বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এক লোকের স্ত্রী ছিলো খুকই দানশীলা। পরহেযগার। গরীব-দুখীদের প্রতি সমব্যথী। কিন্তু স্বামীটা ছিলো হাড়কেপ্পন। কুঞ্জুস। হাত গলে এক ফোঁটা পানিও বের হতো না।
স্বামী সব সময় স্ত্রীকে, দান-খয়রাত করতে কঠোরভাবে নিষেধ করতো।
একদিন স্বামী মসজিদে গেলো। এমন সময় দরজায় টোকা পড়লো। স্ত্রী দরজার কাছে গিয়ে ভেতর থেকে বললো:
-কে?
-আম্মাজান, আমি একজন অসহায়। ঠাণ্ডায় খুবই কষ্ট পাচ্ছি। শীত নিবারণের কোনও কাপড় আমার কাছে নেই।
স্ত্রীর মনটা গলে গেলো। স্বামীর নিষেধের কথা ভুলে গেলো। ভিক্ষুকটিকে তিনটা পুরনো কাপড় দিলো। সাথে খাওয়ার জন্য তিনটা খেজুরও দিয়ে দিলো।
স্বামী মসজিদে নামায পড়ে ঘুমিয়ে ছিলো। স্বপ্নে দেখলো:
কিয়ামত কায়েম হয়ে গেছে। মানুষজন বিশাল বিশাল ঢেউয়ের মধ্যে হাবুডুবু খাচ্ছে। মাথার ওপর তীব্র গরম। সূর্যটা একদম মাথার ওপর থেকে আগুনের হলকা ছড়াচ্ছে।
হঠাত লোকটা অবাক হয়ে দেখলো, তিনটা কাপড় এসে মাথার ওপর স্থির হলো। কিন্তু কাপড়গুলোতে তিনটা ছিদ্র ছিলো। কোত্থেকে যেনো তিনটা খেজুর এসে ছিদ্রগুলো বন্ধ করে দিলো। এখন আর মাথার ওপর কোনও রোদ নেই।
লোকটা কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে ঘুম থেকে জেগে উঠলো। বাড়ি এসে স্ত্রীকে স্বপ্নের কথা খুলে বললো।
স্ত্রী বুঝতে পারলো, এটা তার দান করা তিনটা কাপড় আর খেজুরের বরকতে হয়েছে। স্বামীকে পুরো বিষয়টা খুলে বললো। স্বামী প্রত্যুত্তরে বললো:
-আজ থেকে একজন মিসকীনও যাতে আমাদের দরজা থেকে খালি হাতে না যায়।
(এই লোককে আল্লাহ তা‘আলা পার্থিব জীবনেই সতর্ক করে দিয়েছিলেন। এই ঘটনায় একটা হাদীসের মূলবাণীই ফুটে উঠেছে: “কিয়ামতের দিন প্রতিটি মানুষ তার সাদাকার ছায়াতেই থাকবে” আহমাদ)।
ইয়া আল্লাহ! আমাদেরকে প্রতিদিন সামান্য কিছু হলেও সাদাকা করার তাওফীক দান করুন। আমীন।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now