজেকে সংযত করে সে, এখনও আসল কাজ বাকী ।
হাত ঘড়িতে সময় দেখে নেয় এ্যালান, এখন বাজে একটা, তিনটা বাজার আগে ফিউশন সেন্টারে পৌঁছাতে হবে। প্রতিটি গাড়িতেই ট্রেকিং ডিভাইস লাগানো থাকে, গাড়ি স্টার্ট দেওয়ার সাথে সাথেই ট্রেকিং এ্যাকটিভ হয়ে যাবে। তাই গাড়ি নিয়ে যাওয়ার কোন উপাই নেই, হেঁটেই যেতে হবে তাকে।
টানা দুই ঘন্টার মত হেঁটে হাঁপিয়ে উঠে এ্যালান, ফিউশন সেন্টারের দেয়ালে হেলান দিয়ে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেয় সে, তারপর ছয় ফিট উঁচু দেয়াল টপকিয়ে ঢুকে পরে পৃথিবীর ভয়ংকরতম জায়গা ফিউশন সেন্টারের সীমানায়। বিশাল এলাকা নিয়ে এই সেন্টার, সমগ্র এলাকা জুড়ে এটোমিক ব্লাস্টার হাতে ঘুরে বেড়াচ্ছে ভয়ংকর দর্শন সামরিক রোবট। এ্যালনের সাথে ফিউশন ট্রেকিং গোলকটা না থাকার কারনে এদের কেউই তাকে দেখতে বা ট্রেক করতে পারবে না, এইসব রোবটেদের কাছে আসলে এ্যালানের কোন অস্তিত্বই নেই। তারপরেও স্বাভাবিক আত্মরক্ষার তাড়নায় তার বুকটা ধুকধুক করছিলো, কাঁপা কাঁপা পদক্ষেপে সে একটা রোবটের সামনে দাড়ায়, কিন্তু রোবটটার মধ্যে কোন পরিবর্তন দেখতে না পেয়ে তার ভয় আস্তে আস্তে উবে গিয়ে পূর্ণ আত্মবিশ্বাস ফিরে আসে। এবার মেইন রোড দিয়ে দীপ্ত পদক্ষেপে হেঁটে গিয়ে মূল ফটকের সামনে দাড়ায় এ্যালান। মূল ফটকে দাড়ানো রোবট গার্ডের পকেট থেকে টান দিয়ে পাঞ্চিং কার্ডটা বের করে আনে সে, রোবটের কোন বিকার নেই। মূল বিল্ডিং এ ঢুকে লিফটে দিকে এগিয়ে যায় এ্যালান, লিফটে ঢুকে ভূগর্ভস্হ পঞ্চাশ তলা নিচে, সেন্টারের হৃৎপিন্ড উপস্হিত হয় সে। বিস্ময়ে বিহ্বল হয়ে যায় সে ! আলোতে চারদিকে মধ্যাহ্ণে মত ঝলমল করছে ; প্রায় পঞ্চাশ মিটার ব্যাসের একটা গোলক, ঠিক ছোট ফিউশন ট্রেকিং গোলকের মতই দেখতে শুধু আকারে বিশাল, তরল হিলিয়ামের উপর ভাসছে, আর চারদিক থেকে লক্ষ কোটি তার এসে এই গোলকের বহিরাবরনে মিশেছে। এ এক অপার্থিব অপূর্ব দৃশ্য ! পৃথিবীর কোন জীবন্ত মানুষ গত দুইশত বছরে এই খানে আসতে পারেনি !
বিহ্বল ভাব কেটে গেলে, কালক্ষেপন না করে কাজে লেগে যায় এ্যালান। ব্রিফকেস খুলে কাঁপা কাঁপা হাতে বের করে আনে ছোট কিন্তু ভয়ংকর বিধ্বংসী টাইম বোমাটা। এই সেন্টার ধ্বংস করার জন্য এত পাওয়ারফুল বোমার কোন দরকার ছিলো না, কিন্তু এ্যালান কোন রকম ঝুঁকি নিয়ে রাজি নয় । বোমাটা জায়গা মত বসিয়ে হাত ঘড়ির সাথে মিলিয়ে ঠিক ছয়টায় সময় সেট করে সে। এখন বাজে সাড়ে চারটা, এখান থেকে বের হয়ে, সাতটার মধ্যে ব্রডকাস্টিং সেন্টারে পৌঁছাতে হবে তাকে। টিভি, রেডিও, ইন্টারনেটে বিশ্ববাসীর কাছে এক যোগে প্রচার করতে হবে তাদের মুক্তির সুসংবাদ। হাতে সময় কম, সবকিছু আবার চেক করে ঠিক পাঁচটার সময় লিফটে করে গ্রাউন্ডফ্লোরে উঠে আসে এ্যালান।
সেন্টারের দেয়াল টপকিয়ে বাইরে এসে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেয় এ্যালান, অধৈর্য্য হয়ে একটু পরপর হাতের ঘড়িতে সময় দেখতে থাকে সে, শেষে এসে ঘড়ির সাথে সুর মিলিয়ে কাউন্ট ডাউন শুরু করে এ্যালান ...... ফাইভ, ফোর, থ্রী, টু, ওয়ান .... এক সেকেন্ড, দুই সেকেন্ড, তিন সেকেন্ড কোন সারা শব্দ নেই ! হঠাৎ পায়ের নিচে মাটি কেঁপে উঠে, থরথর ! পাঁচ সেকেন্ড পর বিকট শব্দের কানে তালা লাগে যায় এ্যালানের।
মুচকি হেসে পকেট থেকে আট পাতার ভাষণের পান্ডুলিপিটা বের একটু চোখ বুলিয়েই আবার পকেটে চালান করে দিয়ে ব্রডকাস্টিং সেন্টারের দিকে পা বাড়ায় এ্যালান, মিশন সফল।
২. ফিউশন গোলক:
একবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে পৃথিবীতে যখন অরাজকতা সীমা ছাড়িয়ে যাবার উপক্রম হয় তখন একদল নিবেদিত প্রাণ বিজ্ঞানী ফিউশন ট্রেকিং ডিভাইসটি আবিষ্কার করে। প্রাথমিক ভাবে আইন করে বাধ্য করা হয় যে, প্রত্যেকেই এই ডিভাইসটি সাথে রাখতে হবে। এতে সারা বিশ্বের প্রতিটি মানুষকে ট্রেকিং করা সম্ভব হয়। প্রতি মুহূর্তের কে কোথায় আছে, কি করছে, কি কথা বলছে, তার সব বিস্তারিত ইনফরমেশন ফিউশন সেন্ট্রালে চলে যেত। ফলে, অবিশ্বাস্য রকম ভাবে কমে আসে অপরাধের সংখ্যা। কিন্তু এর কয়েক বছর পর, আবার ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে হত্যা, ধর্ষণ, ছিনতাই এর হার। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, এবার অপরাধ সংগঠিত হওয়ার স্হানে কাউকে ট্রেক করা সম্ভব হচ্ছে না । পরে জানা গেলো যে, অপরাধীরা এক স্হানে ফিউশন ট্রেকিং ডিভাইসটা রেখে অন্য কোথাও অপরাধ সংগঠিত করে আবার আগের স্হানে ফিরে এসে ট্রেকিং ডিভাইস পকেটে ভরে নেয়। এতে করে ফিউশন সেন্টারে অপরাধ সংগঠিত হওয়ার স্হানে কোন অপরাধীর উপস্হিত থাকার কোন ইনফরমেশন পাওয়া যায় না।
আবার আইন পরিবর্তন করা হলো, প্রতিটি শিশুর জন্মের সাথে সাথে অস্ত্রোপচার করে মস্তিষ্কের ঠিক কেন্দ্রে ফিউশন ট্রেকিং গোলক বসানো বাধ্যতামূলক করা হলো। এতে করে জীবিত অবস্হায়, মস্তিষ্ক অক্ষত রেখে কেউ এই গোলক অপসারন করতে পারবে না। ফলাফল স্বরূপ এক প্রজন্ম পরেই পৃথিবীতে অপরাধের সংখ্যা একেবারে শূণ্যের কোঠায় নেমে আসে। সমগ্র মানব জাতী এক হয়ে নিয়মতান্ত্রিক ভাবে কাজ করতে থাকে, কোথাও কোন অপরাধ নেই, নেই কোন বিশৃঙ্খলা, সবাই যার যার কাজ করে যাচ্ছে সুশৃঙ্খলভাবে। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসাবে মানুষের জীবন হয়ে উঠে ভয়ংকর রকম বৈচিত্রহীন, একঘেঁয়েমি পূর্ণ, আত্মহত্যার হার বেড়ে যায় ভয়ংকর রকমভাবে
ধীরে ধীরে বিশ্ববাসী অনুধাবন করতে পারে, সবাই একেকটা জৈবিক রোবটে পরিনত হয়ে গেছে; কিন্তু ততদিনে অনেক দেরি হয়ে গেছে, মানুষ নিজের অজান্তেই নিজের বানানো পরাধীনতার শিকলে বাঁধা পড়ে গেছে। সম্পূর্ণ ট্রেকিং সিস্টেম এমন ভাবে ডেভেলপ করা হয়েছিলো যে, সে নিজেই নিজেকে আপডেট করতে ও রক্ষণাবেক্ষণ করতে পারবে। এই ট্রেকিং সিসটেম এমন ভাবে পরবর্তী প্রজন্মের ফিউশন গোলক তৈরী করে যে, মস্তিষ্কে বসানো এই গোলকের মধ্যেমে একটি নির্দিষ্ট কম্পনের সিগনাল দিয়ে যে কোন মানুষকে মুহূর্তেই হত্যা করা সম্ভব।
কিছু সাহসী যুবক ছোট খাটো বোমা নিয়ে মাঝে মাঝেই সেন্টারে হামলা করে, কিন্তু সেন্টারের কাছে পৌছার আগেই অসহ্য মাথা ব্যাথায় চিৎকার দিয়ে মাটিতে গড়িয়ে পড়ে আর মস্তিষ্কের রক্তক্ষরনে কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পরে। পরবর্তীতে রাষ্ট্রদ্রোহী আখ্যা দিয়ে পরম অবহেলায় এদের দেহকে ইলেক্ট্রিক চুল্লীতে পুড়িয়ে ফেলা হয়। মানুষের স্বাধীনতা স্পৃহা কল্পনাতীত, নিশ্চিত মৃত্যু জেনেও কত টগবগে তরুন যে এভাবে জীবন জলাঞ্জলি দিয়েছে, তার ইয়ত্তা নেই।
৩.এ্যালান: (এক বছর আগের ঘটনা)
ফিউশন সেন্টার পার হয়ে এ্যালানের অফিস, প্রতিদিন সকালে এটার পাশ দিয়ে গাড়ী চালিয়ে তাকে অফিসে যেতে হয়, যাবার পথে একরাশ ঘৃণা নিয়ে ফিউশন সেন্টারের দিকে তাকিয়ে থাকে সে। শুধু ঘৃণার যদি নিজস্ব কোন শক্তি থাকতো, তাহলে পৃথিবী দুইশত কোটি মানুষের ঘৃণায় মুহূর্তেই গুঁড়াগুঁড়া হয়ে ধূলির সাথে মিশে যেতো মানুষের নিজের হাতেই তৈরী ইতিহাসের জঘন্যতম এই সেন্টারটি। আফসোস, মানুষ ঘৃনাকে শক্তিতে রুপান্তরিত করতে পারলেও ঘৃনার নিজস্ব কোন শক্তি নেই।
আজকেও মনে হয় দেরি হয়ে যাবে অফিসে, ভাবে এ্যালান। তাড়াহুড়ো করে গাড়ি পার্ক করে অফিসের দিকে দৌড়ে যায় সে। ঢুকার মুহূর্তে ডিং করে একটা শব্দ হয়ে স্পিকারে আওয়াজ ভেসে আসে, "মিস্টার এ্যালান, আপনি ১ মিনিট দেরি করে অফিসের এসেছেন, আপনার এক ঘন্টার বেতন মাস শেষে কেটে নেওয়া হবে।"
জাহান্নামের যাও তুমি, নিজের অজান্তেই গালিটা মুখদিয়ে বের হয়ে আসে এ্যালানের।
মিস্টার এ্যালান, আপনি এই মাত্র মহামন্য ফিউশন সেন্টারকে কটুক্তি করেছেন, আপনাকে একশত ইউনিট জরিমানা করা হলো।
রাগে গজগজ করতে করতে নিজের ডেস্কের গিয়ে বসে এ্যালান। একটা ঘন্টা যেহেতু বেতন থেকে কাটাই যাবে তাই এই একটা ঘন্টা একটু টিভি দেখা যাক। চ্যানেল বদলাতে বদলাতে একটা চ্যানেলের বিজ্ঞাপন তার চোখ আটকে যায়। মাথাটা একটু ঝাকি দিয়ে আবার শুনার চেষ্টার করে এ্যালান, সে কি ঠিক শুনছে ? নাহঃ ! ঠিকইতো শুনছে !
মেয়েটি একনাগাড়ে বলে যাচ্ছে, "আপনি কি বিষাদগ্রস্ত? নাগরিক বিনোদনের অভাব অনুভব করছেন? আপনি কি নিজেকে বন্দী মনে করছেন ? আপনি কি আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে খুন করতে চান ? তাহলে আমরা আপনাকে খুঁজছি না, আপনিই আমাদের খুঁজছেন, চলে আসুন আমাদের এখানে, জীবনকে উপভোগ করুন সম্পূর্ণ ভিন্ন এক মাত্রায়"
নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছে না এ্যালান, ফিউশন সেন্টারের অনুমোদন ব্যাতিত কোন কিছু প্রচার করা যায় না, তাহলে খুনের বিজ্ঞাপন কিভাবে প্রচার করছে এই সংস্হা ! এটা নিশ্চই নতুন কোন ব্যাবসায়ীক ধন্দাবাজী। তারপরও ওদের ঠিকানাটা টুকে রাখে এ্যালান। খুন করার স্বাধীনতা ! ওহ! নিশ্চই খুব থ্রিলিং কোন খেলা হবে; গতানুগতিক থিম পার্ক, সী বীচ, পাহাড় ট্রেকিং এইসবের আর মানুষ কোন মজা পায় না, এখন দরকার অপরাধ করার আনন্দ, তার উপর সেটা যদি হয় খুন করার মত অপরাধ তাহলেতো সে এক অভূতপূর্ব অভিজ্ঞতা !
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now