বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

দৈত্য ফড়িং

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান নাসরুল্লাহ (০ পয়েন্ট)

X এটা হেমন্তকালের গল্প। এক শহরের। চারদিক একটু শীত শীত। সকালে কুয়াশা পড়ছে। এমন এক সকালে এক ফড়িং এলো পাঁচতলা এক বাড়িতে। এরপর সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে চুপিচুপি ঘরের ভেতরে একা একা উড়লো সে। খুঁজে পেলো ইয়া বড়ো এক ফড়িং। দেয়ালে। তাকে দেয়ালে পড়ে থাকা দেখে সে তো অবাক! এ আবার কোত্থেকে এলো! আমাদের ভেতরে তো এতো বড়ো কাউকে কোনোদিন দেখিনি। ভয়ে ফড়িংটি ওর কাছে গেলো না। বড়ো এক ফড়িংকে দেখে সে ফিরে গেলো নিজের জায়গায়। সন্ধ্যাবেলা। রাস্তার ধারে শোভাবর্ধনকারী যে ছোটোছোটো গাছ পালা আছে, সেখানে। এখন এখানেই থাকে সে। তার কোনো বাড়ি নেই। আগে সে যে গাছে থাকতো, সে গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। সেখানেই হয়েছে এই পাঁচতলা বাড়ি। তাই এই জায়গার প্রতি তার একটা বিশেষ ভালোবাসা আছে। আগে এখানেই থাকতো সে। আর এখন থাকে রাস্তার পাশের ঝোঁপে। দিনেরবেলা ধুলোবালি আর অনেক গরম রাস্তার পাশের ঝোঁপে।এটা সে সহ্য করতে পারেনা। তাই সকাল হলেই সে এদিক-সেদিক উড়ে বেড়ায়। তার সাথে থাকে আরও অনেকে। ওদেরও থাকার জায়গা নেই। তাদের থাকার জায়গাও ধ্বংস করা হয়েছে। তারাও সকাল হলে ঝোঁপ ছেড়ে বাইরে যায়। মাঝেমাঝে কেউকেউ আর ফিরে আসেনা। কোনো না কোনো কারণে তারা মারা যায়। এই ফড়িংয়েরা কোথাও গিয়ে শান্তি পায় না। অথচ একটা দৈত্য আকারের ফড়িং আরামে আছে। তাও আবার মানুষের সাথে। তাদেরই ঘরে! তাই এই ফড়িং গিয়ে বাকি দেরকে, দৈত্য ফড়িংয়ের গল্প বলে। গল্পশুনে সবাই ভাবে, নিশ্চয় দৈত্য ফড়িং বিশেষ কিছু জানে। তাই সে পাঁচ তলা বাড়িতে আরামে থাকতে পারে। তারা বুদ্ধি করে পরদিন দলবেঁধে সেখানে যায়। ওদের একজন দৈত্য ফড়িংকে দেখে বলে, আরে এটা তো কাগজের ফড়িং। মানুষরা গাছপালা কেটে আমাদের থাকার জায়গা শেষ করে, আর রঙিন কাগজ দিয়ে অবিকল ফড়িং বানিয়ে দেয়ালে ঝুলিয়ে রাখে! এই কথা শেষ হতেই, ঘরের দরজা লাগানোর খটখট শব্দ আসে। কিছু দুষ্টু ছেলে দরজা বন্ধ করে তাদেরকে আটকানোর চেষ্টা করে। কিন্তু জানালা খোলা ছিলো। তারা ঐদিক দিয়ে ভয়ে উড়ে যায়। প্রাণে বাঁচে। আর ভাবে, সত্যিই মানুষ অবাক করা জাতি! ওরা আমাদেরকে হত্যাও করে, আবার ঘরে ছবি টাঙিয়ে ভালোবাসাও দ্যাখায়।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ দৈত্য ফড়িং

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now