বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
একটি বিয়ে এবং ...
- Kishor Pasha Imon
.
.
হেঁটে হেঁটে আকাশ দেখার একটা আলাদা ধরণের আনন্দ আছে ।
রাতের আকাশের সৌন্দর্য্য তো আরও বেশি ।
আজকের আকাশে মেঘ নেই । তারাগুলো আনন্দে চিকচিক করছে ।
রাত একটা বাজে ।
আমার রাত কেবল শুরু । রাতের কাছে পরাজিত মানুষগুলো ঘুমে কাতর ।
নগরীর ঠান্ডা রাস্তাগুলোতে এই সময়ে মাঝে মাঝে হাঁটতে বেরুই আমি ।
সব সময় না । যখন বাসা যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয় – সেসব রাতেই ।
আজ রাতে বাসায় ফেরার উপায় নেই ।
বাসা আজ শুধু যুদ্ধক্ষেত্র নয় – পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গেলে একে ‘বিশ্বযুদ্ধক্ষেত্র’ বলা যেতে পারে ।
বড় ভাই বিয়ে করে ভাবীকে সাথে নিয়ে রাত আটটায় বাসায় ঢুকে পড়ে ।
ঠিক রাত দশটায় ছুটন্ত গুলি এবং ফুটন্ত গ্রেনেড এড়িয়ে পথে নেমে পড়ি আমি ।
শক্তির নিত্যতা সূত্র অনুযায়ী বাসার ঝামেলা এতে থেমে যাওয়া উচিত ।
কারণ আমি বেরিয়ে যাওয়াতে বাসার মানবদেহের সংখ্যা সমান হয়ে গেছে । মানবদেহের ক্রিয়াকাজে খরচ হওয়া শক্তির পরিমাণও সাম্যবস্থায় চলে আসার কথা ।
শক্তি নিয়ে গবেষণা বেশিক্ষণ চালানো গেল না ।
ফুটপাতের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটার একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকা দেখে ভাবনার সূতো কেটে গেল ।
একনজর দেখলাম ।
চোখ ঝলসানো সুন্দরী । পোশাকগুলোও দামী – কিন্তু বেশ পুরোনো ।
প্রসাধনীর ব্যবহার উগ্র নয়, তবে বোঝা যায় ।
‘ওই ভাদাইম্মা পোলা । তাকায়া কি দেখস ? নিলে দাম করে ফেল । নাহলে সামনে থেকে সর ।’
মেয়েটার লাবণ্যময় চেহারার সাথে বাঁজখাই গলা মোটেও গেল না ।
পতিতা মানুষ । রাত একটা পর্যন্ত খালি আছে – অর্থাৎ মেজাজ টং হয়ে থাকা স্বাভাবিক ।
কিন্তু মেজাজ তো আমারও উঁচুতে থাকতে পারে ?
মেয়েছেলের গলার উচ্চগ্রাম আমার সহ্যের বাইরে । কুকুরের লেভেল অনুযায়ী মুগুর দরকার ।
ওর সামনে গিয়ে ভিলেন ভিলেন চেহারা করে জানতে চাইলাম, ‘ঘন্টা কত ?’
বেশ ভাবের সাথে কোমড়ে এক হাত রেখে মেয়েটা গর্বের সাথেই বলল, ‘সারা রাত দুইহাজার ।’
বুকে হাত বেঁধে আমিও ঝানু ব্যাবসায়ীর মত প্রশ্ন করলাম, ‘ঘন্টা কত? সারা রাতের কথা জানতে চাইনি ।’
কিছুটা ভেবড়ে গেলেও সামলে নেয় মেয়েটা, ‘পকেটে মালপাত্তি কিছু আছে বলে তো মনে হয় না । ঘন্টা তিনশ।’
এ দেখি রীতিমত দাম হাঁকছে । এবার থামানোর সময় এসেছে ।
পকেট থেকে মানিব্যাগ বের করে আনফোল্ড করে দেখালাম ।
ভেতরে ভার্সিটির একটা আইডি কার্ড ছিল – অন্ধকারে বোঝার সাধ্য কার ?
‘ফ্রম ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট । থানায় চলো ভদ্রমেয়ের মত । আর এই থানার কোন কোন অফিসারের সাথে তোমাদের ডীল হয় সেটা বলবে । চলো চলো!’ তাড়া দেই আমি ।
কিছুটা ঘাবড়ালেও পালটা হুংকার ছাড়ে মেয়েটা । এই লাইনে নরম তুলুতুলু হলে কাজ চলে না নিশ্চয় ।
‘ক্রিমিনাল কি কি বললেন – নামও শুনি নি আমি ।’ তুই থেকে ডাবল প্রমোশন দিয়ে সম্বোধনকে একেবারে আপনিতে তুলে দিল মেয়ে, ‘ আপনাকে আমি বিশ্বাস করলাম না ।’
‘এটাকে সংক্ষেপে সিআইডি বলে, গাধা মেয়ে !’ মাঝারি আকারের একটা ধমক দিলাম, ‘সন্ত্রাস, খুন আর অর্গানাইজড ক্রাইমের বিরুদ্ধে যে কোন পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার আছে আমাদের । হেড অফিস আছে মালিবাগে । জেল থেকে বেরিয়ে খুঁজে নিও - সত্যতা যাচাইও হয়ে যাবে । নাম কি ?’
এবারে ঠিক কাঁদো কাঁদো হয়ে গেল মেয়েটা । ‘মিথিলা ।’
সুন্দরী মেয়েকে কাঁদতে দেখলে আবার আমার বীভৎস একটা অনুভূতি হয় । একসাথে অনেকগুলো চামচিকে চ্যাঁ করে কেঁদে উঠলে যেরকমটা লাগে – সেরকম ।
গম্ভীর মুখোশটা মুখে ঝুলিয়ে রেখেই চাপা গলায় বললাম, ‘নিজের মুক্তি কিনে নিতে চাইলে ইনফরমেশন দিয়ে অন্য কোথাও গিয়ে দাঁড়াও । গাঁজার একটা বিশাল মার্কেট আছে এখানে । সেটা কোনদিকে ?’
ডেল স্টেইনের পেস বলের গতিতে কাঁদো কাঁদো ভাব গায়েব হয়ে গেল মেয়েটার মুখ থেকে । হড়বড় করে ঠিকানা দিয়ে দিল আমাকে ।
ধীর পায়ে ওদিকে হাঁটা দিলাম । হেঁটে যেতে বিশ মিনিট লাগলে আমার কি ? এই মুহূর্তে সময় নিয়ে ব্যবসা করতে পারলে রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে যেতাম নিশ্চিতভাবে ।
গাঁজার হুলুস্থুল কারবার যেখানে থাকবে সেখানে মিলনের থাকার কথা ।
মিলন আমাদের এলাকার পাতি মাস্তান ।
পাতি মাস্তানদের ছাতি তেমন বড় হয় না । এর ছাতিও ততটা প্রশস্ত নয় ।
পছন্দের মেয়েটার বয়ফ্রেন্ডকে কাগজ কাটার ছুড়ি দিয়ে এঁফোড়-ওফোড় করে দিয়ে ফেরারী ।
পুলিশ হন্যে হয়ে খুঁজে পাচ্ছে না ওকে ।
মিলনের বাসার ধারে কাছে সাদা পোশাকে পুলিশ থাকেই ।
তবে আমার অভিজ্ঞতা বলে ইঁদুর মারতে ইঁদুরের গর্তের দিকে চাকু তুলে রাখতে হয় না । বিস্কুটের প্যাকেটের ওপর চাকু ধরা যেতে পারে ।
মিলনকে খুঁজে বের করতে হলে গাঁজার সাপ্লাইটা বের করা দরকার ।
চিপা গলিটা অবশেষে পেয়ে গেলাম । শেষ মাথার দোতলা বাড়িটার বিশ গজের মত দূরত্বে আসতেই উৎকট গন্ধে বুঝে গেলাম গন্তব্যটা কোথায় ।
সদর দরজায় প্রাণপনে ধাক্কা দিতে থাকলাম । রাতের নিস্তব্ধতায় কামানের গোলার মত শব্দ হল ।
ভেতরের প্রতিক্রিয়া হল ‘শোনার’ মত [দেখার মত – বলা যাচ্ছে না – কেবল অন্তঃকর্ণই ভরসা কি না!] ।
ভেতরে একদল মানুষ হুড়োহুড়ি করছে স্পষ্টতঃই বোঝা গেল । অদূরে দোতলার বাথরুমের জানালার গ্লাস ভেঙ্গে অর্ধনগ্ন অখ্যাত এক গাঁজাখোরকে লাফিয়ে পড়ে বাতাসের আগে আগে ছুটে পালাতে দেখলাম । উসাইন বোল্টের রেকর্ড ভাঙ্গতে থাকা এই নতুন দৌড়বিদ তারস্বরে চেঁচাতে চেঁচাতেই গেলেন, ‘রেইড পড়ছে ! রেইড পড়ছে !!’
আশে পাশের আরও কয়েকটা বাসায় দরজা সাথে সাথেই দমাদম খুলে গেল । প্রাণপনে ছুটে ওরা সব যেন কোনদিকে অদৃশ্য হয়ে গেল । অবস্থা দৃষ্টে আমারও ওদের সাথেই ছুটার একটা প্রবল ইচ্ছা ভর করলেও অনেক কষ্টে নিজেকে স্থির রাখলাম ।
বুঝলাম – দরজা ধাক্কানোর সময় আরেকটু সতর্ক হয়ে ধাক্কাতে হবে ।
আরেকটু আস্তে ধাক্কা দিতেই এবার দড়াম করে দরজা খুলে গেল । কাটা রাইফেল হাতে স্বয়ং মিলন দাঁড়িয়ে ।
আমার নাক বরাবর নল তুলে ইংরেজী সিনেমার হিরোর মত নাক ফুলিয়ে হুংকার দিল, ‘আয় শালা পুলিশের বাচ্চা !’
পরক্ষণেই কমেডিয়ানদের মত চেহারা পালটে গেল ওর । ‘আরে তুর্য যে ! তাড়াতাড়ি ভেতরে আয় । বাইরে রেইড চলতেছে ।’
‘রেইডের’ ভয়ে তাড়াতাড়ি ভেতরে ঢুকে গেলাম ।
‘তারপর – এইদিকে কি মনে করে ?’ কাটা রাইফেলের বাড়িতে তিনটে মশা থেঁতলে ফেলে জানতে চায় মিলন, ‘গাঁজা ধরলি নাকি ?’
‘এখনও পারলাম কই, দোস্ত ! ইনফরমেশন দরকার ।’
‘আহা হা হা হাহ ...’ দুঃখের যেন সীমা পরিসীমা থাকল না আর মিলনের । ‘কি যে বলিস তুই গাঞ্জার দুনিয়ার বাইরে আজও ! ছোঃ ছোঃ ওয়াক -’
‘দোস্ত ! ইনফরমেশন ।’ আবারও মনে করিয়ে দিলাম । গাঁজাগ্রস্থ মানুষের কাছে সামাজিকতা বড় বিষয় থাকে না । সরাসরি কাজের কথায় চলে গেলে এরা মাইন্ড করে বলেও শোনা যায় নি । মিলনও করল না ।
‘ও হ্যাঁ ... কও দোস্ত !’
‘জয়িতা এখন কোথায় বলতে পারিস ?’
‘ইয়াবা জোনে ।’ তিতিবিরক্ত হয়ে হয়ে কাটা রাইফেলের বাট ঘুরিয়ে উড়ন্ত তেলাপোকার মাথায় বাড়ি দিয়ে সগর্বে ঘোষণা করে মিলন, ‘গুরুতর আহত !’
‘আমাকে নিয়ে চল । ইয়াবা জোন চিনি না ।’
মিলনের পিছু নিয়ে আবারও রাস্তায় বেড়িয়ে আসতেই দূরে কয়েকটা পুলিশের গাড়িকে এদিকেই আসতে দেখলাম ।
এবার আর ধানাই-পানাই নয় । আসলেই রেইড মনে হচ্ছে । মিলনের চোখে পড়ে গেলে ওয়ান ম্যান আর্মি হয়ে একাই যুদ্ধ ঘোষণা করবে বুঝতে জোতিষ্যি হওয়া লাগে না । ওকে নিয়ে সটকে পড়লাম এক ফাঁক দিয়ে ।
ইয়াবা জোনের অবস্থা দেখে আমি অভিভূত । ছেলেমেয়েগুলোর মাঝে বেশ একটা সুখী সুখী ভাব ছড়িয়ে পড়েছে ।
ফয়েল পেপারে ইয়াবার আস্তর ফেলে সুন্দর করে ধোঁয়া বের করে নাকে টেনে নিচ্ছে এরা ।
চেহারায় সুখের ছাপ নেই কেবল একটি মেয়ের । একহাতে সিগারেট নিয়ে ক্লান্ত চোখে চারপাশে তাকাচ্ছে জয়িতা ।
ওর পাশে বসে পড়লাম । মিলনটা কোনদিকে অলরেডী গায়েব হয়ে গেছে ।
আমার দিকে তাকিয়ে স্বাভাবিক গলায় বলে জয়িতা, ‘ও – তুর্য । বল ?’
যেন জানতই আমি আসব । আমিও স্বাভাবিকভাবেই বললাম , ‘বাসায় চলো ।’
খুব মজার কথা বলেছি – এভাবে হেসে ওঠে জয়িতা বাচ্চা একটা মেয়ের মত, ‘কেন বেবি ? স্টেপমামের চাঁদমুখখানি দেখার জন্য ? এর চেয়ে এখানে দেখো -’ মাতালের মত চারপাশে তাকায় ওর সুন্দর চোখদুটো দিয়ে, সিগারেটের প্যাকেট আমার দিকে বাড়িয়ে দিয়েই মনে পড়ে যেন, ‘ও – তুমি তো আবার এসব খাও না ।’
‘আমার বাসায় চলো । এইখানে টিকে আছ কি করে ?’
এরই মাঝে আরেকটা মেয়ে এসে জয়িতার আরেকপাশে বসে পড়ে । এর পোশাক দেখলে ক্যাটরিনাও লজ্জা পেয়ে যেত আমার বিশ্বাস ।
‘ডার্লিং তুমি এখানে ? কত জায়গায় খুঁজে বেড়াচ্ছি তোমাকে !’
মেয়েটার ঠোঁট জয়িতার ঠোঁটের দিকে বিপদজনকভাবে এগিয়ে যেতেই বিকট শব্দ হয় দরজায়, ‘দরজা খুলো ! পুলিশ ! আমাদের ওয়ারেন্ট আছে ।’
বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট না করে জয়িতার হাত ধরে ছাদের দিকে রওনা হয়ে গেলাম ।
একটা বাঁশ পাতার মতই কাঁপছিল ও । ছাদের কিনারায় এসে আমার জ্যাকেটটা ওর গায়ে পরিয়ে দিয়ে থুতনী ধরে আমার দিকে মুখ তুলে ধরলাম, ‘পাশের বিল্ডিং-এ লাফিয়ে যাব আমরা । পারবে না ?’
জীবন্মৃতের মত সামনের দিকে লাফ দেয় ও সাথে সাথে ।
ছাদের কিনারায় হাত আটকে কোনমতে নিজেকে থামায় – তবে ঝুলতে থাকে মাটি থেকে চল্লিশফুট উঁচুতে ।
প্রাণপনে লাফিয়ে ওর সামনে ছাদের সারফেসে পড়তেই ছুটে যায় জয়িতার হাত ।
সোজা নিচের দিকেই খসে পড়ছিল মেয়েটা – খপ করে ওর হাত ধরে আটকে ধীরে ধীরে টেনে তুললাম ওকে ।
এতটুকু করতেই ম্যারাথন চ্যাম্পিওনের মত হাঁফিয়ে উঠেছি – ছাদে শুয়ে পড়ে চোখ বন্ধ করলাম ।
অবশ্য একমুহূর্তের জন্যই স্থায়ী হল এই আমোদ । আরাম টুটে গেল নিচে পাতি মিলনের হুংকারে ।
‘ওরে আয় রে তোরা আয়। আজ ট্যাংগো নাচব সবাই । ’ সেই সাথে কাটা রাইফেলের ঠা ঠা গুলি ।
এই ছাদের সিঁড়িঘরের দরজা তিন লাথিতে কব্জাচ্যুত করে ফেলতে ব্যাপক সহায়তা করল মিলনের ‘ট্যাংগো’ নাচার আহবান । জয়িতার হাতে হাত রেখে ছুটে বেড়িয়ে আসলাম পুলিশ রেইডের সার্কেল থেকে ।
নেশা ছুটে গেছে জয়িতার । আমার এক হাত জড়িয়ে গায়ের ভর সম্পূর্ণ আমার ওপর ছেড়ে দিয়ে থর থর করে কাঁপছে ও ।
পূর্ব দিগন্তে আলোর আভাস পাওয়া যাচ্ছে তখন ।
✭
রাত আটটা ।
আমার বাসার সামনে দাঁড়িয়ে দেখলাম, ভাইয়া সামনে পায়চারি করছে । আমাদের দেখে থেমে গেল ।
‘আসসালামু আলাইকুম ভাইয়া ।’ দ্রুত গিয়ে ভাইয়ার কদমবুসী করে ফেলে জয়িতা ।
‘তুইও ?’ চোখ আকাশে তুলে বলে ভাইয়া ।
‘হুঁ ।’ মাটির দিকে তাকিয়ে বলি আমি ।
কথার শব্দে দরজা খুলে দেয় মা ।
আমাকে দেখে নয় – জয়িতাকে দেখে বাদুড় খাওয়া একটা মুখ করে সবজান্তা একটা ভাব তার মুখে চলেই আসে ।
‘মেজ বৌ-মা ?’ আমার দিকে তাকিয়ে গলা নামিয়ে প্রশ্ন করে মা ।
কখনও কখনও মৌনতাং সম্মতির লক্ষণমঃ !
ড্রইং রুমে বিচার বিভাগ আর শাসন বিভাগের দ্বন্দ্ব লেগে গেল । পতি-জায়া কেন দ্বন্দ্ব সমাস – হাড়ে হাড়ে টের পেতে থাকলাম আমি আর জয়িতা ।
ছুটন্ত গুলি এবং ফুটন্ত গ্রেনেড এড়িয়ে আমার ছোট ভাই ঝড়ের বেগে বাসা থেকে বেরিয়ে পড়ল ।
ঘড়িতে তখন রাত দশটা ।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now