বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
পর্ব ৩
.
.
.
সন্ধ্যা ৬টা রাসেল অফিস থেকে ফিরে চুপচাপ বসে আছে।একটু পর পর বড় করে নিশ্বাস নিচ্ছে,৩০মিনিটে ৩টা সিগারেট খেয়ে ফেলছে।সিগারেট নাকি টেনশন কমানোর উপশম।ফ্রেস হয়ে ব্লু কালারের সার্ট পড়ে আয়নার সামনে এপাশ ওপাশ করলো ভালোই মানিয়েছে,কম দামে কিনা একটা পারফিউম বোগল তলায় দিয়ে প্যান্ট পড়ে বের হয়।
মেয়েটি রাসেল এর আগেই এসে বসে আছে।পাশে গিয়ে দারিয়ে রইলো কি বলে সম্মুধন করবে ভেবে পাচ্ছেনা।হটাত মেয়েটির চোখে চোখ পরতেই আরে কখন আসলেন?
রাসেলঃএইতো এখনি দুক্ষিত দেরি হয়েছে মনে হয়।
আরে না না ঠিক আছে চলুন যাওয়া যাক
হ্যা দারান সি এন জি ডেকে আনি।
মিমঃআরে তার প্রয়োজন নেই আমাদের গাড়ি নিয়ে এসেছি।
তাকিয়ে দেখে কালো রঙের একটা পাজেরো দারিয়ে আছে।মনে মনে খুশিই হলো বড়লোকের স্টাইল নিয়ে গাড়িতে বসে পড়লো। মিম নিজেই ড্রাইভ করছে আর কথা বলছে,ড্রাইভার কে বাসায় চলে যেতে বলছে ড্রাইভার মহা খুশি তার বউকে নিয়ে বেড়াতে যাবে বলে।
আনিসুজ্জামান কথা বলছে মেয়ের সাথে।
মেয়েঃআব্বু তুমার কি হয়েছে?তুমি হাটতে যাবে না আমাকে নিয়ে?
আনিসুজ্জামান ঃহ্যা মামনি কালকেই নিয়ে যাবো আমার লক্ষি টুকটুকি।
মিম গিয়ে মেয়েটিকে কোলে নিয়ে নেয় রাসেল আনিসুজ্জামান এর অবস্থা জিজ্ঞেস করে
একজন ডাঃএর সাথে কথা বলে।সে জানায় আগামি কাল তাকে নিয়ে যেতে পারবে ১০-১৫দিন হাটতে পারবেনা কেটে গেছে অনেক খানি সারতে সময় লাগবে।
মিম এর সাথে মেয়েটির ভালো সখ্যতা গড়ে উঠেছে ৩০মিনিটেই,বুঝায় যাচ্ছেনা অপরিচিত দুজন। বারান্দাতে নিয়ে গেছে জুস খেয়ে মেয়েটি জামা ভিজিয়ে দিয়েছে,মিম উরনা দিয়ে মুছে দিচ্ছে রাসেল লুকিয়ে লুকিয়ে দেখছে।
দু ঘন্টা আনিসুজ্জামান কে আগামীকাল তাদের বাসায় পৌছে দেওয়ার দায়িত্ব নিয়েছে মিম,তবে রাসেল কে সাথে থাকতে হবে।
বাসায় ফিরতে ফিরতে রাত ১০টা বেজে গেছে।এসেই বিছানায় শুয়ে পড়ে রাসেল,ভাবনা এসে মাথায় জরো হয়েছে গতকালের নাম্বার থেকে ফোন হ্যালো কে?
আমি মিম
অহ আচ্ছা কেমন আছেন?
হুম ভালো কি করেন?
শুয়ে পড়ছি আপনি?
আমি দারিয়ে আছি,আচ্ছা আপনার আইডি কার্ড এর ছবি কত স্মার্ট আর আপনি এভাবে থাকেন কেন?
কি ভাবে থাকলাম?
আর হ্যা সবাই যদি স্মার্ট হয়ে যায় তাহল স্মার্ট আন স্মার্ট এর মুল্য কে দিবে?
হ্যা তা অবশ্য ঠিক কিন্তু আপনি স্মার্ট হলে কি অসুবিধা?
না কোন অসুবিধা নেই।কিন্তু ইচ্ছে নেই
ধ্যাত বলে কেটে দিলো ফোন।
রাসেল মনকে বল্লো এর পরে আর কথা বলবেনা নিজের মতো থাকবে অন্যের কথায় স্মার্ট হবে না।
পরদিন জুম্মার নামাজ পড়ে একটু শুয়েছে আবার মিম এর ফোন এই কখন যাবেন?
অহ আমি ভুলেই গেছিলাম ঠিক আছে আমি আসছি
হুম তাড়াতাড়ি আসেন আমিও আসছি।
মেয়েটি আজকে কালো ড্রেস পড়ছে চুল গুলা বেনি করা,কিছুটা বিস্মিত হলো বড়লোকের মেয়েরা এমন বেনী করেনা তাদের সব কিছুতেই বড় লোকের ভাব থাকে।গাড়ি ছুটছে হাইওয়ে ধরে সাঁ সাঁ করে বাতাস এসে গায়ে লাগছে।মিষ্টি একটা পারফিউম এর ঘ্রান আসছে।
আজকে ড্রাইভার গাড়ি চালাচ্ছে। মিম পাশে বসে আছে।সবাই চুপচাপ
আমি কি আপনার ফ্রেন্ড হতে পারি?
মানে?ফ্রেন্ড কি বলে কয়ে হয় নাকি?
হুম আমি হলাম কারন আমি অন্যরকম মেয়ে। অহ আচ্ছা ঠিক আছে কিন্তু আপনি ত বড় লোকের মেয়ে আর আমি.....
স্টপ স্টপ এসব কথা শুনার ইচ্ছে নেই।
হাসপাতাল থেকে আনিসুজ্জামান কে গাড়িতে উঠালাম মেয়েটি খুব খুশি কতগুলা কিটক্যাট সাথে নিয়ে আসছিলো।সেগুলা পেয়ে তাকে আর পায় কে।আনিসুজ্জামান এর বউ আজকে একটু মুচকি হাসি দিতে দেখা গেছে।
আনিসুজ্জামান সাহেব এর সাথে কথা বলতে বলতে বাসায় পৌছে গেলাম।বাড়ি ত নয় যেনো কোন জমিদারের বাড়ি দেখে খটকা লাগলো জিজ্ঞেস করেই ফেললো মিম
এটা কি আপনাদের নিজস্ব বাড়ি?
জ্বি আমাদের বাড়ি।
অহ আপনাদের কে দেখে কেও বলবেনা যে আপনাদের এতো বড় বাড়ির মালিক।রাসেল এখনো ঘুর কাটিয়ে উঠতে পারছেনা.ধরাধরি করে উপরে নিয়ে গেলো। বাসায় কোন মানুষ দেখতে পেলোনা হয়তো কেও থাকেনা।খুব সুন্দর করে সাজানো বাড়ি মিম বল্লো আমার খুব পছন্দ হয়েছে আনিসুজ্জামান সাহেব এর বউ বলে এক কাজ করো আমাদের এখানেই থেকে যাও হাহা
মিম তাই ভাবছি হেহেহে
.
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now