বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
যাক, অবশেষে কাজটা আপনিই শুরু করলেন। আমি তো ভেবেছিলাম, এ জনমে এখানে আর কোনো বাড়িঘর হবে না।’
কিছুটা অনিচ্ছা সত্ত্বেও লোকটার দিকে তাকালাম আমি। কুচকুচে কালো কাচের একটা চশমা পরেছেন তিনি। কারণও আছে, বেশ ঝাঁঝাল রোদ উঠেছে আজ। দেখা যাচ্ছে না তাই চোখ দুটো। দাঁতগুলো তরমুজের বিচির মতো খয়েরি, তবে সবই যথাস্থানে আছে এবং বেশ শক্তভাবেই আছে। নাকটা তরতরে, আগায় লম্বা কিছু পশম দাঁড়িয়ে আছে সজারুর কাঁটার মতো।
অনেকের কানে থাকে, ওনার নেই। সামনের হালকা হয়ে যাওয়া চুলে একেবারেই বিশেষত্বহীন চেহারা। তবে থুতনির ডান পাশে গর্ত হয়ে যাওয়া দাগটায় কিছুটা রূঢ় দেখাচ্ছে। এই গরমের মাঝে গলায় ঝুলানো মাফলারে মনে হচ্ছে শঠ, একেবারে ধূর্ত।
আমি নিশ্চিত, পুরোপুরি একজন দালাল তিনি- হয়তো কোনো ইটের ভাটার, কিংবা রড-সিমেন্টের দোকানের, অথবা কোনো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের। এখনই বলে উঠবে, ‘স্যার, আমাদের ভাটায় সবচেয়ে ভালো ইট তৈরি হয়, খাঁটি এক নম্বর ইট, একটু দেখবেন?’
তা বললেন না তিনি। মাথা নিচু করে হাত বুলাতে লাগলেন থুতনির কাটা দাগটায়। বেশ কিছুক্ষণ এভাবে থাকার পর সোজা হয়ে বসলেন। আমার দিকে তাকালেন সরাসরি। কালো চশমার ওপাশে তার চোখ দুটো দেখতে না পেলেও ওগুলোর চঞ্চলতা টের পেলাম। একটু নেমে আসা চশমাটা চোখের সঙ্গে ঠেসে দিয়ে বললেন, ‘এখানে আগেও অনেকে বাড়ি করতে চেয়েছে।’ একটু থেমে বললেন, ‘পারেনি।’
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now