বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ছলনাময়ী ভালোবাসা--০২

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়াদুল ইসলাম রূপচাঁন (০ পয়েন্ট)

X নাজমুল তার বাকি কাজ টুকু বিকেলে সখিপুর থেকে সেরে আসতেছিল তখন ও তার মন টা খারাপ ছিল তখন সে মনের কষ্ট মেটানোর জন্য ইরাকে আবার কিছু ম্যাসেজ করল। নাজমুল : কি আনন্দ পান অন্য কাউকে মিথ্যা বলে। ( ইরার পক্ষ থেকে কোনো উত্তর আসল না। আবার নাজমুল তাকে ম্যাসেজ দিল) নাজমুল : মানুষ কে মিথ্যা বলে হাসানোর চেয়ে সত্য বলে কাদানো অনেক ভালো। শুধু শুধু মানুষকে নিয়ে খেলা করবেন না ভালো থাইকেন। শুভ হউক আপনার। ...... তবুও কোনো উত্তর এল না ইরার কাছে থেকে। নাজমুলের তখন কোনো কিছুই ভালো লাগে না। কেউ তাকে কোনো প্রশ্ন করলে সে খারাপ ভাবে উত্তর দিত। তার পরের দিন বিকালে হঠাৎ করে নাজমুলের ফোনে ম্যাসেজ আসল। মিরা : কেমন আছেন ভাই.? ইরার কাছে থেকে ফোন আনছি.... নাজমুল : মরা মানুষ যেমন থাকে তেমন আছি।আপনি কেমন আছেন...???? মিরা : ভালো আছি। তারপর মিরার সাথে তার ফোনে অনেক কথা হল। মিরা বলল ভালো হয়ে গেছি। তখন নাজমুল বলল ভালো হলেন কেন? তখন বলল ভালো হলে সবাই ভালো বলে তাই। এভাবে অনেক কথা হল মিরা সাথে নাজমুলের। তারপরের দিন মিরার কিছু কথা হল এভাবেই চলল কিছু দিন। কিন্তু কেউ কাউকে ভালোবাসার কথা বলে না। তো হঠাৎ একদিন অনেক ফোনে কথার পর মিরা নাজমুলকে প্রশ্ন করল তো এখন কার সাথে প্রেম করেন। নাজমুল :কেন আপনার সাথে.? মিরা : আমি মজা করতাছি না আপনার সাথে! নাজমুল : আমি আপনাকেই পছন্দ করি। মিরা: সত্য বলছেন.? নাজমুল :সত্যি বলছি। মিরা : তাহলে বলেন তিন সত্যি। নাজমুল : হাজার সত্যি। মিরা : তাহলে কথাটা কাউকে বলতে পারবেন না। নাজমুল : আচ্ছা। মিরা: এমনকি আপনার বন্ধু আফ্রিদি কেউ না রুদ্র কেউ না। নাজমুল : আচ্ছা ঠিক আছে। মিরা: পিকনিকে যাবেন না.? নাজমুল : যাব। আপনি যাবেন না.? মিরা: না যাব না। নাজমুল : কেন যাবেন না। মিরা: কার সাথে যাব একা একা এলাকার কেউ ই যাবে না। রাতে কি আপনি আমাকে দিয়ে যাবেন আমার বাড়িতে...? নাজমুল : আমি তো আছি একা একা কেন.? প্রয়োজনে আপনার সঙ্গী হবে আমার কলিজার দুই চাচতো বোন। তবে আমি দিয়ে আসতে পারব না। মিরা: কেন। নাজমুল : কারন মানুষ কি বলবে স্যার কি আপনাকে আমার সাথে ছাড়বে। মিরা: না। তাহলে আমি পিকনিকে যাব না। নাজমুল : তাহলে আমি ও যাব না। মিরা : আচ্ছা। bye রাত দুইটা বাজে। নাজমুল : আমার ঘুম আসছে না। মিরা: আমারো তো ঘুম আসছে না। এভাবেই রাত তিনটা পর্যন্ত তাদের চ্যাটিং চলল। পরের দুই দিন পরেই সবাই পিকনিকে চলে গেল শুধু রয়ে গেল নাজমুল। তার খুব ইচ্ছে ছিল সেও যাবে সাথে যাবে মিরা। কিন্তু হল না তাদের পিকনিকে যাওয়া। স্কুল লাইফের শেষ পিকনিক টায় নাজমুল যেতে পারল না। সবার সাথে আনন্দ করতে পারল না। মনটা খারাপ থাকলেও কিছুটা আনন্দ ছিল মনের কোনো এক গহীন কোনে শুধু মিরাকে পাওয়ার আনন্দ। এভাবেই চলছিল তাদের ভালোবাসা। কিন্তু তারপরের দিন নাজমুলের মনে একটা সন্দেহ কোথায় থেকে যেন উড়ে এসে জুড়ে বসল। নাজমুল ভাবল কেন সে ভালোবাসার কথাটা গোপন রাখতে বলল কেন আফ্রিদিকে আর রুদ্র জানাতে না করল। নাজমুলের সাথে আফ্রিদির আর রুর্দ্রর অনেক বিশাল বন্ধুত্ব। তারা জানলে কি এমন ক্ষতি হবে। এই ভাবনায় তার দুই একটা দিন পার হল। কিন্তু তার বন্ধু আফ্রিদি আর রুর্দ্রকে কে একা একদিন এক জায়গায় দেখা করতে বলল নাজমুল। তাই করল তারা দুইজন। তখন নাজমুল বলল বন্ধু I am very very sorry . তখন রুদ্র বলল কেন কি হইঝে বল আমাদের কে। নাজমুল : আমি একটা কথা তদের কাছে থেকে লুকিয়েছি। রুদ্র: কি এমন কথা বল আমাদের কে। নাজমুল : আমি একটা মেয়ের সাথে প্রেম করি। রুদ্র: কি! তাহলে এখন মিষ্টি খাওয়া পরে বাকি সব কথা। নাজমুল : আগে শুন তারপর মিষ্টি খা। রুদ্র: বল তাহলে। নাজমুল :মেয়েটা তদের এলাকারই একটা মেয়ে। রুদ্র: কি বলছিস। আমরা জানি না। নাম বল তাড়াতাড়ি। নাজমুল : দাড়া এত তাড়া কিসের তদের। রুদ্র: বল তাহলে। নাজমুল : মেয়েটার নাম মিরা। রুদ্র : না! না! না! এটা হয় না বন্ধু। নাজমুল : কেন রে। রুদ্র : কারন ঐ মেয়েটা আমার খালাতো ভাইয়ের সাথে প্রেম করে। নাজমুল : কি বলছিস তুই এগুলো। রুদ্র : হ্যা রে পাগল। নাজমুল : আচ্ছা ছেলেটার নাম কি? রুদ্র: ছেলেটার নাম মেহেদী। নাজমুল : বাড়ি কোথায়? রুদ্র: বাড়ি হচ্ছে চানপুর। নাজমুল : কোন ক্লাসে পড়ে রে ছেলেটি? রুদ্র: মেহেদিও পড়ে নবম শ্রেনিতে। নাজমুল : আচ্ছা ছেলেটার সাথে কি আমার কথা বলিয়ে দিতে পারবি? রুদ্র: আচ্ছা একটু পরেই ফোন দিবে মেহেদী আমাকে। নাজমুল : সত্যি বলছিস কি না মিথ্যা? রুদ্র : সত্যি বলছি। কিছুক্ষন পরই মেহেদী ফোন দিল রুদ্রকে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৫০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ছলনাময়ী ভালোবাসা--০২

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now