বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ছোয়া বাবা মার আদরের মেয়ে। মেয়ে খারাপ হয়ে যাবে এই ভয়ে ছোঁয়া যখন কলেজ থেকে বাসায় ফেরে তার মা তার ফোন নিয়ে তালা দিয়ে রাখে। যখন সে সুজোগ পায় তখন লুকিয়ে ফোন চলায়। তাই সে যখন কলেজে থাকে সারাক্ষণ ফোন চালায়।
এভাবেই ছোঁয়ার দিন যেতে থাকে।
আজ ছোঁয়াকে দেখতে এসেছে। ছেলে পক্ষ যদি ছোঁয়াকে পছন্দ করে তাহলে আজ বিয়ের দিন তারিখ ঠিক করা হবে। ছেলে পক্ষরা ছোঁয়াকে পছন্দ করল। এবং ঠিক হল আজই তাদের বিয়ে দেওয়া হবে। ছোঁয়া বিয়র সাজে তৈরি হল। গহনা,মেকাফ করে ছোঁয়াকে প্রায় রাজকন্যা মনে হল। কিছুক্ষণের মধ্যে ছোয়ার বিয়ে হয়ে গেল। আজ রাত ছোঁয়া এবং তার বর তাদের বাসায় থাকবে। কাল ছোঁয়া তার শশুড় বাড়ি যাবে। ছোঁয়াকে বাসর ঘরে নেওয়া হল। বাসর ঘর সাজানো হয়েছে তার রুমে। ছোঁয়ার বরের নাম রফিক।
রফিক সংকোচে রুমে ডুকল। সে কি করবে বুঝতে পারল না। তার কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম। সে একবার ছোঁয়ারর দিকে তাকাল "মেয়েটা কেমন নড়ছে। মনে হয় সে ও আমার মত নার্ভাস। এখন কোন কথা না বলে যেয়ে শুয়ে পড়া ভাল। "
রফিক বিছানার কাছে গেল। আগে বাতি নিভিয়ে নেই। তাহলে হয়তো কিছুটা নার্ভারনেস কমবে। "এই ভেবে রফিক বাতি নিভাল। বাতি নিভিয়ে রফিক দেখে তার বউ এর ঘোমটার ভেতর থেকে ছোঁয়ারর আলোকিত মুখ। রফিকের মনে হল মেয়েটা কোন পরী হবে না হলে এই অন্ধকারে কার মুখ দেখা যেত না। অথচ এই মেয়েটার মুখ কতনা পরিস্কার দেখা যায়। রফিক এখন ধীরে ধীরে ছোঁয়ার দিকে এগুতে থাকল। রফিক ছোঁয়র ঘোমটাটা তুলল। এবং তার মুখ হা হয়ে গেল। কারন রফিকের দেখা পরিষ্কার ছোয়ার মুখ অন্য কিছুর না ফোনের স্কিনের আলো............
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now