বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এই তোর দাঁত গুলা হলুদ কেন?
,
শিমনুর এই কথা শুনে আমি কিন্তু ভীষণ লজ্জা পাইছিলাম কিন্তু ওর সামনে সেদিন তাও নির্লজ্জের মত বলেছিলাম-
এইটা মাই স্টাইল!
,
এইটা মাই স্টাইল কথাটা অবশ্য শিমনু আপুর কাছেই শেখা। তার চুলগুলা কেমন গোলাপি কালার!
আমি আরোও বলেছিলাম -
বাহ রে তোমার চুল গোলাপি হতে পারে আর আমার দাঁত হলুদ হলেই দোষ!
- ইসস কি গাধা তুই রে! এইটা তো ফ্যাশন। সবাই করে।
- ও কালো চুল গোলাপি, লাল, বেগুনি করা তোমাদের ফ্যাশন আর সাদা দাঁত হলুদ হওয়া ফ্যাশন না?
,
আমিও দাঁত কালার করে স্টাইল করছি বুঝলা শিমনু।
.
আমার কথায় শিমনু হি হি করে তার চব্বিশ পাটি সাদা চকচকে দাঁত গুলা বের করে হাসি দিল। আর আমি হা করে তাকিয়ে দেখছিলাম এত সুন্দর কারো হাসি হতে পারে!
.
ওর হাসি সেদিন যেন বন্ধ হচ্ছিল না। আমার খুব লজ্জা লাগছিল
যদিও তাও আবার বললাম-
তুমি তো নকল করে স্টাইল কর আপু! চুলের কালারটা না কমন ফ্যাশন হয়ে গেছে।
কিন্তু আমার মত কেউ দাঁত হলুদ করে ফ্যাশন করেনি এখনও দেখছ! তারমানে আমারটা আনকমন আর আমি অনলি ওয়ান। কারও নকল করি না!
,
- ধুর তুই একটা গাধা। তুই দাঁত ব্রাশ করিস নারে।
-না।
- কি-ইইই?
- আমার ব্রাশ ছাড়া দাঁত মাজতে ইচ্ছা করে না।
- তো ব্রাশ দিয়েই তো মানুষ দাঁত মাজে!
- হু কিন্তু আমরা তো গরীব মানুষ তাই ব্রাশ কিনারও পয়সা নাই। হাত দিয়ে মাজতে হয়।
,
তোমরা কি সুন্দর পেস্ট দিয়ে মাজ আর আমাদের ছাই দিয়ে মাজতে হয়। আমার এইটা ভাল লাগে না।
- ও এই কথা! আর তুই তাই বলে দাঁত না মেজেই দিন কাটাই দিস। এইটা কিন্তু ঠিক না। দেখিস তোর সব দাঁত খুলে পড়ে যাবে!
- যাক। গেলে কার কি?
- তাই না! আচ্ছা চল তোক আমি ব্রাশ কিনে দিচ্ছি। এবার আমাক বল তো প্রতিদিন ব্রাশ করবি তো?
- হু শিমনু আপু। তুমি না খুব ভাল!
- এই কি রে তুই? তোকে না বলছি আপু বলবি না। আমরা বন্ধু না। খালি শিমনু বলবি।
-হু আপু।
- আবার আপু!
~~~~~~~~~~~
.
আমি আর শিমনু খুব ভাল বন্ধু ছিলাম। ওরা আমাদের পাড়ায় আগে থাকত। মাঠের কোণার দিকের বাড়িটাতে। আমি রোজ মাঠে ফুটবল খেলতাম আর ওদের বাড়িটার দিকে চেয়ে চেয়ে দেখতাম আর ভাবতাম এত সুন্দর হতে পারে!
,
এই বাড়িটার মানুষজনকে তেমন দেখা যেত না। বাড়িটা কেমন নিশ্চুপ আর নিঃশব্দ থাকত। বুঝাই যেত না এই বাড়িতে মানুষ থাকে।
.
কি বিশাল বড় বাড়ি। অথচ শিমনু আপুরা মাত্র চারজন থাকত। ওর বাবা মা আর আপু। ও আরেকটা কাজের মেয়েও থাকত।
.
বাড়িটা অনেক সুন্দর ছিল। আমার খুব ভিতরে গিয়ে দেখতে ইচ্ছা করত। কিন্তু আমি সাহস পেতাম না ঠিক ঢুকবার। তাই মাঠে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই দেখতাম। মাঝে মাঝে মনের খেয়ালে হয়ত এই বাড়িটা নিজের করে পাওয়ারও স্বপ্ন দেখেছি!
.
একদিন রোজকার মত মাঠে দাঁড়িয়ে আনমনে তাকিয়ে আছি সেই বাড়িটার দিকে। হঠাত দেখি একটা মেয়ে বাড়িটা থেকে বের হয়ে আমার দিকেই হনহন করে ছুটে আসছে।
,
আমি একটু অবাক হয়েই তাকাই রইলাম। ভাবতিছি এই বাড়িতে আদৌ মানুষ থাকে!
না বাড়িতে মানুষ থাকবেই। কারণ বাড়ি তো মানুষ থাকার জন্যই বানানো হয়! কিন্তু আমি ভাবছিলাম হয়ত বড় বড় অনেক মানুষ থাকে যারা সবসময় কাজেই ব্যস্ত থাকে তাই তাদের দেখা যায় না।
,
কিন্তু এত সুন্দর এক মেয়ের দেখা পাবো ভাবতেই পারিনি! অবশ্য এত সুন্দর বাড়িতে এত সুন্দর মানুষদেরই থাকা দরকার।
.
আমি এতসব ভাবতে ভাবতে মেয়েটা আমার একদম সামনে এসে দাঁড়ালো। আমি একটু ভড়কে গিয়ে পিছনে সরে এলাম।
.
-এই তুমি রোজ রোজ আমাদের বাড়ির দিকে তাকাই থাকো কেন? (শিমনু)
গলা দিয়ে কেমন কথা বের হতে চাচ্ছিল না তাও আটকা আটকা ভাবে বললাম-
এমনি।
- এমনি আবার কি? ক্যান তাকাও বল বলতিছি!
,
মেয়েটার ধমকে আমি বলেই ফেললাম-
ভালো লাগে তাই।
- কি-ইই। কাকে ভাল লাগে? আমাকে?
-কি-ইই। আপনারে ক্যান ভাল লাগবে আপু? আমার বাড়িটাকে ভাল লাগে। কি সুন্দর বাড়ি!
- তাই না! আমাকে কেন ভাল লাগে না? আমি বুঝি সুন্দর না!
-হায় হায় আপু আমি তো আপনারে এর আগে দেখিই নাই।
-কেন? আমি তো রোজ বারান্দায় দাঁড়াই থাকি। আমি তো তোমাকে দেখি। তুমি আমাকে দেখতে পাওনি ক্যান?
- আমি সত্যি এর আগে তোমাকে দেখি নাই। আমি আরও ভাবতাম এই বাড়িতে কি মানুষজন থাকে না?
-ও নে আমরা বন্ধু হই। হবি?
আমি সেদিন দ্বিতীয় বারের মত ভড়কে গিয়ে আবার পিছনের দিকে পিছিয়ে এলাম।
.
আমি তোতলাতে তোতলাতে বললাম কি কইলেন আপু?
- তুই কি কানে কম শুনিস?
- নাহ।
- কই থাকিস রে? আমার বাড়ি তো ঠিক চিনিস। তোর বাড়ি চিনাইবি না?
- ওই যে ওখানে। ( আমি হাত দিয়ে মাঠের এপাশটার ঝুপড়ি ঘর গুলার দিকে দেখিয়ে দিলাম)
- ও তা তোর বাবা কি করে?
- মিস্ত্রি। রাজমিস্ত্রি।
- তুই লেখাপড়া করিস না? নাকি সারাদিন আমাদের বাড়ির দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে দিন পার করে দিস?
- করি তো। আমি এবার নাইনে পড়ি। আপনি কয় ক্লাসে পড়েন?
- হা হা। কয় ক্লাস না, বলতে হয় কোন ক্লাস। আমি তোর মত করেই উত্তর দিই হ্যাঁ। আমি ১০ ক্লাস পড়ি! হি হি।
.
এত ভালো বাড়ির মেয়ে আবার দেখেই বুঝা কত বড়লোক বাড়ির মেয়ে তাও আমার মত এক বস্তির ছেলের সাথে এত ভাল করে কথা বলতিছে দেখে আমার খুব অবাক লাগল।
,
আমি কথা বলতে যদিও অসস্তি বোধ করছিলাম তাও কিন্তু আমার কথা বলতে ভালই লাগছিল! আমি তোতলামি করে হলেও শিমনুর সব প্রশ্নের উত্তর সেদিন দিয়ে যাচ্ছিলাম।
.
হঠাত ও বলে উঠল এই তোর সাথে তো অনেক কথা হল। দেখছিস তোর নামটা এখনো শুনা হল না। কি নাম তোর?
-মিঠু।
-হি হি। তোর মা বাপ বুঝি মিনা কার্টুন দেখে তোর নাম মিঠু রাখছে যাতে তুই মিনার মত একজন বন্ধু পাস আর তুই মিঠুর মত উড়ে উড়ে ওর সাথে থাকতে পারিস!
ওহ! তুই তো আর উড়তে পারবি না মিঠুর মত! তোকে হেঁটে হেঁটেই থাকতে হবে মিনার সাথে।
.
আমি চুপ করেই রইলাম। কিন্তু ওর কথা শুনে আমারও খুব হাসি পাচ্ছিল। কিন্তু আমি ওর মত করে হাসতে পারতিছিলাম না। আমি হা করে শুধু ওর হাসি মাখা মুখখানার দিকে তাকিয়ে ছিলাম।
.
আবার ওই-ই বলে উঠল-
কিরে তুই আমার বন্ধু হবি? আমি রোজ বিকেলে মাঠে এসে তোর সাথে গল্প করব।
,
আরেকটা কথা। আমি কি তোকে তুই তুই করে বলতে পারি?
,
আমি মেয়েটার কথায় সেদিন তৃতীয় বারের মত ভড়কে গেলাম!
মনে মনে ভাবলাম-
কি মেয়ে রে? অলরেডি তুই তুই করে বলতিছে আবার বলে কি না তুই করে বলি?
কিন্তু মুখে মুখে বললাম-
জ্বী বলেন।
- এই তুই আবার বলেন বলিস ক্যান রে? বল আমাকে বল করে!
- না তুমি করে বলি!
- আমরা তো বন্ধু তাই না! তুই করে বল?
- আচ্ছা আপু বলব নি?
- আপু কি হে? আমার নাম শিমনু। শিমনু বল!
~~~~~~~~~~~~
.
শিমনু মেয়েটা এইরকমই অদ্ভুত আর মজার একটা মেয়ে ছিল।
সেদিনের পর থেকে সত্যিই আমরা খুব ভাল বন্ধু হয়ে গেছলাম।
.
ও রোজ মাঠে আসত বিকেলবেলা আর কত গল্প জুড়ে দিত আমার সাথে। আমি যদিও ওর মত ওত গল্প বলতে পারতাম না কিন্তু ওর গল্পগুলা এত দারুণ ছিলনা যে শুনতে আমি খুব পারতাম!
.
ও ওর স্কুলের, স্কুলের বন্ধুদের কত গল্প বলত আমাকে সব যদি এখন বলি তাহলে মোটামুটি ১২০ পাতার একটা বই নির্ঘাত হয়ে যাবে কিংবা তারও বেশি!
.
এমনি একদিন গল্প করতে করতে বলেছিল-
আমার দাঁত গুলা হলুদ কেন?
.
.
জানিস শিমনু আমি সেদিনের পর থেকে রোজ দাঁত মাজি। তাই হয়ত দাঁতগুলা আমার আজও টিকে আছে কিন্তু আমাদের বন্ধুত্বটা আর নেই। তুই আর নেই।
.
কেন যে এমন হয়?
.
শিমনু হঠাত করেই মাঠে আসা বন্ধ করে দিল। আমি ভাবছিলাম পরীক্ষার জন্য বুঝি আর আসে না।
কিন্তু তা না। ওর খুব একটা কঠিন অসুখ হল। যে অসুখে ওর বিছানা ছেড়ে উঠা মানা হয়ে গেছে।
.
ওর অসুখের সময়ে একদিন মাঠে খুব মন খারাপ করে বসে আছি। তখনও জানতাম না ওর এত বড় অসুখ হইছে। ওই আর আসে না তাই মন খারাপ করে ছিলাম।
.
হঠাত দেখি ওদের বাড়ি থেকে ঠিক শিমনুর সমানই একটা মেয়ে বের হল।
ইসস মেয়েটা যদি ঠিক শিমনুই হত! (ভাবলাম)
.
মেয়েটা দেখি আমার দিকেই এল। আমি কিছু বলার আগেই মেয়েটা বলল শিমনু দিদিমণি তোমাক এই চিঠিটা দিছে। আর একবার পারলে ওরে দেখে এসো।
-কেন কি হয়েছে ওর।
- অসুখ।
.
আমি কিছু বলতে যাব তার আগেই মেয়েটা চলে গেল। আমি আনমনে শিমনুর লিখা ভাজ করা কাগজটা খুলে পড়তে লাগলাম -
.
" আমি জানি না কি পাপ ছিল আমার। কেন আজ আমার এত বড় শাস্তি হচ্ছে?
জানিস আমার এখন খুব স্কুল যাইতে ইচ্ছা করে। বন্ধুদের সাথে মাঠে দৌড়াদৌড়ি করতে ইচ্ছা করে।
আমি ম্যামদের বকুনি গুলা খুব মিস করতিছিরে। আগে যখন পড়া পারতাম না ম্যাম কান ধরে দাঁড়াই রাখত। আর আমি ইচ্ছা করে মিথ্যা বলতাম যে -
'ম্যাম পা ব্যথা করে। ছোটবেলায় অ্যাক্সিডেন্টে পা ভেঙে গেছল। বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে ডক্টর নিষেধ করছে!'
কিন্তু আজ দেখ আর আমায় মিথ্যা বলতে হচ্ছে না। কেউ যে আমাক আর দাঁড়িয়েই রাখছে না। কিন্তু আমার যে খুব দাঁড়াতে ইচ্ছা করছে রে।
.
আগে সারাদিন শুয়ে থাকতে চাইতাম, মিছাই ঘুমানোর ভাণ করতাম যাতে বাবা পড়তে বসতে না বলে! আর আজ দেখ আমার সত্যি সত্যিই শুয়ে থাকতে হচ্ছে সারাদিন। কোনো বাহানাও এর জন্য করতে হচ্ছে না।
মা-ও আর বকে না এই বলে যে কেন সারাদিন শুয়ে থাকিস রে শিমনু?
কিন্তু আমার যে এখন আর শুয়ে থাকতে ইচ্ছা করেনা।
.
আচ্ছা তখন থেকে আমার কথায় বলে যাচ্ছি। তুই কেমন আছিস রে মিঠু। জানি আমার জন্য তোর খুব মন খারাপ হবে।বাট মন খারাপ করিস না।
দেখিস আমি ঠিক ভাল হয়ে যাব। পারলে আমাক একবার দেখে যাস। আমাদের অনেক দিন হল দেখা হয়নি। আমার বুঝি তোকে দেখতে ইচ্ছা করে না?
.
চিঠিটা অতো গুছিয়ে লিখতে পারলাম না রে। ফার্স্টে তোর নাম লিখতেই ভুলে গেছি।
যাই হোক ভাল থাকিস মিঠু।
ইতি-
শিমনু"
.
সত্যিই কেমন অগোছালো হাতে লিখা চিঠিটা। ওর অসুখ শুনে সত্যিই খুব কষ্ট লাগল আর খুব মন খারাপ হল।
.
আমি কাগজটা পড়ে সাথে সাথেই শিমনুদের বাসায় গেলাম ওরে দেখতে।
এই প্রথমবার আমি আমার স্বপ্নের বাড়িটাতে ঢুকতে যাচ্ছি কিন্তু তার কোনও আনন্দই আজ যেন আমার মনে নাই।
.
আমি ওর ঘরে গেলাম। একি!
নিজের মনেই বলে ফেললাম।
শিমনু কেমন হয়ে গেছে। সে আর আগের সেই শিমনুটি নেই। শুকিয়ে একেবারে কাঠ যেন।
ওর মাথার গোলাপি চুলগুলাও আর নেই।
আর থাকবেই বা কেন? ওর মাথায় যে আর চুলই নাই।
.
খুব কষ্ট হল ওরে দেখে।আনমনেই খেয়াল করে দেখলাম আমার চোখ দিয়ে জল গড়াচ্ছে।
আমি ওর বিছানার পাশে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ওকে দেখছি আর হাত দিয়ে চোখ মুছছি।
.
হঠাত ও আমার হাত ধরে বলে উঠল ফিসফিস করে-
জানিস মিঠু আমার দিন না ফুরিয়ে এসেছে। কিন্তু আমার কেন জানি আর দুঃখ হচ্ছে না কিন্তু তোর কথা ভেবে কেন জানি কষ্ট হচ্ছে।
আমার মা বাবা এখন সারাদিন কাঁদে আমার জন্য। আমার ভাল লাগে না আর। সবাইকেই তো একদিন মরে যেতে হবে তাই না?
.
আমি ঠিক বুঝতে পারছিলাম ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েও কেউ কিভাবে এমন কথা বলতে পারে?
সত্যিই শিমনু অনেক অদ্ভুত।
.
আমি বেশিক্ষণ থাকতে পারলাম না। কাঁদতে কাঁদতে চলে আসলাম বাসায়।
সেদিন রাতে আমার ঘুমই ধরল না। সারারাত কেন জানি কাঁদলাম।
.
হয়তো বা পরেরদিনটার জন্যই!
.
সেদিনের ঠিক পরের দিনই যে শিমনু আপু আমায় ছেড়ে এ দুনিয়া থেকে চলে গিয়েছিল।
ওর লাশবাহী সাদা গাড়িটা ওদের সেই সুন্দর বাড়িটা থেকে বের হয়ে যাবার সাথে সাথে ওর বাবা মা আর আপুও চলে গেল কই যেন?
.
আর ওরা ফিরে আসেনি। বাড়িটা এখনও ফাঁকাই আছে।
আমি এখন ইচ্ছামত যতবার খুশি বাড়ি টাতে ঢুকতে পারি কিন্তু আর কিছুতেই শিমনুকে দেখতে পাইনা।
.
কিন্তু তোকে যে আমার দেখতে ভীষণ ইচ্ছা করে রে শিমনু। তুই যে কেমন আছিস রে?
হে ঈশ্বর তুমি ওকে খুব ভাল রেখো এইটুকুই প্রার্থনা করি।
.
-Sumaiya Lim (Fatal girl)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now